RSS
Showing posts with label Tourism. Show all posts
Showing posts with label Tourism. Show all posts

Saturday, January 15, 2011

সুস্থ থাকুন ভ্রমনে

এখন চলছে ভ্রমনের মৌসুম। এই লেখা যখন আপনার হাতে - হতে পারে আপনি তখন ব্যাগপত্র গুছিয়ে ভ্রমনে। হতে পারে বাসে কিংবা ট্রেনে। অথবা প্রস্তুুতি নিচ্ছেন বেরিয়ে পড়বার। শীত ভ্রমনের জন্য উপযুক্ত সময়। তবে ভ্রমনে হতে পারে অনেক ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা। অসুখ বিসুখে ভ্রমনের আনন্দটাই যেন মাটি না হয়ে যায় তার জন্য কিছু ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

Sunday, November 28, 2010

সবুজে নির্জনে

অকস্মাৎ নীরবতা। কারও যেন আর কিছু কইবার নেই। চারপাশ কী দারুণ নীরব নিস্তব্ধ! এমনকি পুরো পথ সরব ছিল যে পথপ্রদর্শক তরুণ, তার মুখেও রা নেই। অতি অসাধারণ কোনো দৃশ্যের সামনে দাঁড়িয়ে হুট করে চুপ হয়ে যাওয়াটাই সম্ভবত নিয়ম। চালক স্পিডবোটের গতি কমিয়ে এনেছে কোন ফাঁকে। আমরা চোখ দিয়ে গিলছি চারপাশের অবিশ্বাস্য সুন্দর। দূরে ওই উঁচুতে উঁকি দিচ্ছে ঘন সবুজ পাহাড়ের সারি। কুয়াশার মতো মেঘ ভর করে আছে পাহাড়ের মাথায়। নিচ দিয়ে বয়ে গেছে সারি নদীর অপরূপ জলরাশি।

Friday, March 26, 2010

সমুদ্রে ভোজনবিলাস

কক্সবাজারের সৈকতে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত তো অনেক দেখা হয়েছে। কখনো কি গভীর সমুদ্রের মাঝ থেকে দেখা হয়েছে এসব দৃশ্য? এখন এ সুযোগ করে দিয়েছে ‘কেয়ারি ক্রুজ অ্যান্ড ডাইন’ নামের এক প্রমোদতরী। কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকদের জন্য এটি নতুন সংযোজন। ১৩ ফেব্রুয়ারি এই কেয়ারি ক্রুজের উদ্বোধন করা হয়। প্রতিদিন সকাল ১০টায় শহরের বাঁকখালী
নদীর মোহনা অর্থাৎ নুনিয়াছটা বিআইডব্লিউটিএর জেটিঘাট থেকে জাহাজটি সাগরের উদ্দেশে ছুটে
চলে। সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে সাগরে একাধিকবার প্রমোদ ভ্রমণ।

Tuesday, March 9, 2010

এই তো মাধবপুর হ্রদ


‘এটা হলো নীল শাপলা, বুঝছেন...?’ চা-শ্রমিকের সন্তান কৃষ্ণ তাঁতি এভাবেই জলে ভাসা ফুল চেনালো। তারপর মানুষ আসছে দেখে পাড়ের কাছ থেকে গভীর জলের দিকে ভেসে যাওয়া কয়েকটি নীলচে রঙের পাখি দেখিয়ে বলে, ‘এটা হলো নীল হাঁস।’ এভাবে নিজে থেকেই তার মতো করে ফুল ও পাখি চিনিয়ে দিল সে। ফাল্গুনের এক বেলা গড়ানো মুহূর্তে মাধবপুর লেকে পাখির সঙ্গে ফুলের সঙ্গে এমন করেই দেখা।

Wednesday, March 3, 2010

মহাস্থানগড়

বগুড়ার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান হলো মহাস্থানগড়। বগুড়া শহর থেকে প্রায় তের কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত এ জায়গাটি। প্রায় আড়াই হাজার বছর আগের এক দুর্গ নগরী এই মহাস্থানগড়। এককালে, মৌর্য, গুপ্ত, পাল ও সেন রাজাদের রাজধানী ছিল এখানে। এখন শুধু সেগুলোর ধ্বংসাবশেষ নীরবে দাঁড়িয়ে আছে ইতিহাসের নীরব সাক্ষী হয়ে। এখানে এখনো আছে ৫০০০ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ৪৫০০ ফুট প্রস্থের সেই প্রাচীন নগরীর দেয়াল। দেয়ালের ভেতরে রয়েছে জীয়ৎকুন্ড, প্রাচীন মসজিদসহ নানা নিদর্শন।

মাছ-পাখির অভয়াশ্রমে

‘ঠক-ঠক-ঠক, ঠকাঠক...’ সাতসকালে দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ। চোখ কচলে ঘড়ি দেখি, এত সকালে কড়া নাড়ে কে? দরজা খুলে দেখি ষাটোর্ধ্ব এক লোক দাঁড়িয়ে। নাম গফুর মিয়া। তিনি সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক। তাঁর বাহন আমাদের পৌঁছে দেবে হাইল হাওরের বাইক্কা বিলে। এই বিল দেখতেই রাতে পৌঁছেছি শ্রীমঙ্গল শহরে।
অনেক দিন থেকেই ভাবছিলাম বাইক্কা বিলে যাব। পাখি দেখব, ছবি তুলব। শেষে ইচ্ছে ও সময়ের সম্মিলন ঘটে এবারের ফেব্রুয়ারির শুরুতে।