RSS
Showing posts with label shopping. Show all posts
Showing posts with label shopping. Show all posts

Monday, September 19, 2011

সহকর্মীর বিয়েতে

শুরু হয়েছে বিয়ের মৌসুম। চারদিকে এখন শুধু বিয়ের ধুম। তবে যাঁর সঙ্গে একই অফিসে বসে কাজ করছেন তাঁর বিয়েতে যেনতেন উপহার দিলে কি চলে? নতুন সংসারে আপনার প্রিয় সহকর্মীর কী প্রয়োজন হতে পারে, তা একবার শুনে নিলে কিন্তু মন্দ হয় না। হতে পারে এই উপহার আপনি একাই দিচ্ছেন কিংবা সবাই মিলে দিচ্ছেন। তবে লক্ষ রাখতে হবে, তা যেন ব্যবহার উপযোগী হয়।

Monday, March 28, 2011

উত্তরায় বিশাল আড়ং

রাজধানীর একেবারে উত্তর প্রান্তে আড়ং চালু করল বিশাল এক শাখা। এটাকে আড়ং বলছে তাদের প্রথম ফ্ল্যাগশিপ আউটলেট। উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরে ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কে এই দোকান চালু হলো ২৫ মার্চ। ফ্ল্যাগশিপ আউটলেট বলতে খুচরা পণ্য বিক্রির যে প্রক্রিয়া তার মধে সর্ববৃহৎ, সবচেয়ে আকর্ষণীয় এবং সবচেয়ে বেশি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য আছে এমন শাখা বা দোকান, যেখানে থাকে পণ্যের বিপুল সমাহার।

Monday, May 31, 2010

রথ দেখা কলা বেচা

কাল ছুটির দিন। বেড়াতে যাব, তবে ঢাকার আশপাশে। কিন্তু সব পরিচিত জায়গাই ঘুরে দেখা শেষ। এক বন্ধু জানাল, খুব ভোরে বের হলে ঢাকা শহরের কাছেই ডেমরা জামদানির হাট ঘুরে আসা যায়। শাড়ি কেনা হবে, আবার বেড়ানোও হবে। অর্থাৎ রথ দেখা আর কলা বেচা দুটোই। যেই কথা, সেই কাজ। ভোর ছয়টায় স্ত্রীকে নিয়ে রওনা হলাম।
দিনটি ছিল শুক্রবার, ভোরবেলা রাস্তাঘাট ফাঁকা। মোটসাইকেল যেন উড়ে চলছে। মিরপুর থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যেই পৌঁছে গেলাম ডেমরা ঘাটে। একজন রিকশাচালকের কাছে জানতে চাইলাম, জামদানির হাট কতদূর। উত্তর মিলল, এই তো সামনে, নতুন যে সেতুটি হচ্ছে, এর বাঁ পাশ দিয়ে সামনে নদীর তীর ধরে একটু এগোলেই আহমেদ বাওয়ানী জুট মিল, পরেই বাওয়ানী উচ্চবিদ্যালয়। পাশেই হাট বসেছে শীতলক্ষ্যার তীরে।

Thursday, February 25, 2010

কাপড়ের রাজ্যে বিশাল আয়োজন

শুরু থেকেই সৈয়দ হোসেনের স্বপ্ন ছিল সাধারণ মানুষের কাছে তার সাধ্য অনুযায়ী পোশাক তৈরির কাপড় পৌঁছে দেয়া। অর্থাৎ বিশ্বজুড়ে সমাদৃত নানা ব্র্যান্ডের ফেব্রিক্স যা শাটিং স্যুটিং থেকে সাধারণ পোশাক তৈরিতে ব্যবহৃত হয় তা মানুষের কাছে যথার্থতা রেখে যোগ্যমূল্যে পৌঁছে দেয়ার স্বপ্ন দেখতেন এই মানুষটি। ক্রেতাদের কাছে সর্বাধিক পরিচিত এমন একজন মানুষ সৈয়দ হোসেন। ৯০’র দশকে তার সেই স্বপ্নযাত্রা শুরু। দুই দশকের স্বপ্ন যাত্রায় বর্তমানে তিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশে ফেব্রিক্স এবং টেইলারিং জগতে এক অনন্য প্রতিষ্ঠান ‘টপটেন’এর।

ঢাকার বিপণিবিতান: কোনটা কবে বন্ধ

ঢাকার নাগরিকদের যানজট থেকে সামান্য রক্ষা ও বিদ্যুত্সাশ্রয়ের জন্য সরকার নিয়েছে এক বিশেষ উদ্যোগ। রাজধানী ঢাকাকে সাতটি অঞ্চলে ভাগ করে দোকানপাট, বিপণিবিতান বন্ধের দিন নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব ৩ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভায় পাস হয়। মন্ত্রিসভার এ সিদ্ধান্ত ১৬ ফেব্রুয়ারি সরকারি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে এবং এখন তা কার্যকর হয়েছে।

Thursday, January 28, 2010

 শীতে মেঝেতে কার্পেট

শীতে পোশাক-পরিচ্ছদের পাশাপাশি গৃহসজ্জাতেও এসেছে খানিকটা পরিবর্তন। বাড়ির মেঝের ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচতে ধানমন্ডির বাসিন্দা ফারহানা আলম এসেছেন রাজধানীর অন্যতম কার্পেটের মার্কেট এলিফ্যান্ট রোডে। তিনি বলেন, শীতকালে কার্পেট বেশ আরামদায়ক। এ ছাড়া গৃহসজ্জায় একটি ভিন্নমাত্রা এনে দেয় কার্পেট। আর তাই কার্পেট কিনতে আসা।

Monday, January 18, 2010

শীতের পুরুষ সমগ্র

প্রকৃতির পালাবদলে শীত বহু আগেই তার আগমনী ধ্বনি জানিয়ে গেছে আমাদের। তবে এবারের শীতটা যে এতোটা জাঁকিয়ে বসবে সেটা অনেকের ভাবনাতেই ছিল না। আর তাই শীতের এই সময়টায় তাপমাত্রা যতো কমছে শীত পোশাকের প্রয়োজনীয়তাটাও যেন ততোটাই বাড়ছে। কড়চা’র এবারের আয়োজনে তাই জানিয়ে দেয়া হলো পুরুষদের জন্য হাল ফ্যাশনের কিছু শীত পোশাকের কথা।

স্টাইলের পূর্ণ আয়োজন

শহুরে মানুষদের আভিজাত্যের গড়ন দেখে অনুমান করা যায় এ শহরে ফ্যাশনেবল মানুষদের দৌরাত্ম প্রতিনিয়ত বেড়ে চলছে। ফ্যাশন বুঝি এখন গণমানুষের। পুরুষ কিংবা নারী যুবক কিংবা পৌঢ় সবাই ফ্যাশনের প্রতি ঝুঁকছেন প্রতিনিয়ত। ঢাকা শহরের প্রধান প্রধান ফ্যাশন হাউসগুলো ছাড়াও প্রতিনিয়তই তৈরি হচ্ছে ফ্যাশনের নতুন নতুন চমক। শহরে মানুষদের এই ফ্যাশনপ্রীতি প্রভাবিত করছে এদেশের ফ্যাশন শিল্পে জড়িতদেরকেও। তাই শহরময় গড়ে উঠছে নতুন নতুন ফ্যাশন হাউজ। এসব ফ্যাশন হাউজ এখন আর শুধু ফ্যাশনের কোনো বিশেষ অংশকে নিয়েই নয়, বরং ফ্যাশনের প্রায় সবগুলো বিভাগকেই ছুঁয়ে যায়। ঢাকার গুলশানে গড়ে উঠেছে এমনি একটি পূর্ণাঙ্গ ফ্যাশন হাউজ। এক ভবনে নিচতলা-দোতলা মিলে গড়ে উঠা এ ফ্যাশন হাউজটির নিচের অংশটি ফরচুনা আর উপরের অংশটি মানসা। ফরচুনা গ্রুপের এই ফ্যাশন আউটলেট নিয়েই আমাদের এবারে স্টাইলশপ। লিখেছেন এমএইচ মিশু।

ছবি আঁকার জিনিসপত্তর

আঙ্কেলের সাথে ঘুরতে এসেছে ছোট অপু। ঘুরতে আসার পিছনে তার একটা উদ্দেশ্য আছে। উদ্দেশ্যর কথা তার আঙ্কেল জানে না। যখন অপু আর আঙ্কেল নিউমার্কেট আসলো তখন সে বায়না ধরলো তাকে রঙ পেন্সিল কিনে দিতে। কিনে না দিলে সে বাসায় যাবে না। অপুর আঙ্কেল খুশি মনে তাকে রঙ পেন্সিল কিনে দিলো। বর্তমানে দেশের প্রায় স্কুলেই ‘চারুকারু শিক্ষা’ বিষয় অন্তর্ভুক্ত। বাচ্চাদের প্রয়োজনে কিংবা আনন্দদানের জন্য হোক এখন প্রায় সব বাবাই চান তাদের বাচ্চারা যেনো ছবি আঁকে। চারুকলার শিক্ষার্থীরা ছাড়াও শৌখিন শিল্পীরা বিভিন্ন সময় ছবি এঁকে থাকেন, পেন্টিংয়ের পূর্বশর্ত যেমন ড্রইং, তেমনি ছবি আঁকার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ। ছবি আঁকার উপকরণগুলো কী কী, এসব কোথায় কোথায় পাওয়া যায় তার দামই বা কেমন আসুন সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

Monday, January 4, 2010

হলুদ উৎসবের তত্ত্ব তালাশ

বিয়ের সবচেয়ে আকর্ষণীয় আর মজার দিক হলো গায়ে হলুদ। যত তোড়জোড় সবই থাকে এই হলুদবরণ উত্সবকে ঘিরে। কেননা বরের বাড়ি থেকে কনের বাড়িতে এবং কনের বাড়ি থেকে বরের বাড়িতে হলুদের তত্ত্ব পাঠাতে হয়। সেই তত্ত্ব দিয়েই সাজানো হয় বর-কনেকে। তাই তো গায়ে হলুদের দিন আগেই এসব সাজাতে বসে যান সবাই। কেউ ডালা-কুলা, কেউ বা সুন্দর মোড়কে মুড়িয়ে দিচ্ছেন উপহারসামগ্রী। অনেকে হাঁড়িতে রং করান। এসব হাঁড়ি হলুদের মঞ্চে, মিষ্টির পাত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আগের মতো সুটকেসে করে তত্ত্ব পাঠানোর রীতি কমে গেছে। বিয়ের সামগ্রীগুলোও এখন হলুদের তত্ত্বের সঙ্গেই পাঠানো হয়। সে জন্যই এখন এই তত্ত্ব সাজানোই শিল্পে রূপ নিয়েছে। বৈচিত্র্য ও নতুনত্ব আনার জন্য শুরু হয়ে যায় প্রতিযোগিতা।

Wednesday, December 30, 2009

বিস্তারে কিছুক্ষণ

সিঁড়ি দিয়ে উঠতেই নজরে পড়বে বিশাল ভাসে সাজিয়ে রাখা আর্ট ফ্লাওয়ার। এরপর ঘিয়ে রাঙা মেঝে আর কাঁচের বিশাল দরজা পেরুলেই বিস্তীর্ণ ‘বিস্তার’। দরজা ঠেলে ভেতরে যাওয়া পর্যন্তই হয়তো ক্রেতা নিজের পছন্দের লিস্টটা বহাল রাখতে পারবেন। এরপর আর কোনো লিস্টই আপনার কেনাকাটা দমিয়ে রাখতে পারবে না। থরে থরে সাজানো বিস্তারের বিষ্ময় আপনাকে ঘিরে ধরবে। সবকিছুতেই আপনি পাবেন ভিন্নতার ছোঁয়া

Tuesday, December 22, 2009

বড়দিনের উপহার, শুভেচ্ছা

‘ওই যে সান্তাক্লজ, আসছে উড়ে, তোমাকে, হ্যাঁ শুধু তোমাকেই শুভেচ্ছা জানাতে, বড়দিনের আনন্দঘন এ মুহূর্তে।’
বড়দিন আনন্দের দিন, প্রার্থনার দিন, পরস্পরকে শুভেচ্ছা জানানোর দিন। মনের খুশির বহিঃপ্রকাশ ঘটে উপহার ও কার্ডের মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়ে। হাতে বানানো অথবা দোকানের কার্ডগুলো এ ক্ষেত্রে বড় একটা ভূমিকা পালন করে।
বড়দিন উপলক্ষে কার্ডই সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। রকমারি শুভেচ্ছাবাণী ও রঙের বাহারে ইতিমধ্যেই দোকানের কার্ড শেলফগুলো পরিপূর্ণ। কার্ডের পাশাপাশি উপহার দিতে পছন্দ করেন অনেকেই। এ উপহার পেয়ে খুশি হয় প্রিয় মানুষটিও। পছন্দের তালিকায় রাখার মতো উপহারও পেয়ে যাবেন নানা দোকানে- ছবির ফ্রেম, মগ, গহনা, পুতুল। অনেকে অবশ্য বেছে নিচ্ছেন ছোট টেবিল ল্যাম্প অথবা মোমদানিও। বড়দিন উপলক্ষে আড়ং নিয়ে এসেছে লাল-সাদা ঝলমলে রঙের মোমবাতি। ‘উপহার হিসেবে চকলেটই আমার সব থেকে প্রিয়’ বলে জানালেন এখানে আসা ক্যাথরিন রোজারিও।
ব্যাগ, ঘড়ি, গানের সিডি, ডিভিডি প্রভৃতি উপহারসামগ্রীর তো শেষ নেই। তবে কাজে লাগে এমন কিছুই দিতে চান সিমি। এ কারণেই তিনি এবার বড়দিনে নতুন বছরের ডায়েরি উপহার দেবেন সবাইকে।

Sunday, November 29, 2009

 বিয়ের আয়োজন

শোরুমটিতে ঢোকার পথেই চোখে পড়বে দেশি পোশাকে চমত্কারভাবে সজ্জিত বর-কনে মূর্তির হাস্যোজ্জ্বল মুখ, যা আপনাকে বাঙালি সংস্কৃতির আনন্দঘন পারিবারিক উত্সব বিয়ের কথাই মনে করিয়ে দেবে।
২০ নভেম্বর চিরায়ত সংস্কৃতির বিয়ের পোশাক ও ঘর সাজানোর উপাদান নিয়ে ড্রেসিডেল নতুনভাবে যাত্রা শুরু করল ঢাকার গুলশানের রূপায়ণ গোল্ডেন এজে। ড্রেসিডেলের প্রধান নির্বাহী মায়া রহমানের মা সুফিয়া চৌধুরী শোরুমটির দ্বার উন্মোচন করেন।

Saturday, November 14, 2009

অভিধানের দরদাম

ি - কার, ী - কার, ু - কার, ূ - কার ইত্যাদি নিয়ে প্রায়ই বন্ধুমহলে তর্কযুদ্ধ পরিলক্ষিত হয়। যারা লেখালেখির পেশায় জড়িত তাদেরকে খেতে হয় বসের বকুনি। আর এ সবই হয় বানান সম্পর্কে না জানার কারণ। এ সব সমস্যা থেকে খুব সহজেই রেহাই পেতে পারেন যদি আপনার সংগ্রহে থাকে অভিধান বা ডিকশনারি।

Wednesday, October 28, 2009

 উপহারে থাকুক আন্তরিকতার ছোঁয়া

‘বয়োবৃদ্ধ শ্রদ্ধেয় কোনো ব্যক্তিকে উপহার দেওয়ার সময় তাঁর শখ ও পছন্দের বিষয়টি মাথায় রেখে এ ধরনের ব্যতিক্রমী উপহার দিলে তাঁর বাকি দিনগুলোতে বয়ে আনবে সুখস্মৃতি।’ বললেন আইডিয়াস ক্র্যাফটের স্বত্বাধিকারী নিপা খালেদ।
পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ কোনো সদস্যকে উপহার দেওয়ার ক্ষেত্রে সেটি তাঁর কী কাজে আসবে, তা ভেবে উপহার নির্বাচন করা উচিত। সে ক্ষেত্রে উপলক্ষের ওপরও নির্ভর করবে উপহারের ধরন। বাড়িতে নাতি-নাতনিরা মিলে অনেক সময় দাদা-দাদি বা নানা-নানির জন্মদিনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। সে ক্ষেত্রে মহিলা হলে দেওয়া যেতে পারে শৌখিন পানের কৌটো, চাবি রাখার ছোট বটুয়া, ছোট-বড় বিভিন্ন ধরনের হালকা ডিজাইনের ব্যাগ এবং পুরুষ হলে ঘরে পরার জুতা বা আরামদায়ক কোনো পোশাক।

Wednesday, September 16, 2009

জুতো কেনার টিপস্

০ বেল্টের জুতা হলে বকলেস ঠিক আছে কিনা, জিপার ঠিকমতো ছোটবড় করা যায় কিনা কিংবা প্রয়োজনের চাইতে এটি ছোট কিনা সেটি ভাল করে দেখে কিনুন।

০ জুতার ফিতার সংযোগস্থল টেকসই কিনা সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।

০ স্যান্ডেলে যদি পুঁতি কিংবা জরির মতো কোনো উপকরণের কাজ থাকে তাহলে এগুলো দীর্ঘস্থায়ী হবে কিনা কিংবা এই জুতা পায়ে দিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরে বেড়ানো যাবে কিনা সেদিকে খেয়াল রাখুন।

০ জুতার মাপ আপনার পায়ের সাথে মানানসই কিনা সেটি বোঝার জন্য সম্ভব হলে দোকানের মাঝেই কয়েক কদম হেঁটে দেখুন। এছাড়া জুতাটি আপনার পায়ে মানাচ্ছে কিনা সেটি আয়নায় দেখে নেয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

০ যারা উঁচু হিলের জুতা পরেন তারা হিল নির্বাচনের ক্ষেত্রে কতটা উঁচু হিল স্বাচ্ছন্দ্যে পরা যায় সেদিকে খেয়াল রাখুন। কেননা হিল মানানসই না হলে কোমর বা পিঠে ব্যথা হতে পারে।

০ বর্ষার দিনে ি পার জুতা কোনো সমস্যা তৈরি করবে কিনা অথবা পানি লাগলে এর স্থায়িত্ব কমে যাবে কিনা ইত্যাদি বিষয়গুলোও জুতা কেনার সময়ই ভাবুন।

Tuesday, September 8, 2009

ঈদে চাই পাঞ্জাবি

পাঞ্জাবি ছাড়া ঈদ ভাবা যায় না। তাই ঈদে চাই নতুন পাঞ্জাবি। দেশি ফ্যাশন হাউসগুলো বরাবরের মতো এবারও সাজিয়েছে তাদের পাঞ্জাবির পসরা। আর পাঞ্জাবিতে প্রতি ঈদে থাকে নতুন নকশা, নতুন রং।
পাঞ্জাবির কাপড়ে বেশির ভাগ নির্মাতা সুতি ও কিছুটা হালকা আবহকেই প্রাধান্য দিয়েছেন। তবে সিল্ক, কটন সিল্ক, খাদি, অ্যান্ডি প্রভৃতিও রয়েছে; সঙ্গে গাঢ় রংও। শর্ট পাঞ্জাবি এবার তরুণ প্রজন্েনর কাছে জনপ্রিয়।

গজকাপড়ের খোঁজে

কাপড় কিনে নিজস্ব পছন্দ অনুযায়ী পোশাক বানানোর ইচ্ছা যাঁদের, তাঁরা এখনই বের হতে পারেন গজকাপড়ের বাজারে। কাপড় কেনার পর এর সঙ্গে মিলিয়ে ওড়না কেনা কিংবা কাপড়ে লেইস, চুমকি, পাথরের কাজ করানো প্রভৃতি কাজের জন্য আবার দর্জিবাড়িতে যেতে হবে। কোথায়, কেমন দামে, কোন ধরনের কাপড় পাবেন, দেখে নিন এ আয়োজনে।

ঈদের উপহার

উপহার পেতে কার না ভালো লাগে। আর তা যদি হয় ঈদের, তবে তো কথাই নেই। সারা বছর আমরা যতই উপহার পাই না কেন, ঈদের উপহার মানেই অন্য রকম আনন্দ। আর তাই ঈদের আনন্দের ভাগাভাগিটা করুন প্রিয়জনকে উপহার দিয়েই।

Wednesday, June 10, 2009

বাইসাইকেল কিনুন

কৃষ্ণ কুমার সাহা
কৌশিকের বন্ধু আবির একটি নতুন বাইসাইকেল কিনেছে। সাইকেলটি তার খুবই পছন্দ হয়েছে। মা-বাবার কাছে এখন বায়না ধরেছে সেও এমন একটি বাইসাইকেল কিনবে।
বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া আহসান। টিউশনি করেন আজিমপুর ও গুলিস্তানে। সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় সময়মতো রিকশা পাওয়া ও রিকশাভাড়া নিয়ে। তাঁর এখন খুবই প্রয়োজন একটি বাইসাইকেলের। কোথা থেকে কিনবেন বাইসাইকেল?
সমস্যা হলো কৌশিকের বাবা ও আহসান দুজনের কেউ জানেন না কোথায় এবং কত দামে এ বাইসাইকেল কেনা যাবে।
বাজারে বিভিন্ন ধরনের বাইসাইকেল পাওয়া যায়। বড়দের প্রচলিত বাঁকা হ্যান্ডেল, সোজা হ্যান্ডেল, স্পোর্টস এবং ছোটদের সাইকেল পাওয়া যায়। এ প্রসঙ্গে বংশালের আনোয়ার সাইকেল স্টোরের মালিক আনোয়ার হোসেন বলেন, বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির, বিভিন্ন দামের বাইসাইকেল কিনতে পাওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে দেখে-শুনে ভালো জিনিসটি সবার গ্রহণ করা উচিত।
বাজারে বড়দের সাইকেলের মধ্যে চায়না ফনিক্স ডাবল বারের সাইকেলের দাম ৬২৫০-৬৪৫০ টাকা। সাইকেলের উচ্চতা নির্ধারিত হয় এর চাকার মাপে। চীনের ফনিক্স সিঙ্গেল বার ২৮ ইঞ্চির দাম ৫০৫০-৬২৫০, ভারতের হিরো জেড ২৮ ইঞ্চি ৪৩০০-৪৪০০ (সিঙ্গেল বার ও ডাবল বার), ভারতের হিরো রয়েল ২৮ ইঞ্চি ৪৪০০-৪৫০০ (সিঙ্গেল বার ও ডাবল বার), হিরো জেড মাস্টার ২৬ ইঞ্চি ৪৪০০ টাকা এবং এটি সিঙ্গেল বার সাইকেল।
আবার ফনিক্স বাংলাদেশি ২৮ ইঞ্চি সিঙ্গেল বার ও ডাবল বার যন্ত্রাংশভেদে দাম ৩৬০০-৪০০০ টাকা। দেশি হিরো সিঙ্গেল বার ও ডাবল বারভেদে দাম ৩২০০-৩৭০০ টাকা।
এগুলো ছিল সব বাঁকা হ্যান্ডেলের ব্র্যান্ডের নাম ও দাম। সোজা হ্যান্ডেলের ব্র্যান্ডের মধ্যে হিরো রেঞ্জার ম্যাক্স ২৬ ইঞ্চি সাইকেলের দাম ৫০৫০ টাকা। এটি ভারতের সাইকেল। আর চীনের রেঞ্জার ম্যাক্স ২৬ ইঞ্চি সাইকেলের দাম ৪৫০০ টাকা। আবার চীনের ফিটু স্টার একটি সাইকেলের দাম ৪৫০০-৬৫০০ টাকা। এটির বিশেষত্ব হলো, এটিতে আছে মোটরসাইকেলের মতো গিয়ার এবং স্প্রিং সিস্টেম। আর এর মডেলের ওপর দাম নির্ধারিত হয়। আবার বাচ্চাদের সাইকেলের বিভিন্ন প্রকারভেদ রয়েছে। আট থেকে ১২ বছরের বাচ্চাদের জন্য বিএসএক্স ২০ ইঞ্চি বাংলাদেশি সাইকেলের দাম ৩৩০০ টাকা এবং বিএমএক্স ২০ ইঞ্চি চীনা বাইসাইকেলের দাম ৩৮০০-৪৫০০ টাকা।
আবার পাঁচ থেকে আট বছরের বাচ্চাদের জন্য ১৬ ইঞ্চি বিএমএক্স চীনা বাইসাইকেলের দাম ৩৩০০-৪০০০ টাকা। আর তিন থেকে ছয় বছরের বাচ্চাদের জন্য ১২ ইঞ্চি বিএমএক্স চায়না বাইসাইকেলের দাম ২৮০০-৩৫০০ টাকা। স্পোর্টস সাইকেল ২৭ ইঞ্চির দাম ৬০০০-৭৫০০ টাকা। আর ২৭ ইঞ্চি তাইওয়ান ওয়ামা বাইকের দাম ৭৫০০ টাকা।
কোথায় পাবেন: বাইসাইকেলের সবচেয়ে বড় বাজার হচ্ছে ঢাকার বংশাল। এ ছাড়া সায়েন্স ল্যাবরেটরি, সায়েদাবাদ, উত্তরা, ধানমন্ডি, টঙ্গী বাজার এবং ঢাকার বাইরে বড় বড় শহরে বাইসাইকেল পাওয়া যায়। সাইকেল মূলত ভারত, চীন, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, কোরিয়া প্রভৃতি দেশ থেকে আমদানি করতে হয় বলে এর মূল্যও বেশ চড়া।