RSS
Showing posts with label biye. Show all posts
Showing posts with label biye. Show all posts

Monday, December 26, 2011

বিয়ের আগে মানসিক প্রস্তুতি

বিয়ে মানেই নানা ধরনের প্রস্তুতি। আয়োজন চলতে থাকে দিনের পর দিন। এসব প্রস্তুতির তোড়জোরে হয়তো বর-কনের মনের খবর জানার অবকাশ হয় না। অনুষ্ঠান আয়োজন কিংবা আনুষঙ্গিক বিষয়ে আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এসবের সঙ্গে যে বর-কনের মানসিক প্রস্তুতির দরকার হয়, তা অনেকেই জানেন না।

Tuesday, December 20, 2011

বিয়ের আগের প্রস্তুতি

বিয়ের প্রজাপতি এরই মধ্যে যাঁদের আশপাশে ঘোরাঘুরি করছে, তাঁরা ধরেই নিন বিয়ের ফুল এই ফুটল বলে! বিয়ের দিনটায় নিজের সেরা রূপে হাজির হতে চাইলে এখন থেকেই চাই প্রস্তুতি। সুষম খাবার, দিনের কিছুটা সময় একটু হালকা ব্যায়াম আর একটা রূপ রুটিন...ব্যস, এতেই যথেষ্ট।

সাধ আর সাধ্যের সমন্বয়

বিয়েতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে বাজেট ব্যবস্থাপনা। বিয়েতে যেহেতু খরচাপাতির বিষয় থাকে, তাই অবশ্যই প্রতিটি কাজ পরিকল্পনা অনুযায়ী বাজেট করে করতে হবে। ‘যেকোনো ব্যবস্থাপনা করার ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—পরিকল্পনা, সংগঠন ও নিয়ন্ত্রণ, মূল্যায়ন।

Monday, October 10, 2011

মা-বাবার আবার বিয়ে

বিচ্ছেদ কিংবা মৃত্যু। প্রিয়জনকে হারিয়ে জীবন অনেকটা স্থবির হয়ে পড়ে। তবু থেমে থাকে না জীবন। চলে যায় অমোঘ নিয়মে। এই চলার পথেই হয়তো প্রয়োজন পড়ে নতুন সঙ্গীর। অনেকেই এ সময় সন্তানের কথা ভেবে সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগেন। সন্তান, নাকি নিজের জীবন—কোনটা প্রাধান্য দেবেন। নতুন সঙ্গীকে সব সময় মেনে নিতে পারে না সন্তান। আর সেখান থেকেই শুরু হয় তার মানসিক টানাপোড়েন।

Monday, September 19, 2011

সহকর্মীর বিয়েতে

শুরু হয়েছে বিয়ের মৌসুম। চারদিকে এখন শুধু বিয়ের ধুম। তবে যাঁর সঙ্গে একই অফিসে বসে কাজ করছেন তাঁর বিয়েতে যেনতেন উপহার দিলে কি চলে? নতুন সংসারে আপনার প্রিয় সহকর্মীর কী প্রয়োজন হতে পারে, তা একবার শুনে নিলে কিন্তু মন্দ হয় না। হতে পারে এই উপহার আপনি একাই দিচ্ছেন কিংবা সবাই মিলে দিচ্ছেন। তবে লক্ষ রাখতে হবে, তা যেন ব্যবহার উপযোগী হয়।

Monday, January 24, 2011

গায়ে হলুদ

বাংলাদেশসহ ভারতীয় বিয়ের আগে যেসব আনুষ্ঠানিকতা রয়েছে, তার অন্যতম প্রধান একটি হলো গায়ে হলুদ। বাংলাদেশে আবহমান কাল থেকে পালিত হয়ে আসছে এই রীতি। তবে, বর্তমানে যেমন জাঁকজমকপূর্ণভাবে গায়ে হলুদ পালিত হয়, প্রাচীনকালে সেভাবে পালিত না হলেও বিয়ের আগের অন্যতম একটা প্রধান অনুষ্ঠান হিসেবে গায়ে হলুদের ঐতিহ্য সহস্র বছরের পুরোনো। প্রায় ৪ হাজার বছর আগে থেকে মশলার পাশাপাশি প্রসাধনী হিসেবে হলুদের ব্যবহার হয়ে আসছে। হলুদের গুণ হচ্ছে এটি সানস্ক্রিন হিসেবে কাজ করে এবং ত্বকের পিএইচ নিয়ন্ত্রণ করে। কাঁচা হলুদ অ্যান্টিসেপটিক হিসেবেও কাজ করে।

বিবাহ সামগ্রী

বিবাহ সামগ্রীর তালিকায় আছে কসমেটিকস, বেল্ট, মানিব্যাগসহ নানা খুঁটি-নাটি জিনিস। বিয়ের এসব উপকরণের হদিস করতে বিভিন্ন দোকানে ছুটোছুটি করে ঘাম ঝরাতে হয়। তাই বিয়ের টুকি-টাকি সামগ্রীগুলোর দেখা কোথায় পেতে পারেন তা জানিয়ে দেওয়া হলো_

শপিং গাইড

বিয়ের শপিং সবার জন্য আনন্দের বন্যা বয়ে আনে। উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে করা হলেও অভিজ্ঞ এবং বয়োজ্যেষ্ঠদের মতামত ও পরামর্শ এখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কোনো জিনিস কি পরিমাণে এবং কার কার জন্য কিনতে হবে এসব আগে থেকে স্থির করা না হলে পরে এ নিয়ে জটিলতা ও মান অভিমানের জন্ম নেওয়াটা বিচিত্র কিছু নয়। তাই সবকিছু বিচার বিশেস্নষণ করে কিভাবে বিয়ের শপিংকে সার্থক করা যায়, তার জন্য কিছু টিপস এখানে দেওয়া হলো_

হানিমুন

দুজন নর-নারী বিয়ের স্বগর্ীয় বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর পরস্পরকে জানতে ও বুঝতে পারার জন্য কিছু সময় লোকচক্ষুর অন্তরালে নিজেদের একান্ত সানি্নধ্যে কাটাতে চায়। এ থেকেই হানিমুনের ধারণার উদ্ভব। পাহাড়ের উষ্ণতায় কিংবা সমুদ্রের গর্জনে স্নাত সৈকতে কিংবা অরণ্যের বিচিত্রতায় রহস্যময় মনের অতলে ডুব দিয়ে মণি-মুক্তা তুলে আনার প্রয়াসে নিজেদের হারিয়ে ফেলার উদ্দেশ্যেই বর কনের হানিমুন যাত্রা।

স্মৃতি ধরে রাখুন

বিয়ে বোধকরি মানুষের আদিমতম ও সবচেয়ে সচল একটি মানবিক প্রয়োজন, যা পরিবার নামক প্রতিষ্ঠানটিকে সবচেয়ে সংহতি দেয় এবং তৈরি করে বন্ধন। তাই এ আয়োজনে থাকবে উৎসব মুখরতা_ এ যেন এক চিরায়ত প্রথা। তাই বিয়ের দিনের স্মৃতি ধরে রাখতে চায় প্রত্যেকেই। কিছু মধুর মুহূর্ত ফ্রেমবন্দি থাকলে শেষ জীবনে তা এনে দিতে পারে প্রশান্তি আর স্মৃতি রোমন্থনের আয়েশ। তাই বিয়ের সময়কার মুহূর্তগুলোকে ছবি বা ভিডিওর মাধ্যমে ডিজিটাল বলয়ে বন্দি করতে পারলেঃ

বাবুর্চি বাড়ি'র খোঁজখবর

বিয়ে উৎসবকে অনেকে বলেন খাওয়াদাওয়ার উৎসব। আর বলার তো যথেষ্ট কারণও রয়েছে। কারণ, বিয়ের প্রতিটি আয়োজনেরই অন্যতম একটি অংশ হচ্ছে খাওয়াদাওয়া। এনগেজমেন্ট থেকে শুরু করে বৌ-ভাত পর্যন্ত অতিথিদের খুশি করার অন্যতম হাতিয়ার এই খাওয়া। অনুষ্ঠান শেষে অতিথি বিদায় নেওয়ার সময় বর অথবা কনে বিশেষ করে বর একটি কমন প্রশ্ন ছুড়ে দেন। তা হলো 'খাওয়া ভালো ছিল তো'। এই প্রশ্নের ইতিবাচক একটি উত্তর আশা করেন সবাই। তবে শুধু আশা করলেই তো আর হবে না। ভালো খাওয়ার জন্য চাই ভালো রাঁধিয়ে। আপনাদের এই সমস্যার ওজন খানিকটা কমাতে দেওয়া হলো কিছু নির্বাচিত বাবুর্চি বাড়ির খোঁজখবর-

বাসর সজ্জা

বিয়ে করা কিংবা করানো, দুটো কাজই আসলে ছোট ছোট অনেকগুলো কাজের সংমিশ্রণ। এর সবগুলো কাজে সবার অংশগ্রহণ না থাকলেও সবাই মিলে কাজ করার যে মজাটা তা কিন্তু আসলেই উপভোগ্য। ইন্টেরিয়র লিখতে এসে এসব কথা বলার কারণ হলো, যেহেতু দৈনিক ইত্তেফাক আপনার প্রিয় পত্রিকা, তাই কড়চা'র এই আয়োজনে আমরা বিয়ের সাথে ইন্টেরিয়র সংশিস্নষ্ট কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। জীবনে একবারই বিয়ের আমেজ উপভোগ করেন সবাই। পুরো বিয়ে অনুষ্ঠানের সবকিছু হয়তো বর-কনেকে ওভাবে ছুঁয়ে যায় না। তবে, একটা জিনিস কিন্তু তাদের মনে বাজবে সারা জীবন। আর সেটা হচ্ছে বাসর রাতের কথা।

বিয়ে বাড়ির আল্পনা

বিয়ে বাড়িতে উৎসব-আমেজ বাড়িয়ে দেয় সাজ-সজ্জা আর আলপনা। বিয়ে বাড়ির সমস্ত আয়োজন উৎসবমুখর হয়ে ওঠে আলপনা অাঁকার মাধ্যমে। আলপনা অাঁকার জন্য দক্ষ প্রফেশনাল আর্টিস্ট পেতে পারেন আপনি নিউ এলিফ্যান্ট রোড, কাটাবন, গুলশান, শাহবাগ ইত্যাদি জায়গার বিয়ের সাজ-সজ্জার দোকানগুলোতে। হলুদের স্টেজ ও সাজসজ্জার ককশিট এসব জায়গায় ভাড়ায় পাওয়া যায়। আলপনা আকার জন্য শিল্পীকে দিতে হয় নির্দিষ্ট অংকের সম্মানী। বিয়ে বাড়িতে আলপনা অাঁকার কাজটি করা হয় রাতের বেলা।

বিয়ের গাড়ি

বিয়ের দৃশ্য কল্পনা করতে গেলে আমাদের মনের মানস পটে ভেসে ওঠে একটি পালকির চিত্র। ছয়জন বেহারা কাঁধে করে বয়ে নিয়ে যাচ্ছেন পালকিটি। আর পেছনে পায়ে হেঁটে হেঁটে যাচ্ছেন বরযাত্রীরা। এটা অনেক পুরোনো গ্রামবাংলার বরযাত্রার চিত্র। কিন্তু এখন সময় পাল্টেছে। পাল্টেছে যাতায়াতের মাধ্যমও। সময়ের পটপরিবর্তনের ফলে আধুনিকায়নের ছোঁয়া লেগেছে মানব জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে। এখন বরযাত্রা হয় গাড়িতে করে। এমনকি হেলিকপ্টারে করে যাওয়াও কল্পনাতীত নয়। বিয়েতে যাতায়াতের জন্য কী ধরনের গাড়ি ব্যবহূত হয় এবং তার খরচ ও খোঁজখবরের বিস্তারিত জানাতেই এই আয়োজন_

প্রাইভেটকার

সাধারণত বরকে বহনের জন্য প্রাইভেটকারই বহুল প্রচলিত। যারা ভাড়ার প্রাইভেট কার ব্যবহার করতে চান, তাদের জন্য টয়োটার নর্মাল প্রাইভেটকারগুলোই সহজলভ্য। সাধারণমানের এই প্রাইভেটকারগুলোর ভাড়া প্রতিদিন পনের'শ থেকে দুই হাজার টাকার মধ্যে। তবে, যাদের আর্থিক সচ্ছলতা বেশি তারা অনেকেই একটু বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহার করতে চান। বিলাসবহুল গাড়িগুলোর ভিতরে ঢাকা শহরে ভাড়া পাওয়া যায় মার্সিডিস বেঞ্চ, মিৎসুবিসি ল্যান্সার জিএল এক্স, টয়োটা করোলা জিএক্স ইত্যাদি এই গাড়িগুলোর ভাড়া প্রতি ১০ ঘন্টার জন্য ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে এ ছাড়া জিপ গাড়ির ভেতরে পাওয়া যায় টয়োটা প্রাডো, হ্যারিয়ার, পাজেরো ইত্যাদি।

আয়োজনের খুঁটিনাটি

কথায় আছে 'বিয়ে মানে এক লক্ষ একটা কথা'। কারণ নানা জনের নানা মত। কথাগুলো যে অকারণে সৃষ্টি হয় তা কিন্তু না। নানা ঝামেলার সমাধান করতে গিয়েই এসবের আবির্ভাব। বিয়ের আয়োজন মোটেও স্বস্তিকর নয়। এই বিশাল ঝামেলার সমাধানকে কিছুটা শৃঙ্খলাবদ্ধ করতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরার চেষ্টায় এই আয়োজন_

বিয়ের সাজে ফুল

হলুদ গাঁদা আর লাল গোলাপ, সঙ্গে সুই-সুতার গাঁথুনি। তৈরি করা হতো গায়ে হলুদের গহনা। ফুল ছাড়া এ অনুষ্ঠান যেন অসম্পূর্ণ। এখন ফুলের ব্যবহারে বৈচিত্র্য এলেও এর আবেদন কমেনি। কনের হলুদের গহনা যে ফুলেরই হতে হবে। তবে, গাঁদা বা গোলাপের পাশাপাশি আরো অনেক নতুন ফুল দিয়ে এখন গহনা তৈরি হচ্ছে।

মেকআপ গাইড

যেকোনো ধরনের মেকআপ লাগানোর আগে অবশ্যই ভালো করে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। ত্বকে মসৃণতা আনতে হালকা ভাবে ময়েশ্চারাইজার ঘষে নিয়ে তারপর অন্য যেকোনো কসমেটিকস অ্যাপস্নাই করতে হবে। প্রথমেই ত্বকের চেয়ে হালকা উজ্জ্বল কোনো ফাউন্ডেশন দিয়ে সারামুখ, চোখ, নাক সব জায়গায় লাগিয়ে নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে মুখের কোথাও ভাজ বা দাগ থাকলে সেখানে অবশ্যই ভালো করে ফাউন্ডেশন প্রয়োগ করতে হবে। ঘাড়ে ব্যবহারের জন্য ওয়েল ফ্রি ফাউন্ডেশন সবচেয়ে উপযুক্ত কেননা সেটা গরমেও অনেকক্ষণ পর্যন্ত স্থায়ী হয়। ম্যাট ফাউন্ডেশন আমাদের দেশের আবহাওয়ায় ত্বকের জন্য সবচেয়ে ভালো।

বিয়ের শাড়িঃ

বাহারি রঙ আর কারুকাজের শাড়ির সমাহার বিয়েতে অন্যরকম মাধুর্য নিয়ে আসে। নববধূ কোন শাড়ির আঁচলে মুখ লুকিয়ে তার স্বপ্নের রাজপুত্রের কাছে যাবে, তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয় বিয়ের কথা পাকাপাকি হওয়ার পর থেকেই। বাঙালি নারীদের ব্যক্তিত্বের সঠিক প্রকাশ পায় শাড়িতেই। এ ছাড়া শাড়িতে নারীকে যত কামনীয়, মার্জিত, ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য ও সৌন্দর্যমন্ডিত মনে হয়, অন্য কিছুতেই তা পাওয়া যায় না। বিয়ের শাড়ি হতে পারে বেনারসি কিংবা সিল্কের।

ত্বকের যত্ন

ত্বককে সতেজ ও সজীব আর মোলায়েম রাখতে বিয়ের মাসখানেক আগে থেকেই প্রতিদিন ৩-৪ বার করে ওয়াটার বেইজড ময়েশ্চারাইজার লাগানো উচিত। গরমের দিনে বাইরে যাওয়ার সময় অবশ্যই সানস্ক্রিন লোশন মাখতে হবে। রোদের তীব্রতা থেকে ত্বককে রক্ষা করার জন্য, মুখ ধোয়ার সময় অবশ্যই সোপ ফ্রি ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে হবে। কারণ, সাবানের ক্ষার ত্বককে শুষ্ক আর রুক্ষ করে ফেলে। গরমের সময় অয়েলি কসমেটিকস ব্যবহার করলে ঘামের প্রকোপ বেড়ে যায়। তাই এ জাতীয় যেকোনো কসমেটিকস থেকে একশ হাত দূরে থাকুন। আফটার শাওয়ার স্পস্নাশ, ডিওডরেন্ট, পারফিউম ব্যবহারে মুক্ত হস্ত হতে হবে কেননা সবসময় নিজেকে ফ্রেশ রাখাটা এ সময় খুব জরুরি, শরীরের যেসব স্থানে অতিরিক্ত ঘাম হয় সেখানে সুগন্ধী ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করুন।

বরের প্রস্তুতি

বিয়ের জন্য নানা পোশাক
বিয়ের দিনের সাজ-পোশাকটা সবাই চায় এমন হোক যেন তা পাত্রের ব্যক্তিত্বের সুষ্ঠ বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। ফ্যাশন দুনিয়ার নিত্যনতুন ডিজাইন আর স্টাইলের বিয়ের পোশাকের বৈচিত্র্য চিরায়িত পোশাকভাবনাতে অনেক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। বিয়ের আগে ও পরের বিভিন্ন অনুষ্ঠান যেমন_এনগেজমেন্ট, গায়ে হলুদ, বিয়ের দিন ও বৌভাতে কিভাবে প্রায় কাছাকাছি ধরনের কিন্তু অনুষ্ঠানের ভাব গম্ভীরতার সাথে মিল রেখে পোশাক পরিকল্পনা করতে হবে, সে বিষয়ে ফ্যাশন ডিজাইনারদের বিস্তর গবেষণার ফসল হিসেবে নতুন অনেক ট্রেন্ড এখন বাজারে প্রচলিত।