RSS

Tuesday, December 8, 2009

বসনে স্বাধীনতা

লাল সবুজের গল্পে ডিসেম্বরের দিনগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয় অকৃত্রিম দেশপ্রেমে মনভাসানিয়া স্বাধীনতার সংগ্রামের কথা। ১৯৭১ যেন এক সজীব আনন্দে ফিরে আসে এই ডিসেম্বরে। আর জাতির এই মুক্তি উৎসবে লাল সবুজের বসন আমাদের স্বাদ দেয় স্বাধীনতার আমেজের। তারই প্রেক্ষিতে ফ্যাশন হাউজগুলোতে চলে ছোট্ট পরিসরে কিন্তু আবেগের সর্বোচ্চ শিখরে অবস্থান করে ভিন্ন আয়োজন। ফ্যাশন হাউজগুলোর সেই আয়োজনের কিছু চিত্র তুলে ধরে রাখা হলো এখানে

শীতের পিঠাপুলি


শীত মানে পিঠা খাওয়ার উৎসব। কনকনে শীতে গরম পিঠা খাওয়ার উৎসবে মেতে উঠে গ্রাম বাংলার পাশাপাশি শহরের মানুষগুলো। এ উৎসব যেন ধনী-গরীব নির্বিশেষে সকলের। শীতের পিঠা চাইলেই কম খরচে ঘরে বসে করা যায়। আতপ চালের গুড়ি, গুড়, নারিকেল, দুধ, চিনি দিয়ে তৈরী এসব পিঠা খুবই সুস্বাদু। অতিথি আপ্যায়নেও পিঠার বিকল্প নেই। শীতকালে সকাল ও বিকেলের নাস্তা পিঠা দিয়ে করা হয়। কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে গরম পিঠার জুড়ি নেই। পিঠার এসব রেসিপি দিয়েছে রিমিক্স বিউটি পার্লার রান্না হ্যান্ডি ক্র্যাফট, ফ্যাশন ডিজাইন ও বুটিকস্ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রশিক্ষক আফরিনা শিপন আর ছবি তুলেছেন এমএইচ মিশু

শীতে সৌন্দর্য-সুরক্ষা

ষড়ঋতুর পালাবদলে আমাদের দুয়ারে শীতকাল। হিম হিম এই সময়ে গাছ হয়ে পড়ে পত্র-পুষ্পহীন শুকনো। অন্যদিকে মানুষের নাজুক ত্বক শুষ্ক হয়ে ফেটে যেতে চায়। সূর্যের আলট্রাভায়োলেট-রে (অতি বেগুনী রশ্মি) শরীরের খোলা অংশে নানা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। চুল থেকে ঝলমলে ভাব উধাও হয়ে গিয়ে চুল বিবর্ণ ও মলিন হয়; মাথায় খুশকির প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। ঠোঁট ফেটে হয় চৌচির। কপালে অকালে বলিরেখা দেখা দেয়।

শীত চাদরের আদর

ফ্যাশনে চাদর উপকরণটির সম্পর্ক অনেক পুরানো। এমন অনেক স্টাইল আছে যেগুলো ঠিক চাদর ছাড়া যেনো জমে ওঠে না। কিন্তু আমাদের উষ্ণ অঞ্চলে শীতের ৩-৪টা মাসই কেবল চাদর ব্যবহার করা যায়। এক সময় আমাদের দেশে বিদেশী শাল বা চাদর জনপ্রিয় হলেও এখন কিন্তু দেশী ফ্যাশন হাউজগুলোও মনযোগী হচ্ছে শীতের চাদর তৈরিতে। শীতের এই ফ্যাশন অনুসঙ্গ নিয়েই আমাদের এবারের কড়চার মূল আয়োজন। লিখেছেন এমএইচ মিশু

একাকিত্বের ঘেরাটোপে

পরিবর্তনটা হঠাত্ই চোখে পড়ে। প্রান্ত কেমন যেন হয়ে যাচ্ছে। জেদি, একরোখা। কারও সঙ্গে কোনো কিছু ভাগ করে নিতে পারে না। স্কুল থেকেও অভিযোগ। ওর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তনটা বাবা-মা খেয়াল করেন। তত দিনে বেশ দেরি হয়ে গেছে। নিজেদের ব্যস্ততায় একমাত্র সন্তানের সঙ্গে সম্পর্কটা ফিকে হয়ে গেছে, বেড়েছে দূরত্ব। এদিকে একাকিত্বের ঘেরাটোপে প্রান্তও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।

স্বাদবদলে চাই মাছ

ঈদের পর তো মাংস খাওয়া চলছেই। স্বাদবদলের জন্য এখন একটু মাছ হলেও মন্দ হয় না। কল্পনা রহমানের দেওয়া রান্নাগুলো দেখুন।

পালং ঝোলে মলা মাছ
উপকরণ ও পরিমাণ: মলা মাছ এক কাপ, পালং শাক ২৫০ গ্রাম, রসুন বাটা আধা চা চামচ, ঝোলের জন্য ভাতের মাড় দুই কাপ, পেঁয়াজ কুচি চার টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ, কাঁচা মরিচ ফালি ছয়-সাতটি, জিরা বাটা আধা চা চামচ, তেল সিকি কাপ, লবণ প্রয়োজনমতো।
প্রণালী: পাত্রে তেল, লবণ, পেঁয়াজ কুচি, বাটা মসলা, কাঁচা মরিচ ও মলা মাছ একসঙ্গে মাখাতে হবে। এবার মাছগুলো উঠিয়ে অন্য পাত্রে রাখতে হবে। মসলার মধ্যে মাড় দিয়ে চুলায় বসাতে হবে। ভালোভাবে ফুটে উঠলে পালং শাক দিয়ে বেশি জ্বাল দিতে হবে। একটু পরে মাছগুলো বিছিয়ে ঢেকে দিতে হবে। মাখামাখা ঝোল রেখে নামাতে হবে। গরম গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

শীতে শাল

বাংলাদেশে গ্রামের শীত আর শহরের শীতের মধ্যে বিস্তর তফাত। শহরে শীতের আমেজ উপভোগ করার সময় যেন কারোরই নেই। শীতের রূপ তাই দুই জায়গায় দুই রকম। এ কারণেই শহরে শীতের পোশাকটিও যেন নগরের যান্ত্রিকতা মাথায় রেখেই করা। তাই পাঁচ হাত লম্বা আর আড়াই হাত বহরের শীতের শাল এখানে হাল সময়ে এসে যেন একটু খাটো হয়ে যায়। দিনের বিভিন্ন সময়ে শীতের তারতম্য, আর ব্যবহারিক উপযোগিতা—এ দুই বিষয় মাথায় রেখেই যেন শীতের শালে এই নতুনত্ব।