Tuesday, December 8, 2009
বসনে স্বাধীনতা
শীতের পিঠাপুলি
শীত মানে পিঠা খাওয়ার উৎসব। কনকনে শীতে গরম পিঠা খাওয়ার উৎসবে মেতে উঠে গ্রাম বাংলার পাশাপাশি শহরের মানুষগুলো। এ উৎসব যেন ধনী-গরীব নির্বিশেষে সকলের। শীতের পিঠা চাইলেই কম খরচে ঘরে বসে করা যায়। আতপ চালের গুড়ি, গুড়, নারিকেল, দুধ, চিনি দিয়ে তৈরী এসব পিঠা খুবই সুস্বাদু। অতিথি আপ্যায়নেও পিঠার বিকল্প নেই। শীতকালে সকাল ও বিকেলের নাস্তা পিঠা দিয়ে করা হয়। কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে গরম পিঠার জুড়ি নেই। পিঠার এসব রেসিপি দিয়েছে রিমিক্স বিউটি পার্লার রান্না হ্যান্ডি ক্র্যাফট, ফ্যাশন ডিজাইন ও বুটিকস্ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রশিক্ষক আফরিনা শিপন আর ছবি তুলেছেন এমএইচ মিশু
শীতে সৌন্দর্য-সুরক্ষা
ষড়ঋতুর পালাবদলে আমাদের দুয়ারে শীতকাল। হিম হিম এই সময়ে গাছ হয়ে পড়ে পত্র-পুষ্পহীন শুকনো। অন্যদিকে মানুষের নাজুক ত্বক শুষ্ক হয়ে ফেটে যেতে চায়। সূর্যের আলট্রাভায়োলেট-রে (অতি বেগুনী রশ্মি) শরীরের খোলা অংশে নানা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। চুল থেকে ঝলমলে ভাব উধাও হয়ে গিয়ে চুল বিবর্ণ ও মলিন হয়; মাথায় খুশকির প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। ঠোঁট ফেটে হয় চৌচির। কপালে অকালে বলিরেখা দেখা দেয়।
শীত চাদরের আদর
একাকিত্বের ঘেরাটোপে
Labels:
noksha,
relationship
স্বাদবদলে চাই মাছ
পালং ঝোলে মলা মাছ
উপকরণ ও পরিমাণ: মলা মাছ এক কাপ, পালং শাক ২৫০ গ্রাম, রসুন বাটা আধা চা চামচ, ঝোলের জন্য ভাতের মাড় দুই কাপ, পেঁয়াজ কুচি চার টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ, কাঁচা মরিচ ফালি ছয়-সাতটি, জিরা বাটা আধা চা চামচ, তেল সিকি কাপ, লবণ প্রয়োজনমতো।
প্রণালী: পাত্রে তেল, লবণ, পেঁয়াজ কুচি, বাটা মসলা, কাঁচা মরিচ ও মলা মাছ একসঙ্গে মাখাতে হবে। এবার মাছগুলো উঠিয়ে অন্য পাত্রে রাখতে হবে। মসলার মধ্যে মাড় দিয়ে চুলায় বসাতে হবে। ভালোভাবে ফুটে উঠলে পালং শাক দিয়ে বেশি জ্বাল দিতে হবে। একটু পরে মাছগুলো বিছিয়ে ঢেকে দিতে হবে। মাখামাখা ঝোল রেখে নামাতে হবে। গরম গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।