RSS

Friday, September 24, 2010

ভূমিকম্পে আতঙ্কিত নয় সচেতন হোন

সময়ের আলোচিত বিষয় ভূমিকম্প। ঈদের আনন্দে কিছুটা হলেও দুশ্চিন্তা তৈরি করেছে ঈদের রাতে একাধিক ভূমিকম্প—যেগুলোর একটির উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশের ভেতরেই। স্থানভেদে ভূমিকম্পগুলোর মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ২.৫ থেকে ৪.৮। এই তিনটি ভূমিকম্পে উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষতি না হলেও ভূমিকম্পের প্রতিকার ও প্রতিরোধ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে সর্বত্র। বড় ধরনের ভূমিকম্প হবে কি না, সেটা নিশ্চিত করে বলা কঠিন। সাধারণত পরপর ছোট কয়েকটি ভূমিকম্প হয়ে গেলে সেখানে বড় ভূমিকম্প হবার আশঙ্কা কম বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তবে হলে ক্ষতি হবে অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় বেশি। কারণ বাংলাদেশ ঘনবসতিপূর্ণ একটি দেশ। বিশেষ করে ঢাকা শহরের অনেক ভবনই পাশাপাশি গা ঘেঁষে অবস্থান করছে।

গর্ভবতী মায়ের ত্বকের যত্ন

এটা খাও, ওটা খাও—অনাগত সন্তানের কথা ভেবে গর্ভবতী মাকে এমন কথা প্রায়ই শুনতে হয়। আর তাই ঘুরে-ফিরে অভিভাবকেরা গর্ভবতী মায়ের হাতে তুলে দিচ্ছেন কখনো দুধের গ্লাস, কখনো বা ফল। কিন্তু গর্ভবতী মায়ের ত্বকের যত্ন যেন সবাই ভুলেই যান। অনেকেই হয়তো ভাবেন, গর্ভবতী মায়ের আবার ত্বকের যত্ন কেন?। এ সময় খাওয়া-দাওয়াটাই তো মুখ্য। তবে একটু লক্ষ করলেই দেখা যায় যে গর্ভকালীন মায়েদের ত্বকে দেখা দেয় মেছতা, ব্রণ বা কালো ছোপ ছোপ দাগ। আবার কখনো বা ত্বক ফেটে যায়। এ সময়ে ত্বকের সঠিক পরিচর্যা না করলে অনেক সময় তা স্থায়ী হয়ে যায়। এমনটাই বললেন রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা। তিনি বলেন, মায়ের হরমোনের পরিবর্তনের কারণে মূলত ত্বকে নানা ধরনের সমস্যা হয়। এ কারণে গর্ভকালীন মায়ের ত্বকের যত্নের জন্য কিছু টিপস দিয়েছেন তিনি।

মনে রাখার সহজ উপায়

ভুলে যাওয়াটা মানুষের সহজাত একটা অভ্যাস। অনেক সময় দেখা যায়, কেউ কেউ খুব গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয় ভুলে যান। এসব ভুলে যাওয়া একসময় সম্পর্কের মাঝেও ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করে। কাজের চাপেই হোক কিংবা যেকোনো কারণেই আপনার মনে ছিলো না, প্রিয় মানুষটির জš§দিনের কথা। এ নিতান্তই আপনার ভুল। কিন্তু আপনার প্রিয় মানুষটি হয়তো অন্য কিছু ভেবে বসতে পারেন। হতে পারে, এর সূত্র ধরে সম্পর্কটাই তিক্ত হয়ে উঠলো। তাই নিজেকে ভুলে যাওয়ার বাতিক থেকে রক্ষা করা উচিত। জীবনের দৈনন্দিন ব্যস্ততা ও দুশ্চিন্তার কারণে সাধারণত কিছু মনে না থাকার সমস্যাটি দেখা দেয়। আবার বয়স বাড়ার সাথে সাথেও মানুষের স্মৃতিশক্তি কমে আসে। তবুও চেষ্টা করলে উপায় মেলে। কিছু বিষয় মেনে চলতে পারলে; মনে রাখতে না পারার সমস্যা কাটানো সম্ভব। আমরা বিভিন্ন মনোবিশেষজ্ঞদের সাথে আলাপ করে তেমন কিছু বিষয় নির্বাচন করেছি। আর সেই বিষয়গুলিই উপস্থাপন করছি এবারের মনমন্দিরের পাঠকদের জন্য।

সাজে রঙের ছোঁয়া

শরৎ আকাশের মেঘে লেগে গেছে রঙের ছোঁয়া। আর বেশ সুনীল হয়ে উঠেছে মেঘ-রাজকন্যা। ওদিকে বৃষ্টির জলে ধুয়ে-মুছে প্রকৃতি হয়ে উঠেছে শ্যামল-সবুজ। আকাশ, মেঘ আর শ্যামল প্রকৃতির সঙ্গে লাল ঝুমকো জবা জুড়ে দিয়েছে কত কথা!
প্রকৃতিতে যখন রং নিয়ে এত ডাকাডাকি, তখন আপনি কেন চুপটি বসে? প্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে একাকার হয়ে মেতে উঠুন রঙিন সাজে।
এ সময়ের রঙিন সাজের সাতকাহন বলেন রেড বিউটি স্যালনের রূপবিশেষজ্ঞ আফরোজা কামাল।
শরতের এ সময়টায় চলে রোদ-বৃষ্টির খেলা। তাই সাজের ক্ষেত্রে সাজ উপকরণটি পানিরোধক বেছে নেওয়া ভালো। আর সাজ উপকরণের রংটি অবশ্যই উজ্জ্বল রং বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

আর নয় হতাশা

অসীম চাহিদা আর সসীম সম্পদের দ্বন্দ্বটা আমাদের বাস্তবতার খুব পরিচিত এক চিত্র। এর কারণেই আমাদের প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির মাঝে এত ব্যবধান, যে ব্যবধান আমাদের টেনে নামাতে পারে হতাশার কালো গহ্বরে।
আজকের এই তরুণ সমাজ ব্যাপক অনিশ্চয়তার মধ্যে হতাশা কাটিয়ে কীভাবে সঠিক পথটি বেছে নেবে, তার দিকনির্দেশনা দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানের প্রভাষক নাজমা খাতুন ও ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান মানবসম্পদ উন্নয়ন কর্মকর্তা তাহনিয়াত আহমেদ করীম।

কেজো পার্টির সাজগোজ

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ। তা যদি হয় কেজো কোনো অনুষ্ঠান, তাহলে বাড়তি যত্ন লাগবেই। কেননা, কাজের পরিবেশের পরিমিত ভাবটা সাজসজ্জার মধ্যে থাকতে হয়। জমকালো সাজপোশাক এ ক্ষেত্রে একেবারেই বেমানান। অফিসের কোন ধরনের অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন, তার ওপর নির্ভর করবে আপনার সাজ। এমনটিই মনে করেন রূপবিশেষজ্ঞ কানিজ আলমাস খান।
কানিজ আলমাস খান আরও বলেন, নিজের ব্যক্তিত্ব ও রুচির সঙ্গে মানানসই নয়, এমন সাজ এড়িয়ে যাওয়া উচিত। আবার একেবারে না সাজলেও আপনাকে পুরো অনুষ্ঠানে বেমানান লাগবে, যার কোনোটিই কাম্য নয়। কোন ধরনের অনুষ্ঠান ও সময়, এ সম্পর্কে আগেই জেনে নিন। যদি রাতের কোনো অনুষ্ঠান হয়, তবে সাজটা একটু জমকালো হবে। দিনের বেলা হলে হালকা সাজই উপযুক্ত।

Thursday, July 29, 2010

শিশুকে ভয় দেখাতে মানা

মৃত্তিকা খেতে চায় না, চায় না পড়তে। মা সোনিয়া বিষয়টা নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। সব সময়ই তিনি সমাধানের উপায় ভাবতে থাকেন। তবে এরই মধ্যে মা নতুন এক কৌশল আবিষ্কার করেছেন। মৃত্তিকা মায়ের কথা না শুনলেই মা ভয় দেখাচ্ছেন। পড়তে না বসলে ভূতে ধরবে, না খেলে সাপে কামড় দেবে। প্রথম প্রথম কাজ হয়েছিল ভালোই। কিন্তু এখন হিতে বিপরীত হওয়ার দশা। সব সময় মৃত্তিকা ভয়ে তটস্থ হয়ে থাকে। মৃত্তিকার মধ্যে এসেছে জড়তা। সে আর ছোটাছুটি করে না। স্কুলে গিয়েও সে আগের মতো খেলে না। সার্বক্ষণিক যেন ভয় তাড়া করে তাকে। মা এখন পড়েছেন নতুন সমস্যায়।