RSS

Thursday, October 29, 2009

মোবাইল ফোনের যতœ

প্রিয়জনের সাথে যোগাযোগের জন্য রয়েছে নানা মাধ্যম। তবে আপনাকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় এ সব মাধ্যমের মধ্যে কোনটি অত্যাধুনিক এবং দৃষ্টিনন্দন, তাহলে আপনি চোখ বন্ধ করে বলে উঠবেন- মোবাইল। প্রয়োজনীয় এই জিনিসটি অনেকদিন ধরে কার্যকর রাখতে যতœ আত্তির কোন বিকল্প নেই। দক্ষ হাতে যতœ করলে আপনার সেটটি শুধু কার্যকরই নয়, নজর কাড়া থাকবে অনেকদিন ধরে। যে জিনিসটি যোগাযোগের ক্ষেত্রে দিচ্ছে বন্ধু সুলভ সুবিধা, তার নাম মোবাইল ফোন। এদেশে প্রথম যখন মোবাইল ফোনের প্রচলন হয়, তখন শহরে গুটি কয়েক মানুষের হাতে দেখা যেত কেবল। তাও উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা স্থানীয় লোকজনের হাতে। নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে হোক কিংবা ব্যয় বহুলতার জন্যই হোক, গ্রামের পর গ্রাম ঘুরেও কোন মোবাইলের সন্ধান মিলতো না। কিন্তু এখন শহরে সবার হাতে হাতে তো বটেই, এমনকি নিভৃত গ্রামেও প্রায় সবার হাতে শোভা পায় মোবাইল। তরুণ-তরুণীদের কাছে মোবাইল শুধু প্রয়োজনীয়ই নয়, বিশেষ ফ্যাশনও বটে। যে কোনো প্রয়োজনীয় জিনিসেরই সঠিক যতœ না নিলে তা অনেকদিন ধরে সচল থাকে না। বিশেষ করে কল-কব্জার জিনিস। এ দৃষ্টিকোণ থেকে মোবাইলের সঠিক যতœ নেয়া অতি জরুরী। সে যতেœর ধরণ কেমন হবে, তা হয়তো অনেকেই জানেন। তবে যারা জানেন না, কিংবা জেনেও প্রয়োগ করতে চান না, তাদের জন্য মোবাইলের যতœ আত্তির কিছু পদ্ধতি তুলে ধরা হলো-

বসার আয়োজন

প্রকৃতির বৈরি ভাব আর হিংস্র পশু-পাখিদের হাত থেকে বাঁচতেই মানুষ গুহায় বসবাস শুরু করেছিলো। আর সেই গুহায় বাস থেকে শুরু হয় ঘর তৈরির প্রয়োজনীয়তা। শুরুটা কেবলই দেয়াল আর ছাদ ঘেরা কোনো জায়গা হলেও বর্তমানে এই ঘরের সংজ্ঞাটা অনেকটাই পরিবর্তিত। মার্বেল করা মেঝে, রাফ টাইলসের দেয়াল আর নান্দনিক সব আসবাবের সমাহার ঘটে এখনকার ঘরগুলোতে। এতসব ফার্নিচারের মাঝ থেকে এসংখ্যার কড়চায় থাকছে বসার জন্য বিভিন্ন ফার্নিচার নিয়ে বিশেষ আয়োজন নিয়ে লিখেছেন এমএইচ মিশু

সুস্থ থাকতে মেডিটেশন

প্রতিদিনের জীবনে ভালো থাকার প্রয়োজনে শুধু যে দৌড়ঝাপ নয় বরং মনোজাগতিক চিন্তা চেতনার ভেতরেও উপলব্ধি ছড়িয়ে দেয়া যায় তা আজ প্রমাণিত। ফিটনেসের সেই অধ্যায় নিয়েই লিখৈছেন হাসান মাহমুদ

হয়তো পড়াশোনায় খুব চাপ যাচ্ছে আপনার। কিংবা অফিসের কাজ আর নানাবিধ টেনশন নিয়ে হয়তো প্রায়ই নির্ঘুম রাত কাটাতে হয় আপনাকে। কাজেই শরীরটা দিব্যি সুঠাম হলেও মনের রোগে যেন প্রতিনিয়তই কাবু হয়ে পড়ছেন আপনি। পরোক্ষভাবে যেটি হয়তো প্রভাবিত করছে আপনার জীবনযাত্রা আর শারিরীক সক্ষমতাকেও। অথচ শরীর ও মনের জন্য প্রতিদিন সামান্য একটু সময় আলাদা করে বরাদ্দ করেই কিন্তু আপনি নিজেকে করে তুলতে পারেন কর্মচঞ্চল ও চাঙ্গা। আর শরীর ও মনের জন্য উপকারী এমনই এক বিষয় হলো মেডিটেশন।

হঠাৎ একা থাকা

‘আমার দিনগুলো ছিল গুমোট। আর রাতগুলো ছিল নীরব। নিজের খুব আপন জেনে যে স্বপ্নগুলোকে এতদিন লালন করে এসেছি সেগুলোকে হঠাৎ করেই খুব অচেনা বলে মনে হচ্ছিল। রাত জাগা ভোরে কানপেতে আমি শুধু ভাঙ্গনের শব্দই শুনেছি। হয়তো আমার, ওর কিংবা আমাদেরও ছিল অনেক অভিমান। সেই অভিমানের প্রকাশ কিংবা ঝোঁকের মাথায় নেয়া সিদ্ধান্তগুলো হয়তো সবসময় ঠিকও ছিল না। কিন্তু ঝড়ের পরের এক রাতে ওর জানিয়ে দেয়া কথাগুলো যে শেষ পর্যন্ত সম্পর্কের দেয়ালটাকে ভেঙ্গে দেবে এমনটাই কি জানা ছিল?’- ডায়েরির পাতা জুড়ে কথাগুলো লিখতে লিখতে একসময় নিজের অজান্তেই চোখ থেকে পানি পড়তে থাকে শ্রাবন্তীর। আজ ৩ মাস ১৮ দিন হলো আকাশের সাথে তার বিবাহিত সম্পর্কের ইতি ঘটেছে। অথচ এই ক’দিনেও পুরোপুরি ভুলে থাকা যায়নি ফেলে আসা দিনের স্মৃতিগুলোকে। কিংবা বলা চলে পারপার্শ্বিক সময় আর পরিবেশ চাইলেও ফেলে আসা দিনগুলোকে অতীত হতে দেয়নি। হয়তো এ কারণেই আত্মীয় কিংবা বন্ধুদের কোনো আড্ডায়, নিমন্ত্রণে এখন আর যেতে ইচ্ছে করে না শ্রাবন্তীর। ইচ্ছে করে না কাছের মানুষদের অপ্রিয় প্রশ্নের মুখোমুখি হতেও। তার উপর ডিভোর্সের পরের এই সময়টায় নিজের চেনা বাবা-মা আর ভাই-বোনকেও কেমন যেন অচেনা বলে মনে হতে থাকে শ্রাবন্তীর। মা এখনো মনে করেন, শ্রাবন্তী আরেকটু সহনশীল হলেই নাকি টিকিয়ে রাখা যেতো সম্পর্কটাকে। তাহলে আকাশ এর কি কোনো দোষই ছিল না! আর ঘটনা যেভাবে যাই ঘটুক না কেন হঠাৎ একা হয়ে যাবার চাপটা কেন বইতে হবে শুধু শ্রাবন্তীকেই!

খাবারের সঙ্গে দাবার

খাবার যদি মুখরোচক হয় তখন কোন প্রকার অনুষঙ্গ ছাড়াই খেয়ে ফেলা যায় টপাটপ। কিন্তু মুখরোচক খাবারের সাথে যদি আরো কিছু দাবার যুক্ত করা যায় তাহলে ভোজ আয়োজন হয়ে উঠে পূর্ণাঙ্গ। এমনই কিছু ভর্তা, আচার নিয়ে এ সপ্তাহে কড়চা রেসিপিতে থাকছে খাবারের সঙ্গে কিছু উপাদেও আর সময় উপযোগী দাবার। রেসিপিগুলো দিয়েছেন সাকসেস ট্রেনিং সেন্টারের কর্ণধার ও রন্ধন বিশেষজ্ঞ আফরোজা জামান

নাকের যতœ

চুল, হাত, পা, ত্বক এ সব কিছুর যতেœর ব্যাপারেই আজকালকার মেয়েরা অনেক সচেতন কিন্তু সৌন্দর্যের অন্যতম অঙ্গ নাকের প্রতি আমাদের উদাসীনতা প্রায়ই লক্ষ্য করা যায়। চুল, চোখ, ঠোঁট, হাত, পা’র যতেœর পাশাপাশি নাকেরও সমান যতœ প্রয়োজন। এবারের রূপচর্চার আয়োজনে তুলনামূলক অবহেলিত এ ত্বকটির যতœ-আত্তি জানিয়ে দিচ্ছি আপনাদের।

চুলের জন্য দিওয়ানা

শুষ্ক চুল

০ যতোবার প্রয়োজন শ্যাম্পু করতে থাকুন। সপ্তাহে দু’বার রাতে অলিভ অয়েল লাগিয়ে সকালে শ্যাম্পু করে ফেলুন যা চুলের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।

০ চুলের পুষ্টির জন্য প্রোটিন সমৃদ্ধ কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।

০ চুল বেশি শুষ্ক ও ভঙ্গুর হলে নিয়মিত নারকেল তেল হালকা গরম করে ম্যাসেজ করুন। এতে করে চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন ভাল হবে।

০ শুষ্ক চুলের জন্য ভিটামিন ই, অ্যালোভেরা সমৃদ্ধ শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে।

০ তৈলাক্ত চুল শ্যাম্পু করার সময় হালকা করে ঘষুন। বেশি ঘষলে চুল তেল তেলে হয়ে যাবে।

০ ঘন ক্রিমের মতো শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না। প্লেইন শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। শ্যাম্পু দেখতে ট্রান্সপ্যারেন্ট হলে বুঝবেন এটা প্লেইন শ্যাম্পু।

০ কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে চুলের শেষ প্রান্তে লাগাতে পারেন।