RSS

Wednesday, October 7, 2009

যত্নে থাকুক কাঠের আসবাব

প্রতিদিন ব্যবহারের ফলে কাঠের আসবাবপত্র হয়ে পড়ে শ্রীহীন। আর এতে ঘরের সৌন্দর্যও ম্লান হয়ে যায়। তাই প্রতিদিন ঘর পরিষ্কার করার সময় আসবাব পরিষ্কার করার দিকেও নজর দিতে হবে।
নিয়মিত শুকনো ও নরম কাপড় (পুরোনো গেঞ্জির কাপড় হলে ভালো হয়) দিয়ে কাঠের আসবাব মুছতে হবে। কখনোই কাঠের আসবাবের ওপর ভেজা জিনিস (যেমন—থালা-বাসন বা কাপড়) রাখবেন না। এতে আসবাবে দাগ পড়ে এবং কাঠে পচন ধরে আসবাবের স্থায়িত্ব নষ্ট হয়। কাঠের আসবাবের প্রধান শত্রু ঘুণপোকা। আসবাবে ঘুণের সংক্রমণ হলে ছয় মাস পর পর নিমের তেল ছিটিয়ে (স্প্রে) দিন। ঘুণে ধরা আসবাবটি অন্য কাঠের আসবাব থেকে যথাসম্ভব দূরে সরিয়ে রাখুন। তা না হলে অন্য আসবাবেও ঘুণের সংক্রমণ হতে পারে।

স্পা - ক্লান্তি আমায় ক্ষমা করো...

আজকাল বেশির ভাগ বিউটি পারলারের নামের সঙ্গে দুটি শব্দ যুক্ত থাকে। ‘স্যালন’ ও ‘স্পা’। ‘স্পা’ শব্দটি পরিচিত হয়ে উঠলেও এ ব্যাপারে মানুষের মধ্যে ধারণা কিছুটা কম। স্পা কী? এ প্রশ্নের জবাবে রূপবিশেষজ্ঞ ও পারসোনা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কানিজ আলমাস খান বলেন, ‘শরীর ও মনের অবসাদ ও ক্লান্তি দূর করে সৌন্দর্য-সজীবতা ফিরিয়ে আনে স্পা।
যে মানুষটি নিয়মিত স্পা করে, তার জীবনীশক্তিও অনেক বাড়ে। বর্তমান যান্ত্রিক যুগে মানুষ প্রকৃতি থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। স্পা মানুষকে নিয়ে যায় প্রকৃতির কাছাকাছি। সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ম্যাসাজ করে, প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে, মানুষকে প্রকৃতির স্নিগ্ধতায় সিক্ত করে স্পাতে দূর করা যায় সব ক্লান্তি ও অবসাদ। তিনি আরও জানান, নিয়মিত স্পা কর্মক্ষমতা, সজীবতা বাড়ায়; আবার ত্বক হারানো জৌলুশ ফিরিয়ে এনে তাকে উজ্জ্বল ও সুন্দর করে।


Saturday, October 3, 2009

কামিজে কাটিং স্টেটমেন্ট

ফ্যাশন মানেই হচ্ছে পরিবর্তন। তাইতো ইদানীং সালোয়ার কামিজের ফ্যাশনেও বেশ বড় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। আর এই পরিবর্তনের ব্যাপকতা চোখে পড়ার মতো। কাট, কলার, টেক্সটাইল সব ক্ষেত্রেই চেঞ্জটা এসেছে। প্রথমে কাটের কথাই বলি। পেছনের বছরগুলোর ফ্যাশনের দিকে তাকালে দেখা যায় যে শর্ট কামিজের আধিপত্যটাই বেশি ছিল। আজকাল আবার শর্ট কামিজের পাশাপাশি হাটুর নিচ পর্যন্ত লম্বা ঝুলের কামিজও বেশ চলছে। যা কিনা আট দশ বছর আগেও দেখা যেত। ঈদে যেসব কামিজ জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিল তার মধ্যে আনারকলি, আঙরাখা, মাজাককালি কামিজ হঠাৎ করেই জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আবার এ সময় ঠিক এর কন্টিনিউশন দেখা যাচ্ছে না।

সুস্বাস্থ্যের জন্য পরিচ্ছন্ন ফ্রিজ


ব্যস্ত জীবনে খানিকটা সময়কে বাঁচাতে ফ্রিজের ব্যবহার অনস্বীকার্য। আর ফ্রিজের সাথে সম্পর্কটা যেহেতু খাবার সংরক্ষণের সেহেতু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রসঙ্গ আগে উঠে আসাটাই স্বাভাবিক। ফ্রিজে খাবার সংরক্ষণ করতে গিয়ে উল্টো যেন সেটা আনহাইজেনিক না হয়ে যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে সবার আগে। আর এ জন্যই প্রয়োজন পড়ে ঠিকঠাক মত ফ্রিজ পরিষ্কার রাখার। ফ্রিজ পরিষ্কার রাখার কিছু পদ্ধতি জেনে নিন এখানে।

Friday, October 2, 2009

স্বাস্থ্য সচেতন


সারামাস রোজা আর এরপরই ঈদ আনন্দে বাড়ি বাড়ি রিচ ফুডের আপ্যায়ন। সবকিছু মিলে খাবারের পুরো রুটিনটা এখন অনেকটাই এলোমেলো। সেই ধারাবাহিকতায় এবারের রেসিপি বিভাগে দেয়া হলো এমন কিছু রেসিপি যেগুলো আপনার খাদ্যাভাস পরিবর্তন করে আবার আগের জায়গায় ফিরিয়ে আনবে। পাশাপাশি এসব রেসিপি আপনার শরীরে শক্তি বর্ধনে আর পুষ্টি জোগাতে সহায়ক হবে। রেসিপিগুলো দিয়েছেন সাকসেস ট্রেনিং সেন্টারের কর্ণধার আফরোজা জামান

টেলিফোন গাইড

জরুরি মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা পেতে এবারের টেলিফোন গাইডে দেয়া হল গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি হসপিটালের ফোন নাম্বার-
আহসানিয়া মিশন ক্যান্সার হসপিটাল : ৯০০৮৯১৯
বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটাল : ৯১১৮২০২
সেন্ট্রাল হসপিটাল : ৯৬৬০০১৫-১৯
চায়না বাংলা হসপিটাল লিঃ : ৮৯১৩৬৭৪
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হসপিটাল : ৮৬২৬৮১২-১৪
গুলশান মাদার এন্ড চাইল্ড ক্লিনিক : ৮৮২২৭৩৮
হলি ফ্যামিলি হসপিটাল : ৮৩১১৭২১-২৫
জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হসপিটাল : ৮৮২৮৮৫৫
মেরিস্টোপ ক্লিনিক : ৮৮২১৮৭৪
মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস লিঃ : ৮৬২০৩৫৩
পঙ্গু হসপিটাল : ৯১১২১৫০
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় : ৯৬১৪৫৪৫-৯
সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হসপিটাল : ৭৩১৯০০২-৬
শমরিতা হসপিটাল : ৯১৩১৯০১
শহীদ সোহরাওয়ার্দী হসপিটাল : ৯১২২৫৬০-৮৭
শিশু হসপিটাল : ৮১১৬০৬১-২।

ফুডস্টাইলে ট্রাফিক

নানারকম ডায়েট
রোজার খাদ্যাভ্যাসে যারা এতদিনে অনেকটাই অভ্যস্ত হয়ে উঠেছিলেন এখন তারাই আবার ফিরে গেছেন আটপৌড়ে খাবার রুটিনে। এরই মাঝে শরীর নামের মহাশয়ের উপর দিয়ে বয়ে গেছে ঈদের ভাল-মন্দ খাবারের ঝড়ও! তবে খাবার গ্রহণের সময় আর খাদ্যতালিকায় এতদিনের সব অভ্যাস-অনভ্যাসকে ভুলে শরীর নামের যন্ত্রটাকে একটা মসৃণ গতি দিতে চাইলে নতুন করে কিঞ্চিৎ ভাবনা চিন্তারও প্রয়োজন আছে। এক্ষেত্রে সবাই যে ঢালাওভাবে একই খাবার তালিকা অনুসরণ করে নিজেদের শরীরটাকে ঝরঝরে করে তুলবেন তা হয়তো ঠিক নয়। আবার রাতারাতি কঠিন তপস্যা’র মতো কঠিন সব ডায়েট করে নিজের মুখের স্বাদটাকে জলাঞ্জলী দেবারও কোনো মানে হয় না। সবমিলিয়ে নিজের জিহ্বাটাকে নিয়ন্ত্রণ করা আর সুস্থ থাকার জন্য পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণই হলো হাজার কথার এক কথা।