<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd='http://schemas.google.com/g/2005' xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445</id><updated>2011-12-26T22:27:15.127-08:00</updated><category term='lifestyle'/><category term='home'/><category term='interior'/><category term='child'/><category term='Fitness'/><category term='Tourism'/><category term='relationship'/><category term='food'/><category term='shopping'/><category term='beauty'/><category term='Tips'/><category term='biye'/><category term='noksha'/><category term='fashion'/><category term='restaurent'/><category term='korcha'/><category term='style'/><title type='text'>Lifestyle Arts</title><subtitle type='html'></subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default?max-results=100'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><link rel='next' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default?start-index=101&amp;max-results=100'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>580</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>100</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-4071787664868253587</id><published>2011-12-26T21:57:00.001-08:00</published><updated>2011-12-26T21:58:58.766-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='biye'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><title type='text'>বিয়ের আগে মানসিক প্রস্তুতি</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;div class="alternativeCol justify cb oH mb10"&gt;&lt;div id="content" style="font-size: 18px; line-height: 24px;"&gt;বিয়ে মানেই নানা ধরনের প্রস্তুতি। আয়োজন চলতে থাকে দিনের পর দিন। এসব প্রস্তুতির তোড়জোরে হয়তো বর-কনের মনের খবর জানার অবকাশ হয় না। অনুষ্ঠান আয়োজন কিংবা আনুষঙ্গিক বিষয়ে আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এসবের সঙ্গে যে বর-কনের মানসিক প্রস্তুতির দরকার হয়, তা অনেকেই জানেন না।&lt;/div&gt;&lt;div id="content" style="font-size: 18px; line-height: 24px;"&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;‘প্রয়োজনীয় অনেক বিষয়ে আমরা আগেভাগে প্রস্তুতি নিই। কিন্তু বিয়ের মতো বিষয়ে ছেলেমেয়ের আগাম কোনো মানসিক প্রস্তুতি থাকে না। নানাভাবে বিয়ে হয়। পারিবারিকভাবে আয়োজিত, যেখানে হয়তো ছেলেমেয়ে পরস্পরকে জানার সুুযোগ হয় না। আবার প্রেমের বিয়ে পরবর্তী সময় সেটি হয়তো পরিবারের সম্মতিতেই হয়। এ ধরনের বিয়েতে অভিভাবকেরা মনে করেন, যেহেতু তারা পূর্বপরিচিত, তাই নতুন করে প্রস্তুতির দরকার কী। এ ধারণা ঠিক নয়।’ বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক দিলরুবা আফরোজ। &lt;br /&gt;‘যতই চেনাজানা হোক না কেন, বিয়ের পর বাস্তব জীবনের মুখোমুখি হতে হয়। তখন স্বপ্ন ভেঙে যায় কারও কারও। তাই বিয়ের আগে থেকে রোমান্টিকতার পাশাপাশি বাস্তবিক চিন্তাগুলোও করতে হবে। মেয়ে বা ছেলে আগে থেকেই বুঝবে না। তাই মা কিংবা কাছের অভিজ্ঞ কেউ তাকে ইতিবাচকভাবে জীবনের বাস্তবতা বুঝিয়ে বলতে পারে। ছেলেমেয়ে দুজনকেই পরস্পরের পরিবারের সঙ্গে মানিয়ে চলার মানসিকতা থাকতে হবে। তা হলে দাম্পত্য জীবনে অনেক সমস্যা এড়িয়ে চলা যাবে। নিজের, পরিবার ও সমাজের প্রতি দায়িত্ববান হতে হবে। নিজের স্বভাবের কোনো নেতিবাচক দিক থাকলে সেগুলো সংশোধনের চেষ্টা করতে হবে। নিজের সব দিক বিয়ের আগে উভয়ের আলোচনা করলে বোঝাপড়ার শুরুটা ভালো হবে। এটিও ঠিক যে একেকজনের জীবনযাপন একেকভাবে নির্ধারিত হয়। পারিপার্শ্বিকতার ভিন্নতা থাকে। প্রতিটি পরিবারের আলাদা নিয়মকানুন, আচার-ব্যবহার থাকে। সেসব আগে থেকে একটু জানলে পরবর্তী সময় নতুন সদস্যের বুঝতে সহজ হয়। এসব ক্ষেত্রে শুধু মেয়েরাই মানিয়ে চলবে, তা নয়। ছেলেটিকেই বরং সহযোগিতাপরায়ণ হতে হবে। মেয়েটি সব ছেড়ে তাদের পরিবারে আসছে। ছেলেটির পরিবারকে এ বিষয়ে বড় ভূমিকা পালন করতে হবে। ছেলেকে বোঝাতে হবে সামান্য বিষয় নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া না করতে। যেকোনো সমস্যা হলে তারা যেন খোলাখুলি আলোচনা করে নেয়। শাশুড়ি নিয়ে অনেক মেয়ের মনে শঙ্কা থাকে। বিয়ের আগে সুযোগ থাকলে মেয়ের সঙ্গে ছেলের পরিবার কথা বলে নিতে পারে। তবে শুরুতেই মেয়েকে নেতিবাচক কোনো বিষয় বলা উচিত নয়। &lt;br /&gt;ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের মনোবিজ্ঞানী তামিমা তানজিন বলেন, আসলে মানসিক প্রস্তুতিটা নেওয়া দরকার বিয়ে-পরবর্তী জীবনে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য। শুধু মানসিক নয়, শারীরিক প্রস্তুতিটাও নিতে হবে। দাম্পত্য জীবনে শারীরিক সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। কাছের কেউ বা চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে নেওয়া যেতে পারে। ছেলের বিয়ের আগেই পরিবারের সদস্যদের মন-মানসিকতায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। ছেলের স্ত্রীকে নিয়ে তাঁরা যেন উচ্চাকাঙ্ক্ষী না হন। এমনকি ছেলেরও উচ্চাকাঙ্ক্ষী হওয়া উচিত নয়। অনেক সময় কল্পনা আর বাস্তবতা মিলে যায় না। তখন সমস্যার সৃষ্টি হয়। একটু সচেতন, সহযোগিতাপরায়ণ ও বোঝাপড়া ভালো হলে দাম্পত্য জীবন সুন্দর হতে বাধ্য। এটি নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-4071787664868253587?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/4071787664868253587/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/12/blog-post_26.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/4071787664868253587'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/4071787664868253587'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/12/blog-post_26.html' title='বিয়ের আগে মানসিক প্রস্তুতি'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-3052804857426681142</id><published>2011-12-20T08:11:00.000-08:00</published><updated>2011-12-20T08:15:07.290-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='biye'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Fitness'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><title type='text'>বিয়ের আগের প্রস্তুতি</title><content type='html'>বিয়ের প্রজাপতি এরই মধ্যে যাঁদের আশপাশে ঘোরাঘুরি করছে, তাঁরা ধরেই নিন  বিয়ের ফুল এই ফুটল বলে! বিয়ের দিনটায় নিজের সেরা রূপে হাজির হতে চাইলে এখন  থেকেই চাই প্রস্তুতি। সুষম খাবার, দিনের কিছুটা সময় একটু হালকা ব্যায়াম আর  একটা রূপ রুটিন...ব্যস, এতেই যথেষ্ট।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt; খাবারটা সুষম&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;সুষম খাবার হচ্ছে তা-ই, যাতে খাদ্যের সব পুষ্টিগুণ বিদ্যমান থাকে। বিয়ে  বিষয়টা যেমন আনন্দের, তেমনি খানিকটা ভয়েরও বটে। নতুন জীবনের শুরুটা নিয়ে  অনেকেই দুশ্চিন্তায় থাকেন। আবার অনেকেরই বিয়ের বাজারে ঘুরতে ঘুরতে খাওয়া  ঠিকমতো হয়ে ওঠে না। এর খুব খারাপ প্রভাব পড়তে পারে আমাদের শরীরে। সুস্থতার  পাশাপাশি বাহ্যিক সৌন্দর্যটাও আসে ভেতর থেকেই। এ সময়ে ছেলেমেয়ে উভয়কেই একটি  সুষম ডায়েট মেনে চলার পরামর্শ দেন বারডেমের পুষ্টি বিভাগীয় প্রধান আখতারুন  নাহার আলো।&lt;br /&gt;প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় যেকোনো একটা শাক রাখুন। রক্তস্বল্পতার জন্য লালশাক,  ক্যালসিয়ামের ঘাটতিজনিত সমস্যায় সরিষার শাক খুব ভালো। কম তেলে সহজ পাচ্য  যেন হয় সব রান্না। শরীর ঠান্ডা রাখতে লাউ, গাজর, টমেটো, শসা, লেটুসপাতা  কাঁচা খেতে পারেন। এতে ত্বক ভালো থাকবে। বাঁধাকপি দিয়ে পায়েস করে খেতে  পারেন অথবা ফুলকপি, বিট, বাঁধাকপি—সব সবজি মিলিয়ে একটা স্যুপ করেও খেতে  পারেন। প্রতিদিন একটা কমলা খান। এতে দাঁত আর চুলের উপকার হবে, খেতে পারেন  আমলকী। আর ভাত, মাছ, ডাল প্রতিদিনের খাদ্যতালিকা থেকে কোনোভাবেই যেন বাদ না  পড়ে। বিয়ের আগে ছেলেমেয়ে অনেকেই ওজন কমানোর জন্য একেবারে খাবার-দাবার ছেড়ে  দেন। এটি ক্ষতিকর। ডায়েট মানে না খেয়ে থাকা নয়। যাঁরা ওজন কমাতে চান অথবা  যে ওজনটি আছে, সেটি আর না বাড়াতে চান, তাঁরা ডুবো তেলে ভাজা খাবার,  ফাস্টফুড, মিষ্টি খাবার ও সোডাজাতীয় পানীয়গুলো খাওয়া ছেড়ে দিন। চিনি ও দুধ  ছাড়া সবুজ চা খেতে অভ্যস্ত হয়ে যান। যাঁদের ওজনটা মনে হচ্ছে একটু বেশিই  বেড়ে গেছে, তাঁরা একজন ভালো পুষ্টিবিদের কাছ থেকে একটা ডায়েট চার্টও করিয়ে  নিতে পারেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt; সুস্থতায় ব্যায়াম...&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;মানসিক চাপ কমাতেও ব্যায়ামের মতো কাজের বিকল্প আর নেই। বলছিলেন পারসোনা  হেলথের হেড অব জিম তানজিনা চৌধুরী। যেকোনো বিষয় নিয়ে যাঁরা একটু বেশি  মানসিক চাপে থাকেন, তাঁদের জন্য তানজিনা চৌধুরীর পরামর্শ হচ্ছে ইয়োগা চর্চা  করার। যাঁরা স্বল্প গড়নের দেহের অধিকারী, তাঁরা অ্যারোবিক্সও করতে পারেন।  চোখ বন্ধ করে নাচের তালে তালে এ ব্যায়াম মানসিক চাপ কমানোর পাশাপাশি শরীরের  বাড়তি ওজন কমাতেও কার্যকর। আপনি চাইলে সিডি কিনে বাসায় নিজেও ব্যায়ামটি  করতে পারেন।&lt;br /&gt;যাঁরা একটু ভারী গড়নের, তাঁরা যদি ওজন কমাতে চান, তাহলে অবশ্যই জিম বেছে  নিন। ক্যালরি পোড়ানো, ওজন কমানো, পেশির শক্তি বাড়ানো—এ তিনটি ক্ষেত্রেই  ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্য জিম ভালো কাজে দেয়। যাঁদের স্বাস্থ্যসম্পর্কিত জটিলতা  রয়েছে, তাঁরা প্রতিদিন এক ঘণ্টা হাঁটতে পারেন জিমের পরিবর্তে। যাঁরা জিম  করবেন, তাঁরা অবশ্যই তিন থেকে চার মাস প্রস্তুতির সময় রাখুন হাতে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt; প্রতিদিনের রূপ রুটিন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আর তাই বিয়ের কথাবার্তা চলার শুরু থেকেই প্রতিদিনের রূপ রুটিন চর্চাটা  ছেলেমেয়ে উভয়ের জন্যই জরুরি। এমনটাই মনে করেন রেড বিউটি স্যালনের  রূপবিশেষজ্ঞ আফরোজা কামাল। আপনার জন্য রইল কিছু রূপ পরামর্শ—&lt;br /&gt; ছেলেমেয়ে উভয়েই চুলের একটা নতুন কাট বেছে নিতে পারেন। কারণ, বৈচিত্র্যই  হচ্ছে সৌন্দর্য। তবে অবশ্যই সেটি যেন বিয়ের দুই মাস আগে থেকে হয়। আর বিয়ের  এক সপ্তাহ আগে শেষ একটা ছাঁট দিয়ে নিন।&lt;br /&gt; নিজেকে আয়নায় খুঁটিয়ে দেখুন। ত্বকে ছোপ ছোপ দাগ, ব্রণ, চোখের নিচে কালির  মধ্যে কোনোটি যদি হয় আপনার সমস্যা, তবে অবশ্যই সমস্যা অনুযায়ী ফেসিয়াল নিন।  চেষ্টা করুন বিয়ের দুই মাস আগে থেকেই ফেসিয়াল নেওয়ার।&lt;br /&gt; যাঁরা চুলের রঙে বৈচিত্র্য আনতে চান, তাঁরা হুট করে হালকা রং বা হাইলাইটে  যাবেন না; বরং চুলের জন্য এমন কোনো রং বেছে নিন, যেটি আপনার কালো চুলের  মধ্যে আলাদা দ্যুতি ছড়াবে।&lt;br /&gt; বছরের এ সময়ে ত্বক রুক্ষ হয়ে ওঠে। তাই সবার আগে গুরুত্ব দিন আপনার ত্বকের ময়েশ্চারাইজারের দিকে।&lt;br /&gt; হাত ও পায়ের সৌন্দর্যটাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বর-কনে দুজনের ক্ষেত্রেই। তাই  অবশ্যই এক মাস আগে থেকে মেনিকিউর ও পেডিকিউরটা নিয়মিত করে নিন।&lt;br /&gt; মেয়েরা অবশ্যই হাত, মুখের ওয়াক্সিং করিয়ে নিন বিয়ের এক সপ্তাহ আগে। হাতে  লোম থাকলে আপনাকে মেহেদি পরলে ভালো দেখাবে না। মুখমণ্ডলের লোম বিয়ের দিনের  মেকআপের জন্যও সমস্যার সৃষ্টি করে।&lt;br /&gt; শরীরের বিভিন্ন অংশে অনেকেরই কালো দাগ থাকতে পারে। তাঁরা অবশ্যই দুই থেকে তিনটা স্ক্রাবিং ম্যাসাজ নিয়ে নিন বিয়ের আগে।&lt;br /&gt; ঘরে বসেও করতে পারেন আপনার রূপচর্চা। ত্বকের জন্য চালের গুঁড়া, মুলতানি  মাটি ও শসার রস অনেক ভালো স্ক্রাবার। তিনটি একসঙ্গে মিশিয়ে গোসলের আগে  শরীরে ম্যাসাজ করে গরম পানিতে গোসল করে নিন।&lt;br /&gt; চুলে গরম তেল ম্যাসাজ করতে পারেন। চুলের সবচেয়ে ভালো প্যাক হলো পাকা কলা ও  পাকা পেঁপে। এর সঙ্গে টকদই মিশিয়ে চুলে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে নিন।&lt;br /&gt; বর-কনে উভয়েই সম্ভব হলে একটা বডি ম্যাসাজ নিয়ে নিন বিয়ের দুই থেকে তিন দিন আগে।&lt;br /&gt; আর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন। ওটা বাড়াবে আপনার ব্যক্তিত্বের সৌন্দর্য। এবার আর মেকআপের আড়ালে লুকাতে হবে না আপনাকে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-3052804857426681142?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/3052804857426681142/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/12/blog-post_7922.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/3052804857426681142'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/3052804857426681142'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/12/blog-post_7922.html' title='বিয়ের আগের প্রস্তুতি'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-3174989583818344939</id><published>2011-12-20T08:10:00.000-08:00</published><updated>2011-12-20T08:11:51.785-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='biye'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><title type='text'>সাধ আর সাধ্যের সমন্বয়</title><content type='html'>বিয়েতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে বাজেট ব্যবস্থাপনা। বিয়েতে যেহেতু  খরচাপাতির বিষয় থাকে, তাই অবশ্যই প্রতিটি কাজ পরিকল্পনা অনুযায়ী বাজেট করে  করতে হবে। ‘যেকোনো ব্যবস্থাপনা করার ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় অত্যন্ত  গুরুত্বপূর্ণ—পরিকল্পনা, সংগঠন ও নিয়ন্ত্রণ, মূল্যায়ন।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;পরিকল্পনার একটা বড়  অংশ হলো অর্থ পরিকল্পনা। বিয়ের পুরো ব্যবস্থাপনা করতে হবে পরিকল্পনা  অনুযায়ী, যেন বিয়ের পুরো আয়োজনে কোনো কিছুর কমতি না হয়। বিয়েতে একটু বুদ্ধি  করে বাজেট করলেই সাধ্যের মধ্যে সুন্দরভাবে বিয়ের আয়োজন করা সম্ভব।’  গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের গৃহ ব্যবস্থাপনা ও গৃহায়ণ বিভাগের সহযোগী  অধ্যাপক রীনাত ফওজিয়া। বিয়ের বাজেট নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জেনে নিন&lt;br /&gt; অনেকে বিয়ের কয়েকটি অনুষ্ঠান করেন। যেমন: পানচিনি, গায়েহলুদ, আক্দ  ইত্যাদি। এভাবে বারবার এত অনুষ্ঠানের আয়োজন না করে দুই পক্ষ একসঙ্গে মিলে  বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যেতে পারে।&lt;br /&gt; বিয়েতে সাধারণত খাওয়ার আয়োজনে বেশি খরচ হয়ে থাকে। খাবার খরচ কেউ যদি চান,  তবে কমাতে পারেন। যেমন গায়েহলুদে নানা পদের খাবারে আয়োজন না করে শুধু  তেহারির ব্যবস্থা করতে পারেন।&lt;br /&gt; কিছু অনুষ্ঠান কমিউনিটি সেন্টারে না করে বাসায় আয়োজন করা যায়।&lt;br /&gt; সোনার গয়না কেনা সাধ্যের মধ্যে না থাকলে সোনার প্রলেপ দেওয়া গয়না নিতে  পারেন। আজকাল সুন্দর নকশার গয়না বেশ কম দামেও পাওয়া যায়। আবার মালা, দুল  ইত্যাদি সোনার হলেও হাতের চুড়ি, মাথার টিকলি ইত্যাদি গয়না অন্য ধাতুর  বানাতে পারেন। মুক্তার গয়নাও এখন বেশ প্রচলিত।&lt;br /&gt; বিয়ের বাজেটের ব্যবস্থাপনা নিয়ে ওয়েডিং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ক্রিয়েটোর  প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা রাশিদ খান জানান, ‘বিয়ের বাজেটের ব্যাপার পুরোটা  আয়োজকদের ওপর নির্ভর করে। আমাদের গ্রাহক যেমন চান, তেমন বাজেটের মধ্যেই  বিয়ের আয়োজন করে দিতে চাই আমরা।’&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-3174989583818344939?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/3174989583818344939/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/12/blog-post_20.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/3174989583818344939'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/3174989583818344939'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/12/blog-post_20.html' title='সাধ আর সাধ্যের সমন্বয়'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-2663779101349764142</id><published>2011-12-11T00:52:00.000-08:00</published><updated>2011-12-11T00:56:18.418-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='food'/><title type='text'>খিচুড়ি-মাংসের কয়েক পদ</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://http.cdnlayer.com/prothomalo1998/resize/maxDim/340x340/img/uploads/media/2011/12/05/2011-12-05-15-54-08-4edce9208dd7c-19.jpg"&gt;&lt;img style="float: right; margin: 0pt 0pt 10px 10px; cursor: pointer; width: 305px; height: 209px;" src="http://http.cdnlayer.com/prothomalo1998/resize/maxDim/340x340/img/uploads/media/2011/12/05/2011-12-05-15-54-08-4edce9208dd7c-19.jpg" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মাংস-খিচুড়ি&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ: গরুর মাংস ১ কেজি, এলাচ ৪টি, বুটের ডাল ৩০০ গ্রাম, দারচিনি ৫-৬ টুকরা, পোলাওর চাল ৫০০ গ্রাম, জায়ফল-জয়ত্রি আধা চা-চামচ, সরষের তেল ১ কাপ, মরিচগুঁড়া ১ টেবিল-চামচ, কাঁচা মরিচ ৫-৬টি, টক দই আধা কাপ, হলুদগুঁড়া ১ টেবিল চামচ, আদাবাটা ২ টেবিল চামচ, রসুনবাটা ২ টেবিল চামচ, লবঙ্গ ৫-৬টি, জিরাবাটা ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজকুচি ১ কাপ, পেঁয়াজের বেরেস্তা আধা কাপ, লবণ স্বাদমতো, চিনি ১ চা-চামচ।&lt;br /&gt;প্রণালি: মাংসের সঙ্গে চাল, ডাল, বেরেস্তা ও কাঁচা মরিচ বাদে সব মাখিয়ে এক ঘণ্টা মেরিনেট করে রাখতে হবে। এবার চুলায় দিয়ে কষাতে হবে। তিন-চারবার কষানোর পর সেদ্ধ হওয়ার জন্য পানি দিতে হবে। একটু কম সেদ্ধ হওয়া অবস্থায় চাল আর ডাল দিয়ে কষাতে হবে। এবার পানি দিয়ে ঢাকনা দিতে হবে। চালের পানি শুকিয়ে গেলে চাল, মাংস, ডাল সব মিলে গেলে কাঁচা মরিচ দিয়ে ওপরে বেরেস্তা দিয়ে দমে দিতে হবে। গরম অবস্থায় পরিবেশন করুন।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কালো মাংস&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ: মাংস ১ কেজি, কাটা পেঁয়াজ ১ কাপ, লবণ স্বাদমতো, আদা বাটা ১ টেবিল-চামচ, এলাচ ৩টি, রসুন বাটা ১ টেবিল-চামচ, দারচিনি ৪ টুকরা, জিরা ভাজা গুঁড়া ১ চা-চামচ, জায়ফল-জয়ত্রি গুঁড়া সিকি চা-চামচ, বেরেস্তা ১ কাপ, শুকনা মরিচ ভাজা ৪টি, শুকনা মরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ, তেল ১ কাপ।&lt;br /&gt;প্রণালি: তেলে কাটা পেঁয়াজ দিয়ে একটু ভেজে আদা বাটা, রসুন, শুকনা মরিচ গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া, এলাচ, দারচিনি, জায়ফল-জয়ত্রি সব দিয়ে কষাতে হবে। অনেকক্ষণ কষানোর পর মাংস দিয়ে আবার কষাতে হবে। কষাতে কষাতে মাংস সেদ্ধ হয়ে আসবে। এবার জিরার গুঁড়া দিয়ে বেরেস্তার সঙ্গে ভাজা শুকনা মরিচ গুঁড়া করে মাংসে দিয়ে আস্তে আস্তে রান্না করতে হবে। একটু পরপর নাড়তে হবে। একেবারে কালচে রং ধারণ করবে এবং তেলের ওপর উঠলে নামিয়ে নিতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;শুকানো মাংস ভুনা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ: মাংস ১ কেজি, হলুদ সামান্য, লবণ আন্দাজমতো।&lt;br /&gt;প্রণালি: মাংস ধুয়ে পানি শুকিয়ে হলুদ আর লবণ মাখিয়ে তারে গেঁথে রোদে শুকাতে হয়। রোদে দেওয়ার সমস্যা হলে চুলার ওপর তার ঝুলিয়ে রেখে শুকানো যায়। রান্নার দুই ঘণ্টা আগে একটু গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে তারপর তুলে ছেঁচে নিতে হয়।&lt;br /&gt;মাংস ভুনা: উপকরণ: মাংস ১ কাপ, পেঁয়াজ ১ কাপ, শুকনা মরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা-চামচ, জিরা বাটা আধা চা-চামচ, এলাচ-দারচিনি গুঁড়া ১ চা-চামচ, তেল আধা কাপ, লবণ স্বাদমতো, আদা বাটা ১ চা-চামচ, রসুন বাটা আধা চা-চামচ।&lt;br /&gt;প্রণালি: কড়াইতে তেল দিয়ে পেঁয়াজ হালকা ভেজে সব মসলা দিয়ে কষিয়ে মাংস ছেঁচা দিয়ে অল্প আঁচে একদম কষিয়ে নিতে হবে। ভুনা ভুনা হলে নামিয়ে নিতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মাঠা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;ঘোল তৈরি: উপকরণ: দুধ ৩ লিটার।&lt;br /&gt;প্রণালি: দুধ জ্বাল দিয়ে ঠান্ডা করে নিয়ে ডাল ঘুঁটনি দিয়ে ভালো করে ঘুঁটে ওপর থেকে ক্রিম উঠিয়ে নিতে হবে। সব ক্রিম বা ননি ওঠানো হয়ে গেলে যে দুধ থাকবে, ওটাই ঘোল। এই ঘোল দিয়ে মাঠা তৈরি করা হয়।&lt;br /&gt;মাঠা তৈরি: উপকরণ: ঘোল ৪ গ্লাস, লবণ সামান্য, চিনি ৪ টেবিল-চামচ, বরফ ১ কাপ।&lt;br /&gt;প্রণালি: সব একসঙ্গে ব্লেন্ডারে দিয়ে খুব ভালো করে ব্লেন্ড করতে হবে। ওপরে ফেনা উঠবে, এই অবস্থায় ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-2663779101349764142?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/2663779101349764142/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/12/blog-post_2064.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/2663779101349764142'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/2663779101349764142'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/12/blog-post_2064.html' title='খিচুড়ি-মাংসের কয়েক পদ'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-6376833423370721074</id><published>2011-12-11T00:43:00.000-08:00</published><updated>2011-12-11T00:45:46.917-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Fitness'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><title type='text'>শীতের শুরুতে ব্যায়াম</title><content type='html'>শীত আসছে। এই সময়ে শরীর থেকে এই ক্লান্তি আর অবসাদ ঝেড়ে ফেলার মোক্ষম  অস্ত্র কিন্তু ব্যায়াম। নিয়মিত ব্যায়াম দেহ-মনকে যেমন চাঙা রাখে, শীতটাও  করে উপভোগ্য। আর যাঁরা নিয়মিত ব্যায়াম করেন, তাঁরা তো এ তথ্য জানেনই;  কিন্তু যাঁরা এখনো ব্যায়ামাগারে যাননি তথ্যগুলো তাঁদের জন্য।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ব্যায়ামের অনুষঙ্গ &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;শীতে ব্যায়াম করার সময় সুতির ফুলহাতা টি-শার্ট পরা ভালো, সঙ্গে ট্রাউজার।  ব্যায়ামের সময় কেডস পরে নিন। শরীর উষ্ণ রেখে ব্যায়ামের উপযোগী রাখবে এগুলো।  ব্যায়ামাগারে আসার আগে শরীরে অলিভ অয়েল মেখে নিলে শরীর উষ্ণ হবে তাড়াতাড়ি।  সঙ্গে জলের বোতল আর তোয়ালে। বোতলে অল্প চিনি মিশিয়ে নিতে পারেন।  ব্যায়ামাগারে শারীরিক পরিশ্রমে শরীর থেকে যে ক্যালরি হারাবে, তার খানিকটা  পুষিয়ে দেবে চিনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt; ডাক্তার বাড়ি&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;বারডেম হাসপাতালের ল্যাবরেটরি সার্ভিসেসের পরিচালক অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী  বলেন, ‘ব্যায়ামের মাধ্যমে আমাদের মন সজীব হয়। যখন আমাদের মন সতেজ থাকে, তখন  শরীরও ভালো হয়ে যায়। নীরোগ থাকার জন্য ব্যায়াম করা খুব জরুরি।’ ব্যায়াম  রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে। শরীরের ওজন কমিয়ে দেহের সৌন্দর্য বাড়ায়।&lt;br /&gt;বাড়ায় রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা।&lt;br /&gt;শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে।&lt;br /&gt;মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।&lt;br /&gt;দূরে সরিয়ে রাখে ডায়াবেটিস ও ক্যানসারের মতো রোগ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt; ব্যায়াম বিশেষজ্ঞ যা বলেন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;কথা হয় মাসুদ পারভেজের সঙ্গে। তিনি ইএলবি ফিটনেস সেন্টার, মগবাজার শাখার  প্রধান প্রশিক্ষক। তিনি জানান, ব্যায়াম সাধারণত দুই ধরনের—ফ্রি হ্যান্ড এবং  ওয়েট লিফটিং। ফ্রি হ্যান্ড সবাই করতে পারেন কিন্তু ওয়েট লিফটিংয়ের জন্য  কিছু বাধ্যবাধকতা আছে। মেরুদণ্ড, পায়ের হাড়ে যাদের ব্যথা আছে ওয়েট লিফটিং  তাদের বেলায় না। এ ছাড়া ৪০ বছর বয়সের পরে ওয়েট লিফটিংয়ের বেলায় কিছু  বিধিনিষেধ মানতে হয়। তিনি আরও বলেন, ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম করতে পারবেন  সবাই, কিন্তু যাঁদের শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা আছে, তাঁদের বেলায় ব্যায়ামের  মাত্রাটা কমিয়ে নিতে হবে। শীত মৌসুমে শরীরচর্চার আগে ওয়ার্মআপের সময়টা  বাড়িয়ে নিতে হবে। শীতে মাংসপেশিতে ব্যথা হয়, নিয়মিত ব্যায়ামে এ সমস্যা দূর  হয়। ব্যায়ামের সময় শীতল বাতাস যেন শরীরকে ঠান্ডা করে না ফেলে।&lt;br /&gt;নিয়মিত যাঁরা ব্যায়াম করেন, তাঁদের জল খেতে হবে প্রচুর।&lt;br /&gt;ব্যায়াম শেষে স্টিম বাথ নেওয়া যেতে পারে, এতে লোমকূপে জমে থাকা ময়লা দূর হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt; খাওয়াদাওয়া&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;ব্যায়ামাগারে এসে যাঁরা মেদ ঝরাতে চান তাদের জন্য—খালি পেটে ব্যায়াম করা  যাবে না কখনোই। সকালে ব্যায়ামাগারে যাওয়ার আগে দুটি কলা, সঙ্গে একটি রুটি  রাখতে পারেন। ফিরে এসে চারটি কলা, দুটি শসা, দুটি রুটি, সঙ্গে লেবু। দুপুরে  এক কাপ ভাত, মাছ ও সবজি ইচ্ছেমতো। রাতে রুটি চারটি, একটি গোল আলু এবং  মিষ্টি আলু আর সবজি। আর যাঁরা ব্যায়ামাগারে আসেন স্বাস্থ্য ফেরাতে তাঁদের  বেলায়: ব্যায়ামাগারে ঢোকার আগে চারটি কলা, বড় রুটি দুটি। ফিরে এসে চারটি  ডিমের সাদা অংশ, এক গ্লাস দুধ, সঙ্গে মুরগির মাংস ২০০ থেকে ২৫০ গ্রাম।  দুপুরে এক কাপ ভাত, সবজি, মুরগির মাংস ২০০ থেকে ২৫০ গ্রাম ও ডাল। রাতে এক  কাপ ভাত, দুটি ডিমের সাদা অংশ, মুরগির মাংস ২০০ থেকে ২৫০ গ্রাম এবং এক  গ্লাস দুধ। প্রশিক্ষক মো. মাসুদ পারভেজ বলেন, ব্যায়ামে শরীরের শক্তি ক্ষয়  হয়, তাই দেহের চাহিদা পূরণে এ ধরনের সুষম খাদ্যতালিকা প্রস্তুত করতে হবে।  দেহের গঠন অনুযায়ী খাদ্যতালিকায় কখনো কিছুটা হেরফেরও হয়।&lt;br /&gt;শীতে শরীরের মাংসপেশিগুলোও জমাট বেঁধে থাকে কখনো কখনো। এ জন্য একদিকে মানুষ  যেমন কাজের গতি হারায়, তেমনি দেহকোষেও আলস্য ভর করে। কিন্তু শীতেই মানুষের  শরীরে শক্তি সঞ্চিত থাকে বেশি। তাই চাইলে বেশি সময় ধরে শরীর গঠনে মনোযোগী  হওয়া যায় এ শীতকালেই।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-6376833423370721074?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/6376833423370721074/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/12/blog-post_11.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/6376833423370721074'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/6376833423370721074'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/12/blog-post_11.html' title='শীতের শুরুতে ব্যায়াম'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-8116657828348973135</id><published>2011-12-11T00:38:00.000-08:00</published><updated>2011-12-11T00:39:51.079-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='relationship'/><title type='text'>ভালোবাসা প্রয়োজনীয়</title><content type='html'>দাদা বা দাদির অতিরিক্ত আদরে নষ্ট হয়ে পড়বে সন্তানেরা। এমন ভাবনা অনেকের।  আর বর্তমানে বাবা-মায়ের সঙ্গে আলাদা থাকাটা তো রীতিই হয়ে পড়েছে। সেটা কি  সঠিক? বরং গবেষকেরা শোনাচ্ছেন অন্য কথা। গবেষণা করে তাঁরা জানাচ্ছেন যে  দাদুদের আদরে দুষ্টু নয়, বরং শিশুরা শেখে কীভাবে টিকে থাকতে হবে বিভিন্ন  প্রতিকূল পরিস্থিতিতে। এমনকি সেসব কঠিন সময়েও যখন শিশুটির মা ও বাবার  বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;একটি শিশুকে স্বাস্থ্যকর ও সতেজ রাখতে সবচেয়ে বেশি সচেতন থাকেন  দাদু-দাদিরা। এমনই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে মার্কিন ও সুইস বিজ্ঞানীদের একটি দল।  গবেষণা করেছেন তাঁরা বিশ্বব্যাপী। দাদা-দাদি কতটা গুরুত্ব বহন করেন, সেটা  বের করে আনাই ছিল এই গবেষণার মূল লক্ষ্য। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে দিদার  গুরুত্ব প্রাধান্য পেয়েছে। ফিনল্যান্ডে গবেষণাকারী দলটি জানিয়েছে আরেকটি  বিষয়।&lt;br /&gt;সেটি হলো, ‘যেসব শিশুর জন্মের সময় তাদের দাদা-দাদিরা যুবক থাকেন, সেসব শিশু  দীর্ঘজীবী হয়।’ গবেষকদলের একজন ডেভিড কোয়াল বলেন, দাদা-দাদিরা সেই সব  সন্তানকে বেশি দেখাশোনা করেন, যাদের মা-বাবার প্রতি তাঁদের বিশ্বাস থাকে।  দাদা-দাদিদের ভালোবাসা যে কেবল শরীর ভালো করে তা-ই নয়, শিশুরা মানসিকভাবে  যে সহায়তা পায়, সেটার গুরুত্বও অনেক।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-8116657828348973135?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/8116657828348973135/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/12/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/8116657828348973135'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/8116657828348973135'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/12/blog-post.html' title='ভালোবাসা প্রয়োজনীয়'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-4167564004226372328</id><published>2011-11-17T08:52:00.000-08:00</published><updated>2011-11-17T09:08:26.565-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='food'/><title type='text'>জবর জলপাই</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://http.cdnlayer.com/prothomalo1998/resize/maxDim/340x340/img/uploads/media/2011-11-14-19-04-02-028434000-untitled-36.jpg"&gt;&lt;img style="float: right; margin: 0pt 0pt 10px 10px; cursor: pointer; width: 292px; height: 200px;" src="http://http.cdnlayer.com/prothomalo1998/resize/maxDim/340x340/img/uploads/media/2011-11-14-19-04-02-028434000-untitled-36.jpg" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;বাজারে উঠেছে জলপাই। তরকারির স্বাদ বাড়াতে জুড়ি নেই এর। মাছ, মাংস—সব  রান্নাতেই ব্যবহার করতে পারেন জলপাই। এমন কয়েকটি রেসিপি দিয়েছেন কল্পনা  রহমান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাতমাখা মাছে জলপাই&lt;br /&gt;উপকরণ: ছোট মাছ ৫০০ গ্রাম, সরিষাবাটা ২ টেবিল-চামচ, পেঁয়াজ কুচি ৫০০ গ্রাম,  আদাবাটা ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ৬-৭টি, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, হলুদগুঁড়া আধা  চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, জিরাবাটা ১ চা-চামচ, সরিষার তেল সিকি কাপ, জলপাই  ৫-৬টি, ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল-চামচ।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;প্রণালি: মাছ কেটে ভালোভাবে পরিষ্কার করে লবণ ও লেবুর রস দিয়ে ধুয়ে নিতে  হবে। মাছ ও জলপাই ছাড়া বাকি সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে হাত ধোয়া অল্প পানি দিয়ে  চুলায় বসিয়ে ঢেকে দিতে হবে। ভালোভাবে ফুটে উঠলে সব মাছ ছড়িয়ে দিতে হবে।  ঢেকে রান্না করতে হবে। মাছ মাখা মাখা হলে নামানোর একটু আগে জলপাই টুকরা করে  দিতে হবে। ধনেপাতা দিতে হবে। চুলার ওপর দুই মিনিট রেখে নামিয়ে গরম গরম  ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ছড়া কচুর ঘাঁটা&lt;br /&gt;উপকরণ: ছড়া কচু ৫০০ গ্রাম, আদাবাটা আধা চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ,  চিংড়ি ২৫০ গ্রাম, জিরাবাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, জলপাই ৬-৭টি,  হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ, ধনেপাতা ২  টেবিল-চামচ, আস্ত সরিষা আধা চা-চামচ, তেল ৬ টেবিল-চামচ।&lt;br /&gt;প্রণালি: চিংড়ির মাথা ধুয়ে পরিষ্কার করে বেটে রস বের করে ছেঁকে রাখতে হবে।  ছড়া কচু ধুয়ে সেদ্ধ করে ছিলে অল্প পানি দিয়ে ভেঙে রাখতে হবে। পাত্রে তেল  দিয়ে পেঁয়াজ দিতে হবে। একটু পর চিংড়ি দিতে হবে। এরও একটু পর মাথার রস, আদা,  রসুন, হলুদ, মরিচ, জিরা দিয়ে কষাতে হবে। এবার কচু ও পরিমাণমতো পানি দিয়ে  ঢেকে দিতে হবে। একটু ঘন হলে জলপাই ও ধনেপাত দিতে হবে। বাকি ২ টেবিল-চামচ  তেলে সরিষার ফোড়ন দিয়ে কচু ঘাঁটায় ঢেলে দিতে হবে। এবার নামিয়ে ভাতের সঙ্গে  পরিবেশন করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জলপাইয়ের লাচ্ছি&lt;br /&gt;উপকরণ: জলপাই কুচি ১ কাপ, চিনি ৫ টেবিল-চামচ, পানি ৫ কাপ, লবণ পরিমাণমতো,  বিটলবণ আধা চা-চামচ, বরফ কুচি পরিমাণমতো, ধনেপাতা বা পুদিনাপাতা ১ মুঠা।&lt;br /&gt;প্রণালি: ব্লেন্ডারে জলপাইসহ বাকি সব উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিতে  হবে। গ্লাসে ঢেলে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন (বরফ কুচি দিয়ে)। চিনি ছাড়াও এই  লাচ্ছি বানানো যাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আচারি মাংস ভুনা&lt;br /&gt;উপকরণ: গরুর মাংস ১ কেজি, টক দই সিকি কাপ, আদাবাটা ১ টেবিল-চামচ, সিরকা আধা  কাপ, রসুনবাটা ১ টেবিল-চামচ, মেথি আধা চা-চামচ, পেঁয়াজবাটা আধা কাপ, ঘি ও  তেল আধা কাপ, জলপাইয়ের আচার ৪ টেবিল-চামচ, মরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ,  বাদামবাটা ১ টেবিল-চামচ।&lt;br /&gt;প্রণালি: মাংস ধুয়ে পানি ঝরিয়ে আদা, রসুন, পেঁয়াজবাটা, টক দই, সিরকা,  মরিচের গুঁড়া, বাদামবাটা দিয়ে আধা ঘণ্টা মেরিনেট করে রাখতে হবে। পাত্রে তেল  ও ঘি দিয়ে মেথির ফোড়ন দিতে হবে। এবার মেরিনেট করা মাংস দিয়ে রান্না করতে  হবে। মৃদু আঁচে ঢাকনা দিয়ে রান্না করে মাংস যখন সেদ্ধ হয়ে যাবে, তখন  জলপাইয়ের আচার দিয়ে আরও ১০ মিনিট দমে রেখে গরম গরম পরিবেশন করা যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কোয়েল ডিমে জলপাইয়ের কোরমা&lt;br /&gt;উপকরণ: কোয়েল পাখির ডিম ১২টি, পেঁয়াজবাটা সিকি কাপ, জলপাই ৬টি, পেঁয়াজ  বেরেস্তা আধা কাপ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, নারকেলের দুধ ১ কাপ, রসুনবাটা আধা  চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, নারকেলবাটা ২ চা-চামচ, শুকনা মরিচের গুঁড়া আধা  চা-চামচ, চিনি ১ চা-চামচ, ঘি ১ চা-চামচ, তেল সিকি কাপ।&lt;br /&gt;প্রণালি: ডিম সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে অল্প তেলে ভেজে রাখতে হবে। জলপাই  লম্বালম্বিভাবে কয়েকটা চির দিয়ে নিতে হবে। পাত্রে তেল দিয়ে সব বাটা ও গুঁড়া  মসলা দিয়ে কষাতে হবে। মসলায় সুন্দর ঘ্রাণ এলে নারকেলের দুধ দিতে হবে। ফুটে  উঠলে ডিম ও জলপাই দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। একটু পর বেরেস্তা, চিনি ও ঘি দিয়ে  দুই মিনিট দমে রেখে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করা যায়।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-4167564004226372328?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/4167564004226372328/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/11/blog-post_17.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/4167564004226372328'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/4167564004226372328'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/11/blog-post_17.html' title='জবর জলপাই'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-1875279783297914514</id><published>2011-11-17T08:27:00.001-08:00</published><updated>2011-11-17T08:40:33.328-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Fitness'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><title type='text'>বাড়তি মেদ কমাতে...</title><content type='html'>ঈদের কয়েক দিন ঘরে কিংবা বাইরে ক্যালরিবহুল খাবারের আয়োজন চলে সমানতালে।  বিপত্তিটা বাধে ঈদ আয়োজন শেষ হওয়ার পরপরই। শরীরে জমে যায় অতিরিক্ত চর্বি।  তাই এখনই সচেতন হোন বাড়তি মেদ কমাতে।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt; ব্যায়ামের বিকল্প নেই&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;ঢাকার ফার্মগেটে হেলথ পয়েন্ট জিমের প্রধান প্রশিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম  বললেন, ঈদের পরে সবার শরীরেই কমবেশি বাড়তি মেদ জমে। সে ক্ষেত্রে ব্যায়ামের  কোনো বিকল্প নেই। ওয়ার্মআপ করে পেটের ও কোমরের কিছু ব্যায়াম করা চাই।  ওয়ার্মআপের জন্য আর্মস ফ্রন্ট রাইজ, সাইড রাইজ, লেগ স্ট্রেচ, লেগ ফ্রন্ট  রাইজ, ব্যাক রাইজ, সাইড বেন্ড ইত্যাদি খালি হাতের ব্যায়াম ১০ বার করে করতে  পারেন।&lt;br /&gt;পারসোনা হেলথের প্রধান প্রশিক্ষক তানজিনা চৌধুরী বলেন, শরীরে অতিরিক্ত  চর্বির প্রকোপ পেট ও কোমরে বেশি দেখা যায়। সে ক্ষেত্রে ঈদের পরে  ক্যালরিপোড়ানোর প্রতি বেশি মনোযোগ দিন। হাঁটা ও জগিংই এর সবচেয়ে ভালো উপায়।  বাইরে বা ঘরে ট্রেডমিলে হাঁটতে পারেন। একই সঙ্গে জিমে গিয়ে বাইক, ক্রস  ট্রেইনার ও স্টেপার যন্ত্রে ব্যায়াম করুন। পেট ও কোমরের জন্য ক্রাঞ্চেস  করতে পারেন। অথবা শুয়ে পা ৩০ ডিগ্রি পরিমাণ তুলে সোজা ধরে রাখুন। তারপর  বৃত্তাকারে ঘোরানোর চেষ্টা করুন। শুয়ে নিতম্ব ওপর-নিচ ওঠানো-নামানো করলেও  পেটের চর্বি কমবে। এক কেজির দুটি ডাম্বল দুই হাতে নিয়ে সাইড বেন্ড করলে  কোমরের গঠন সুন্দর হবে। অ্যারোবিকস করলে সবচেয়ে ভালো হয়। বাজারে এক ঘণ্টার  প্রাথমিক পর্যায়ের অ্যারোবিকস সিডি কিনতে পাওয়া যায়। তা দেখে যে কেউ  অ্যারোবিকস শিখতে পারেন। খাওয়ার আধঘণ্টা আগে ও পরে এক ঘণ্টা করে হাঁটা খুব  কাজে আসবে। যেকোনো সময় ব্যায়াম করতে পারেন। সকালে করলেই ভালো। রাতের  খাবারের এক ঘণ্টা পরেও ব্যায়াম করা যায়। যখন যে ব্যায়ামই করুন, লক্ষ্য  থাকুক ক্যালরি পোড়ানোর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt; হালকা খাবার খান&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;রান্নাবিদ নাসরিন আলম বলেন, ঈদের পরে মাংস কম খাওয়াই ভালো। খাবার যত হালকা  হবে ক্যালোরি তত বেশি কমাতে পারবেন। বারবার চিনি ছাড়া লেবু চা, সালাদ ও  ফলমূল খাবেন। পাতে সবজি, মাছের ঝোল ও পাতলা ডালের পরিমাণ বাড়ান। ফল বা  সবজির সালাদে টকদই বা মাল্টার রস ব্যবহার করুন। হরেক সবজি মিলিয়ে মসলাহীন  তরকারি রান্না করুন। সামান্য তেল, আধা চামচ আদা ও লবণ দিতে পারেন।&lt;br /&gt;শসা ওজন কমাতে সহায়ক। লেবু, লবণ, পুদিনা ও ধনেপাতা মেখে শসার সালাদ খেতে  পারেন। শসা মুগডাল দিয়ে রান্না করলেও ভালো লাগে। খেতে পারেন টমেটো। বিট লবণ  দিয়ে কাঁচা টমেটোর স্বাদই আলাদা। ভাত, রুটি যা-ই খান, পরিমাণ কমাতে হবে।  যতবার খিদে লাগবে ততবার খান কিন্তু কম করে। ফল আর সবজি খেয়েই পেট ভরানোর  চেষ্টা করুন। নিয়ম মেনে বারবার এসব খেলে ওজন কমে যাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;চাই পরিপূর্ণ খাদ্যতালিকা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;পুষ্টিবিদ এস এন শম্পা বলেন, অতিরিক্ত ওজন মানুষের বাহ্যিক সৌন্দর্য নষ্ট  করে। আত্মবিশ্বাস কমিয়ে মানসিক চাপ বাড়ায়। শুধু ইচ্ছাশক্তি থাকলেই আপনি এই  সমস্যা কাটাতে পারেন।&lt;br /&gt;ঈদ যেমন আনন্দের, নিয়ন্ত্রণহীন খাবারদাবার তেমনি বিপদের। অতিরিক্ত ওজন মূলত  ওবেসিটি নামের একটি রোগ। এটি আবার অন্যান্য রোগের জন্ম দেয়। তাই কিডনি  রোগী, হূদেরাগী ও ডায়াবেটিক রোগীদের ঈদের পরই অতিরিক্ত ওজন কমানোর জন্য  সচেতন হওয়া চাই। মানতে হবে ডায়েট চার্ট। আপনার বয়স, ওজন, উচ্চতা, শারীরিক  অবস্থাভেদে স্বল্প ব্যয়ে পুষ্টিবিদ অনুমোদিত ডায়েট চার্ট করা সম্ভব।  পুষ্টিবিদ শম্পা আরও বলেন, ডায়াবেটিক রোগীকে সব ধরনের চর্বিযুক্ত খাবার বাদ  দিতে হবে। কিডনি রোগীদের রক্তে ক্রিয়েটেনিনের মাত্রার ওপর প্রোটিনের  গ্রহণযোগ্য মাত্রা নির্ধারিত হয়। ক্রিয়েটেনিনের মাত্রা বিবেচনা করে প্রোটিন  গ্রহণের পরিমাণ ৩০ গ্রাম থেকে ৫০ গ্রাম হতে পারে।&lt;br /&gt;ওবেসিটির সঙ্গে হূদেরাগের সম্পর্ক ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই দুই ধরনের রোগীরা  পশুর হাড়ে জড়ানো মাংস, রানের মাংস, গোল চাকা মাংস, কলিজা, মগজ ও পায়া খাবেন  না।&lt;br /&gt;সবশেষে এস এন শম্পা বলেন, খাবার তালিকায় টকদই, লেবু চা, শসা ও কাঁচা পেঁপের পরিমাণ বাড়ালে যে কেউ অতিরিক্ত ওজন থেকে মুক্তি পাবেন।&lt;br /&gt;তাই, খাবারের জন্য বাঁচা নয়, বাঁচার জন্য খান।&lt;br /&gt;সুস্থ থাকুন।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-1875279783297914514?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/1875279783297914514/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/11/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/1875279783297914514'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/1875279783297914514'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/11/blog-post.html' title='বাড়তি মেদ কমাতে...'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-8305242042605706201</id><published>2011-10-10T21:56:00.000-07:00</published><updated>2011-10-10T21:59:17.449-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='biye'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='relationship'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><title type='text'>মা-বাবার আবার বিয়ে</title><content type='html'>বিচ্ছেদ কিংবা মৃত্যু। প্রিয়জনকে হারিয়ে জীবন অনেকটা স্থবির হয়ে পড়ে। তবু  থেমে থাকে না জীবন। চলে যায় অমোঘ নিয়মে। এই চলার পথেই হয়তো প্রয়োজন পড়ে  নতুন সঙ্গীর। অনেকেই এ সময় সন্তানের কথা ভেবে সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগেন।  সন্তান, নাকি নিজের জীবন—কোনটা প্রাধান্য দেবেন। নতুন সঙ্গীকে সব সময় মেনে  নিতে পারে না সন্তান। আর সেখান থেকেই শুরু হয় তার মানসিক টানাপোড়েন।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; ক্ষতিগ্রস্ত হয় তার স্বাভাবিক বেড়ে ওঠা। এসব পরিস্থিতি অনেকটা এড়ানো সম্ভব,  যদি শুরুতেই বিষয়টি সন্তানের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করা যায়। এ ক্ষেত্রে  সন্তানের সিদ্ধান্তকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। নাট্যব্যক্তিত্ব  সারা যাকের বলেন, ‘মানুষের এসব সম্পর্কের জায়গা বেশ জটিল। মনোজগতে নানা  ধরনের আলোড়ন চলতে থাকে। এ সমাজে বাবার আবার বিয়ে যদিও বা সন্তানদের কাছে  নতুন কিছু নয়, কিন্তু মায়ের দ্বিতীয় বিয়ে এখনো অপ্রত্যাশিতই। একজন মানুষ  একা হয়তো তার জীবন পাড়ি দিতে পারে। তবে তার চলার পথে বন্ধু বা একজন সঙ্গী  থাকলে ক্লান্তি ভর করে না।&lt;br /&gt;সমাজেরও এটি মনে করা অন্যায় যে সঙ্গীবিহীন অবস্থায় মানুষটিকে থাকতে হবে।  তবে মনে রাখতে হবে, স্ত্রী থাকা অবস্থায় বা তাকে না জানিয়ে বিয়ে করলে সেটি  কিন্তু দণ্ডনীয় অপরাধ।অনেক সময় স্ত্রীর মৃত্যু বা বিবাহবিচ্ছেদের পর  সন্তানকে না জানিয়ে হুট করে সংসারে নতুন সঙ্গী নিয়ে আসেন অনেকে। এটি  সন্তানের মনোজগতে প্রভাব ফেলে। আকস্মিক এই আঘাত সে মেনে নিতে পারে না।  পারিবারিক সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়। এ ক্ষেত্রে মা-বাবা যদি আগেই  সন্তানের সঙ্গে পুরো বিষয়টি নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করে নেন, তাহলে পরে  সমস্যায় পড়তে হবে না। সন্তানের ওপর নিজের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দিয়ে তাকে  সময় দিতে হবে। আর এসব বিষয়ে বড়দের সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করতে হবে। ধৈর্য  হারালে চলবে না।’&lt;br /&gt;প্রায় ২০ বছর আগে দ্বিতীয় বিয়ে করেন আফসার আহমেদ (ছদ্মনাম)। তাঁর স্ত্রী  মারা যাওয়ার সময় তাঁদের ছেলেটির বয়স ছিল আট বছর। পারিবারিক চাপে আবার  বিয়েতে সম্মতি দেন। তাঁর নতুন সঙ্গীরও এটি দ্বিতীয় বিয়ে। তাঁরও একটি মেয়ে  ছিল। বাবার বিয়ের কথা অন্যদের মুখে শুনে আফসার আহমেদের ছেলেটি তাঁর থেকে  দূরে সরে যেতে থাকে। তিনিও নিজের বিয়ের কথা সন্তানকে সরাসরি বলতে পারেননি।  ‘ভেবেছিলাম, ও তো ছোট, তেমন কোনো সমস্যা হবে না। সে সময় সবাই এমনটাই  বলেছিল। কিন্তু ছেলেটি কেমন চুপচাপ হয়ে গেল। আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে  বোঝাপড়া ভালো হলো না তার। স্ত্রীও তার মেয়েটিকেই বেশি যত্নআত্তি করত। বড়  হওয়ার পর ছেলেটি আমাকে ছেড়ে চলে যায়। ওকে আসলে বুঝতে পারিনি আমি। ওর অভিমান  বুঝতে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল।’ বলেন তিনি।&lt;br /&gt;প্রাপ্তবয়স্ক বা ছোট বয়সের কোনো সন্তানই শুরুতে তার মা-বাবার স্থানে অন্য  কাউকে দেখতে পছন্দ করে না। নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে। তাই মা-বাবাকেই এগিয়ে  আসতে হবে, কোনোভাবেই সন্তান যেন মানসিক চাপ বোধ না করে। অভিনয়শিল্পী রোকেয়া  প্রাচী বলেন, ‘সন্তানকে বোঝাতে হবে, এ বিষয়ে সে-ই মূল সিদ্ধান্ত  গ্রহণকারী। তার ইচ্ছা-অনিচ্ছাই সব। নতুন সঙ্গীর সঙ্গে বন্ধুত্বের শুরুতে  তাকে সব বুঝিয়ে বলুন। সন্তানের সঙ্গে তাঁকে পরিচয় করিয়ে দিন। আপনার  সন্তানের সঙ্গে তাঁর বোঝাপড়া ভালো হলে বা বন্ধুত্ব গড়ে উঠলে সিদ্ধান্ত নিতে  সহজ হবে। বিয়ের পর মা-বাবার উচিত সন্তানকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া। আগের মতো  পারিবারিক আবহ বজায় রাখতে হবে। নতুন বাড়িতে উঠলে সেটিতে সে যেন পুরোনো  পরিবেশ খুঁজে পায়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে। হুট করেই তার আগের সব অভ্যাস  পরিবর্তনের কথা বলা যাবে না। কেননা, শিশুটির হয়তো মা-বাবার সঙ্গে ঘুমানোর  অভ্যাস। তাকে যদি আলাদা ঘরে থাকতে বলা হয়, তখন সে ভাববে, নতুন মানুষটির  কারণে তার সব হারাতে হচ্ছে। সন্তানের সীমাবদ্ধতা, পছন্দ-অপছন্দ—সব আগেই  নতুন সঙ্গীকে জানিয়ে দিতে হবে। যদি দুই পক্ষেরই আগের সন্তান থাকে, তাহলে  যথেষ্ট সহনশীল হওয়া উচিত। কোনো ভেদাভেদ করা যাবে না। তাদের মধ্যে কোনো  ঝামেলা হলে এর মধ্যে মা-বাবার প্রবেশ না করাই ভালো। খুব ভালো হয় বিয়ের আগেই  একে অপরের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলে। এমনকি বিয়ের দিনও কৌশলী হতে হবে, যাতে  সন্তান মনে করে সে-ই সবচেয়ে প্রাধান্য পাচ্ছে এবং সে একজন গুরুত্বপূর্ণ  লোক। আসল কথা হলো, সে যেন বুঝতে পারে এই সম্পর্ক তার জীবনে নানা প্রাপ্তি  যোগ করছে। বিনিময়ে কিছুই হারাতে হচ্ছে না তাকে। তাহলে পরিবারে সুখ-শান্তি  থাকবে।’&lt;br /&gt;ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মাহবুবা নাসরিন মনে  করেন, নতুন সঙ্গীটিকে সন্তানের কাছে আস্থাভাজন হতে হবে। এমন কোনো আচরণ করা  চলবে না, যাতে সন্তানেরা ভুল বোঝে। তার কথাবার্তা, আচার-আচরণের মধ্য দিয়ে  সন্তানের কাছের মানুষ হয়ে উঠতে হবে। তাহলে দেখা যাবে, সব দ্বিধা কাটিয়ে  সন্তানেরা ঠিকই তাকে আপন করে নিচ্ছে। মা-বাবার বিয়ের পর সন্তান যেন নিজেকে  বাইরের কেউ মনে না করে। শিশুর মনস্তত্ত্ব মা-বাবাই সবচেয়ে ভালো বোঝেন। তবু এ  সময় বাড়তি যত্ন নিতে হবে। আগের চেয়ে অনেক বেশি দায়িত্বশীল হতে হবে তাঁদের।  প্রাপ্তবয়স্ক ছেলেমেয়েরও শুরুতে মা-বাবাকে ভুল বোঝা উচিত নয়। মনে কোনো  প্রশ্ন না রেখে সরাসরি কথা বললে সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হবে না।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-8305242042605706201?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/8305242042605706201/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/10/blog-post_7424.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/8305242042605706201'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/8305242042605706201'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/10/blog-post_7424.html' title='মা-বাবার আবার বিয়ে'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-2922121183156111189</id><published>2011-10-10T21:53:00.000-07:00</published><updated>2011-10-10T21:54:58.010-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='food'/><title type='text'>সামুদ্রিক মাছের রান্না</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://http.cdnlayer.com/prothomalo1998/resize/maxDim/340x340/img/uploads/media/2011-10-10-16-59-39-078861000-untitled-16.jpg"&gt;&lt;img style="float: right; margin: 0pt 0pt 10px 10px; cursor: pointer; width: 281px; height: 192px;" src="http://http.cdnlayer.com/prothomalo1998/resize/maxDim/340x340/img/uploads/media/2011-10-10-16-59-39-078861000-untitled-16.jpg" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;স্বাদবদলে সামুদ্রিক মাছের জুড়ি নেই। পুষ্টিগুণেও দারুণ। দেখে নিন জেবুন্নেসা বেগমের দেওয়া সামুদ্রিক মাছের কয়েক পদ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;রূপচাঁদা ভুনা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ: রূপচাঁদা মাছ ১ কেজি, হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ, লাল মরিচের বাটা ১  চা-চামচ, ফিশ সস আধা চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, আদাবাটা  আধা চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, টমেটো পিউরি ২ টেবিল-চামচ, তেল  প্রয়োজনমতো।&lt;br /&gt;প্রণালি: রূপচাঁদা মাছে ছুরি দিয়ে দাগ কেটে নিন। অর্ধেক হলুদ, বাটা মরিচ,  ফিশ সস ও লবণ দিয়ে মেখে এক ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর মাছ ভেজে নিন। দুই  টেবিল-চামচ তেল গরম করে এতে পেঁয়াজ সামান্য ভেজে আদা, রসুন, লবণ, বাকি  হলুদ, বাটা মরিচ, টমেটো পিউরি দিয়ে ভাজা মাছে ঢেলে দিন। পরে কাঁচা মরিচ ও  ধনে পাতা দিয়ে নামিয়ে নিন।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ভেটকি মাছের কোপ্তাকারি&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ: কোপ্তার জন্য&lt;br /&gt;ভেটকি মাছের বাটা ১ কাপ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, কাঁচা  মরিচের বাটা আধা চা-চামচ, জিরাগুঁড়া সিকি চা-চামচ, গরম মসলা আধা চা-চামচ,  লবণ স্বাদমতো, কর্নফ্লাওয়ার ৩ টেবিল-চামচ, ডিম ১টা।&lt;br /&gt;গ্রেভির জন্য&lt;br /&gt;আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ, মরিচগুঁড়া ১  চা-চামচ, টক দই ১ কাপ, তেজপাতা ২টা, লবণ স্বাদমতো, জিরাগুঁড়া আধা চা-চামচ,  পেঁয়াজ বেরেস্তা ২ টেবিল-চামচ, পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল-চামচ, পোস্তদানাবাটা ১  টেবিল-চামচ, বাদামবাটা ১ চা-চামচ, কিশমিশ বাটা ১ চা-চামচ, চিনি আধা  চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ৩-৪টা, তেল ১ টেবিল-চামচ।&lt;br /&gt;প্রণালি: বাটা মাছের সঙ্গে কোপ্তার সব মসলা ও প্রয়োজনমতো কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে  বল বানিয়ে নিতে হবে। বলগুলো কর্নফ্লাওয়ারে গড়িয়ে ডুবোতেলে ভেজে নিন।  গ্রেভির সব মসলা কষিয়ে টক দই দিয়ে মাছের কোপ্তায় দিয়ে দিন। সবশেষে চিনি ও  কাঁচা মরিচ দিয়ে নামিয়ে নিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt; লইট্টা ফ্রাই&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ: লইট্টা মাছ ১ কেজি, আদাবাটা আধা চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, লবণ  স্বাদমতো, স্বাদলবণ সিকি চা-চামচ, গোলমরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ, সয়াসস আধা  চা-চামচ, লেবুর রস ১ চা-চামচ, ডিম ১টা, ব্রেড ক্রাম ১ কাপ ও ভাজার জন্য  তেল।&lt;br /&gt;প্রণালি: মাছে সব মসলা মাখিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এবার ডিমে ডুবিয়ে ব্রেড  ক্রামে গড়িয়ে ডুবোতেলে ভেজে নিন। গরম ভাত অথবা পোলাওয়ের সঙ্গে পরিবেশন  করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt; ভাপা কোরাল&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ: কোরাল মাছ ১টা, সয়াসস ১ চা-চামচ, ফিশ সস ১ চা-চামচ, টমেটো সস ১  টেবিল-চামচ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা আধ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, লেবুর  রস ১ চা-চামচ, গোলমরিচের বাটা আধা চা-চামচ, কাঁচা মরিচের বাটা আধা চা-চামচ,  পুদিনাপাতাবাটা আধা চা-চামচ, স্বাদলবণ সিকি চা-চামচ, তিলের তেল ২  টেবিল-চামচ।&lt;br /&gt;প্রণালি: মাছে দাগ কেটে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিতে হবে। পানি ঝরিয়ে সব মসলা  মাখিয়ে এক ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর তেল মাখিয়ে চুলায় একটা পাত্রে পানি দিয়ে  তার ওপর ঝাঁজরিতে কলাপাতা মুড়ে মাছ রেখে দিন। ভাপে ১৫-২০ মিনিট রান্না  করুন।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-2922121183156111189?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/2922121183156111189/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/10/blog-post_147.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/2922121183156111189'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/2922121183156111189'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/10/blog-post_147.html' title='সামুদ্রিক মাছের রান্না'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-1579666840431602129</id><published>2011-10-10T21:43:00.000-07:00</published><updated>2011-10-10T21:47:16.003-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='interior'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='home'/><title type='text'>সাজাই নতুন সংসার</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://http.cdnlayer.com/prothomalo1998/resize/maxDim/340x340/img/uploads/media/2011-10-10-17-06-37-039838300-untitled-25.jpg"&gt;&lt;img style="float: right; margin: 0pt 0pt 10px 10px; cursor: pointer; width: 263px; height: 180px;" src="http://http.cdnlayer.com/prothomalo1998/resize/maxDim/340x340/img/uploads/media/2011-10-10-17-06-37-039838300-untitled-25.jpg" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;বিয়ের পর নতুন সংসার। চারপাশের পরিবেশটাই অন্য রকম। সারা দিন অফিস,  আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব— সবকিছুর সঙ্গে তাল মিলিয়ে আপনার স্বপ্নের  সংসারটা সাজাতে খেতে হয় হিমশিম। কীভাবে সাজাবেন আপনার ছোট্ট শান্তিকুটিরের  অন্দর, দুজনে মিলে কেনা পছন্দের আসবাবগুলো বসাবেন কীভাবে—কর্মজীবী সদ্য  বিবাহিত দম্পতিরা সংসার সাজানোর শুরুতেই এসব নানা ভাবনার সম্মুখীন হন।  হারিয়ে ফেলেন কূলকিনারা। পোহাতে হয় নানা ঝক্কিঝামেলা। ‘সংসারে মাত্র দুজন  মানুষ। দেয়ালের রং থেকে শুরু করে আসবাবপত্র—সবকিছুতেই থাকা চাই নতুনত্বের  ছোঁয়া।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;সীমিত জায়গায় ছোট্ট সংসার ছিমছামভাবে সাজানোর দিকেই থাকে মূল  লক্ষ্য। এ জন্য যতটা সম্ভব খোলামেলা রাখুন আপনার অন্দর। নতুন সংসারে যেসব  আসবাবপত্র না হলেই নয়, কেবল সেগুলোই ব্যবহার করা উচিত। এতে স্বল্প জায়গা  সত্ত্বেও মনের মতো করে সাজিয়ে নিতে পারবেন আপনি।’ বলছিলেন অন্দরসাজের  প্রতিষ্ঠান ক্ষেত্রমিতি উপদেষ্টার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক স্থপতি মো. নাঈমুল  হক। তাঁর মতে, দিনের সব ব্যস্ততা শেষে বাসায় গিয়ে নিজের শোবার-ঘরে গা এলিয়ে  দেওয়া। তাতেই ধুয়েমুছে যায় ক্লান্তি। তাই এই ঘরের অন্দরসজ্জায় সব সময়ই  যাতে একটা স্নিগ্ধ ভাব বজায় থাকে, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। দেয়ালের  হালকা রঙের সঙ্গে মিলিয়ে কম উজ্জ্বল বাতিতে আলোকিত করুন আপনার শোবার-ঘর।  ব্যবহার করুন হালকা ও উজ্জ্বল রঙের পর্দা; ঘরের শোভা বেড়ে যাবে কয়েক গুণ।  অযথা বেশি না কিনে খুব সীমিতসংখ্যক আসবাবপত্রের ব্যবহারেও সাজাতে পারেন  আপনার শোবার-ঘর। এ ক্ষেত্রে নিচু বিছানা, সাইড টেবিল কিংবা অফিসের কাজ করার  জন্য ছোট্ট একটা টেবিল রাখতে পারেন। ঘরে বক্সখাট থাকলে ড্রয়ারগুলোও  ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারবেন আপনি। আলমারি, ওয়ার্ডরোব আলাদাভাবে না রেখে  এমন আসবাব রাখুন যাতে একটিতেই সবকিছুর ব্যবস্থা হয়ে যায়। টেলিভিশনের জন্য  আলাদা কোনো জায়গা নষ্ট না করে ওয়াল ফিটিং এলসিডি টিভি ব্যবহার করতে পারেন।  অফিসের কাজের জন্য ডেস্কটপ কম্পিউটারের প্রয়োজন হতে পারে; সে ক্ষেত্রে  টিভিকার্ডের মাধ্যমে একই সঙ্গে টিভি ও কম্পিউটারের কাজটা দিব্যি চালিয়ে  নিতে পারেন আপনি। ড্রেসিং-টেবিল আলাদাভাবে রাখতে পারেন। তবে সবচেয়ে ভালো হয়  বাথরুমের সঙ্গে ড্রেসিংয়ের ব্যবস্থা রাখলে। এতে প্রতিদিন সকালে বেরিয়ে  যাওয়ার সময় ঝামেলাটা কম হয়। যদিও শোবার-ঘরে অতিথি আগমন খুব একটা ঘটে না,  তবু আপনি চাইলে দুজনের বসার ব্যবস্থা করতে পারেন। কিংবা শোবার-ঘরের সঙ্গে  ব্যালকনি কিংবা টেরাস থাকলে নিজেদের একান্ত সময়গুলো সেখানে সুন্দরভাবে  কাটিয়ে দিতে পারেন। সিলিং থেকে ঝুলন্ত টবেও রাখতে পারেন আপনার পছন্দের গাছ।  ব্যালকনিতে দুজনের জন্য বসার ব্যবস্থা থাকা উচিত, যাতে বাসায় ফিরে হালকা  আলোর নিচে গরম চা কিংবা কফি হাতে সারা দিনের আলাপচারিতা সেরে নেওয়া যায়।  অবসরে গান শোনা কিংবা বই পড়ার জন্য রকিং-চেয়ারও রাখতে পারেন। অন্দরসজ্জা  নিয়ে এমনটিই মনে করেন মো. নাইমুল হক।&lt;br /&gt;রেডিয়েন্ট ইনস্টিটিউট অব ডিজাইন-এর প্রধান গুলশান নাসরিন চৌধুরী বলেন,  ‘নতুন সংসার বলে অতিথি আসবেই। তাই বসার ঘরের সজ্জাটাও গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু  জায়গা সীমিত, তাই খুব অল্প আসবাবপত্রেই সাজিয়ে ফেলুন বসার ঘরটি।’&lt;br /&gt;আজকাল লো-হাইটের সোফার প্রচলন বেশ দেখা যায়। সঙ্গে লো-হাইটের টেবিল। আপনি  চাইলে শতরঞ্জি বা বাহারি পাটি ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের  ফ্লোর-ম্যাট্রেস ব্যবহার করতেও দেখা যায় অনেককে। বসার ঘরেও একটা ওয়াল ফিটিং  এলসিডি টেলিভিশন রাখতে পারেন। ফলে বন্ধুবান্ধব নিয়ে ছোটখাটো মুভি পার্টিও  দিতে পারেন সহজেই। বসার ঘরের দেয়ালে পেইন্টিংসও ঝুলিয়ে রাখতে পারেন। কিংবা  তৈরি করতে পারেন ‘ফিচার ওয়াল’। একটা দেয়াল একটু উজ্জ্বল রঙে রাঙিয়ে তাতে  স্পটলাইটের ব্যবস্থা করে টাঙিয়ে রাখুন প্রিয় মুহূর্তের ছবিগুলো। অন্দরের  সৌন্দর্যের সঙ্গে সঙ্গে ঘরময় ছড়িয়ে থাকবে ভালোবাসা।&lt;br /&gt;যেহেতু ছোট সংসার, তাই রান্নাবান্নার কাজ নিজেরাই করে নেওয়া যায় সহজে। এ  জন্য আলাদা কোনো রান্নাঘর না রেখে বসার ঘরের আরেক প্রান্তে চালিয়ে নিতে  পারেন এ কাজ। কিচেন ক্যাবিনেট, কিচেন কাউন্টার, কিচেন সিংক, গ্যাসের  চুলা—সবকিছুই থাকবে সেখানে।&lt;br /&gt;ধোঁয়ার ঝামেলা থেকে মুক্ত রাখতে ব্যবহার করতে পারেন কিচেন হুড। এ ছাড়া  অন্যান্য সুবিধা তো থাকবেই। সময় বাঁচাতে ওভেন, টোস্টার, স্যান্ডউইচ মেশিন,  ব্লেন্ডার, কফি মেকার, রাইস কুকার, ওয়াটার হিটারের মতো প্রয়োজনীয়  ইলেকট্রনিকস সামগ্রীগুলো রেখে দিন সেখানে। তাতে রান্নার ঝামেলা কিছুটা হলেও  কমে যাবে। আপনি চাইলে ঘরে বাড়তি কোনো খাবার-টেবিল না রেখে কিচেনের সঙ্গে  কিচেন টপের ব্যবস্থা করে দুজন বসে খেতে পারবেন। ঘরে ছোটখাটো পার্টির কাজটাও  সারতে পারবেন এর মাধ্যমে। এতে আপনার জায়গা কম লাগবে। এ ছাড়া প্রবেশপথে  জুতা-স্যান্ডেল রাখার ছোট তাক রাখতে পারেন। এতে বসতের অন্দর  পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নও থাকবে। বললেন গুলশান নাসরিন।&lt;br /&gt;আপনি আপনার অন্দর যেভাবেই সাজান না কেন, তা যেন কোনোভাবেই আপনার  স্বাচ্ছন্দ্যকে নষ্ট না করে, সে দিকটি বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। বেশি  কিছু না করে খুব সাধারণভাবেই অসাধারণ সজ্জায় সজ্জিত হতে পারে আপনার  অন্দরমহল। তাহলে নতুন জীবনের মতো আপনার বসতিও হয়ে উঠবে শান্তির নিবাস।  আনন্দময়তায় ভরে উঠবে প্রতিটি ক্ষণ।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-1579666840431602129?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/1579666840431602129/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/10/blog-post_10.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/1579666840431602129'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/1579666840431602129'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/10/blog-post_10.html' title='সাজাই নতুন সংসার'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-7892196095143433101</id><published>2011-10-09T21:14:00.000-07:00</published><updated>2011-10-09T21:17:24.137-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='relationship'/><title type='text'>সুখী হওয়ার সহজ উপায়</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://http.cdnlayer.com/prothomalo1998/resize/maxDim/340x1000/img/uploads/media/2011-10-10-02-13-33-004607900-happy.jpg"&gt;&lt;img style="float: right; margin: 0pt 0pt 10px 10px; cursor: pointer; width: 260px; height: 178px;" src="http://http.cdnlayer.com/prothomalo1998/resize/maxDim/340x1000/img/uploads/media/2011-10-10-02-13-33-004607900-happy.jpg" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;দিনগুলো সুখে কাটবে—এমন আশাতেই ঘর বাঁধে নর-নারী। কিন্তু সেই প্রত্যাশা বা  স্বপ্ন সব সময় পূরণ হয় না। প্রাণোচ্ছল, উচ্ছ্বাসে ভরা দিনগুলো দুজনের কাছেই  একসময় হয়ে পড়ে একঘেয়ে, অবসন্ন, নীরস। সবকিছুই পুরোনো মনে হয়। হয়তো দুজনেরই  হারিয়ে যাওয়া সেসব দিনকে আবার রঙিন করে তুলতে, হারিয়ে যাওয়া দিনগুলোকে  ফিরে পেতে ইচ্ছা করে সবার। নানা কাজের চাপে হয়ে ওঠে না।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;জীবনটা প্রাণোচ্ছল রাখতে খুব বেশি উদ্যোগের দরকার নেই। একটু মনে রাখা, একটু  চেষ্টাতেই জীবনটা হয়ে উঠতে পারে বর্ণিল। যারা আগ্রহী, তারা এবার একটু  নড়েচড়ে বসুন। প্রথমেই যা মনে রাখতে হবে, তা হলো প্রেমের কোনো বয়স নেই। বরং  যতই বয়স বাড়বে, প্রেমের বন্ধন ততই দৃঢ় হবে। আর এই প্রেমের প্রকাশ ঘটাতে খুব  বেশি কিছুর প্রয়োজন নেই। সঙ্গী বা সঙ্গিনীর হাতে একটু হাত রাখা, হালকা  স্পর্শ, জড়িয়ে ধরা ব্যস—এতেই পরস্পর অনুভব করতে পারেন হারিয়ে যাওয়া প্রেমের  অনুভূতি।&lt;br /&gt;মাঝেমধ্যেই বেরিয়ে পড়তে পারেন ছুটিতে। শুধু দুজনে। এতে করে একে অপরের  কাছাকাছি আসবেন। না বলা অনেক কথা হয়তো বলা যাবে। মনে পড়বে বিয়ের শুরুর বা  আগের প্রেম। সম্পর্ক হয়ে উঠবে সজীব। আর সম্পর্ক সজীব রাখতে হলে একসঙ্গে কাজ  করার কোনো বিকল্প নেই। সংসার মানেই ভাগাভাগি। স্বামী, স্ত্রী একসঙ্গে  রান্না করতে পারেন, ঘর গুছাতে পারেন, ঘর পরিষ্কার করতে পারেন। এমনকি সঙ্গী  বা সঙ্গিনীর পছন্দের খাবারও রান্না করতে পারেন একসঙ্গে। মাঝেমধ্যে ঘরেই  আয়োজন করতে পারেন ছোটখাটো অনুষ্ঠানের। স্বামী, স্ত্রী দুজনেরই বন্ধুস্থানীয়  কয়েকজনকে ডাকতে পারেন। কাছের স্বজনদেরও ডাকতে পারেন। সময় কাটাতে পারেন  একসঙ্গে। সঙ্গীকে কখনো কখনো দিন উপহার। সেটি হতে পারে একগুচ্ছ ফুল অথবা  ছোট্ট একটা চিরকুট। কিন্তু এতেই প্রকাশ পাবে একে অপরের প্রতি ভালোবাসা।  সঙ্গী বা সঙ্গিনীর প্রশংসা করতে হবে মন খুলে। যত ছোট ব্যাপারই হোক, প্রশংসা  করুন।&lt;br /&gt;সারা দিনের কর্মব্যস্ততায় হয়তো আপনি ভীষণ ক্লান্ত। কিছুটা বিরক্তও। তবু  মুখে একটু হাসি রাখার চেষ্টা করুন। দেখবেন ধীরে ধীরে সবকিছুই অনেক হালকা  মনে হবে।&lt;br /&gt;একে অপরকে সময় দিন। অন্তত যেকোনো এক বেলার খাবার একসঙ্গে খান। এতে করে একে অপরের সঙ্গে চিন্তাভাবনা ভাগ করে নিতে পারবেন সহজেই।&lt;br /&gt;সবচেয়ে যা জরুরি, তা হলো ভুলেও কারও সঙ্গে সঙ্গী বা সঙ্গিনীর তুলনা করবেন  না। মনে রাখবেন, প্রত্যেক মানুষই তার নিজের মতো। কাজেই সঙ্গী যেমনই হোক,  তাকে তার মতো করেই ভালোবাসুন। ছোটখাটো এসব বিষয় মাথায় রাখলেই জীবনটা হয়ে  উঠতে পারে আরও সুন্দর। ছোট্ট নীড় হয়ে উঠতে পারে সত্যিই শান্তির। প্রাণখুলে  গেয়ে উঠতে পারেন, ‘নীড় ছোট ক্ষতি নেই, আকাশ তো বড়।’&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-7892196095143433101?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/7892196095143433101/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/10/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/7892196095143433101'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/7892196095143433101'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/10/blog-post.html' title='সুখী হওয়ার সহজ উপায়'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-314798700259458758</id><published>2011-09-19T22:03:00.000-07:00</published><updated>2011-09-19T22:06:33.162-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Tips'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='korcha'/><title type='text'>বেশি তাজা</title><content type='html'>&lt;p&gt;চালডাল, শাকসবজি, দুধ ইত্যাদি যেসব খাবার সকালের নাস্তা থেকে শুরু করে  রাতের খাবার পর্যন্ত রোজই দরকার লাগে, তারই কিছু কিছু স্টোর করতে হয়। জেনে  রাখুন এসব দ্রব্যাদি বেশিদিন ভালো রাখার উপায়।&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;  &lt;p&gt;++ চাল, ডাল কেনার পর স্টোর করার আগে ভালো করে রোদ লাগান। তারপর মাঝারি  ছিদ্রের চালুনিতে চেলে নিন। এত করে ধুলোময়লার সঙ্গে সঙ্গে পোকামাকড়ও বেরিয়ে  যাবে। এরপর কৌটায় করে ভরে রাখলে অনেকদিন ভালো থাকবে। সেই সঙ্গে পরে চালডাল  ধুতে একেবারেই বেশি সময় লাগবে না। &lt;/p&gt;  &lt;p&gt;++ চাল বেশিদিন ধরে ভালো রাখতে হলে চালের টিনে চাল ঢালার আগে কৌটার নিচে  নিমপাতা বিছিয়ে রাখুন। তার ওপর চাল রাখলে সহজে পোকা ধরবে না বা নষ্ট হবে  না। &lt;/p&gt;  &lt;p&gt;++ ডালে অনেক সময় পোকা ধরে। পোকা থেকে বাঁচাতে একটা বড় পাত্রে ডাল ঢেলে  সামান্য কয়েক ফোঁটা ক্যাস্টর অয়েল ভালো করে ডালে মাখিয়ে নিন। তারপর ডাল  এয়ারটাইট বোতল বা কৌটায় রাখুন। &lt;/p&gt;  &lt;p&gt;++ সুজি বেশিদিন রেখে দিলে খারাপ হয়ে যায় বা পোকা ধরে যায়। তাই প্রথমে  কড়াই আঁচে বসিয়ে, তাতে সুজি দিয়ে অল্প তেলে ফেলে নেড়ে নিন। এয়ারটাইট কৌটায়  ঢেলে ঢাকনা ভালো করে বন্ধ করে রেখে দিন। অনেক দিন ভালো থাকবে। &lt;/p&gt;  &lt;p&gt;++ ব্রেডবক্সে পাউরুটি বেশিদিন রাখলে অনেক সময় ছাতা ধরে যায়। ভিনিগারে  ভেজা এক টুকরো কাপড় দিয়ে ব্রেডবক্সটি সপ্তাহে দুইবার পরিষ্কার করুন। মাঝে  মাঝে ফুটন্ত গরম পানি দিয়ে ধুতে পারেন। এতে রুটি রাখলে ভালো থাকবে। পাউরুটি  ফ্রিজেও রাখতে পারেন ব্রেডবক্সে ভরে। বেশিদিন রাখলেও নষ্ট হবে না। &lt;/p&gt;  &lt;p&gt;++ বিস্কুট মাঝে মাঝে নরম হয়ে যায়। বিস্কুটের কৌটায় এক টুকরো ব্লটিং  পেপার রাখুন অথবা শুকনো ঝরঝরে লবণের পুঁটলি বানিয়ে এতে রাখতে পারেন।  বিস্কুট তাজা থাকবে। তবে লবণের পুঁটলি ভিজে উঠলে পুঁটলি পালটিয়ে দিতে হবে।&lt;/p&gt;  &lt;p&gt;++ তরল দুধ ভালো রাখার উপায়। একটা বড় পাত্রে ঠান্ডা পানি ভরে রাখুন। এতে  এক টেবিল চামচ লবণ ও এক টেবিল চামচ কাপড় কাচার সোডা মিশান। এবার এই পানি  ভরা পাত্রে দুধের বোতলটি রাখুন। অনেকটা সময় দুধ ভালো থাবে। &lt;/p&gt;  &lt;p&gt;++ সবুজ তরিতরকারি ফ্রিজে রাখলে শুকিয়ে খড়খড়ে হয়ে যায়। পলিথিন বা  সেলোফিন ব্যাগে ভরে রাবার ব্যান্ড দিয়ে ব্যাগের মুখ আটকিয়ে দিন। এবার  ফ্রিজে ঢোকান। তরকারি বেশ কিছুদিন ধরে তাজা থাকবে। &lt;/p&gt;  &lt;p&gt;++ লেটুস ও শসা ভালো করে ধুয়ে নিয়ে ইট বা পাথরের মেঝেতে রাখুন ঝুড়ি চাপা  দিয়ে। এভাবে রাখলে অনেকদিন পর্যন্ত ভালো থাকবে। লেটুসপাতা সারারাত লবণ  পানিতে ভিজিয়ে রাখলেও দীর্ঘ সময় তাজা থাকবে। &lt;/p&gt;  &lt;p&gt;++ টমেটো বেশিদিন ধরে তাজা রাখতে হলে, লবণ পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন টমেটো ভালো থাকবে। &lt;/p&gt;  ++ কাঁচা মরিচ বেশিদিন ধরে ব্যবহার করতে হলে একটু হলুদের গুঁড়া ছিটিয়ে  এয়ারটাইট বোতলে ভরে রাখুন। বোতলটি ঠান্ডা জায়গায় রাখুন। এভাবে রাখলে কাঁচা  মরিচ অনেক দিন ভালো থাকবে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-314798700259458758?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/314798700259458758/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/09/blog-post_8221.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/314798700259458758'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/314798700259458758'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/09/blog-post_8221.html' title='বেশি তাজা'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-8273104893973903887</id><published>2011-09-19T21:46:00.000-07:00</published><updated>2011-09-19T21:58:11.767-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='korcha'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='food'/><title type='text'>জাম্বুরা’র ৪ পদ</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://new.ittefaq.com.bd/uploads/news_image/2011-09-20_1316439612.jpg"&gt;&lt;img style="float: right; margin: 0pt 0pt 10px 10px; cursor: pointer; width: 337px; height: 225px;" src="http://new.ittefaq.com.bd/uploads/news_image/2011-09-20_1316439612.jpg" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;দেশীয় ফল জাম্বুরার গুণাগুণ সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নেই। তবে এই  সুস্বাদু ফল দিয়ে নানা রকম খাবার তৈরি হতে পারে তা হয়তো অনেকেই জানেন না।  জাম্বুরা দিয়ে তৈরি ৪ পদের মজাদার রেসিপি দিয়েছেন বিশিষ্ট রন্ধনশিল্পী  আফরোজা জামান  &lt;p&gt;  &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;জা ম্বু রা র  জে লি&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; &lt;p&gt;   &lt;/p&gt; &lt;p&gt;  উপকরণ :পানি ১ কাপ, সাইট্রিক ১/৪ চা চামচ, চেরি রেড কালার সামান্য, ফ্রুটি  (লাল, সবুজ) ১ টেবিল চামচ, চিনি পৌনে ১ কাপ, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ,  জাম্বুরা ১ কাপ&lt;/p&gt; &lt;p&gt;   &lt;/p&gt; &lt;p&gt;  প্রণালি :চিনি, পানি ও লেবুর রস ৫ মিনিট জ্বাল করুন। জাম্বুরা দিন,  সাইট্রিক ও কালার মেশান। ফ্রুটি দিয়ে দিন। ঘন হলে নামিয়ে কাচের পাত্রে জমতে  দিন।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;   &lt;/p&gt; &lt;p&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; &lt;/p&gt; &lt;p style="font-weight: bold;"&gt;জাম্বুরার শরবত&lt;/p&gt; &lt;p&gt;   &lt;/p&gt; &lt;p&gt;  উপকরণ :পানি ২ কাপ, চিনি ২ টেবিল চামচ, জাম্বুরার স্কোয়াশ ২ চা চামচ, জাম্বুরা ডেকোরেশনের জন্য।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;   &lt;/p&gt; &lt;p&gt;  প্রণালি :পানি ও চিনি মিশিয়ে শরবত বানাতে হবে। শরবতের সাথে স্কোয়াস মিশিয়ে, বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন জাম্বুরার শরবত।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;   &lt;/p&gt;  &lt;p&gt;  &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;জাম্বুরার টক - মিষ্টিভর্তা&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; &lt;p&gt;   &lt;/p&gt; &lt;p&gt;  উপকরণ :জাম্বুরা ২ কাপ, পাপড়িকা ১/২ চা চামচ, লবণ সামান্য, চিনি ২ চা চামচ, স্বাদ লবণ ১/৪ চা চামচ, শুকনা মরিচ ২টি।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;   &lt;/p&gt; &lt;p&gt;  প্রণালি :প্রথমে শুকনা মরিচ ভেজে গুঁড়া করে নিতে হবে। এবার ২ কাপ  জাম্বুরাতে একে একে শুকনা মরিচ, চিনি, স্বাদ লবণ, পাপড়িকা, লবণ হালকাভাবে  মিশিয়ে পরিবেশন করতে হবে।&lt;/p&gt;  &lt;p&gt;  &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;জাম্বুরার স্কো য়া শ&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; &lt;p&gt;   &lt;/p&gt; &lt;p&gt;  উপকরণ :জাম্বুরার জুস ১/২ কাপ, চিনি ১/২ কাপ, চেরি রেড কালার সামান্য,  পানি ১/২ কাপ, লেমন জুস ১/৪ কাপ, ফ্লেভার ২ চা চামচ, অরেঞ্জ কালার সামান্য।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;   &lt;/p&gt; &lt;p&gt;  প্রণালি :সব একসাথে জ্বাল করে পরিষ্কার বোতলে সংরক্ষণ করুন।&lt;/p&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-8273104893973903887?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/8273104893973903887/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/09/blog-post_6824.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/8273104893973903887'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/8273104893973903887'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/09/blog-post_6824.html' title='জাম্বুরা’র ৪ পদ'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-4109540346901889373</id><published>2011-09-19T21:41:00.000-07:00</published><updated>2011-09-19T21:45:32.585-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='interior'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='home'/><title type='text'>অন্দরে আলো</title><content type='html'>‘কর্মব্যস্ত একটি দিন। অফিসে কাজের চাপে দম ফেলার সময় নেই। ঘরে ফিরেই সতেজ  হতে চায় মন। বসার ঘরে কিংবা প্রিয় ব্যালকনিতে হালকা স্নিগ্ধ আলোর নিচে গা  এলিয়ে দেওয়া। সঙ্গে যদি এক কাপ গরম চা কিংবা কফি থাকে তাহলে তো কথাই নেই।  কৃত্রিম আলোর আভার সঙ্গে সবকিছু মিশে তৈরি করে এক অপূর্ব পরিবেশ। বেড়ে যায়  সতেজতা। অন্দরের এই আলোকসজ্জা নিয়েই এবারের নকশার আয়োজন।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;আপনি অন্দরের কোন জায়গা কী হিসেবে ব্যবহার করছেন, তার ওপর অনেকাংশে নির্ভর  করে অন্দরের আলোকসজ্জা। অর্থাৎ ব্যবহারভেদে বৈচিত্র্য আসে আলোকসজ্জায়।  নিজের পছন্দ এবং রুচিও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। তবে যা-ই করুন না কেন  আপনার অন্দর যাতে পর্যাপ্ত আলোয় আলোকিত হয়, সেটিই সর্বদা মাথায় রাখা উচিত।  সেই সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়টিও উল্লেখযোগ্য।’ বললেন ‘ব্রিক  কনসালট্যান্ট’ এবং ‘ইনক্রাক্স স্কুল অব ডিজাইনের’ অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা  পরিচালক আমিরুল আরেফিন।&lt;br /&gt;বসতবাড়ির অন্দরের প্রবেশপথ থেকে শুরু করে বসার ঘর, খাবার ঘর, শোয়ার ঘর,  পড়ার ঘর, ব্যালকনি সবখানেই কৃত্রিম আলো তৈরি করে ভিন্নমাত্রা। এনে দেয়  বিচিত্র অনুভূতি। অন্দরের প্রবেশপথে কম উজ্জ্বলতার এবং হালকা রঙের  আলোকবাতির ব্যবহার আজকাল বেশ দেখা যায়। অনেকে প্রবেশপথের দুই পাশের দেয়ালে  বিভিন্ন পেইন্টিংসও ঝুলিয়ে রাখেন। এসব ক্ষেত্রে পেইন্টিংসগুলোকে বাড়তি স্পট  লাইট দিয়ে আলোকিত করে বাড়িয়ে তুলতে পারেন প্রবেশপথের পরিবেশ। বসার ঘরে  লোকসমাগম একটু বেশি হয় বলে তুলনামূলক উজ্জ্বল আলোকসজ্জাই সবার বেশি পছন্দ। এ  ক্ষেত্রে দেয়ালের রঙের সঙ্গে মিল রেখে কিংবা বিপরীত রঙের এবং বাহারি নকশার  আলোকবাতির ব্যবহার পুরো জায়গাকে করে তুলতে পারে সুন্দর। শুধু তা-ই নয়,  বসার ঘরের আসবাবের টেক্সচার ও রঙের সঙ্গে মিল রেখেও ব্যবহার করতে পারেন  আলোকবাতি। ঘরের এক কোণে ল্যাম্পশেড, কর্নার ক্যাবিনেট কিংবা শোকেসগুলোতেও  ব্যবহার করতে পারেন কম উজ্জ্বলতার ছোট আকারের আলোকবাতি। এ ছাড়া ফলস সিলিং  ব্যবহার করে তার মাধ্যমে হালকা ও স্নিগ্ধ আলোর ব্যবস্থা করতে পারেন আপনি।  এতে বসার ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে বহুলাংশে।&lt;br /&gt;‘ব্রিক কনসালট্যান্ট’ এবং ‘ইনক্রাক্স স্কুল অব ডিজাইনের’ আরেক পরিচালক  অনিন্দ্য পণ্ডিত বলেন, খাবার ঘরের আলোকব্যবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত  খাবার টেবিলের ওপর সিলিং থেকে ঝুলন্তবাতি ব্যবহার করা হয়, যাতে খাবার সময়  টেবিলে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা থাকে। আলোর উজ্জ্বলতা যাতে খাবার সময়  বিরক্তির সৃষ্টি না করে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। খাবার ঘরে বাসন রাখার তাক  কিংবা ক্যাবিনেটগুলোতেও কৃত্রিম আলোর ব্যবস্থা করা যায়। এ ছাড়া আপনি আপনার  পছন্দমতো ঘরের বিভিন্ন জায়গায় মনের মতো করে সাজিয়ে নিতে পারেন আলোকসজ্জায়।&lt;br /&gt;শোয়ার ঘরটি আপনার একান্তই নিজস্ব। এখানে আলোকবিন্যাসটাও তাই সম্পূর্ণ আপনার  রুচি এবং স্বাচ্ছন্দ্যের ওপর নির্ভর করে হয়ে থাকে। সাধারণত শোয়ার ঘরের  জন্য হালকা রঙের, তুলনামূলক কম উজ্জ্বলতার ও দৃষ্টি সহনীয় বাতিই ব্যবহূত  হয়ে থাকে। যাঁদের শোয়ার ঘরে ড্রেসিং টেবিল আছে, তাঁরা এমনভাবে আলোকসজ্জা  করতে পারেন যাতে আয়নার সামনে দাঁড়ালে পর্যাপ্ত আলো পাওয়া যায়। এ ছাড়া ঘরে  রকমারি নকশার টেবিল ল্যাম্প ব্যবহার করেও একঘেয়ে ভাবটা কাটানো যায়। ওয়াল  কেবিনেটেও স্পট লাইটের মাধ্যমে ঘরের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলা যায়। পড়ার ঘরের  জন্য এমনভাবে কৃত্রিম আলোর ব্যবস্থা করা উচিত, যাতে একই সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্য  এবং দৃষ্টি সহনীয় হয়। বিশেষ করে পড়ার টেবিলে যাতে সঠিকভাবে আলো আসে, সে  দিকটি লক্ষ রাখতে হবে। আপনি ইচ্ছা করলে বই রাখার তাকগুলোতেও আলোর ব্যবস্থা  করতে পারেন। বাসায় শিশুদের জন্য ঘরটিতে উজ্জ্বল আলোক উৎসের ব্যবহার করা  যেতে পারে। ঘরের দেয়ালের রঙের সঙ্গে মিল রেখেও তা করতে পারেন বলে জানান  তিনি।&lt;br /&gt;অন্দরসজ্জায় অন্যতম প্রধান উপাদান কৃত্রিম আলোকসজ্জা। আলোকের বৈচিত্র্য  অন্দরের পরিবেশের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের মনের ওপরও ব্যাপক প্রভাব ফেলে। তাই  শুধু অলংকরণের জন্য নয়, ব্যবহূত আলোকসজ্জা যাতে স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে আসে, সে  বিষয়টির প্রতি সবার বিশেষ লক্ষ রাখা প্রয়োজন। এমনটিই মনে করেন  ‘অন্দরসজ্জার’ প্রধান নির্বাহী রুমানা আফজাল খান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কোথায় পাবেন ও কেমন দাম&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;ঢাকার পুরানা পল্টন এলাকায় পাইকারি ও খুচরা দামে পেতে পারেন রকমারি রঙের ও  ঢঙের আলোকবাতি। এ ছাড়া কারওয়ান বাজার, গুলশান ১ ও ২ নম্বরেও পেতে পারেন  আপনি। সাধারণ ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে আপনার পছন্দ ও রুচি অনুযায়ী নানা  মূল্যের আলোকবাতি ক্রয় করতে পারেন আপনি।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-4109540346901889373?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/4109540346901889373/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/09/blog-post_5683.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/4109540346901889373'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/4109540346901889373'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/09/blog-post_5683.html' title='অন্দরে আলো'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-2640695081620119901</id><published>2011-09-19T21:35:00.000-07:00</published><updated>2011-09-19T21:38:22.540-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='biye'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='shopping'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><title type='text'>সহকর্মীর বিয়েতে</title><content type='html'>শুরু হয়েছে বিয়ের মৌসুম। চারদিকে এখন শুধু বিয়ের ধুম। তবে যাঁর সঙ্গে একই  অফিসে বসে কাজ করছেন তাঁর বিয়েতে যেনতেন উপহার দিলে কি চলে? নতুন সংসারে  আপনার প্রিয় সহকর্মীর কী প্রয়োজন হতে পারে, তা একবার শুনে নিলে কিন্তু মন্দ  হয় না। হতে পারে এই উপহার আপনি একাই দিচ্ছেন কিংবা সবাই মিলে দিচ্ছেন। তবে  লক্ষ রাখতে হবে, তা যেন ব্যবহার উপযোগী হয়।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত রুবিনা রহমান বলেন, এক অফিসে কাজ করি, কারও  না কারও তো বিয়ে লেগেই থাকে। তবে যেকোনো বিয়েতে যাওয়ার আগে চিন্তা থাকে  উপহারটা কেমন হবে, তা কি নির্দিষ্ট ব্যক্তির ব্যবহারের জন্য নাকি সংসারের  জন্য। কখনো নিজে আবার কখনো সবাই মিলেই ঠিক করি, কী উপহারটা দেওয়া যায়।&lt;br /&gt;সদ্য বিয়ে করেছেন মাহের আহম্মেদ ও তাসনিম লিসা দম্পতি। মাহের বলেন, ‘বিয়ের  উপহার হিসেবে আত্মীয়দের কাছ থেকে উপহার হিসেবে আসবাব আর সংসারে ব্যবহারের  নানা জিনিস পেয়েছি। তবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল বন্ধুদের কাছ থেকে পাওয়া  উপহার। বন্ধুরা সবাই মিলে দিয়েছে মধুচন্দ্রিমার টিকিট। এমন আলাদা উপহার  পেয়ে আসলেই খুব ভালো লেগেছে।’&lt;br /&gt;উপহার তো যেকোনো কিছুই হতে পারে। উপহার নির্বাচনের সময় একটু খোলাখুলি কথা  বলে নিলে মন্দ হয় না। আড়ংয়ের বিপণন বিভাগে কর্মরত তাসনিম হোসেন বলেন, উপহার  কেনার সময় বাজেট একটা বড় বিষয়। সোনা তো এখন সোনার হরিণ। তাই উপহার হিসেবে  এখন সোনার অলংকার আর তেমন জনপ্রিয় নয়। উপহারটা যদি একজন দিতে চায় এবং বাজেট  যদি স্বল্প হয়, সে ক্ষেত্রে নতুন বউয়ের জন্য গয়নার বাক্স হতে পারে সবচেয়ে  ভালো উপহার। নানা রঙের সিল্কের কাপড়, পুঁতি আর সুতার কাজের তৈরি বিভিন্ন  আকারের গয়নার বাক্স মিলবে আড়ংয়ে। কেনা যাবে ৩০০-১৫০০ টাকার মধ্যে। এ ছাড়া  আছে বিভিন্ন আকার আর ডিজাইনের আয়না। নতুন সংসারে নিজেদের গুছিয়ে বারবার  দেখতে আয়নার জুড়ি নেই। কাঠের ওপরে কাঠের খোদাই করে নকশা করা কিংবা চারপাশে  কাগজের ওপরে হ্যান্ডপেইন্টের কাজ করা আয়না কেনা যাবে ৯৫০ থেকে পাঁচ হাজার  ৯০০ টাকার মধ্যে। এ ছাড়া ফটোফ্রেম কিংবা ল্যাম্পশেডও হতে পারে খুব ভালো  উপহার।&lt;br /&gt;নতুন সংসারে বৈদ্যুতিক সামগ্রীরও প্রয়োজন আছে। ট্রান্সকম ডিজিটালের কারওয়ান  বাজার শোরুমের বিপণন নির্বাহী মুজিবর রহমান বলেন, বিয়েতে উপহার হিসেবে  টেলিভিশন খুব ভালো উপহার হতে পারে। আর দুজনের সঙ্গে আরও কয়েকজন জুটে গেলে  টেলিভিশনের সঙ্গে একটা ডিভিডি প্লেয়ার দিতে পারেন। দুজনের একান্ত সময়  কাটাতে এটাই হতে পারে ভালো উপহার। একজন দিলে মাইক্রোওয়েভ ওভেন, রাইস কুকার  কিংবা ইস্ত্রি ভালো উপহার হতে পারে। স্বামী-স্ত্রী দুজনই কর্মজীবী হলে দিতে  পারেন একটা ওয়াশিং মেশিন। কাপড় ধোয়ার ঝামেলা তাহলে অনেকটাই চলে যাবে।  কিংবা আরও ভালো হয় যদি দেওয়া যায় একটা ফ্রিজ। তবে যা-ই উপহার দেওয়া হোক না  কেন, তা যেন কাজে লাগে। এমন উপহার দেওয়ার পরামর্শ দেন মুজিবর রহমান।&lt;br /&gt;উপহার হিসেবে তৈজসপত্র সব সময়ই অমলিন। সিরামিকের ডিনার সেট কিংবা টি-সেট,  কফি-সেট উপহার হিসেবে খুব ভালো হয়—এমনটা বলেন মুন্নু সিরামিক এলিফ্যান্ট  রোড শাখার ব্যবস্থাপক হোসনে আরা বেগম। কেনা যাবে ৯০০ থেকে চার হাজার টাকার  মধ্যে।&lt;br /&gt;উপহার কেনার পর তা সাজানোটাও হতে পারে ভিন্ন। যে কয়জন সহকর্মী মিলে উপহার  দিচ্ছেন তাঁদের সবার মন্তব্য থাকতে পারে একটা কার্ডে। এটা জুড়ে দিতে পারেন  প্যাকেটের সঙ্গে। সহকর্মীর সঙ্গে মজার কোনো মুহূর্তের ছবি থাকলে সেটাও দিতে  পারেন। এ ছাড়া হ্যান্ডিক্যামে ধারণ করতে পারেন অফিসের সবার শুভকামনা। সেটা  একটা ডিভিডি করে সহকর্মীর বিয়েতে উপহার দিলেও দারুণ হয়।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-2640695081620119901?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/2640695081620119901/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/09/blog-post_19.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/2640695081620119901'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/2640695081620119901'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/09/blog-post_19.html' title='সহকর্মীর বিয়েতে'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-3350070273283697150</id><published>2011-09-19T21:29:00.001-07:00</published><updated>2011-09-19T21:35:29.316-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Fitness'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><title type='text'>মনোযোগ বাড়াতে</title><content type='html'>&lt;p id="content" style="font-size: 18px; line-height: 24px;"&gt;সময়টা  যেন খুব দ্রুত চলছে। তার ছাপ পড়ছে সময়ের সঙ্গে তাল মেলানো মানুষের মনেও।  অনেকেরই দেখা যায়, একটি বিষয়ের প্রতি নিরবচ্ছিন্ন মনোযোগের অভাব। কেউ বা  একাধিক কাজের চাপে সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগেন। কোন কাজ আগে করবেন, আর কোনটি  পরে—তা বাছাই করতে পারেন না। এর অন্যতম কারণ, মনোযোগ দিতে না পারা।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মনোযোগহীনতা কি রোগ?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style="font-size: 18px; line-height: 24px;"&gt;মনোরোগ বিশেষজ্ঞ মোহিত কামাল বলেন, ‘মনোযোগ মানসিক স্বাস্থ্যের একটি  উপাদান। কিন্তু পড়ায় মন নেই, কাজে মনোযোগ নেই, পরিবারের প্রতি মনোযোগ  নেই—এগুলো সম্পূর্ণ আপেক্ষিক কথা। মনোযোগ সৃষ্টিশীলতার অনুষঙ্গ, তাই দেখা  যাবে, ছাত্রটির মনোযোগ গানের প্রতি বেশি বা ফেসবুকের প্রতি বেশি। যিনি কাজে  মনোযোগ দিতে পারছেন না, তিনি হয়তো পরিবারে মনোযোগী। আর পরিবারের উদাসীন  মানুষটি হয়তো একনিষ্ঠ কর্মী। তাই মনোযোগহীনতা কথাটা আপেক্ষিক। যদি দেখা  যায়, তিনি কিছুতেই কোথাও মনোযোগ দিতে পারেন না, তখন বলতে হবে তাঁর মেধার  ঘাটতি দেখা দিয়েছে। আর এই মনোযোগহীনতা যখন হতাশা এবং অতি উদ্বেগের পর্যায়ে  চলে যায়, তখন এটি রূপান্তরিত হয় রোগে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কেন নষ্ট হয় মনোযোগ&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style="font-size: 18px; line-height: 24px;"&gt;&lt;br /&gt;মোহিত কামাল বলেন, মনোযোগ একদিকে কেন্দ্রীভূত না রাখতে পারার সঙ্গে বয়সের  একটি সম্পর্ক আছে। যাঁরা ৫০-এর বেশি বয়সের, তাঁরা শারীরিক কারণেই একটু  অমনোযোগী হতে পারেন। আর যাঁরা অতিরিক্ত কর্মব্যস্ত, তাঁরা একাধিক কাজের  প্রতি স্বাভাবিকভাবেই মনোযোগ দিতে পারেন না। আর তরুণদের ক্ষেত্রে বলব,  যুগের অস্থিরতা মানসিক যাতনা বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাই তরুণেরা একদিকে মনোযোগ ধরে  রাখতে পারছে খুবই কম। পাশাপাশি হরমোনজনিত ব্যাপার তো জড়িত আছেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মনোযোগহীনতা, সিদ্ধান্তহীনতা ও হতাশা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style="font-size: 18px; line-height: 24px;"&gt; মনোযোগহীন মনের সঙ্গে সিদ্ধান্তহীনতা, সব শেষে জীবন ও কাজের প্রতি হতাশার  সম্পর্ক ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সোজা কথায়, মনোযোগ দিতে না পারলে আপনার স্মৃতিতে  ঘটনার নিবন্ধন হবে না, পরে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। এই প্রক্রিয়া  চলতে থাকলে হতাশা আসবেই। অথচ চলতে-ফিরতে আপনাকে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত  নিতে হবেই। অবশ্য কিছু কিছু ব্যক্তিত্ব আছেন, যাঁরা সব সময়ই সিদ্ধান্তে  টলমল করতে থাকেন। এটি কাজের চাপেও হতে পারে, স্মৃতিশক্তি কমে গেলেও হতে  পারে। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই উপযুক্ত চিকির‌্যাসা প্রয়োজন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মনোযোগ ধরে রাখতে&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style="font-size: 18px; line-height: 24px;"&gt; ঢাকার শান্তিনগরে অবস্থিত ‘ইয়োগা স্পিরিট’-এর যোগব্যায়াম প্রশিক্ষক ও  বাংলাদেশ ইয়োগা অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. হারুন বলেন, মনোযোগ  ধরে রাখার অভ্যাসটি মনস্তাত্ত্বিক হলেও কিছু কিছু অনুশীলনের মাধ্যমে মনোযোগ  দেওয়ার অভ্যাস তৈরি করা যায় এবং এর মধ্যে একটি উপায় হলো ইয়োগা বা  যোগব্যায়াম। এর মাধ্যমে মনোযোগী ব্যক্তিটি মনোযোগ বাড়াতে শিখবেন, পাশাপাশি  অস্থির মানুষটিও মনোযোগী হতে শিখবেন। শুধু চাই মনোযোগী হওয়ার ইচ্ছা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কিছু পরামর্শ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style="font-size:18px;line-height:24px;"&gt;  যদি আপনার সন্তান পড়ালেখায় মনোযোগী না হয়, বুঝে নেবেন, সে অন্য কোথাও  মনোযোগ বেশি দিচ্ছে। খুঁজে বের করুন সেই উর‌্যাসটা কী। যদি তা ভালো কিছু  হয়, যেমন গান, নাচ, বই পড়া, কবিতা, বিতর্ক, তাকে উর‌্যাসাহ দিন এবং  পাশাপাশি পড়ালেখার কথা স্মরণ করিয়ে দিন। আপনার উর‌্যাসাহে সেও পড়ালেখার  প্রতি উর‌্যাসাহিত হবে।&lt;br /&gt; আপনার সন্তানের মনোযোগের কেন্দ্র যদি হয় নেশা, আসক্তি, নিষিদ্ধ ওয়েবসাইট  কিংবা ক্ষতিকর কিছু, তাহলে জেনে রাখুন, সে অবস্থা থেকে সন্তানকে সরাসরি  পড়ালেখায় মনোযোগী করা খুব দুরূহ একটি ব্যাপার। তাই তাকে প্রথমে ইতিবাচক  বিনোদনের দিকে উর‌্যাসাহিত করুন। এরপর তাকে পড়ার প্রতি মনোযোগী করাটাও সহজ  হবে।&lt;br /&gt; মনোযোগ বাড়াতে হলে কাজের মধ্যে প্রেষণা খুঁজে নিতে হবে। প্রেষণার তিনটি  গুরুত্বপূর্ণ উপাদান আকাঙ্ক্ষা, চাহিদা ও উর‌্যাসাহকে নাড়া দিতে পারলেই  মনোযোগ বাড়বে।&lt;br /&gt; প্রতিদিনের কাজের একটি গুরুত্বানুসারে সাজানো তালিকা তৈরি করুন। দুশ্চিন্তা কমবে। মনোযোগও থাকবে।&lt;br /&gt; শরীরের পাশাপাশি মনেরও কিছু ব্যায়াম আছে। যাঁরা উদ্বেগ কিংবা তীব্র হতাশায় ভোগেন, তা কাটিয়ে উঠতে পারলে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়।&lt;br /&gt; মনোযোগের অভাব যদি রোগের পর্যায়ে না চলে যায়, তাহলে মেডিটেশন করতে পারেন।  ইয়োগা, শ্বাসের কিছু ব্যায়ামও মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। যোগব্যায়ামের  প্রশিক্ষক মো. হারুনও মনোযোগ বাড়াতে যোগব্যায়ামের ওপর বেশ গুরুত্ব দেন।  তিনি বলেন, অর্ধমর‌্যাসন্দ্রাসন, পুরুষ্কাসন সর্বাঙ্গাসন ও শিথিল হওয়া  মনোযোগ বাড়াতে অত্যন্ত কার্যকর কিছু আসন ও ব্যায়াম। কীভাবে কিছু আসনের  সহায্যে মনোযোগ বাড়াবেন, তার কিছু পরামর্শ হলো:&lt;br /&gt;বসে অথবা শবাসনে শুয়ে চোখ বন্ধ করুন। পায়ের আঙুল থেকে শুরু করে মাথার চুল,  প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ মনের চোখ দিয়ে দেখার চেষ্টা করুন। ১৫-২০ মিনিট  এভাবে চিন্তাশূন্য থেকে চেষ্টা করুন। আপনার শরীর ও মনের স্থিরতা ফিরে আসবে।&lt;br /&gt;বজ্রাসনে বসুন। দুই হাতে, দুই পায়ের গোড়ালি চেপে ধরুন। মাথার তালু দুই  হাঁটুর মধ্যে মেঝেতে রাখতে হবে। নিঃশ্বাস ছাড়তে ছাড়তে কোমর গোড়ালি থেকে  যতটুকু সম্ভব ওপরে তুলতে হবে। মনে রাখবেন, এ অবস্থায় গোড়ালি লাগানো থাকবে ও  মাথার তালু যতটুকু সম্ভব হাঁটুর কাছে থাকবে। কমপক্ষে ১০ সেকেন্ড এভাবে  স্থির থাকবেন। খেয়াল রাখবেন, নিঃশ্বাস যেন স্বাভাবিক থাকে। ১০ সেকেন্ড পর  কোমর ধীরে ধীরে নামিয়ে গোড়ালির ওপর রাখুন। এবার নিঃশ্বাস নিতে নিতে আগের  অবস্থায় চলে আসুন। পরপর তিনবার করবেন। প্রতিবার করা শেষে শবাসনে ১০ থেকে ৩০  সেকেন্ড বিশ্রাম নেবেন।&lt;br /&gt;প্রথমে বজ্রাসনে বসুন। তারপর হাঁটুগেড়ে নিলডাউনে বসার ভঙ্গিমায় আসুন। ডান  হাঁটু ও বাঁ হাঁটু ছয় ইঞ্চি করে ডানে ও বাঁয়ে নিন। অর্থার‌্যা দুই পায়ের  পাতার ফাঁকে এক ফুট ফাঁকা থাকবে। দুই হাতের তালু দুই ঊরুর ওপর রাখুন।  নিঃশ্বাস নিতে নিতে কোমর থেকে ওপরের অংশ যত সম্ভব পেছনে নিন এবং ডান হাতে  ডান পায়ের ও বাঁ হাতে বাঁ পায়ের গোড়ালি চেপে ধরুন। মাথা সম্পূর্ণ পেছনে  এলিয়ে দিন। এ অবস্থায় কমপক্ষে ১০ সেকেন্ড থাকুন। তারপর আবার নিলডাউনে চলে  আসুন। এর পর বজ্রাসনে বসুন। এভাবে তিনবার অনুশীলন করুন। মনে রাখবেন,  প্রতিবার আসন শেষে শবাসনে বিশ্রাম নিতে হবে।&lt;br /&gt;মনোযোগ বাড়াতে এসব আসন-অভ্যাস করলে আপনার মনই শুধু নয়, শরীরও সুস্থ থাকবে।&lt;/p&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-3350070273283697150?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/3350070273283697150/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/09/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/3350070273283697150'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/3350070273283697150'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/09/blog-post.html' title='মনোযোগ বাড়াতে'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-8822973502005011264</id><published>2011-07-26T09:37:00.000-07:00</published><updated>2011-07-26T09:55:45.965-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Tips'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='korcha'/><title type='text'>পরিবেশকে সুন্দর রাখতে</title><content type='html'>&lt;p&gt;নিজের চারপাশের পরিবেশকে সুন্দর রাখতে কে না চায়! কিন্তু এই পরিবেশ  সুন্দর রাখতে আমরা কতটুকু আন্তরিক? দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অনেকটা  নিজেদের অজান্তে আমাদের অনেকেই এই পরিবেশকে দূষিত করে চলেছি। আমাদের  চারপাশের বায়ু, জল, মাটি আমরাই দূষিত করছি অনবরত।&lt;/p&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;  &lt;p&gt;মুখে একটু থুথু জমলেই ওয়াক থু। কোথায় ফেললাম ঠিক নেই। এই থুথুতে থাকতে  পারে হাজারো জীবাণু, যা দূষিত করবে ধুলো আর বাতাসকে। আমাদেরই আরেক স্বজাতি  ওই জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে, পরবর্তী যেকোনো সময়। খক খক কেশে কাশ  ফেলি যত্রতত্র। এতে যে দূষিত হয় পরিবেশ, আমরা সে খেয়াল কি তখন রাখি? পান  খাওয়ার অভ্যাস যাদের, মজা করে মুখ রাঙিয়ে প্রথম দিকের একটু পিক ফিক করে ফেলে দেয় ঘরের কোণে কিংবা  দেয়ালের গোড়ায়। বড্ড বিশ্রি দেখায়—এতে জীবাণুও থাকতে পারে অজস্র।&lt;/p&gt;  &lt;p&gt;ঠান্ডা লাগতেই পারে যে-কারও। হাঁচিও আসতেই পারে। তাই বলে যেখানে-সেখানে  যেনতেন প্রকারে হাঁচি দেওয়া! বাতাসে ছড়াবে অসংখ্য জীবাণু। অন্যে হবে  সংক্রমিত। রুমাল দিয়ে, নিদেনপক্ষে হাত দিয়ে নাক-মুখ ঢেকে হাঁচিটা দিলে  ঠেকিয়ে দিতে পারেন অন্যের সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা। নাক ঝেড়ে যেখানে-সেখানে  না ফেলে রুমালে নাক ঝাড়লে বাতাসটা হবে না দূষিত। রুমালটা ধুয়ে নেওয়া যাবে  পরে।&lt;/p&gt;  &lt;p&gt;রাস্তার পাশে নিজেকে একটু আড়াল করার চেষ্টা করে প্রশ্রাব করার দৃশ্য  চোখে পড়ে প্রায়ই। এমনকি মলত্যাগের দৃশ্যও। দূষিত হয় মাটি, বাতাস আর পানি।  এভাবেই রোগ ছড়ায় হাজারো মানুষে।&lt;/p&gt;  &lt;p&gt;হাঁটতে হাঁটতে কিংবা গাড়িতে বসে কলা খেয়ে খোসাটি ফেলে দেওয়া হচ্ছে  অবলীলায় রাস্তায়। তাতে পা পিছলে পড়ে যেতে পারে যে-কেউ। খোসা ফেলার সময় সে  খেয়াল আমরা করি না। শুধু কলার খোসাই নয়, ফেলি বাদামের খোসা, চকলেটের মোড়ক,  বিস্কুট-চিপসের মোড়ক, আরও কত কি! আমাদেরই ফেলে দেওয়া পলিথিনের জন্য বন্ধ  হচ্ছে রাস্তার পাশের ড্রেন। জলাবদ্ধতা অনিবার্য।&lt;/p&gt;  &lt;p&gt;বাসাবাড়িতে কিংবা অন্য যেকোনো কর্মস্থলে উত্পন্ন ময়লা-আবর্জনা ফেলি  যত্রতত্র। ‘দয়া করে আমাকে ব্যবহার করুন’—ডাস্টবিনের গায়ের লেখা পড়েও আমরা  তা দয়া করে ব্যবহার করি না। ফেলি তার বাইরে। ডাস্টবিনের অবস্থাও শোচনীয়।  খোলা, ভাঙা। কাক, কুকুর আর ইঁদুরের অবাধ বিচরণ। জীবাণু ছড়াচ্ছে, দুর্গন্ধ  ছড়াচ্ছে।&lt;/p&gt;  &lt;p&gt;আমরা যখন রাস্তায় গাড়ি চালাই, তখন প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে হর্ন বাজাই।  অপ্রয়োজনে হর্ন বাজিয়ে শব্দদূষণ না করলে যে চলে না তা কিন্তু নয়। কিন্তু সে  কথা আমরা একেবারেই ভুলে যাই। &lt;/p&gt;  &lt;p&gt;‘ধূমপানে বিষপান’ কথাটা খুবই জানা। ধূমপান যাদের অভ্যাস, কোথায় ধূমপান করছে, হয়তো সে খেয়াল নেই। হতে পারে বাড়িতে, হতে পারে গাড়িতে, হতে পারে অফিসে। পাশে থাকতে পারে অধূমপায়ী, পাশে থাকতে পারে শিশু। পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হচ্ছে তারা। সেটা সরাসরি ধূমপানের চেয়েও ক্ষতিকর।&lt;/p&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-8822973502005011264?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/8822973502005011264/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/07/blog-post_6033.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/8822973502005011264'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/8822973502005011264'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/07/blog-post_6033.html' title='পরিবেশকে সুন্দর রাখতে'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-7229083868030016503</id><published>2011-07-26T09:33:00.000-07:00</published><updated>2011-07-26T09:37:00.346-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='interior'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='korcha'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='home'/><title type='text'>ঘরেআনুন পরিবর্তনের ছোঁয়া</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://new.ittefaq.com.bd/uploads/news_image/2011-07-26_1311600945.jpg"&gt;&lt;img style="float: right; margin: 0pt 0pt 10px 10px; cursor: pointer; width: 312px; height: 208px;" src="http://new.ittefaq.com.bd/uploads/news_image/2011-07-26_1311600945.jpg" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;নিজের ঘরকে মনের মতো করে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখার প্রবণতা অতি আদিম এবং  অকৃত্রিম&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; মানুষ যখন গুহায় বাস করত তখনো গুহাটাকে ঝাট্ দিয়ে পরিষ্কার রাখত&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;  গুহার দেয়ালে নকশা কেটে গুহাকে দৃষ্টিনন্দন করে তুলত&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; গুহা থেকে আমরা উঠে  এসেছি ঘরে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের পরিমাণ, সেইসাথে বেড়েছে  ঘর-সাজসজ্জার ঝক্কি-ঝামেলা&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; তাই যে যার মতো করে সাজিয়ে তোলে আপন ঘর&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;  প্রতিদিনই একই আসবাব দেখতে দেখতে অনেকেই আবার হয়ে পড়ে ক্লান্ত&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; সিজন  পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ঘরের ডেকোরেশনে সামান্য অদলবদল করে দেখুন, পুরো  লুকটাই পালটে যাবে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; তাই এই গরমেও আপনার ঘর ফ্রেশ এবং কুল রাখতে দেওয়া হলো  কিছু বিশেষ পরামর্শ&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;ঘর সাজানোর সবচেয়ে সহজ এবং সুন্দর উপকরণ বই&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; আলতু-ফালতু ডেকোরেশন পিস না  কিনে বই কিনুন&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; ড্রইংরুমের একপাশে বেতের বা কাঠের র্যাকে বই সাজিয়ে রাখুন&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;  র্যাক যত বড় হবে এবং বইয়ের পরিমাণ যত বেশি হবে, রুমটাকে তত বেশি রুচিশীল  এবং দৃষ্টিনন্দন মনে হবে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt; &lt;p&gt;  ছোট ছোট ইন্ডোর গাছ কিনুন, যেসব গাছে রোদের তেমন প্রয়োজন পড়ে না  (যেমন—মানিপ্ল্যান্ট, পাতাবাহার ইত্যাদি)। মাটির বা কাচের ছোট ছোট টব বা  ফ্লাওয়ার ভাসে করে পড়ার বা খাবার টেবিলের এক কোনায়, ঘরের এক কোনায়, টিভির  স্ট্যান্ডের পাশে, সেন্টার টেবিলে, ওয়াড্রবের উপরে, দেয়ালে স্টিকি হুকের  মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে ছোট ছোট গাছ লাগান। ঘরে ঢুকতেই অন্যরকম সতেজ লাগবে।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;  নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া বাধ্য না হলে কোনো বাড়তি জিনিস কিনবেন না। প্রচণ্ড  লোভ হলেও ‘না’। ঘরে বা রুমে জিনিষের পরিমাণ যত কম হবে তত বেশি দেখতে  স্পেশাস এবং আরামদায়ক মনে হবে।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;  রুমের দেয়ালে বাংলাদেশের গ্রামবাংলার শোভনীয় প্রাকৃতিক দৃশ্য সম্বলিত বা  ক্যালিওগ্রাফির একটা বড় (রুমের সাইজের সাথে যেন খাপ খায়) পেইন্টিং রাখতে  পারেন, যা রুমকে আরও বেশি দৃষ্টিনন্দন করে তুলবে।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;  ঘরের প্রতিটা জিনিসের কালার—বিশেষ করে পর্দা, সোফা, কার্পেট, বিছানার চাদর  ইত্যাদি যতটা পারুন হালকা রঙের কিনুন। গাঢ় রং চোখে খুব সহজেই লাগে এবং  রুমকে ছোট করে ফেলে।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;  গোছানোর ক্ষেত্রে কিছু পরামর্শ&lt;/p&gt; &lt;p&gt;  ++ পরিষ্কার ক্ষেত্রে একেকদিন ঘরের একেক জায়গা বেছে নিন। সব একদিনে করতে যাবেন না।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;  ++ ঘরের প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো হাতের কাছে গুছিয়ে রাখুন, যাতে বেশি খুঁজতে না হয়।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;  ++ আপনার সন্তানের আলমারি নিজে না গুছিয়ে ছুটির দিনে ওদের দিয়েই গোছান। এতে গোছানোর অভ্যাস হবে। প্রয়োজনে আপনি সাহায্য করুন।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;  ++ আপনি যদি ওয়ার্কিং ওম্যান হন, তা হলে কাজের গুরুত্ব সেট করুন। সে অনুযায়ী পরপর গোছান।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;  ++ যার রুম গোছাচ্ছেন তার রুচিকে প্রাধান্য দিন।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;  ++ আপনি ঘরে থাকছেন বলে সব আপনার একার সামলাতে হবে—এমন নয়, বাড়ির অন্য  সদস্যদের উপরও দায়িত্ব দিন। চাপ বেশি হলে তাদের সাথে প্রয়োজনে খোলামেলা কথা  বলে নিতে পারেন।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;  ++ প্রতিদিন ঘর গোছানো সম্ভব না হলে যেকোনো ২-৩টি ছুটির দিন বেছে নিন।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;  ++ কাজ ভাগ করে নিতে পারেন, একেকজন একেক রুম গোছাতে পারেন।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;  ++ অফিসের কাজের মতো ঘর গুছিয়ে রাখা নিয়ে টেনশন করবেন না। ব্যাপারটা এনজয় করুন।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;  ++ অপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলো আলমারির একেবারে পেছনে রাখুন। যাতে সহজে এগুলো নাড়াচাড়া করতে না হয়।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;  ++ ঘর গোছানোর ব্যাপারে বাড়ির সবার মতামত চান, তা হলে ওরা ব্যাপারটা এনজয় করবে এবং নিজেদের ইনভলভ করতে পারবে।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;  ++ মনে রাখবেন, কখনোই নিজের রুচি অন্যের উপর চাপিয়ে দেবেন না। তাদের রুচির  প্রাধান্য দিন। বাইরে যান বলে ঘর গোছানোর সময় পান না—এই অজুহাতটা কিন্তু  ঠিক নয়।&lt;/p&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-7229083868030016503?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/7229083868030016503/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/07/blog-post_26.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/7229083868030016503'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/7229083868030016503'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/07/blog-post_26.html' title='ঘরেআনুন পরিবর্তনের ছোঁয়া'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-2570731955156645720</id><published>2011-07-22T02:57:00.000-07:00</published><updated>2011-07-22T02:59:52.466-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='fashion'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><title type='text'>এখন লেগিংস</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/resize/maxDim/340x1000/img/uploads/media/2011-07-18-16-56-50-023331400-untitled-12.jpg"&gt;&lt;img style="float: right; margin: 0pt 0pt 10px 10px; cursor: pointer; width: 183px; height: 249px;" src="http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/resize/maxDim/340x1000/img/uploads/media/2011-07-18-16-56-50-023331400-untitled-12.jpg" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;আরাম আর বৈচিত্র্য মিলেই  তো দাঁড়ায় রোজকার ফ্যাশন। এই রোজকার ফ্যাশনে তরুণীদের মধ্যে ব্যাপক  জনপ্রিয়তা পেয়েছে লেগিংস। টিউনিক, ফ্রক কিংবা কামিজের সঙ্গে চম ৎ  কার  মানিয়ে যায় লেগিংসগুলো। ‘লেগিংসের নামকরণ মূলত করা হয়েছে এর বাহ্যিক রূপের  কারণে। পায়ের সঙ্গে লেগে থাকা এই পোশাকের উপস্থাপন এখন পেয়েছে ভিন্ন  মাত্রা। লং, থ্রি-কোয়ার্টার, চুড়িদারসহ বিভিন্ন ঢঙের লেগিংস পাওয়া যাচ্ছে  এখন।’ বললেন ফ্যাশন হাউস ওটুর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ ইবনে  মান্নান।&lt;br /&gt;ড্রেসিডেলের পরিচালক ও ডিজাইনার মায়া রহমান বলেন, ‘লেগিংসের ক্ষেত্রে লাল,  হলুদ, সবুজ, আকাশি, কমলা, মেরুন রংগুলোর ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি এর  সঙ্গে জুড়ে দেওয়া বিভিন্ন ফুল ও জ্যামিতিক নকশা। পাশাপাশি চিরায়ত সাদা,  কালো রং তো রয়েছেই। আর নিট ও সুতি কাপড়ের তৈরি লেগিংসগুলো আরামদায়ক। সে  জন্যও পেয়েছে খুব জনপ্রিয়তা।’&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;বছরের এই সময়ে রোদ-বৃষ্টিভেজা প্রকৃতিতে লেগিংস হতে পারে খুব আরামদায়ক একটি  পোশাক। মায়া রহমান বলেন, সাধারণত টিউনিক অর্থা ৎ   ফ্রক গোছের পোশাকের  সঙ্গে লেগিংসটা মানায় বেশি। তবে যাদের দেহের গড়নটা একটু ভারী, তাদের লম্বা  কামিজের সঙ্গে লেগিংস পরলেই বেশি ভালো দেখায়। কালো, সাদা, গাঢ় নীল রংগুলো  যেকোনো রঙের টিউনিক বা কামিজের সঙ্গেই মানিয়ে যায়। তবে আপনি রঙিন হয়ে উঠতে  চাইলে লাল, সবুজ, নীল, আকাশি, টিয়া, হলুদ রঙের লেগিংসও বেছে নিতে পারেন। সে  ক্ষেত্রে টিউনিক বা কামিজের নকশার যেকোনো একটি রঙের সঙ্গে মিলিয়ে নির্বাচন  করুন লেগিংসের রং। এখন ফুলেল, জ্যামিতিক, বিভিন্ন মোটিফ ও নকশায় লেগিংস  পাওয়া যাচ্ছে। সেগুলোই নির্বাচন করতে পারেন জমকালো পোশাকের সঙ্গে। তবে সেই  পোশাকটি হতে হবে অবশ্যই এক রঙের। লেগিংসের নকশার যেকোনো একটি রঙের সঙ্গে  মিলিয়ে বেছে নিন সেই পোশাকটি। কিশোরীরা থ্রি-কোয়ার্টার লেগিংস বেছে নিতে  পারে। শেষ প্রান্তে হালকা কুঁচি বা রঙিন পাথুরে বোতামসহ লেগিংসগুলোও পরলে  চম ৎ  কার মানিয়ে যেতে পারে তাদের।&lt;br /&gt;লেগিংস কেনার সময় অবশ্যই আপনার উচ্চতা ও লেগিংসের মাপটি মিলিয়ে নিতে ভুল করবেন না। তবে সাধারণত ফ্রি সাইজ লেগিংসই বাজারে পাওয়া যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দরদাম&lt;br /&gt;ড্রেসিডেলে পাবেন বিভিন্ন প্রিন্টের চম ৎ  কার সব লেগিংস। ওটুতে চলে আসতে  পারেন সাদা, কাল, গাঢ় নীল, মেরুন রঙের বিভিন্ন ঢঙের লেগিংস পেতে। ওয়েসটেকসে  পাবেন লাল, টিয়া, সবুজ, ছাই, সাদা বিভিন্ন রঙের লেগিংস। একস্ট্যাসিতে  পাবেন কালো, সাদাসহ বিভিন্ন রঙের লেগিংস। এ ছাড়া ঢাকার বদরুদ্দোজা সুপার  মার্কেট, বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্স, বনানী সুপার মার্কেটে ঘুরে ঘুরে খুঁজে  পেতে পারেন আপনার পছন্দের লেগিংসটি। প্রিন্টের লেগিংস পাবেন ৮০০-১২০০  টাকায়, এক রঙের লেগিংস পাবেন ৪০০-৯০০ টাকায়। একটু জমকালো কুঁচি ডিজাইন ও  পাথর বসানো লেগিংস পাবেন ৮৫০-১২৫০ টাকায়। সব সময় পরার জন্য সুতি ও নিটের  তৈরি লেগিংসগুলো পাবেন ১৫০-৩৫০ টাকায়।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-2570731955156645720?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/2570731955156645720/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/07/blog-post_5462.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/2570731955156645720'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/2570731955156645720'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/07/blog-post_5462.html' title='এখন লেগিংস'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-6097384260494640583</id><published>2011-07-22T02:51:00.001-07:00</published><updated>2011-07-22T02:55:36.838-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='child'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><title type='text'>সচেতন হতে হবে অভিভাবককে</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/resize/maxDim/340x340/img/uploads/media/2011-07-18-16-51-36-078685000-untitled-1.jpg"&gt;&lt;img style="float: right; margin: 0pt 0pt 10px 10px; cursor: pointer; width: 295px; height: 164px;" src="http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/resize/maxDim/340x340/img/uploads/media/2011-07-18-16-51-36-078685000-untitled-1.jpg" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;১১ বছর বয়সী প্রতীক  (ছদ্মনাম) বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই কম্পিউটার, ইন্টারনেট ব্যবহার করে। তার  খুব আগ্রহ ফেসবুক নিয়ে। কিন্তু বাবা প্রতীককে ফেসবুকে নাম লেখাতে দিচ্ছেন  না। কেননা ১৩ বছর বয়সের আগে সামাজিক যোগাযোগের এই ওয়েবসাইটের সদস্য হওয়া  যায় না। এদিকে প্রতীকের কয়েকজন সহপাঠী নিজেদের বয়স বাড়িয়ে রীতিমতো বিচরণ  করছে ফেসবুকে। সেই সহপাঠীদেরই একজন আরেকজনকে ফেসবুকে আপত্তিকর কথা লিখে  দিয়েছে। যাকে লিখেছে সে প্রতীকের ‘বেস্ট ফ্রেন্ড’। এটা শুনে প্রতীক ওই  ছেলেকে স্কুলে রীতিমতো হুমকি দিয়ে বসেছে। ফলে প্রতীকের অভিভাবককে তলব করা  হয় স্কুলে।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;কলগুলো আসত লাবণীর (ছদ্মনাম) মোবাইল ফোনে। সারা দিনে অজস্র এসএমএস। ১২  বছরের লাবণীর ফোনে চলতে থাকে অপরিচিত এক ছেলের জ্বালাতন। একপর্যায়ে বাবাকে  জানাল লাবণী। মেয়ে বড় হচ্ছে, স্কুলে বা পথেঘাটে কখন কোন বিপদ-আপদ হয়, তাই  মেয়ের হাতে একটা মোবাইল ফোন দিয়েছিলেন বাবা। বাবার প্রশ্ন, লাবণীর নম্বর  অপরিচিত একজন জানল কী করে? মোবাইল ফোনে শুধু মা-বাবার সঙ্গেই কথা বলত না  লাবণী, স্কুলের বন্ধুদের সঙ্গেও কথা বলত। তাই তো মাঝে মাঝে গোপনে ১০ টাকা,  ২০ টাকা ভরে নিত স্কুলের সামনের দোকান থেকে। ফ্লেক্সিলোডের দোকান থেকেই  বখাটের হাতে চলে যায় লাবণীর ফোন নম্বর।&lt;br /&gt;দুটি ঘটনাই এই সময়ের। একুশ শতকে এসে সন্তানদের প্রযুক্তি থেকে দূরে রাখা  কোনোভাবেই সম্ভব নয়। কিন্তু তারা ইন্টারনেটে কী করছে? কম্পিউটারে কী দেখছে,  আমরা কি তা খেয়াল রাখছি? অনেকেই অপ্রাপ্তবয়স্কদের হাতে নিরাপত্তার কথা  ভেবে তুলে দিচ্ছেন মোবাইল ফোন। সেই ফোনটাই হয়তো বিপদ ডেকে আনছে  ছেলেমেয়েদের। যেখানে প্রাথমিক শ্রেণী থেকে শুরু করে সব শ্রেণীর বই এখন  ই-বুক আকারে ইন্টারনেটে পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে প্রযুক্তিবিমুখ করে সন্তানদের  বড় করা যাবে না, তবে এ ব্যাপারে আরও বেশি সচেতন হবে অভিভাবকদের।&lt;br /&gt;‘প্রযুক্তির সুবিধার কথাই বেশি বলা হয়, এর যে কিছু নেতিবাচক দিক আছে তা  তেমন প্রচার হয় না। হয়তো কয়েকটা মেয়ে গল্প করছে, কমবয়সী একটা ছেলে তাদের  ছবি তুলল বা ভিডিও করল। ছেলেটি না বুঝেই হয়তো এটা করছে। শিশুর নামে মোবাইল  ফোনের সংযোগ নেওয়াও যায় না। এখানে শিশুদের জন্য বিশেষ সেটও (চাইল্ড সেট)  নেই। অভিভাবকেরা হয়তো নিরাপত্তার কথা ভেবে তাদের মোবাইল ফোন দেন। কিন্তু  শিশু তা সামলাতে পারে না তাই ১৮ বছর বয়সের আগে তার হাতে মোবাইল ফোন দেওয়া  উচিত নয়।’ বললেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মাহবুবা  নাসরীন।&lt;br /&gt;ফেসবুকের একটা সুবিধার কথাও বললেন মাহবুবা নাসরীন। ফেসবুকে পরিবারের সদস্য ও  বন্ধুরা থাকে। ফলে ফেসবুকে কে কি করছে, তা জানা যায়। তিনি বললেন, ‘ডেস্কটপ  হোক বা ল্যাপটপই হোক একটি পরিবারে একটি কম্পিউটার থাকা উচিত। কম্পিউটারটা  বাসার এমন জায়গায় থাকবে যেখানে সব সময় সবাই যেতে পারে। ইন্টারনেটে শিশু কী  করছে তা চাইলেই অভিভাবকেরা জানতে পারেন। কম্পিউটারেও মা-বাবা ও সন্তানদের  আলাদা আলাদা আইডি থাকা ভালো। তাহলে অভিভাবক সেই আইডি দিয়ে কম্পিউটারে কী  করা হয়েছে তা জানতে পারবেন।’ এসবের ব্যবহার নিয়ে কোনো নীতিমালা নেই। তাই  এসব বিষয় নিয়ে পরিবারে ও পরিবারের বাইরে আলোচনা হওয়া উচিত বলে মনে করেন  তিনি।&lt;br /&gt;২২ মাস বয়সেই নিজের ছেলের হাতে কম্পিউটার তুলে দিয়েছিলেন বাংলাদেশ  কম্পিউটার সমিতির সভাপতি মোস্তাফা জব্বার। তিনি বললেন, ‘যত দিনে শিশু হাত  নাড়াতে পারে, তখনই তাকে কম্পিউটার দেওয়া উচিত।’ তবে এও যোগ করলেন, শিশুর  ইন্টারনেট বা কম্পিউটার ব্যবহারে মা-বাবার নির্দেশনার (প্যারেন্টাল  গাইডেন্স) দরকার আছে। ‘এটা ভালো, ওটা ভালো না; এটুকু শিশুকে বলে দিতে হবে।’  বাংলাদেশের শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত বিষয়বস্তু বা কনটেন্ট ইন্টারনেটে নেই  বলে মনে করেন মোস্তাফা জব্বার। বললেন, ‘স্থানীয় বিষয়ে এবং মাতৃভাষায়  ইন্টারনেটে তেমন বেশি কিছু আমরা এখনো দিতে পারিনি। শিশুরা স্থবির নয়, প্রতি  মুহূর্তে তাদের চলতে হয়। তাই ইন্টারনেটে মাতৃভাষায় তাদের উপযাগী প্রচুর  কনটেন্ট তৈরি করে রাখতে হবে।’&lt;br /&gt;বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী ১৮ বছরের কম বয়সী কেউ মোবাইল ফোনের সংযোগ নিতে পারে  না। সংযোগ নিতে গেলে জাতীয় পরিচয়পত্রসহ আরও কিছু কাগজপত্র লাগে, যাতে  বয়সটা বোঝা যায়। তবে কোনো কোনো মা-বাবা নিজেদের নামে সংযোগ নিয়ে সন্তানের  হাতে মোবাইল ফোন তুলে দেন। কিন্তু ১৮ বছর বয়সের আগে কোনোভাবেই মোবাইল ফোন  ব্যবহার করতে দেওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন গ্রামীণফোনের প্রধান যোগাযোগ  কর্মকর্তা কাজী মনিরুল কবীর। তিনি বলেন, সন্তান কোথায় আছে বা যেখানে আছে  সেখানে পুরোপুরি নিরাপদ নয়—এমন কিছু চিন্তা থেকে অভিভাবকেরা হয়তো তাদের  মোবাইল ফোন দেন। এটা ঠিক নয়। এ ক্ষেত্রে স্কুলের ভূমিকা আছে। স্কুল  কর্তৃপক্ষ, অভিভাবকেরা মিলে এ বিষয়ে দরকারি ব্যবস্থা নিতে পারে। যাতে  সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত হতে না হয়।&lt;br /&gt;মনিরুল কবীর জানালেন, বিদেশে ছোট্ট বাচ্চাকেও পাশের ঘরে রাখা হয়। সেই ঘরে  ট্রান্সমিটার থাকে, বাচ্চা কেঁদে উঠলেই মা-বাবার ঘরে সংকেত বাজতে থাকে। এসব  ‘মেশিন টু মেশিন’ প্রযুক্তির ব্যবস্থা থাকা ভালো। আর এ প্রযুক্তি মোবাইল  ফোন নির্ভর। আবার বাচ্চার কাছে একটা যন্ত্র থাকতে পারে, বিপদে বা জরুরি  অবস্থায় তার বোতাম টিপলেই মা-বাবার মোবাইল ফোনে কল বা বার্তা চলে আসবে।  বাচ্চার কাছে থাকা যন্ত্রে একটা সিমকার্ড থাকবে সেটিই নির্দিষ্ট মোবাইল  ফোনে জরুরি প্রয়োজনে বার্তা পাঠাবে। এসব ক্ষেত্রে মোবাইল ফোন খুব কার্যকর  হয়ে ওঠে। অভিভাবক, স্কুল ও মোবাইল ফোন সংযোগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো মিলে  নিরাপত্তার কথা ভেবে এমন উদ্যোগ নিতে পারে আমাদের দেশেও।‘শুধু কথা বলার  জন্য শিশুর হাতে মোবাইল ফোন দেওয়ার দরকার নেই,’ বললেন মনিরুল।&lt;br /&gt;শিশুদের হাতে অনিয়ন্ত্রিতভাবে মোবাইল ফোন দেওয়া বেশ ক্ষতিকর হয়ে উঠেছে  বর্তমান সময়ে, বললেন ঢাকার মিরপুর সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক  রবার্ট টমাস কস্তা। তিনি জানান, ‘স্কুলপড়ুয়া ছেলেমেয়েদের হাতে মোবাইল ফোন  দেওয়া উচিত নয়। এ ক্ষেত্রে উদ্যোগটা নিতে হবে আমাদের, মানে স্কুল  কর্তৃপক্ষের।’ তিনি বললেন, ‘হলিক্রস স্কুলে খোলা জায়গায় একটা টেলিফোন আছে।  প্রয়োজনে শিক্ষার্থীরা তা ব্যবহার করতে পারে। শহরের প্রতিটি স্কুলেই এমন  ব্যবস্থা থাকা দরকার।’ তিনি যোগ করেন, ‘দরকার যদি হয় তবে অভিভাবকের  তত্ত্বাবধানে একটু-আধটু ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে। ইন্টারনেট বা মোবাইল  ফোনে বেশি সময় দিলে শিক্ষার্থীর মৌলিক লক্ষ্য নষ্ট হয়ে যায়।’&lt;br /&gt;‘মোটামুটি তিন বছর থেকে শিশুরা এখন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী’—বললেন আইএসপি  অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি সুমন আহমেদ। সব বয়সীদের উপযোগী বিষয়বস্তু  ইন্টারনেটে রয়েছে। তাই অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার এবং ইন্টারনেট বিষয়টাকে  পুরোপুরি বোঝার পরামর্শ দিলেন তিনি। বললেন, ‘কম্পিউটারটা অবশ্যই বাসার খোলা  জায়গা বা কমন স্পেসে থাকা উচিত। কিছু বিষয় ইন্টারনেটে আছে যেগুলো আমাদের  মূল্যবোধের সঙ্গে মেলে না। তাই মা-বাবাকে দেখতে হবে সন্তান ইন্টারনেটে কী  কী ব্যবহার করে। শিশুরা যাতে চাইলে বা ভুল করে তাদের অনুপযোগী কোনো কিছু  দেখতে না পারে সে জন্য স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা রাখা যায়। ইন্টারনেট  এক্সপ্লোরার, ফায়ারফক্স, অপেরা, গুগল ক্রোম-ওয়েবসাইট দেখার সব সফটওয়্যারের  (ব্রাউজার) জন্যই কিছু ফিল্টারিং প্রোগ্রাম পাওয়া যায়। সেগুলো ব্রাউজারে  ইনস্টল করে দিলে শিশুর জন্য ক্ষতিকর কোনো কিছুই আর খুলবে না। এক্ষেত্রে  কম্পিউটার বিক্রেতা, ইন্টারনেট সংযোগদাতা বা ইন্টারনেটে দক্ষ এমন কারও  সহায়তা নেওয়া যেতে পারে।’ যতক্ষণ প্রয়োজন ততক্ষণই কম্পিউটার ব্যবহার করতে  দেওয়া উচিত। ‘আসল কথা হলো শিশুকে সময় দিতে হবে অভিভাবকদের। আর ইন্টারনেটে  সে কী করছে সে ব্যাপারে খেয়াল করতে হবে।’&lt;br /&gt;১১ আর ১৫ বছরের দুই সন্তানের মা রেজিনা আক্তার। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির  প্রধান গ্রন্থাগারিক এই মা বললেন, ‘দুনিয়াটা এখন খোলা। প্রযুক্তি ব্যবহার  করতে না দিলে শিশুকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়। তাই তাকে কম্পিউটার,  ইন্টারনেট ব্যবহার করতে দিতে হবে। তবে সে ব্যাপারে অবশ্যই মা-বাবার জানা  থাকা দরকার। আবার ওরা যেন বুঝতে না পারে যে, ওদের ওপর নজরদারি করা হচ্ছে।  ৫, ১০, ১২, ১৪ বিভিন্ন বয়সী শিশুদের উপযোগী বিষয় আছে ইন্টারনেটে। সেগুলো  তাদের দেখিয়ে দিলে তারা সেসব ব্যবহার করতে পারবে। তবে উচ্চমাধ্যমিকের আগে  মোবাইল ফোন শিশুকে দেওয়ার কোনো যুক্তিই নেই।’&lt;br /&gt;ইন্টারনেট ব্যবহার করে শিশু নিজের জানাশোনার পরিধি বাড়াবে, এটাই সবাই চান।  এই সময়ে এসে প্রযুক্তিকে সন্তানের জ্ঞানের বিকাশে ব্যবহার করতে চাইবেন না  কে? সবাই চাইবেন। তবে সঠিকভাবে প্রযুক্তির ব্যবহার না হলে তা লাভ তো দূরের  কথা আদরের সন্তানের জন্য ক্ষতিই ডেকে আনবে। তাই সচেতন হতে হবে অভিভাবককেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লক্ষ করুন&lt;br /&gt;  ১৮ বছর বয়সের আগে মোবাইল ফোন নয়। এমনিতেই এটা বেআইনি।&lt;br /&gt;  নিরাপত্তার জন্য অভিভাবকেরা স্কুলের সঙ্গে কথা বলে নিতে পারেন।&lt;br /&gt;  প্রয়োজন হলে সন্তানকে নিজের সামনে রেখে মোবাইল ফোনে কথা বলতে দিন।&lt;br /&gt;  বাসার ল্যান্ডফোন থাকবে  খোলা জায়গায়।&lt;br /&gt;  কম্পিউটার বাসার খোলা জায়গায় রাখতে হবে।&lt;br /&gt;  দিনে সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টা সন্তানকে কম্পিউটার ব্যবহার করতে দিন।&lt;br /&gt;  এক বাসায় একটির বেশি কম্পিউটার নয়।&lt;br /&gt;  গুগল বা ইয়াহুর মতো সার্চ ইঞ্জিনে ‘সেফ সার্চ’ সুবিধা সক্রিয় রাখুন।&lt;br /&gt;  ইন্টারনেটে শিশুদের জন্য ফিল্টারিং প্রোগ্রাম রাখা যেতে পারে। যেমন ফায়ারফক্সের জন্য ডব্লিউওটি।&lt;br /&gt;  উইন্ডোজে চলা কম্পিউটারের ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যদের জন্য আলাদা আলাদা  ‘ইউজার আইডি’ দিন, যাতে কোন আইডি থেকে কম্পিউটারে কী করা হলো তা পরে জানা  যায়।&lt;br /&gt;  সন্তান ইন্টারনেট ব্যবহারের পর ব্রাউজারের ‘হিস্ট্রি’ দেখুন। এতে বোঝা যাবে সে কোন কোন ওয়েবসাইট দেখেছে।&lt;br /&gt;  শিশুকে পড়াশোনা ও জ্ঞান বিকাশে সহায়ক ওয়েবসাইটগুলো দেখিয়ে দিন।&lt;br /&gt;  মজার ও শিক্ষামূলক ওয়েবসাইটের ঠিকানা শিশুকে দিতে পারেন।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-6097384260494640583?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/6097384260494640583/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/07/blog-post_22.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/6097384260494640583'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/6097384260494640583'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/07/blog-post_22.html' title='সচেতন হতে হবে অভিভাবককে'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-1320770082213179328</id><published>2011-07-09T10:27:00.000-07:00</published><updated>2011-07-09T10:31:46.822-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Fitness'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><title type='text'>শরীর ঠিক তো মনও ঠিক</title><content type='html'>শরীর, মন, প্রাণ—এ তিনটি একসঙ্গে বাঁধতে ব্যায়ামের নেই জুড়ি। শারীরিক  ব্যায়ামের মধ্যে বেছে নিতে পারেন যোগব্যায়ামের সূর্য নমস্কার। যোগব্যায়ামের  আগে শরীরকে আসনের উপযোগী করে তুলতে যে ব্যায়ামগুলো অভ্যাস করা হয়, তার  মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ‘সূর্য নমস্কার’। বলছিলেন প্রশান্তি ইয়োগা, আয়ুর্বেদ  অ্যান্ড ন্যাচারোপ্যাথি ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও প্রশিক্ষক সত্যজিৎ বিশ্বাস।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;পূর্বপ্রস্তুতি&lt;br /&gt;পাঁচ থেকে ৯৫ বছরের যেকোনো বয়সেই আসন শুরু করা যেতে পারে। তবে আসন শুরুর আগে সঠিকভাবে আসন সম্পর্কে জেনে নিন।&lt;br /&gt; সকাল ও সন্ধ্যা এ আসন অভ্যাসের উপযুক্ত সময়।&lt;br /&gt; ভারী খাবার খাওয়ার তিন ঘণ্টা পর, হালকা খাবার খাওয়ার দেড় ঘণ্টা পর এবং পানীয় খাওয়ার ৩০ মিনিট পর এ আসনটি অভ্যাস করুন।&lt;br /&gt; ব্যায়ামের উপযোগী খুব ঢিলেঢালা নয়, আবার খুব আঁটসাঁট নয় এমন পোশাক পরুন।&lt;br /&gt; প্রতিটি আসনের পর বিশ্রাম নেবেন।&lt;br /&gt; যাঁদের উচ্চ রক্তচাপ আছে, তাঁরা এ আসনটি করা থেকে বিরত থাকুন।&lt;br /&gt; কোমরে ব্যথা থাকলে দ্বিতীয় ও একাদশ ধাপ করা নিষেধ।&lt;br /&gt;আপনিও কোনো অভিজ্ঞ শিক্ষকের পরামর্শ নিয়ে নিজে নিজেই অভ্যাস করতে পারেন সূর্য নমস্কার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সূর্য নমস্কারের ধাপ&lt;br /&gt;প্রথমে পা দুটিকে জোড়া করুন। তালু দুটিকে বুকের সামনে প্রণাম করার ভঙ্গিতে লাগিয়ে সোজা অবস্থায় দাঁড়ান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রথম ধাপ&lt;br /&gt;সূর্য নমস্কারের প্রথম ধাপ হলো অর্ধচন্দ্রাসন। শ্বাস নিতে নিতে হাত দুটিকে  মাথার ওপর সোজা করে পেছনের দিকে ৯০ ডিগ্রি বাঁকা হওয়ার চেষ্টা করুন এবং  অল্প কিছু সময় থাকুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দ্বিতীয় ধাপ&lt;br /&gt;এবার সহজ পদহস্তাসন। প্রথম অবস্থা থেকে দ্বিতীয় স্থিতিতে শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে  সোজা হয়ে ঝুঁকুন। পা সোজা রেখে হাত দুটিকে পায়ের পাতার পাশে এবং মাথাটিকে  হাঁটুতে লাগানোর চেষ্টা করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তৃতীয় ধাপ&lt;br /&gt;দ্বিতীয় আসন থেকে তৃতীয় আসনে যাওয়ার সময় ডান অথবা শ্বাস নিতে নিতে বাঁ পা  পেছন দিকে সোজা করুন, কোমরে চাপ দিন এবং মাথা ওপরের দিকে রাখুন। এটিকে বলা  হয় অশ্ব সঞ্চালনাসন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চতুর্থ ধাপ&lt;br /&gt;চতুর্থ ধাপ হলো সেতু আসন। তৃতীয় আসনে যে পা পেছনে নিয়ে গিয়েছিলেন, তার  বিপরীত পা-কেও পেছনে নিয়ে যান এবং পরে গোড়ালি থেকে কাঁধ একটি সোজা লাইনে  রাখুন। এ সময় মাথা সামনে থাকবে। এ অবস্থায় শ্বাস ত্যাগ করতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পঞ্চম ধাপ&lt;br /&gt;চতুর্থ আসন থেকে পঞ্চম আসন শশংকাসনে আসার সময় প্রথমে গোড়ালির ওপর বসে শ্বাস  নিতে হবে। হাত দুটি সামনে প্রসারিত করুন এবং শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে মাথা  মেঝেতে স্পর্শ করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ষষ্ঠ ধাপ&lt;br /&gt;শশংকাসন থেকে অষ্টাঙ্গ নমস্কার মুদ্রাসনে আসার সময় শ্বাস নিতে নিতে হাঁটু,  বুক ও থুতনি মেঝে স্পর্শ থাকা অবস্থায় শ্বাস ছেড়ে দিন এবং দম বন্ধ রাখুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সপ্তম ধাপ&lt;br /&gt;ষষ্ঠ ধাপ থেকে সর্পাসনে আসার জন্য হাত দুটি সোজা করে মাথাটি ওপরের দিকে নিয়ে আসুন। কোমর নিচে নামান। এ অবস্থায় শ্বাস নিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অষ্টম ধাপ&lt;br /&gt;সর্পাসন থেকে পর্বতাসন। এ আসনে কোমর ওপরে তুলুন। হাত সোজা থাকবে এবং হাঁটু  ওপরে তুলে পায়ের গোড়ালিকে মেঝেতে স্পর্শ করান। এ সময় শ্বাস ত্যাগ করতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নবম ধাপ&lt;br /&gt;পর্বতাসন থেকে শশংকাসনে আসতে হবে পঞ্চম ধাপের মতো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দশম ধাপ&lt;br /&gt;তৃতীয় ধাপ অশ্ব সঞ্চালনাসনে পা পেছনে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সেই পা-কে প্রথমে  দুটি হাতের তালুর মধ্যে নিয়ে আসুন। কোমরে চাপ দিয়ে শ্বাস নিতে নিতে মাথা  ওপরের দিকে নিয়ে যান আগের মতো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একাদশ ধাপ&lt;br /&gt;অন্য পা দুটি হাতের মধ্যে নিয়ে আসুন। পা সোজা রেখে মাথাকে হাঁটুতে স্পর্শ  করানোর চেষ্টা করুন এবং শ্বাস ছাড়ুন। অর্থাৎ তৃতীয় ধাপটির পুনরাবৃত্তি  করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দ্বাদশ ধাপ&lt;br /&gt;অবশেষে আবার দ্বিতীয় ধাপটি। শ্বাস নিতে নিতে হাত দুটি মাথার সঙ্গে লাগিয়ে  সোজা হয়ে দাঁড়ান এবং পা পেছনের দিকে নিয়ে ৯০ ডিগ্রি বেঁকে যান, অর্থাৎ  অর্ধচন্দ্রাসন নিয়ে আপনার সূর্য নমস্কার শেষ করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উপকারিতা&lt;br /&gt; সূর্য নমস্কার আপনার শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে শরীরকে সতেজ করে তোলে। ফলে শরীর নমনীয় এবং যেকোনো ব্যায়ামের উপযোগী হয়।&lt;br /&gt; সূর্য নমস্কারে সারা শরীরের ব্যায়াম হয়। তাই শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বলিষ্ঠ  ও রোগমুক্ত হয়। এর ফলে হূৎপিণ্ড, ফুসফুস ও পাকস্থলী সবল হয়ে ওঠে।&lt;br /&gt; সূর্য নমস্কার মেরুদণ্ড ও কোমরকে নমনীয় রাখে এবং এসব জায়গার অতিরিক্ত মেদ দূর করে।&lt;br /&gt; এই অভ্যাসের ফলে মেরুদণ্ডের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি পায় এবং অস্থিমজ্জা সবল হয়। ফলে আম বাত, গিঁটে বাত সহজে আক্রান্ত করতে পারে না।&lt;br /&gt; সূর্য নমস্কারে রক্তের অশুদ্ধি দূর হয়। ফলে চর্মরোগ হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। এতে ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে আসে।&lt;br /&gt; হাত, পা, বাহু, কাঁধ প্রভৃতি অঙ্গের মাংসপেশি পুষ্ট এবং সুন্দর হয়। ফলে দেহের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।&lt;br /&gt; মানসিক শান্তি, শক্তি ও তেজ বৃদ্ধি পায়।&lt;br /&gt; দেহকে অতিরিক্ত মেদ জমা থেকে বিরত রাখে।&lt;br /&gt; চুলের গোড়া শক্ত করে।&lt;br /&gt; শরীর-মন সুস্থও সবল রাখে।&lt;br /&gt;মেয়েদের জন্য নিয়মিত সূর্য নমস্কার অভ্যাস অত্যন্ত উপকারী।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-1320770082213179328?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/1320770082213179328/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/07/blog-post_09.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/1320770082213179328'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/1320770082213179328'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/07/blog-post_09.html' title='শরীর ঠিক তো মনও ঠিক'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-8362186169373178824</id><published>2011-07-09T10:11:00.002-07:00</published><updated>2011-07-09T10:33:23.404-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='food'/><title type='text'>সব স্বাদেই আম সেরা</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/resize/maxDim/340x340/img/uploads/media/2011-07-04-15-38-12-095610600-untitled-38.jpg"&gt;&lt;img style="float: right; margin: 0pt 0pt 10px 10px; cursor: pointer; width: 249px; height: 174px;" src="http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/resize/maxDim/340x340/img/uploads/media/2011-07-04-15-38-12-095610600-untitled-38.jpg" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;শুধু কেটে বা রস করেই নয়, পুডিং বা কেক বানিয়েও নয়, আম খেতে পারেন মুরগির মাংস, চিংড়ি এসবের সঙ্গেও। টক, ঝাল, মিষ্টি—সব ধরনের খাবারেই চলতে পারে আম। হোটেল দি ওয়েস্টিন ঢাকার প্রধান শেফ টনি খান দিয়েছেন আমের নানা রকম রেসিপি।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;বেকড ফিশ উইথ ক্রিমি ম্যাংগো সস&lt;br /&gt;উপকরণ: ৫০০ গ্রাম স্ন্যাপার বা ভেটকি মাছের ফিলে, ৫ গ্রাম লবণ, ৫ গ্রাম মরিচের গুঁড়া, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, আম চটকে নেওয়া আধা কাপ।&lt;br /&gt;ম্যাংগো সস: তিন টেবিল চামচ ক্রিম ও এক কাপ আম চটকানো একসঙ্গে মিলিয়ে ম্যাংগো সস তৈরি করুন।&lt;br /&gt;প্রণালি: লেবুর রস, মরিচ, লবণ ও আম চটকানো দিয়ে মাছ মেখে রাখুন কিছুক্ষণ। ১৬৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ওভেন প্রিহিট করুন। ২০ মিনিট ধরে মাছ বেক করুন। প্লেটে মাছ রেখে ওপরে ম্যাংগো সস দিয়ে পরিবেশন করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আম পোলাও&lt;br /&gt;উপকরণ: বাসমতী চাল ২ কাপ, ঘি ৫ চামচ, আদা-রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, লবঙ্গ ৪টি, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, আম খোসা ছাড়িয়ে চটকে নেওয়া ১ কাপ, পাকা ও কিছুটা শক্ত আমের টুকরা ১ কাপ, মরিচ ৪টি, লবণ স্বাদমতো, কালিজিরা ভাজা সাজানোর জন্য।&lt;br /&gt;প্রণালি: চাল ধুয়ে তিন কাপ পানিতে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। কড়াইয়ে ঘি নিয়ে তাতে পেঁয়াজ সোনালি করে ভেজে নিন। এটি আলাদা করে রাখুন। কড়াইয়ের ঘিতে মসলা ছেড়ে দিন। চটকানো আম আর লবণ দিন। এবার পানিসহ চাল দিয়ে অল্প আঁচে সেদ্ধ করুন। হয়ে গেলে এর ওপরে আমের টুকরা ও কালিজিরা ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ম্যাংগো প্যানকেক&lt;br /&gt;উপকরণ: প্যানকেকের জন্য: ময়দা এক কাপের চার ভাগের তিন ভাগ, মিহি দানার চিনি এক কাপের চার ভাগের তিন ভাগ, নারকেল কুচি চার টেবিল চামচ, দুটি আম চটকানো, নারকেলের দুধ আধা কাপ, আধা কাপ ভাতও দেড় টেবিল চামচ তেল।&lt;br /&gt;ফিলিংয়ের জন্য: আম কুচি করে কাটা, ক্রিম আধা কাপ, মিহি দানার চিনি দুই টেবিল চামচ।&lt;br /&gt;প্রণালি: প্যানকেক: তেল ছাড়া সব উপকরণ একত্রে মিলিয়ে ব্যাটার তৈরি করুন। নন-স্টিক প্যানে সামান্য তেল নিয়ে তাতে গোল করে এক টেবিল চামচ ব্যাটার ঢালুন। সোনালি করে দুই পিঠ ভেজে নিন। এভাবে কয়েকটি প্যানকেক তৈরি করুন।&lt;br /&gt;ফিলিং: ক্রিমে চিনি মেশান ভালোভাবে। তাতে টুকরা করা আম দিন।&lt;br /&gt;এবার প্যানকেকে ফিলিং ভরে গোল করে মুড়িয়ে নিন। এভাবে কয়েকটি তৈরি করে ওপরে সামান্য চিনি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ম্যাংগো চিজকেক&lt;br /&gt;উপকরণ: ক্রাস্টের জন্য: দেড় কাপ ডাইজেস্টিভ বিস্কুট গুঁড়া করা, আধা কাপ মাখন টুকরা করা।&lt;br /&gt;ফিলিংয়ের জন্য: এক কাপ মিহি দানার চিনি, তিন কাপ ঘন দই, দুই কাপ পনির, দেড় কাপ পানি, ১০ গ্রাম চায়না গ্রাস, এক কাপ আম চটকানোও দুই টেবিল চামচ ভ্যানিলা নির্যাস।&lt;br /&gt;ম্যাংগো গ্লেজের জন্য: আধা কাপ আম চটকানো, দুই টেবিল চামচ পানি, দুই টেবিল চামচ চিনি ও এক টেবিল চামচ লেবুর রস।&lt;br /&gt;ক্রাস্ট তৈরি: বিস্কুট মিহি গুঁড়া করে বড় বোলে নিন। মাখন দিয়ে ভালোভাবে মেখে নিন। চ্যাপ্টা প্যানে মিশ্রণটি সমানভাবে ছড়িয়ে ফ্রিজে রেখে দিন আধা ঘণ্টা।&lt;br /&gt;ফিলিং তৈরি: চায়না গ্রাস ছোট টুকরা করে দেড় কাপ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সসপ্যানে দিয়ে চায়না গ্রাস গলিয়ে নিন, তবে যেন না ফোটে। ব্লেন্ডার বা ফুড প্রসেসরে পনির ও দই ঘন করে মিশিয়ে নিন। এবার আরেকটি পাত্রে অল্প আঁচে চটকানো আম রাখুন। এটি যেন ফুটতে শুরু না করে। এর মধ্যে চায়না গ্রাস মিশিয়ে নিন। মাঝেমধ্যে নেড়ে দিন। এবার এটি দই-পনিরের মিশ্রণে মেলান। এতে চিনি ও ভ্যানিলা নির্যাস মিলিয়ে ভালোভাবে বিট করে নিন। ক্রাস্টের ওপর সমানভাবে ছড়িয়ে এটি আবার ফ্রিজে রাখুন তিন-চার ঘণ্টা। হয়ে গেল চিজকেক।&lt;br /&gt;গ্লেজ তৈরি: সব উপকরণ সসপ্যানে নিয়ে মাঝারি আঁচে চুলায় রাখুন। ফুটতে শুরু করলে আঁচ কমিয়ে তিন-চার মিনিট রাখুন। নামিয়ে ঠান্ডা করে নিন। এই মিশ্রণ চিজকেকের ওপর ছড়িয়ে দিন। দুই-তিন ঘণ্টা এভাবে রেখে দিন। এরপর কেটে পরিবেশন করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আম-মুরগির সালাদ&lt;br /&gt;উপকরণ: হাড় ও চামড়া ছাড়ানো একটি মুরগি, দুটি আম টুকরা করা, আধা কাপ আম ও কমলার রস, সিকি কাপ সালাদ ড্রেসিং, এক টেবিল চামচ বালসামিক ভিনেগার, এক টেবিল চামচ ধনেপাতা কুঁচি, অল্প গোলমরিচ গুঁড়া, নানা রকম সালাদপাতা ২৫০ গ্রাম, একটি পেঁয়াজ কুচি করা, আধা কাপ পেস্তাবাদাম কুচি, টমেটো, জলপাইও ফেটা চিজ কুচি করা।&lt;br /&gt;প্রণালি: মুরগির মাংস ছোট টুকরা করে কাটুন। ফলের রস, ড্রেসিং, ভিনেগার, গোলমরিচ, ধনেপাতা দিয়ে মেখে অল্প আঁচে চুলায় রেখে দিন ২০ মিনিট। মাঝেমধ্যে নেড়েচেড়ে দিন। প্লেটে সালাদপাতা, আম ও মুরগির মাংস নিন, ওপরে পেঁয়াজ ও পেস্তাবাদাম ছড়িয়ে দিন। আলাদা প্লেটে টমেটো, জলপাই, ফেটা চিজ দিয়ে পরিবেশন করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আম-চিংড়ির সালাদ&lt;br /&gt;উপকরণ: পাকা আম দুটি ছোট টুকরা করা, লাল মরিচ একটি কুঁচি করা, দুটি লেবুর রস, মাঝারি আকারের চিংড়ি এক কেজি খোসা ছাড়িয়ে সেদ্ধ করা, আধা কাপ নারকেল ড্রেসিং, সাজানোর জন্য মরিচ কুচি, বেসিল পাতাও লেবু পাতা।&lt;br /&gt;ড্রেসিং তৈরি: এক কাপ নারকেল দুধ ঘন, এক টেবিল চামচ ফিশ সস, দুই টেবিল চামচ লেবুর রস। সব একসঙ্গে মিলিয়ে ড্রেসিং তৈরি করুন।&lt;br /&gt;প্রণালি: আম, মরিচ কুচি, লেবুর রসও বেসিল পাতা অল্প মেখে রাখুন। প্লেটে বা গ্লাসে এই মিশ্রণ দুই টেবিল চামচ নিন। এবার নারকেল ড্রেসিং ও চিংড়ি মেলান। আমের মিশ্রণের ওপর কয়েকটি চিংড়ি ছড়িয়ে দিন। এর ওপর আরও কিছু আমের মিশ্রণ দিয়ে ওপরে লেবু পাতা দিয়ে পরিবেশন করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ম্যাংগো চিকেন লাজানিয়া&lt;br /&gt;উপকরণ: রান্না করা মুরগির মাংস আড়াই কাপ, মুরগির ঝোল এক কাপ, দুধ আধা কাপ, টমেটো এক কাপ, রসুন কুচি দুই কোয়া, তেজপাতা একটি, এক চিমটি থাইম পাউডার (মসলার দোকানে পাওয়া যায়), সামান্য মরিচ গুঁড়া, জলপাই তেল তিন টেবিল চামচ, চিনি আধা চামচ, লবণ, লাজানিয়া নুডলস এক কাপ, ময়দা তিন টেবিল চামচ, মরিচ, সিকি কাপ পারসলে কুচি, মোজারেলা চিজ কুচি এক কাপ, পারমিজান চিজ কুচি আধা কাপ, আমের টুকরা আধা কেজি।&lt;br /&gt;প্রণালি: সসপ্যানে টমেটো, রসুন, তেজপাতা, থাইম, মরিচ গুঁড়া, জলপাই তেল, চিনি ও আধা চামচ লবণ দিন। ফুটতে শুরু করলে আঁচ কমিয়ে রেখে দিন ২০ মিনিট। ফুটন্ত পানিতে ১০ মিনিট লাজানিয়া নুডলস সেদ্ধ করুন। ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ঝরিয়ে রেখে দিন। ঠান্ডা পানিতে ময়দা গুলে পেস্ট বানান। সসপ্যানে মুরগির ঝোল ও দুধ মিলিয়ে চুলায় দিন। তাতে ময়দার পেস্ট, স্বাদমতো লবণ ও মরিচ এবং পারসলে কুচি দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। মিশ্রণটি ঘন হয়ে ফুটে উঠবে।&lt;br /&gt;বড় বেকিং ডিশে টমেটোর মিশ্রণটি ঢালুন। তার ওপর লাজানিয়া নুডলস দিন। এর ওপর মুরগির মাংস দিন। এবার চিজ ছড়িয়ে দিন। এর ওপর আমের টুকরা দিন। এভাবে আরেক স্তর সাজান। এবার ৩৭৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ওভেনে বেক করুন ২৫ থেকে ৩০ মিনিট।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-8362186169373178824?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/8362186169373178824/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/07/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/8362186169373178824'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/8362186169373178824'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/07/blog-post.html' title='সব স্বাদেই আম সেরা'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-696497873930218577</id><published>2011-06-16T20:50:00.002-07:00</published><updated>2011-06-16T20:52:05.685-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='relationship'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><title type='text'>বাবা কখনোই কোনো কিছু চাপিয়ে দেননি</title><content type='html'>মেয়েটা সারা দিন মহা আনন্দে আছে। অপেক্ষা করছে বাবার জন্য। পরীক্ষার ফল বেরিয়েছে, বাবাকে দেখিয়ে তবেই তার শান্তি। বাবা ফিরলেন সন্ধ্যার পর। মেয়ে অসীম আগ্রহে বাবার হাতে ধরিয়ে দিল রিপোর্ট কার্ড। বাবা দেখলেন মনোযোগ দিয়ে। তারপর গম্ভীর গলায় বললেন, ‘আরও ভালো করতে পারতে।’&lt;br /&gt;কিংবা ছেলেটা ক্রিকেট খেলায় পর পর দুই বলে দুটি ছক্কা মেরে মহা উত্তেজিত! বাবাকে এল সে সংবাদ দিতে।&lt;br /&gt;বাবা তাচ্ছিল্যের সঙ্গে বললেন, ‘আরে! এই তো সেদিন যুবরাজ সিং এক ওভারে ছয়টা ছয় মেরেছে। তুমিও ওভারে ছয়টা ছয় মেরে তারপর কথা বলতে এসো।’&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;বাবার কাছে সন্তান চায় নির্ভরতা। সন্তানদের দিকে বাবার একটু নজর, তাদের কথাবার্তার বন্ধু হয়ে মিশে যাওয়া, তাদের কাজের ক্ষেত্রে পরামর্শ দেওয়া—সন্তানের মনে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির জন্ম দেয়। আর যদি উল্টো হয়, অর্থাৎ বাবার তিরস্কারে যদি বেড়ে ওঠে সন্তান, তাহলে সে আত্মবিশ্বাসী হতে পারে না আর। ফলে গড়ে ওঠে না ব্যক্তিত্ব।&lt;br /&gt;মায়ের সঙ্গে সন্তানের সম্পর্কটা জন্মের আগে থেকেই। সন্তান যখন গর্ভে বেড়ে উঠছে, তখনই মায়ের শরীরে ও অনুভবে সন্তানের অস্তিত্ব। বাবা কিন্তু ধীরে ধীরে সন্তানের কাছাকাছি হন। এমনকি কোনো কোনো বাবা জন্মের পর সন্তানের প্রতি রুষ্টও হন, স্ত্রীর ভালোবাসা ভাগ হয়ে যাচ্ছে বলে। রাতে যদি সে শিশু কাঁদে, বাবা তাকে কোলে না নিয়ে গলায় বিরক্তি ঢেলে দিয়ে মাকে বলেন, ‘ওকে সামলাও তো! কানটা ঝালাপালা করে দিল!’&lt;br /&gt;এই শিশুই প্রকৃতির নিয়মে একসময় বাবার কাছাকাছি হয়। বিশেষ করে বেড়ে ওঠা, কাজ বেছে নেওয়ার সময়টাতে বাবার সঙ্গ, বাবার পরামর্শ সন্তানের জীবনের ইতিবাচক গুণাবলিকে প্রগাঢ় করে। শিক্ষক, আত্মীয়, বন্ধুদের কাছ থেকে নেওয়া পরামর্শও কাজে লাগে, কিন্তু এ সময় সন্তানের প্রতি বাবার দৃষ্টিভঙ্গি নেতিবাচক হলে সন্তান নির্ভরতা পায় না। অনেক বাবাই সন্তানের প্রতি এ দায়িত্বটি পালন করতে পারেন না। কাজের চাপে, রুটিরুজির চিন্তায়, সংসার সামলে বাবা সন্তানের দিকে মনোযোগ দিতে পারেন কম। সন্তান আগ্রহ নিয়ে কিছু বলল, বাবা একেবারেই পাত্তা দিলেন না। বাবা বুঝতেও পারলেন না, এই একটু অবহেলা সন্তানের মনকে করে তুলছে বিষণ্ন, কাজকে করে তুলছে স্থবির। তার উৎসাহে পড়ছে ভাটা। সন্তানের জন্য বাবা কতটা দরকারি, তা বাবা নিজেই বোঝেন না। যখন বুঝতে পারেন, তখন হয়তো দেরি হয়ে যায়, সন্তানদের সঙ্গে মনের বন্ধন শিথিল হয়ে যায়।&lt;br /&gt;কিন্তু সন্তানের পড়ার বিষয় বা পেশা বেছে নেওয়ার সময়টাতে বাবার পরামর্শ খুবই দরকার।&lt;br /&gt;সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাংসদ আসাদুজ্জামান নূরকে বাবা-সন্তানের সম্পর্কের কথাটি জিজ্ঞেস করতেই তিনি বললেন, ‘সন্তানের প্রতি অর্থবহ সময় আমি হয়তো ততটা দিতে পারিনি। এর প্রধান কারণ, আমার জীবনধারা। এত ব্যস্ত হয়ে আমাকে কাটাতে হয়েছে জীবন, খুব কম সময় পেয়েছি সন্তানদের জন্য। তবে যতটুকু সময় পেয়েছি, সন্তানদের বোঝাতে চেয়েছি, মেধা-প্রতিভা যা-ই থাকুক, পরিশ্রম না করলে জীবন অর্থবহ হবে না। আমি শ্রমিকের মতোই কাজ করেছি। দৈনিক ১৬ থেকে ১৮ ঘণ্টা পরিশ্রম করেছি। আমার দুই সন্তান সুদীপ্ত ও সুপ্রভাও যথেষ্ট পরিশ্রমী। আমি চেষ্টা করেছি ওদের মনোজগৎটা গড়ে দিতে। আমার নিজের পড়ার অভ্যাস আছে। যখন নিজের জন্য বই কিনতাম, ওদের জন্যও কিনে দিয়েছি। বৃহস্পতিবার রাতে সবাই মিলে ছবি দেখেছি, তাতে ওরা ভালো-মন্দ ছবির পার্থক্য বুঝতে পেরেছে। আমার ছেলে-মেয়ে কখনোই হিন্দি সিরিয়ালের প্রতি আকৃষ্ট হয়নি। সুযোগ পেলেই বেড়াতে গেছি। ওদের ক্যারিয়ার গড়ার পেছনে সরাসরি আমার অবদান নেই। কিন্তু আমাদের জীবনধারা দেখেই ওরা সিদ্ধান্ত নিয়েছে কে কী পড়বে। সুদীপ্ত কিছুকাল ডেইলি স্টার-এ কাজ করে এখন এশিয়াটিকে কাজ করছে। ভালোই করছে। সুপ্রভা পড়ছে অর্থনীতি ও রাজনীতি নিয়ে।’&lt;br /&gt;সুদীপ্তকে বলি, কেমন বাবা আসাদুজ্জামান নূর? সুদীপ্ত আরিকুজ্জামান নিজেই স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া শিখেছেন বাবার কাছ থেকে। তবে বড় কোনো সিদ্ধান্ত হলে অবশ্যই বাবার সঙ্গে পরামর্শ করেন। বললেন, ‘বাবা খুবই ব্যস্ত, তা সত্ত্বেও তিনি অনেক সময় দিয়েছেন আমাদের। বাবার সঙ্গে একটা সহজ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে আমাদের। বাবা কোনো দিন কোনো বিষয় আমাদের ওপর চাপিয়ে দিতে চাননি।’&lt;br /&gt;সুপ্রভা পড়েন বাইরের দেশে। তাঁর সঙ্গে কথা হয় ই-মেইলে। সুপ্রভা তাসনীম বলছেন, ‘বাবা হিসেবে আসাদুজ্জামান নূরের সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো, তিনি জীবনের যে পথ অনুসরণ করেছেন মঞ্চে, ব্যবসায়, রাজনীতিতে—সব ক্ষেত্রেই তাঁর নিজের কর্ম ও অর্জন দিয়ে আমাদের মধ্যে পরিশ্রম ও চেষ্টার মাধ্যমে দায়িত্ববোধ গড়ে তুলেছেন। যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো বিষয় খারাপ লাগে কিংবা এ ধরনের পড়াশোনায় ক্লান্ত লাগে, তখন বাবার বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের সঙ্গে তা তুলনা করে দেখি। সে তুলনায় আমরা কোনোই খাটাখাটনি করি না। ব্যস্ত বাবা বাড়ি ফিরে বাংলা বা ইংরেজি গল্প-কবিতা পড়ে শোনাতেন। আমাদের জীবনে এই শিক্ষা খুব প্রভাব ফেলেছে। তা ছা্ড়া গান-বাজনা, নাটক, বিতর্ক, খেলাধুলা, এমনকি কারাতেও শিখতে পেরেছি বাবার উৎসাহে। বাবাকে সত্যিই আমি বন্ধু মনে করি। বাবা কখনোই চাপ দিয়ে বলেননি, “মেডিকেল পড়ো কিংবা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ো।” শুধু বলেছেন, আমরা যেন দায়িত্ব নিয়ে নিজেদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারি, তাহলেই মা-বাবা আমাদের এক শ ভাগ সমর্থন দেবেন। তাঁরা তা দিয়েছেনও।’&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-696497873930218577?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/696497873930218577/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/06/blog-post_16.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/696497873930218577'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/696497873930218577'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/06/blog-post_16.html' title='বাবা কখনোই কোনো কিছু চাপিয়ে দেননি'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-1814590878968075696</id><published>2011-06-16T20:31:00.000-07:00</published><updated>2011-06-16T20:49:14.000-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='home'/><title type='text'>এক চিলতে বারান্দা</title><content type='html'>সারা দিনের কাজের পর চাই দুদণ্ড অবসর। প্রিয়জনের সঙ্গে একটুখানি সময়  কাটানোর সুযোগ। তখনই দরকার আলাদা একটা জায়গা, যেখানে বসে নিজেকে খুঁজে  পাবেন আলাদা করে। কর্মব্যস্ত দম্পতিরা ঘরে ফিরে একান্ত সময় কাটানোর কথা  হয়তো ভুলেই যান। কারণ, একান্ত সময় কাটানোর জন্য আলাদা একটা জায়গা তো দরকার,  যেখানে বসে মনের কথা বলবেন। বসার ঘরের ফোমে আঁটা সোফা কিংবা বড় ভারী  আসবাবের মাঝে বসে তো প্রশান্তির পরশ মেলে না কিংবা শোবার ঘরে মেলে না সেই  রোমান্টিকতা। তাই দরকার আলাদা খোলামেলা জায়গা, যেখানে থাকবে সবুজের আবেশ।  আর দেখা যাবে আকাশ।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;ইট-কাঠের এই শহরে স্থান সংকুলানের কারণে এমন জায়গা প্রায় কমেই গেছে।  ইন্টেরিয়র হাউস অন্দরসজ্জার প্রধান নির্বাহী রুমানা আফজাল খান বলেন, আজকাল  অ্যাপার্টমেন্টগুলোয় ঝুলবারান্দা ছোট হয়। তার পরও চাইলে ঝুলবারান্দায় করে  নিতে পারেন আলাদা বসার জায়গা। ঝুলবারান্দার জায়গা যদি বেশি হয়, সে ক্ষেত্রে  একটু আলাদা ধরনের ডিভান ধাঁচের চেয়ার পাতা যেতে পারে। চাইলে শরীর এলিয়ে  দিয়ে বসাও যায় এই চেয়ারে। তবে জায়গা কম হলে চেয়ারের চেয়ে শতরঞ্জি পাতাই  ভালো। শতরঞ্জির ওপর কয়েকটা কুশন দিতে পারেন। কুশনগুলোর আকার বিভিন্ন হতে  পারে। কোনোটায় হয়তো বসলেন, কোনোটা আবার নিছক সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য। যদি  কেউ নিচে বসতে অভ্যস্ত না হন, সে ক্ষেত্রে ছোট বেত, মাটি কিংবা কাঠের ওপর  রশির বুননের মোড়া হলেও চলবে। পাশে রাখতে পারেন মাটির পটারি। বিভিন্ন আকারের  মাটির পটারি দিয়ে বসার জায়গাটা সাজালে মন্দ লাগে না। অপেক্ষাকৃত মুখ বড়  এমন মাটির পাত্রে সন্ধ্যাবেলায় পানি দিয়ে ফুলের পাপড়ি আর ভাসমান মোমবাতি  জ্বালিয়ে দিলে অনেক বেশি ভালো দেখায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সবুজ তো সবারই পছন্দ। তাই বসার জায়গার পাশে মাটির টবে গাছ রাখতে পারেন।  চাইলে দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখা মাটির পাত্রে গাছ লাগাতে পারেন। অনেকের  ঝুলবারান্দায় গ্রিল লাগানো থাকে। চাইলে এই গ্রিলে বেঁধে দিতে পারেন  মানিপ্ল্যান্টের বোতল। আয়েশ করে কেউ চায়ে চুমুক দিতে চাইলে ছোট টেবিল রাখতে  পারেন, যাতে চা কিংবা নাশতা রাখা যাবে।&lt;br /&gt;তবে পুরো সজ্জাটা যেন পারিপার্শ্বিক অন্য সবকিছুর সঙ্গে মিলে যায়, সেদিকে  খেয়াল রাখতে হবে। পরিবেশটা যেন ব্যক্তিকে অনেকটাই চাঙা করে দেয়। সারা দিন  শেষে স্নিগ্ধতা আর প্রশান্তি খুঁজে পাওয়া যাবে এখানেই।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-1814590878968075696?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/1814590878968075696/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/06/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/1814590878968075696'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/1814590878968075696'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/06/blog-post.html' title='এক চিলতে বারান্দা'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-9140813412965385108</id><published>2011-05-21T09:46:00.000-07:00</published><updated>2011-05-21T09:59:37.465-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='home'/><title type='text'>বর্ণিল দেয়াল</title><content type='html'>দেয়ালের একচ্ছত্র মৌনতা অনেকেরই পছন্দ নয়। দেয়ালের একঘেয়ে ভাব দূর করতে  অনেকেই এক দেয়ালে কয়েক ধরনের রং বা নকশার ব্যবহার করে থাকেন। আর এ দুটো  ব্যাপারই নির্ভর করে কোন ঘরের জন্য তা করা হচ্ছে কিংবা ঘরে কে থাকছে তার  ওপর। ইনস্টিটিউট অব ইনোভেটিভ ডিজাইনের স্থপতি সাইদা ফজিলাতুননাজ জানান,  একঘেয়ে ভাব দূর করতেই দেয়ালে বৈচিত্র্য আনা হয়। কেউ হয়তো জ্যামিতিক কোনো  একটা রূপ দেন, কেউ বা দীর্ঘ প্রশস্ত কোনো দেয়ালের মাঝে রং দিয়েই জানালার  মতো আকার দিয়ে থাকেন।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;এ জন্য বিভিন্ন রং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের পরামর্শদাতাদের সাহায্য নিতে পারেন। আবার চাইলে নিজেই এ নিয়ে কাজ করতে পারেন।&lt;br /&gt;এ বিষয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন সাইদা ফজিলাতুননাজ।&lt;br /&gt;একরঙা দেয়ালে রাবার রোলার দিয়ে অন্য রং দিয়ে আস্তে আস্তে টেনে নিলে দেয়ালে একটা বৈচিত্র্য চলে আসে।&lt;br /&gt;দেয়ালে  পুরু করে রং দিয়ে তার ওপর ঝাড়ু দিয়ে আঁচড়ে নিলে হয়ে যাবে একটু আলাদা খসখসে  একটা ভাব। যাঁরা মসৃণ দেয়াল পছন্দ করেন না, তাঁরা অনায়াসেই এমন একটা দেয়াল  করে নিতে পারেন।&lt;br /&gt;রঙিন কাগজ কেটে একরঙা দেয়ালের ওপর আঠা দিয়ে লাগিয়ে দিলেও তা হয়ে যাবে একটু অন্য রকম।&lt;br /&gt;কেউ চাইলে দেয়ালে স্প্রে রং দিয়ে কিছুটা ভিন্নতা আনতে পারেন।&lt;br /&gt;আবার ওয়ালপেপার লাগিয়ে দেয়ালের চেহারা আমূল বদলে ফেলা যায়।&lt;br /&gt;বার্জারের  রংবিষয়ক পরামর্শদাতা আমিনুল ইসলাম জানান, বার্জারের আছে ৫৫টা রকম-নকশা আর  পাঁচ হাজার ভিন্ন রং। মনের মতো রং ও নকশা বেছে নিতে পারেন এখান থেকে।&lt;br /&gt;তিনি  আরও বলেন, বসার ঘরের জন্য উষ্ণ আমেজ আনতে গাঢ় রং ব্যবহার করা যায়।  বাচ্চাদের ঘরের জন্য হালকা রং ব্যবহার করা যেতে পারে। আর এই রঙের সঙ্গে  নানা কার্টুনের নকশা ব্যবহার করা যায়। এ ছাড়া চাঁদ-তারাখচিত নকশা তো আছেই।  অমসৃণ দেয়াল চাইলে রিদম বা ওয়েভ ডিজাইন ব্যবহার করা যেতে পারে।&lt;br /&gt;দেয়ালে রং আর ডিজাইনের খরচটা নির্ভর করে বর্গফুটের হিসাবে। প্রতি বর্গফুট রং করতে খরচ হবে ৫০ থেকে ৮০ টাকা।&lt;br /&gt;চাইলে ওয়ালপেপারও লাগিয়ে নিতে পারেন।&lt;br /&gt;ঢাকার  বনানীতে ঘর সাজানোর জিনিস বিক্রির প্রতিষ্ঠান লিও কিংয়ের ব্যবস্থাপক  মোহাম্মাদ ইসমাইল বলেন, তাঁদের ৩০০ রকমের রং আর আলাদা ডিজাইনের ওয়ালপেপার  রয়েছে। দেয়ালের ধরন বুঝে পেপার লাগাতে হবে। পেপার লাগাতে হয় আঠা দিয়ে। আর  ভালোভাবে লেগে গেলে এই পেপার পাঁচ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়। চাইলে সাবান দিয়ে  ধুয়ে পরিষ্কার পর্যন্ত করা যায়। তবে দেয়ালটা যেন মসৃণ হয়, সেদিকে লক্ষ  রাখতে হবে।&lt;br /&gt;ওয়ালপেপার বর্গফুট হিসাবে বিক্রি হয়। প্রতি রোলে ১৮০ ফুট পেপার থাকে। প্রতিটা রোল কেনা যাবে ৩০০ থেকে ৯০০০ টাকা দরে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-9140813412965385108?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/9140813412965385108/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/05/blog-post_21.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/9140813412965385108'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/9140813412965385108'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/05/blog-post_21.html' title='বর্ণিল দেয়াল'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-960039014772199044</id><published>2011-05-21T09:36:00.000-07:00</published><updated>2011-05-21T09:40:05.751-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='food'/><title type='text'>শরবতে জুড়ায় প্রাণ</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/images/images/image.php/uploads/media/2011-05-16-14-28-46-040705600-3.jpg?width=340&amp;amp;&amp;amp;image=http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/uploads/media/2011-05-16-14-28-46-040705600-3.jpg"&gt;&lt;img style="float: right; margin: 0pt 0pt 10px 10px; cursor: pointer; width: 282px; height: 226px;" src="http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/images/images/image.php/uploads/media/2011-05-16-14-28-46-040705600-3.jpg?width=340&amp;amp;&amp;amp;image=http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/uploads/media/2011-05-16-14-28-46-040705600-3.jpg" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;অড়বরইয়ের শরবত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ:  অড়বরই ২ কাপ, বিচি ফেলে নেওয়া কমলা বা মালটার রস ১ কাপ, পুদিনাপাতা ৪-৫টা,  লবণ স্বাদমতো, বরফ পরিমাণমতো, ঠান্ডা পানি ৩ কাপ, গোলমরিচের গুঁড়া আধা  চা-চামচ।&lt;br /&gt;প্রণালি: সব ব্লেন্ড করে গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কামরাঙার শরবত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ:  কামরাঙা ৪টি, ঠান্ডা পানি দেড় কাপ, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, লেবুপাতা  ২-৩টা, পুদিনাপাতা ৫-৬টা, চিনি ১ কাপ, লবণ ১ চিমটি, বিচি ফেলে দেওয়া কাঁচা  মরিচ অর্ধেক।&lt;br /&gt;প্রণালি: ব্লেন্ডারের জগে এসব উপকরণ ভালো করে ব্লেল্ড করে  ছেঁকে রস বের করে নিতে হবে। গ্লাসে বরফ নিয়ে ওপর থেকে জুস দিয়ে পরিবেশন  করুন। গরমের ক্লান্তি দূর হবে।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কাঁচা আমের শরবত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ: কাঁচা আম  ২টা, লেবুর পাতা ২-৩টা, চিনি ১ কাপ, ঠান্ডা পানি ৩ কাপ, লবণ ১ চিমটি,  বিটলবণ ১ চা-চামচ, বিচি ফেলে দেওয়া কাঁচা মরিচ ৬টা।&lt;br /&gt;প্রণালি: আম ছিলে  পাতলা কাপড়ের ওপর মিহি গ্রেট করে নিতে হবে। সঙ্গে লেবুপাতা, কাঁচা মরিচও  গ্রেট করে নিতে হবে। এখন কাপড় চিপে রস বের করে নিন। ব্লেন্ডারের জগে আমের  রস, পানি, চিনি, লবণ ও বিটলবণ দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে গ্লাসে ঢেলে  পরিবেশন করুন।&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;তরমুজের শরবত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ: বিচি ফেলে নেওয়া টুকরা করা তরমুজ ৪ কাপ, পুদিনাপাতা ৩-৪টা, লেবুর রস আধা কাপ। লেবুপাতা ২টা, লবণ ১ চিমটি, বরফ কয়েক টুকরা।&lt;br /&gt;প্রণালি: ওপরের সব উপকরণ একসঙ্গে ব্লেল্ড করে ছেঁকে পরিবেশন করুন।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-960039014772199044?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/960039014772199044/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/05/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/960039014772199044'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/960039014772199044'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/05/blog-post.html' title='শরবতে জুড়ায় প্রাণ'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-7962506872417376908</id><published>2011-04-27T00:03:00.000-07:00</published><updated>2011-04-27T00:05:21.456-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Tips'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='korcha'/><title type='text'>ঘরোয়া দাওয়াই</title><content type='html'>&lt;p&gt;প্রতিদিনের ছোটখাটো কাটাছেঁড়া, অসুখ-বিসুখে অনেক সময় ডাক্তার না দেখালেও চলে। চটপট উপশমের জন্যে শিখে নিন কিছু অব্যর্থ ঘরোয়া দাওয়াই।&lt;/p&gt;&lt;p style="font-weight: bold;"&gt;পুড়ে গেলে&lt;/p&gt;&lt;p&gt;**  গরম তেল বা ঘি ছিটকে লাগে অনেক সময় হাতে, মুখে, গলায়, ঘাড়ে কিংবা পায়ে।  বরফ সরাসরি পোড়া জায়গায় চেপে ধরুন। ফোসকা কিংবা পোড়া ঘা আর হবে না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;**  হাত বা পায়ের আঙুল পুড়ে গেলে, আঙুলের ফাঁকে ফাঁকে স্টেরয়েড গজ দিয়ে রাখুন।  ১ কাপ গরম পানিতে আধা চা-চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে দিন। এই গরম পানীয়টুকু  সাথে সাথেই চুমুক দিয়ে খেতে হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style="font-weight: bold;"&gt;কাটা-ছেঁড়ায়&lt;/p&gt;&lt;p&gt;** কোথাও কেটে  গেলে ক্ষতের উপরে মধু লাগিয়ে দিন। দেখবেন, জ্বালাপোড়া ও ফোলা কমে যাবে।  রক্ত পড়তে থাকলে ওখানে বেশ খানিকটা নস্যি টিপে ধরুন, দেখবেন রক্ত পড়া বন্ধ  হয়ে গেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;** কোথাও পড়ে গিয়ে চামড়া ছেঁচে গেছে কিন্তু কাটেনি, সেখানে বরফ পানিতে ভেজানো তুলো চেপে চেপে লাগান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;**  পড়ে গিয়ে হাঁটু, কনুই কেটে-ছিঁড়ে গেলে, অনেক সময় দেখা যায়, কাটা জায়গায়  ধুলো-ময়লা লেগে গেছে। কাটা জায়গাটা পানি ও সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন,  নয়তো ইনফেকশন হতে পারে। এরপর শুকনো তোয়ালে দিয়ে হালকা হাতে চেপে চেপে  শুকিয়ে নিন। তারপর কেটে যাওয়া স্থানে অ্যান্টিসেপটিক মলম বা লোশন লাগান।  মনে রাখবেন, কেটে যাওয়া স্থানে কখনোই তুলো লাগাবেন না।&lt;/p&gt;&lt;p style="font-weight: bold;"&gt;সর্দিকাশিতে&lt;/p&gt;&lt;p&gt;**  রাতে বাচ্চাদের অনেক সময় নাক বন্ধ হয়ে যায়। দুই চামচ সর্ষের তেল এক চিমটি  কালোজিরা হাতের তালুতে রগড়ে তেলের ভেতরে দিয়ে দিন। তেলটা ফুটে উঠলে ছেঁকে  নিয়ে আঙুলে করে বাচ্চার নাকের দু’পাশে মালিশ করে দিন। দেখবেন, নাক বন্ধ  ছেড়ে যাবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;** সর্ষের তেল গরম করে, রাতে শুতে যাওয়ার সময় বাচ্চার বা  বড়দের হাতপায়ের তালুতে ভালো করে মালিশ করে পতলা চাদর দিয়ে হাত-পা ঢেকে দিন।  সকালে ঘুম থেকে উঠে অনেকটা আরাম পাবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;** বাচ্চাদের নাক দিয়ে অনেক  সময় পানি পড়তে  দেখা যায়। পরিষ্কার এক টুকরো কাপড় খানিকটা কালোজিরা বেঁধে,  কালোজিরার পুঁটলি বানিয়ে ওর হাতে দিন। মাঝে মাঝে শুঁকতে বলুন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;**  কাশি হচ্ছে? চটপট কাশি থেকে রিলিফের জন্যে টাটকা লেবুর রস, মধু আর  গ্লিসারিন সমপরিমাণে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি ১ চা চামচ করে দিনে ২-৩ বার  খেতে হবে। কাশির সঙ্গে সর্দি বা গলা ব্যথাও থাকলে, সামান্য মধু আর খাঁটি  ঘিয়ের সঙ্গে গুঁড়োমরিচ মিশিয়ে নিন। এরপর এক কাপ গরম দুধের সঙ্গে এই  মিশ্রণটি মিশিয়ে ঠিক রাতে শুতে যাওয়ার আগে খেয়ে নিন।&lt;/p&gt;&lt;p style="font-weight: bold;"&gt;নানান ধরনের ব্যথায়&lt;/p&gt;&lt;p&gt;**  প্রতিটি মানুষেরই কমবেশি মাথা ব্যথা হয়। বেশির ভাগ সময় ঠান্ডা লাগলে মাথা  ব্যথা করে। একটি প্যানে পানি ফোটান। ধোঁয়া ওঠা ফুটন্ত পানিতে এক চামচ হলুদ  আর এক চিমটি কর্পুর মিশিয়ে সেই ধোয়াটা ইনহেল করুন। দেখবেন, মাথা ব্যথা ছেড়ে  গেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;** হঠাত্ করে পা মচকে গেছে? সঙ্গে সঙ্গে কোল্ডপ্যাক লাগান,  প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে। তারপর আবার ঘণ্টাখানেক ধরে গরম প্যাক লাগান। এরপর  ব্যথার জায়গাটা উঁচু করে তুলে রাখুন।&lt;/p&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-7962506872417376908?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/7962506872417376908/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/04/blog-post_27.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/7962506872417376908'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/7962506872417376908'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/04/blog-post_27.html' title='ঘরোয়া দাওয়াই'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-7568091590013302227</id><published>2011-04-26T23:48:00.000-07:00</published><updated>2011-04-27T00:02:11.367-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='beauty'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><title type='text'>চোখের যত্নে</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/images/images/image.php/uploads/media/2011-04-25-14-23-32-068841100-11.jpg?width=340&amp;amp;&amp;amp;image=http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/uploads/media/2011-04-25-14-23-32-068841100-11.jpg"&gt;&lt;img style="float: right; margin: 0pt 0pt 10px 10px; cursor: pointer; width: 260px; height: 173px;" src="http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/images/images/image.php/uploads/media/2011-04-25-14-23-32-068841100-11.jpg?width=340&amp;amp;&amp;amp;image=http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/uploads/media/2011-04-25-14-23-32-068841100-11.jpg" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;কর্মব্যস্ত দিনে চোখে বেশি চাপ পড়ে। কারণ, কখনো কম্পিউটারের সামনে, কখনো  টেলিভিশনের সামনে বা কখনো মনোযোগ দিয়ে কিছু পড়া হয়। এর মধ্যে চোখের  বিশ্রামের কথা ভাবার অবকাশ হয় না। এ ছাড়া চোখ সাজানোর জন্য কত কিছুই তো করা  হয়। কিন্তু বাড়ি ফিরে ভালোভাবে চোখ কি পরিষ্কার করা হয়?&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;হারমনি স্পার  রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা বলেন, একনাগাড়ে কাজ করা উচিত নয়। বিশেষ করে  কম্পিউটারে। সম্ভব হলে ১৫ মিনিট অন্তর অন্তর কিছুক্ষণ চোখ বুজে থাকুন। তা  না করলে চোখে লাল হয়ে যায়। দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসে। এগুলো ছাড়াও চোখে নানা  ধরনের সমস্যা দেখা যায়। বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের  শরণাপন্ন হতে হবে। তবে প্রতিদিন যত্ন নিলে ছোট সমস্যাগুলো এড়ানো যায়। অফিসে  বা বাড়িতে বসেই এ যত্ন নিতে পারেন। সে জন্য নানা পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।&lt;br /&gt;ওয়াটার  প্রুফ মাশকারা ও আইলাইনার খুব প্রয়োজন না হলে ব্যবহার না করাই ভালো। চোখের  ভালো মানের কৃত্রিম পাপড়ি ব্যবহার করা উচিত। কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা  দিলে সঙ্গে সঙ্গে এর ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। কাজের চাপ বেশি থাকলে চোখে  কয়েক মিনিট আইকভার দিয়ে রাখতে পারেন। আইকভার না থাকলে নরম কাপড় দিয়ে চোখ  ঢেকে রাখুন। এ ছাড়া বাইরে থেকে ফিরেই চোখে বেশি করে পানির ঝাপটা দেওয়া  উচিত। এতে ধুলা-ময়লা সব পরিষ্কার হবে।&lt;br /&gt;এবার তুলতে হবে চোখের মেকআপ।  তুলায় বেবি অয়েল বা অলিভ অয়েল নিয়ে ধীরে ধীরে মেকআপ তুলুন। অনেকে অন্য কোনো  প্রসাধনসামগ্রী ব্যবহার না করলেও নিয়মিত কাজল ব্যবহার করেন। তাঁরা মনে  করেন, এটি আবার তোলার কী আছে। এটি ভুল ধারণা। কাজলও ভালোভাবে তুলতে হবে।  অলিভ অয়েল বা বেবি অয়েল তুলায় নিয়ে কাজল তুলতে পারেন। চোখের মেকআপ তোলার  জন্য বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের লিকুইড পাওয়া যায়। সেসবও ব্যবহার করতে  পারেন। চোখের নিচে কালো দাগ থাকলে আন্ডারআই ক্রিম ব্যবহার করুন। চোখের  ক্লান্তি কমাতে শসা বা আলুর রস তুলায় ভিজিয়ে চোখের ওপরে দিন। কয়েক মিনিট  রেখে ধুয়ে ফেলুন। কাঁচা দুধের মধ্যে তুলা ভিজিয়েও চোখের উওপরে ১০ মিনিট  রাখতে পারেন। ফ্রিজে রাখা ব্যবহূত টি-ব্যাগ চোখের চারপাশে ১০ মিনিট রেখে  দিন। দেখবেন নিমেষেই ক্লান্তি দূর হয়ে গেছে।&lt;br /&gt;ছুটির দিনে বাড়িতে বসে  চোখের উপযোগী প্যাক লাগাতে পারেন। টমেটোর রস, মসুর ডাল, গুঁড়া দুধ, মধু ও  তিলের তেল মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করতে পারেন। যাঁদের চোখ ফোলা থাকে, তাঁরা  ত্রিফলার গুঁড়া, দুধ ও মধু মিশিয়ে হালকা করে মালিশ করুন। এতে চোখের  ফোলাভাব কমে যাবে।&lt;br /&gt;চোখের উপযোগী ব্যায়াম নিয়মিত করা উচিত। মাথা সোজা  রেখে চোখ হাতের ডান থেকে বাঁয়ে ও বাঁ থেকে ডানে ১০ বার ঘোরাতে হবে।  প্রতিদিন সম্ভব না হলে সপ্তাহে অন্তত তিন দিন করা যেতে পারে। রোদে বের  হওয়ার আগে সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহার করুন। আর সানগ্লাস পরতে ভুলবেন না।  সঙ্গে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। চোখের ক্লান্তি দূর করতে প্রকৃতির সবুজ  রঙের জুড়ি নেই। একটু সময় পেলে সবুজে ঘেরা কোথা থেকে ঘুরে আসুন। মনও ভালো  থাকবে, চোখও আরাম পাবে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-7568091590013302227?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/7568091590013302227/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/04/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/7568091590013302227'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/7568091590013302227'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/04/blog-post.html' title='চোখের যত্নে'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-6542148975036204336</id><published>2011-03-28T20:28:00.000-07:00</published><updated>2011-03-28T20:32:52.072-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='lifestyle'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='korcha'/><title type='text'>দ্রুত জীবনযাপনে মানিয়ে নিন</title><content type='html'>নাহিয়ানের অফিসে জরুরি মিটিং। এরমধ্যেই কাজের লোক ডুব  মেরেছে। এ দিকে স্বামী মুসাহিদকেও পেঁৗছতে হবে এয়ারপোর্টে। তার প্যাকিং,  খাবার সবই বাকি। কোনোরকমে রান্না সেরেই সুটকেস গোছানো, তার পরেই সারাদিন  ধরে ছুটে চলা শুধু। এই পরিস্থিতিটা এখন সবারই চেনা। সারাদিন ঊধর্্বশ্বাসে  দৌড়াতে দৌড়াতে আমরা সবাই দিশেহারা। এক এক সময় মনে হয়, ডেডলাইন মেনটেন  করাই আমাদের জীবনের মূল বা প্রধান লক্ষ্য। এর ফলাফল? ডিপ্রেশন আর হেরে  যাওয়ার যন্ত্রণা। ডিপ্রেশন আর স্ট্রেস থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য প্রয়োজন  কিছু পস্নানিংয়ের।&lt;br /&gt;&lt;div class="b1"&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;পস্ন্যান করে রাখুন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জীবন যদিও সবসময়  পস্ন্যান অনুযায়ী চলে না। তারপরও যতটা সম্ভবত পস্ন্যান করে চলুন_এক বছর পরে  নিজেকে কোনো জায়গায় দেখতে চান। পুরো পরিবারের সাথে বেড়াতে যাবেন। সবই  পস্ন্যান করে রাখুন। এতে করে বাড়িত চাপ থেকে মুক্তি পাবেন। কখনও শেষ  মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করবেন না। অফিস এবং বাসার কাজ সমান ভাগে ভাগ করে  নিন। প্রতিদিন রাতে পরের দিনের কাজের লিস্ট তৈরি করুন। পরের দিন সেই লিস্ট  মিলিয়ে কাজ করুন। ভুলে যাওয়ার বা কোনো কাজ মিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;নিজেকে প্রকাশ করুন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দুঃখ  বা রাগ কখনোই চেপে রাখবেন না। যার উপর রাগ হয়েছে বা যার জন্য দুঃখ  পেয়েছেন, তাকে বলতে না পারলেও কাছের মানুষদেরকে বলে ফেলুন। মানসিক কষ্ট  থেকে মুক্তি পাবেন এবং রাগ বা দুঃখও কমে যাবে। ঠিক তেমনি ভালোবাসা প্রকাশ  করতেও দ্বিধাবোধ করবেন না। ছোটখাটো ঘটনার মাধ্যমে ভালোবাসা প্রকাশ করুন।  দেখবেন, আপনার ভালো লাগবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;প্রায়োরিটি সেট করুন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বেশি কাজের  চাপে দিশেহারা হয়ে যাবেন না। কাজের চাপ সবসময় থাকবেই। নিজেই নিজের  প্রায়োরিটি সেট করুন। কোন কাজটা আগে করতে হবে, তা ঠিক করে নিন আপনি। মাথা  ঠান্ডা করে কাজ ভাগ করুন। বাসার কাজও একইভাবে করুন। মনে রাখাবেন, আপনার  একটা লিমিটেশন আছে। এমন কোনো লিস্ট তৈরি করবেন না, যেটা আপনার পক্ষে পূরণ  করা অসম্ভব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সবকিছু লিখে রাখুন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সারাদিনের নানা ধরনের কাজের  সবকিছু মনে রাখা আমাদের পক্ষে সম্ভব না। তাই যাই ঘটুক, ঘটনাটা লিখে রাখুন।  পরবর্তীকালে কোনো সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে চাইলে মনে করতে পারবেন, কেন সেই  সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। প্রতিদিন সম্ভব না হলে সপ্তাহের শুরুতে বাসার কাজ আর  অফিসের কাজের দুটো আলাদা আলাদা চেকলিস্ট বানিয়ে নিন। কাজ শেষ হলেই পেন্সিল  দিয়ে কেটে দিন। সব কাজ ঠিকমতো শেষ হলে নিজেকেই ছোট্ট একটা প্রাইজ দিন।  এভাবেই ছোট ছোট লক্ষ্য পূরণ করতে করতে আত্মবিশ্বাস গড়ে উঠবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;নিজেকে সময় দিন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যত  ব্যস্ততাই থাকুক না কেন, নিজের জন্য সময় বের করে নিন। অন্তত আধা ঘণ্টা  নিজের সঙ্গে কাটান। আপনার পছন্দের বই পড়-ন, গান শুনুন। মেডিটেশনও করতে  পারেন। সব কাজ ভুলে, এই সময় একটু অন্যরকম কিছু করুন, অন্যরকম কিছু ভাবুন।  রূপচর্চাও করে নিতে পারেন এই সময়ে। বাসার সবাইকে এটা বোঝান যে, আপনারও  নিজের জন্য একটু সময় প্রয়োজন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ভালো করে ঘুমান&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঘুমানোর সময়  আপনার আমার ব্রেন সারাদিন কাজ করার পর রিলাক্সা করে। ভালো করে না ঘুমালে  কাজ করার উৎসাহ চলে যায়। তাই প্রতিদিন ভালো করে ঘুমান। অনবরত লেট লাইট করতে  থাকলে কনসেনট্রেশনেরও অভাব দেখা যায়। চেহারাতেও প্রভাব পড়ে এর। ঘুম খুবই  জরুরি বলিরেখা আর ডার্ক সার্কেল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য। প্রতিদিন চেষ্টা  করবেন নির্দিষ্ট সময় ঘুমাতে যাওয়ার। সব সময় মনে রাখবেন, কম ঘুমানো মানে  আপনি নিজেই নিজের ক্ষতি করছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;অযথা ওষুধ খাবেন না&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্ট্রেস  কমানোর জন্য ওষুধ খাবেন না। এই ধরনের ওষুধের নানা ধরনের পাশর্্বপ্রতিক্রিয়া  রয়েছে। একবার অভ্যাস হয়ে গেলে পরে এই ওষুধগুলো ছাড়া খুব কঠিন হয়ে যায়।  তাই, এই ধরনের ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন। ওষুধের উপর  নির্ভরশীল হয়ে বাঁচবেন না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;পজিটিভ চিন্তা করুন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সুখী  ভবিষ্যতের ছবি ভিজু্যয়ালইজ করলেও স্ট্রেস অনেক কমে যায়। সবসময় পজেটিভ  চিন্তা করুন। নিজেকে কিছুক্ষণের জন্য হলেও ভবিষ্যতের সুখ স্বপ্নে ডুবিয়ে  রাখুন। নিজের চিন্তাভাবনার উপর নিয়ন্ত্রণ আনুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;নিজেকে ভালো রাখুন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রতিদিন  সকালে উঠে নিজেই নিজেকে বলুন 'আমি ভালো আছি' আমি ভালো থাকবো। দৃঢ় বিশ্বাস  এবং ইচ্ছাশক্তির উপর নির্ভর করে বলা এই কথাগুলো আপনাকে নতুন সাহস জোগাতে  সাহায্য করবে।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-6542148975036204336?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/6542148975036204336/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_7570.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/6542148975036204336'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/6542148975036204336'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_7570.html' title='দ্রুত জীবনযাপনে মানিয়ে নিন'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-5398943611934899802</id><published>2011-03-28T20:26:00.000-07:00</published><updated>2011-03-28T20:27:49.704-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='shopping'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><title type='text'>উত্তরায় বিশাল আড়ং</title><content type='html'>রাজধানীর একেবারে উত্তর প্রান্তে আড়ং চালু করল বিশাল এক শাখা। এটাকে আড়ং  বলছে তাদের প্রথম ফ্ল্যাগশিপ আউটলেট। উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরে  ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কে এই দোকান চালু হলো ২৫ মার্চ। ফ্ল্যাগশিপ আউটলেট বলতে  খুচরা পণ্য বিক্রির যে প্রক্রিয়া তার মধে সর্ববৃহৎ, সবচেয়ে আকর্ষণীয় এবং  সবচেয়ে বেশি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য আছে এমন শাখা বা দোকান, যেখানে থাকে  পণ্যের বিপুল সমাহার।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;৩৬ হাজার বর্গফুট আয়তনের ছয়তলা ভবন নিয়ে সাজানো  হয়েছে উত্তরার এই আড়ং। নান্দনিকভাবে সুন্দর এই ভবনের উত্তর দেয়ালজুড়ে রয়েছে  আড়ংয়ের বৃত্তান্ত। একটি গাছের মতো করে সাজানো এটি। এতে আছে আড়ংয়ের সঙ্গে  যুক্ত দেশের হাজার হাজার কারুশিল্পীর কাহিনির সম্পৃক্ততা। আড়ংয়ের  জীবনবৃক্ষের শাখা-প্রশাখার নকশা বাংলাদেশে নদী আর মানচিত্রের ওপর ভিত্তি  করে করা হয়েছে। ছয়তলাজুড়ে সুবিন্যস্ত দোকানের প্রতিটি তলার সাজসজ্জার  জীবনবৃক্ষের কোনো না কোনো উপাদানকে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আর  প্রথমবারের মতো এখানে রয়েছে প্রদর্শনী গ্যালারি, বিভিন্ন বিশেষ  (এক্সক্লুসিভ) পণ্যের সমারোহ নিয়ে সম্পূর্ণ একটি তলা, একটি প্রিমিয়াম  কাস্টমার লাউঞ্জ আর নতুন সাজে আড়ং ক্যাফে।&lt;br /&gt;আড়ংয়ের এই শাখা উদ্বোধন করেন  ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হাসান আবেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মাদ এ  (রুমী) আলী, পরিচালক তামারা আবেদসহ ব্র্যাকের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।&lt;br /&gt;তামারা  আবেদ বলেন, ‘আমাদের সব প্রচেষ্টার সমন্বয়ে ফ্ল্যাগশিপ আউটলেট আর এখানে  ক্রেতারা পাবেন অভিনব ক্রয় অভিজ্ঞতা। আড়ংয়ের এত দিনের সেবাদানের পর  ক্রেতাদের কাছে যে আস্থার জায়গা তৈরি হয়েছে, তা আরও জোরালো হবে ফ্ল্যাগশিপ  আউটলেটের মাধ্যমে।’&lt;br /&gt;উদ্বোধনের প্রথম দিনেই ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় বলে  দেয় এই বিরাট আয়োজন কতটা আকৃষ্ট করেছে তাদের। তবে শত ভিড়ের মধ্যে কিছু  সময়ের জন্য থেমে যায় সব ব্যস্ততা। এরই মধ্যে কানে ভেসে আসে গানের সুরেলা  ধ্বনি। সবার দৃষ্টি নিবদ্ধ হয়ে যায় সিঁড়িতে। হ্যাঁ, ঠিক সন্ধ্যা ছয়টায় শুরু  হয় অলংকার প্রদর্শনী। র্যাম্প মডেলদের অংশগ্রহণে আড়ংয়ের সোনা, রুপা,  মুক্তা এবং ফ্যাশন জুয়েলারি প্রদর্শিত হয়। অলংকার যে নারীর অহংকার,  প্রদর্শিত অলংকার থেকে তা বোঝা যায়। এই প্রদর্শনী দর্শককে দারুণ আকৃষ্ট  করে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-5398943611934899802?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/5398943611934899802/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_6498.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/5398943611934899802'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/5398943611934899802'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_6498.html' title='উত্তরায় বিশাল আড়ং'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-957637364767785958</id><published>2011-03-28T20:23:00.000-07:00</published><updated>2011-03-28T20:25:56.564-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='child'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='korcha'/><title type='text'>আত্মবিশ্বাস গড়তে</title><content type='html'>আমার সাত বছরে ছেলেকে নিয়ে বিশেষ কোনো চিন্তা নেই। ওই বয়সেই  ছেলে আমার বেশ দায়িত্ববান। পড়াশোনা সব নিজে নিজেই করার চেষ্টা করে। কারও  কাছে না শিখেই চমৎকার ছবি অাঁকে। গান গাইতেও ভালোবাসে। কিন্তু আমার ছেলের  এত গুণ থাকা সত্ত্বেও একটাই সমস্যা সবকিছু মাটি করে দেয়। ওর নিজের উপর  আত্মবিশ্বাসটা একেবারেই শূন্য। বাড়িতে ও ভালো করে পড়া তৈরি করলেও ওর মনে হয়  ও পরীক্ষার খাতায় কিছুই লিখতে পারবে না। স্কুলের কোনো কমপিটিশন বা ক্লাস  টেস্টের আগে ওর নার্ভাসনেস সাংঘাতিক বেড়ে যায়। আমরা ওকে অনেক করে বোঝানোর  চেষ্টা করি যে, কনফিডেন্ট হতে হবে। মাঝে মাঝে মনে হয়, এত আত্মবিশ্বাসের  অভাব থাকলে বড় হয়ে কমপিটিটিভ পৃথিবীতে ও লড়বে কেমন করে?&lt;br /&gt;&lt;div class="b1"&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;সাফল্য এবং  আত্মবিশ্বাসের মধ্যে যে একটা নিবিড় সংযোগ রয়েছে, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।  আর ছোটবেলাই হচ্ছে আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার সবচেয়ে ভালো সময়। শিশুদের মধ্যে  আত্মবিশ্বাসের অভাবের একাধিক কারণ থাকতে পারে। আপনার প্রশংসা এবং সমালোচনার  মধ্যে একটা ভারসাম্য বজায় রাখাই কারেক্ট পেরেন্টিংয়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;আপনার সন্তানের আত্মবিশ্বাস বাড়াবার কয়েকটি সহজ উপায়&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আত্মবিশ্বাস  গড়ে তোলার প্রথম ধাপই হলো নিজের একটা পজিটিভ সেল্ফ তৈরি করা। ছোটরা সবসময়  সেটা করতে পারে না, সেই জন্যে ওর হয়ে আপনাকে খানিকটা কনফিডেন্স তৈরি করতে  হবে। ছোটবেলা থেকেই ওকে ছোটখাট কাজের দায়িত্ব দিয়ে দিন, যাতে ও তার মধ্যে  দিয়ে নিজেকে প্রমাণ করতে পারে। আপনাকে বাসার কাজে সাহায্য করলে অথবা নিজের  কাজ ঠিকঠাক করতে পারলে সবার সামনে ওর প্রশংসা করুন। কোনো কিছু করতে গেলে ওর  কাছ থেকে পরামর্শ নিন। ও খুশি হবে, আর আত্মবিশ্বাসও খুঁজে পাবে। অন্যদের  সাথে তুলনা করবেন না। স্কুলে, খেলার মাঠে বা হবি ক্লাসে ওকে ভালো ফল করতে  উৎসাহিত করুন। একটা কথা সবসময় মনে রাখবেন, আপনার সন্তান যেমন ধরনের ওকে তার  জন্যই ভালোবাসুন। নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষার বোঝা ওর ঘাড়ে চাপিয়ে দেবেন না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০  আপনার সন্তানকে নিজের মতো করে বড় হয়ে ওঠার সুযোগ করে দিন। লক্ষ্য করুন  অবসর সময়ে ও কী করতে ভালোবাসে। যত তুচ্ছই হোক না কেন, সেই ব্যাপারে ওকে  উৎসাহ দিন। আপনার সন্তান যেভাবে, যতটুকু করছে সেটার জন্যই ওকে কদর করুন। ওর  পছন্দের বিষয়টিকে ভালো করে জানতে বুঝতে সাহায্য করুন। ওর পছন্দের যদি একটা  লক্ষ্যমাত্রা নির্দেশ করে দেন, তা হলে ওর ব্যক্তিত্বের একটা বিশেষ দিক  উন্মুক্ত হয়ে যাবে। ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ওর পছন্দের বিষয় নিয়ে চর্চা করতে  পারবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ পাঁচ, ছয় বছর হয়ে গেল বাচ্চাকে সব সময় চোখে চোখে না রেখে  নিজের মতো করে থাকতেদিন, বেড়াতে দিন, পড়ালেখা করতে দিন। দৃষ্টি রাখুন  বাচ্চার উপর, তবে একটু দূর থেকে। পাজল, জেগস, রুবিকস কিউবের মতো খেলনা কিনে  দিনয় যার জন্য ধৈর্য্য এবং অধ্যাবসায়ের প্রয়াজন হয়। ওকে নিজের মতো করে  খেলতে দিন এবং ভুল করতে করতেই শিখবে। পারতপক্ষে সাহায্য করবেন না। বাচ্চারা  এই মজার সমস্যা সলভ করতে পারলে আত্মবিশ্বাস খুঁজে পাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ আপনার  সন্তানদের রোল মডেল কিন্তু আপনি। আপনাকে যদি আতঙ্কিত হতে দেখে যেকোনো  সমস্যায় বা বিপদে, তা হলে বাচ্চার মধ্যেও ভীতি ঢুকে যাবে। আর আপনি যদি  ঠান্ডা মাথায় সমস্যার সঙ্গে মোকাবিলা করতে পারেন, তা হলে আপনার সন্তানের  মধ্যেও সেই গুণ প্রোথিত হয়ে যাবে। সেই জন্য ওর সামনে নিজের ব্যবহার নিয়ে  একটু সচেতন থাকুন। একটু বড় হলে বন্ধুবান্ধব বা নিজের মনোজগতের নানা ধরনের  সমস্যা নিয়ে আপনার দারস্থ হবে। সেগুলোর সমাধান করতে যাবেন না উপযাজক হয়ে।  বরং সুপরামর্শ দিন, যাতে করে ও নিজেই বুদ্ধি খাটিয়ে সমস্যাগুলোর সমাধান  করতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-957637364767785958?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/957637364767785958/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_3974.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/957637364767785958'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/957637364767785958'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_3974.html' title='আত্মবিশ্বাস গড়তে'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-9003500316067492768</id><published>2011-03-28T20:20:00.000-07:00</published><updated>2011-03-28T20:23:28.378-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='food'/><title type='text'>টেবিলেতে টক দই</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/resize/maxDim/340x1000/img/uploads/media/2011-03-28-15-39-17-029205600-5.jpg"&gt;&lt;img style="float: right; margin: 0pt 0pt 10px 10px; cursor: pointer; width: 263px; height: 136px;" src="http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/resize/maxDim/340x1000/img/uploads/media/2011-03-28-15-39-17-029205600-5.jpg" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;গরম পড়ে গেছে। বাড়িতে অতিথিআপ্যায়নে তাই চাই এমন খাবার, যা প্রশান্তি দেয়  দেহ ও মনে। টক দইয়ে তৈরি এমনই ছয়টি পদ রইল এবার।রেসিপি দিয়েছেন সাশা মানসুর&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;দই ফল&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ: টক দই ২৫০ গ্রাম, চিনির সিরা (আধা কাপ চিনি ও আধা কাপ পানিসহ জ্বাল দিয়ে নিতে হবে) ও ইচ্ছামতো মৌসুমি মিষ্টি ফল।&lt;br /&gt;প্রণালি:  টক দই হালকা করে ফেটে নিন। চিনির সিরা মিশিয়ে নিন অল্প অল্প করে স্বাদমতো  (কম-বেশি ইচ্ছামতো)। চিনির সিরা না-ও ব্যবহার করতে পারেন, যদি মিষ্টি খেতে  না চান। যে পাত্রে পরিবেশন করবেন, সে পাত্রে সব ফল ছোট করে কেটে রেখে তার  ওপর দই ঢেলে দিন। ওপরে পছন্দমতো ডিজাইন করে ফল সাজিয়ে ঠান্ডা করে পরিবেশন  করুন।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মুরগির রুটি রোল&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ: মুরগির মাংস (হাড় ছাড়া) ২৫০ গ্রাম,  আদা ও রসুনবাটা আধা চা-চামচ, গোলমরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, জিরা আধা  চা-চামচ, দই ২৫০ গ্রাম, পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল চামচ, বেসিল লিফ গুঁড়া ১ টেবিল  চা-চামচ অথবা তুলসিপাতা কুচি ও তেল।&lt;br /&gt;লুচির জন্য ময়দা ১ কাপ, লবণ পরিমাণমতো। সালাদের জন্য টমেটো ২টি, শসা ১টি, পেঁয়াজ কুচি, ধনেপাতা, পুদিনাপাতা ও লেবু।&lt;br /&gt;প্রণালি:  মুরগির মাংস ধুয়ে ছোট ছোট টুকরা করে কেটে লবণ ও ২ টেবিল চামচ দই দিয়ে  মাখিয়ে ১ ঘণ্টা রেখে দিন। কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজবাটা এবং আদা ও  রসুনবাটা দিয়ে ভাজুন। লাল হয়ে এলে জিরা দিয়ে মুরগির মাংসের মিশ্রণ ঢেলে  দিন। ভাজা ভাজা করে নাড়তে থাকুন। মুরগির মাংস পানি ছেড়ে দিলে হালকা আঁচে  কিছুক্ষণ রেখে দিন। যদি মাংস সেদ্ধ না হয়, তবে অল্প পানি দিতে পারেন। মুরগি  মাখা মাখা অবস্থায় চুলা থেকে নামান।&lt;br /&gt;এবার ময়দা, পানি ও লবণ দিয়ে খামির  তৈরি করুন। রুটি বেলে তাওয়ায় সেঁকে নিন। টমেটো, শসা, ধনেপাতা, পুদিনাপাতা ও  পেঁয়াজ কুচি করে লেবু ও লবণ দিয়ে সালাদ তৈরি করুন। দইয়ে লবণ দিয়ে ফেটে  নিন। এবার ১টি রুটি নিয়ে মধ্যে রান্না মুরগির মাংস দিয়ে তার ওপর সালাদ, দই  দিয়ে দিন। এবার রুটি ভাঁজ করে টুথপিক দিয়ে আটকে দিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;দই ডিপ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ: দই ২৫০ গ্রাম (পাতলা কাপড়ে ঢেলে পানি ঝরানো), পুদিনাপাতা কুচি, লবণ, শসা চিকন করে লম্বা করে কাটা, গাজর একইভাবে কেটে নিন।&lt;br /&gt;প্রণালি:  দই, পুদিনাপাতা ও লবণ মাখিয়ে ডিপ তৈরি করুন। শসা ও গাজর পাশে দিয়ে সাজিয়ে  পরিবেশন করুন। সসের মতো ডিপ দিয়ে শসা ও গাজর খেতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;দই সবজি&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ:ফুলকপি  আধা কাপ, আলু আধা কাপ (কাটা হালকা সেদ্ধ), ক্যাপসিকাম আধা কাপ (কাটা),  ব্রকলি আধা কাপ, পেঁপে আধা কাপ, গাজর আধা কাপ, মটরশুঁটি আধা কাপ, বরবটি আধা  কাপ, দই ১ কাপ, তেল ৩ টেবিল চা-চামচ, পেঁয়াজবাটা আধা কাপ, আদা-রসুনবাটা ১  চা-চামাচ, হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ, মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ, গোলমরিচের গুঁড়া  আধা চা-চামচ, ধনেগুঁড়া সিকি চা-চামচ, ধনেপাতা কুচি, জাফরান অল্প গরম পানিতে  ভেজানো, কাজুবাদাম বাটা ২ টেবিল চামচ।&lt;br /&gt;প্রণালি: তেল গরম করে  পেঁয়াজবাটা, আদা-রসুনবাটা, লবণ দিয়ে ভাজুন, লাল হলে সব সবজি ঢেলে দিন, একটু  নরম হয়ে এলে মরিচের গুঁড়া, গোলমরিচের গুঁড়া, ধনেগুঁড়া দিয়ে নাড়তে থাকুন।&lt;br /&gt;সবজি হয়ে এলে দই, জাফরান দিয়ে অল্প আঁচে রেখে দিন। ধনেপাতা কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;দই ও চিজ সালাদ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ:দেশি  পনির ২০০ গ্রাম, টক দই আধা কেজি, টমেটো আধা কাপ (চার কোনা করে কাটা), শসা  আধা কাপ, ক্যাপসিকাম আধা কাপ, গাজর আধা কাপ, আপেল আধা কাপ (চার কোনা করে  কাটা), পুদিনাপাতা কুচি দুই টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি ২ টেবিল চামচ, বিট  লবণ চা-চামচের চার ভাগের এক ভাগ।&lt;br /&gt;প্রণালি: পাতলা সাদা কাপড়ে দই ঢেলে  ঝুলিয়ে রেখে দিন এবং পানি ঝরে গেলে (দেড় ঘণ্টার মতো লাগবে) দই নিয়ে বিট লবণ  দিয়ে কেটে নিন। সব একসঙ্গে নিয়ে দই দিয়ে মাখিয়ে নিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;দই শরবত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ:  দই আধা কেজি (পাতলা কাপড়ে ঝুলিয়ে পানি ঝরানো), কলা অথবা পেঁপে ১ কাপ,  বরফকুচি আধা কাপ, দুধ আধা কাপ, রুহআফজা ২ টেবিল চামচ, চিনি ১ টেবিল  চা-চামচ।&lt;br /&gt;প্রণালি: সব উপকরণ একসঙ্গে ব্ল্লেন্ডার মেশিনে মিলিয়ে নিন।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-9003500316067492768?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/9003500316067492768/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_8558.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/9003500316067492768'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/9003500316067492768'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_8558.html' title='টেবিলেতে টক দই'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-6168609990372052476</id><published>2011-03-28T20:13:00.000-07:00</published><updated>2011-03-28T20:20:05.292-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Tips'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='korcha'/><title type='text'>মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি</title><content type='html'>মাঝরাতে  হঠাৎ বুকে ব্যথা উঠল, বাড়ির বয়স্ক মানুষটি পড়ে গেলেন পা পিছলে কিংবা খেলতে  গিয়ে বাচ্চা বাসায় ফিরল হাত-পা কেটে_এই ধরনের জরুরি অবস্থা কমবেশি দেখা  দেয় সব পরিবারেই। কী করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না। এ রকম বিপদের মুহূর্তে  নার্ভাস না হয়ে ইমার্জেন্সি হ্যান্ডলিংয়ের খুব জরুরি গাইডলাইন নিচে দেওয়া  হলো।&lt;br /&gt;&lt;div class="b1"&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কাটাছোঁড়া&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ শরীরে কোনো অংশ কেটে রক্তপাত হতে শুরু  করলে, প্রথমে পরিষ্কার কাপড় কিংবা পেপার ন্যাপকিন ভাঁজ করে ৫-১০ মিনিট  জায়গাটা চেপে ধরে থাকুন।&lt;br /&gt;০০ রক্ত পড়া বন্ধ হওয়ার পর একটা  স্টেরিলাইজড কটন নিয়ে তাতে অ্যান্টিসেপটিক লিকুইড দিয়ে ইনজুরি ও তার  আশাপাশের অংশ ভালোভাবে পরিষ্কার করে ব্যান্ডেজ করে নিন।&lt;br /&gt;০০ দশ মিনিট চেপে ধরে রাখার পরও রক্ত পড়া বন্ধ না হলে, আর দেরি না করে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান।&lt;br /&gt;০০ কাটা বা ছেঁড়া যেরকমই হোক না কেন, একবার ডাক্তার দেখিয়ে নিন। কারণ, আন্টি টিটেনাস ইন্জেকশন দিতে হতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মাসল স্প্রেন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০  আঘাত পাওয়ার সাথে সাথে কারও সাহায্য নিয়ে অথবা লাঠি জাতীয় কিছুতে ভর দিয়ে  একটু উঁচু কোনো জায়গায় বসুন। কারণ, শরীরের মচকানো বা টান লাগা অংশে কোনো  ধরনের চাপ দেওয়া বিপজ্জনক।&lt;br /&gt;০০ আইস প্যাক বা পস্নাস্টিকের ব্যাগে কয়েক টুকরো বরফ ভরে আস্তে আস্তে ব্যথার জায়গায় কম্প্রেস করতে থাকুন। এ সময় নড়াচাড়া করবেন না।&lt;br /&gt;০০ ব্যথা কমানোর জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;বুক ব্যথা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০  বুকে ব্যথা, নিঃশ্বাসের কষ্ট, ঘাম হওয়া, বমিভাব, গলার ঘাড়ে ব্যথা এবং মাথা  ঘোরার মতো উপসর্গ দেখা দিলেই প্রথমেই প্রেসক্রাইবড ডাক্তারের সঙ্গে ফোনে  পরামর্শ করে একটা অ্যাসপিরিন চিবিয়ে খেয়ে নিন।&lt;br /&gt;০০ রোগীর মাথায়, পিঠে বালিশ দিয়ে আধা শোয়া রেখে, জামা-কাপড় আলগা করে দিন, যাতে বাতাস চলাচল করতে পারে।&lt;br /&gt;০০  অ্যাম্বুল্যান্সকে খবর দিন, অ্যাম্বুল্যান্সের কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দিন যে,  পেশেন্টের বুকে ব্যথা হচ্ছে, যাতে তারা অক্সিজেনের সিলিন্ডার বা অন্যান্য  প্রয়োজনীয় ইকু্যইপমেন্ট নিয়ে আসতে পারেন।&lt;br /&gt;০০ ভেজা কাপড় দিয়ে রোগীর কপাল, গলা, ঘাড়, মুখ হালকা হাতে মুছে দিতে থাকুন।&lt;br /&gt;০০  বুকে ব্যথা হওয়ার সময় যদি একা থাকেন, তা হলে সাহায্য না আসা পর্যন্ত জোরে  জোরে কাশতে থাকুন। বুক ভরতি করে নিঃশ্বাস নিয়ে একটু জোর দিয়ে কাশতে চেষ্টা  করুন। এই কাশির সাহায্যে হার্টে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;অ্যাজমা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ রোগীকে শিরদাঁড় সোজা করে বসান&lt;br /&gt;০০ ইনহেলার দিয়ে রোগীকে পাফ নিতে বলুন দুই থেকে চার বার। প্রত্যেকটি পাফের মধ্যে রোগীকে চারবার নিঃশ্বাস নেওয়ার সুযোগ দিন।&lt;br /&gt;০০ যদি চারবারে অ্যাসমার টান না কমে তা হলে আরও চারবার পাফ করুন।&lt;br /&gt;০০ রোগীর অবস্থার পরিবর্তন না হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অ্যাম্বুলান্সকে খবর দিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;জ্বর&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জ্বর হলে রোগীকে ঠান্ডা জায়গায় রাখুন। রোগী যদি অস্বস্তিবোধ না করে, তা হলে ঘরে ফ্যান বা এসি চললেও ক্ষতি নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ সুতির হালকা কাপড় পরিয়ে রাখুন। গলায় বা কানে ব্যথা থাকলে পাতলা সুতির ওড়না জড়িয়ে রাখুন।&lt;br /&gt;০০  প্রচুর পরিমাণে পানি, গস্নুকোজ বা হালকা সু্যপ খাওয়ান। শরীরে বেশি মাত্রায়  ফ্লুইড থাকা খুবই জরুরি এই সময়ে। কম তেল, মসলা দেওয়া হালকা খাবার খাওয়ান,  প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার বন্ধ করবেন না।&lt;br /&gt;০০ জ্বর বেশি বাড়লে কপালে জলপট্টি দিন। তবে একনাগাড়ে ১০-১৫ মিনিটের বেশি দেবেন না।&lt;br /&gt;০০ ডাক্তারের পরামর্শে প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষুধ খাওয়াতে পারেন। আধা ঘণ্টা অন্তর অন্তর টেম্পারেচর মনিটর করুন।&lt;br /&gt;০০ কিন্তু জ্বর যদি এরপরও না কমে তা হলে তাড়াতাড়ি ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান।&lt;br /&gt;০০ শরীরে র্যাশ। ভুল বকা, ডায়রিয়া ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিলে অবিলম্বে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ডিহাইড্রেশন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ রোগীকে ঠান্ডা জায়গায় রাখুন। খুব অল্প করে ১০-১২ ঢোক পানি খাওয়ান। একবারে অনেক পানি খাওয়াবেন না।&lt;br /&gt;০০  ১ লিটার পানিতে ৩ টেবিল চামচ চিনি এবং ১ চামচ লবণ মিশিয়ে আস্তে আস্তে  খাওয়াতে থাকুন ৫-৬ ঘণ্টা পর্যন্ত। স্যালাইন মেশানো পানিও খাওয়ান।&lt;br /&gt;০০ ঠান্ডা পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে মুখ, ঘাড় হাত, পা স্পঞ্জ করে দিতে থাকুন। স্প্রেয়ার দিয়ে মুখে পানি ছিটিয়ে দিলেও রোগী আরাম পাবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;দাঁত ব্যথা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০  হালকা গরম পানিতে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে সেই পানি দিয়ে কয়েকবার ভালো করে  কুলকুচি করে নিন, যাতে দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা খাবারের কণাগুলো বের হয়ে  যায়।&lt;br /&gt;০০ স্টেরেলাইজড তুলোতে ক্লোভ ওয়েলে ডুবিয়ে, যেখানে ব্যথা সেখানে কিছুক্ষণ চেপে রাখুন।&lt;br /&gt;০০ মাড়ি ফুলে উঠলে রুমালে বরফ নিয়ে ব্যথার জায়গায় কম্প্রেস করুন। ফোলা কমে যাবে।&lt;br /&gt;০০ ব্যথা কমানোর জন্য পেইনকিলার খান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মাছের কাঁটা ফোটা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ ভাত চটকে মেখে দলা পাকিয়ে গিলে খেয়ে ফেলুন। কাঁটা সরে যাবে।&lt;br /&gt;০০ গলায় ফোঁটা কাঁটা যদি নড়াচড়া করতে থাকে বা যদি ফুটে থাকা কাঁটার জন্য নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়, তা হলে তাড়াতাড়ি ডাক্তার দেখান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;অজ্ঞান হয়ে যাওয়া&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ রোগীকে সঙ্গে সঙ্গে সাপোর্ট দিয়ে শুয়ে দিন&lt;br /&gt;০০ রোগীর মুখে আস্তে আস্তে পানির ছিটা দিন&lt;br /&gt;০০ ১-২ মিনিটের মধ্যে জ্ঞান ফিরে না আসলে ডাক্তারকে কল করুন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কাছে রাখুন &amp;gt;&amp;gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০  ফার্স্ট এইড বক্স (নানান সাইজের স্টেরিলাইড ব্যান্ডেজ, কাঁচি, স্টিকিং  পস্নাস্টার, লিকুইড অ্যান্টিসেপটিক, স্টেরিলাইজড কটন, থার্মোমিটার,  অ্যাসপিরিন, অ্যান্টাসিড ইত্যাদি।)&lt;br /&gt;০০ হেলথ ইন্সু্যরেন্সের কার্ড এবং কাগজপত্র&lt;br /&gt;০০ ওষুধের দোকানের ফোন নাম্বার&lt;br /&gt;০০ ফ্যামিলি ডাক্তারের ফোন/মোবাইল নাম্বার&lt;br /&gt;০০ হসপিটালের ফোন নাম্বার।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-6168609990372052476?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/6168609990372052476/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_28.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/6168609990372052476'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/6168609990372052476'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_28.html' title='মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-8569124490509538875</id><published>2011-03-14T21:43:00.000-07:00</published><updated>2011-03-14T21:45:18.819-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='korcha'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='food'/><title type='text'>সালাদের ৪ পদ</title><content type='html'>সালাদ  কম বেশি সবারই প্রিয়। তাই তো গৃহিণীরা বাসায় নানা রকমের সালাদ তৈরি করেন।  সালাদ দেখতে যেমন ভালো লাগে, তেমনি খেতেও অনেক সুস্বাদু। সালাদের ৪ পদ নিয়ে  এবারের রেসিপি দিয়েছেন রন্ধন বিশেষজ্ঞ আফরোজা জামান&lt;br /&gt;&lt;div class="b1"&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ফরাসি সালাদ ড্রেসিং&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক. উপকরণ :টক দই ১/২ কাপ,  টমেটোর পেস্ট ১ টেবিল চামচ, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, চিনি ২ চা  চামচ, মিষ্টি দই ১ টেবিল চামচ, মাস্টার্ড পেস্ট ১ চা চামচ, লবণ ১/২ চা  চামচ, ভিনেগার ২ টেবিল চামচ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খ. উপকরণ :শসা কুচি ২ কাপ, টমেটো কুচি ১ কাপ, আপেল কুচি ১/৪ কাপ, লেবুর রস ২ চা চামচ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রণালি  :সব উপকরণ একসাথে নিয়ে ফেটে নিন। একেবারে মসৃণ হয়ে উঠলে টমেটো শসা আপেল  মিক্স সালাদে ঢেলে দিন। ক+খ অংশ আলতো মিক্স করুন। হয়ে গেল ফরাসি সালাদ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ফিস স্পেশাল সালাদ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক)  উপকরণ :সেদ্ধ আলু (ফিংগার কাট) ১ কাপ, শসা (ফিংগার কাট) ১ কাপ, পিঁয়াজ  কাটা ২ টেবিল চামচ, ফিস সেদ্ধ ১/২ কাপ, হোয়াইট সস ১/৪ কাপ, টমেটো (ফিংগার  কাট) ১/২ কাপ, কাঁচামরিচ ৪-৫টা, টমেটোর সস ১ টেবেল চামচ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ সব একসাথে মিক্স করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ রুই/কোড়াল যেকোনো ফিস+সয়াসস+গোলমরিচ গুঁড়া দিয়ে সেদ্ধ করে কাঁটা বেছে নিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মিক্স সালাদ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ  :পেঁপে কুচি ১ কাপ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, টক দই ২ টেবিল চামচ, গাজর,  শসা, টমেটো কুচি ১ কাপ করে, লবণ ১ চা চামচ, পাপড়িকা ১/২ চামচ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রণালি :সব উপকরণ একসাথে মিক্স করে তেরি করুণ 'মিক্স সালাদ'।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;টুনা সালাদ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক.  উপকরণ :টুনা ফিস ১/২ কাপ, কাঁচামরিচ কুচি ১ চা চামচ, চাইনিজ মসলা ১ চা  চামচ, পিঁয়াজ কুচি (কলি) ১/২ কাপ, চিলি অয়েল ২ টেবিল চামচ, সয়াসস ১ চা  চামচ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খ. উপকরণ :কুক টুনা ফিস ১ কাপ, টমেটো (কিউব কাট) ২টা, লবণ  সামান্য, মেয়নেজ ২ টেবিল চামচ, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, সেদ্ধ ডিম ১  টা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রণালি :চুলায় চিলি অয়েল দিয়ে সব উপকরণ দিয়ে রান্না করুন। রান্না করা (ক) উপকরণ + (খ) উপকরণ মিক্স করুন। তৈরি হবে টুনা সালাদ।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-8569124490509538875?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/8569124490509538875/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_378.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/8569124490509538875'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/8569124490509538875'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_378.html' title='সালাদের ৪ পদ'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-2503756101081340450</id><published>2011-03-14T21:39:00.001-07:00</published><updated>2011-03-14T21:41:27.203-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='child'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='korcha'/><title type='text'>বাচ্চাদের নানারকম জিনিস</title><content type='html'>&lt;div class="b1"&gt;বইপত্র, খেলনা, জামাকাপড়, জুতা_বাচ্চাদের নানারকম জিনিসপত্র সামলানোর সহজ পরামর্শ_&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০  বাচ্চার ঘরের দেয়ালজুড়ে লাগিয়ে দিন হোয়াইট বোর্ড এবং সফট বোর্ড। এতে করে  দেয়ালে অাঁকার অভ্যাস থাকলে অসুবিধে হবে না। ওয়াশেবল ওয়ালপেপার লাগাতে  পারেন। এতে করে ধোঁয়া-মোছা করতে সুবিধা হবে।&lt;br /&gt;০০ খেলনা রাখার জন্য  ব্যবহার করুন বড় বাস্কেট বা গামলা। খেলা হয়ে গেলে খেলনাগুলো তুলে রাখতেও  সুবিধা হবে। তবে বই, পুতুল বা ছোট ছোট খেলনাগাড়ি সাজিয়ে রাখার জন্য একটা  টানা লম্বা শোকেস বানিয়ে দেওয়াই ভালো।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;০০ বাচ্চাদের জুতো প্রায়ই  ম্যাড়ম্যাড়ে হয়ে যায় ধুলো-ময়লা লেগে। বিশেষ করে জুতোর সামনের দিকের অংশ।  কাঁচা আলুর সস্নাইস দিয়ে এই ম্যাড়ম্যাড়ে অংশ একবার ঘষে নিয়ে তারপর পলিশ  করুন। দেখবেন, নতুনের মতো ঝকঝক করছে।&lt;br /&gt;০০ নানা ধরনের  হ্যান্ডক্র্যাফটের জিনিস তৈরি করতে আঠার প্রয়োজন হয়। ময়দা ও পানির পাতলা  মিশ্রণ তৈরি করে কম আগুনে ঘন করে ফুটিয়ে দিন। ছোট বাচ্চাদের জন্য এই আঠা  তৈরি করে দিন।&lt;br /&gt;০০ পেন্সিল লিখতে লিখতে যখন শেষ হয়ে যায় তখন ফেলে না দিয়ে কম্পাসের সঙ্গে ব্যবহার করার জন্য জ্যামিতিবক্সে রাখুন।&lt;br /&gt;০০  স্যান্ডপেপার, পেন্সিলবক্সের মাপে কেটে নিয়ে বক্সের মধ্যে ফিট করে দিন।  রাবার পরিষ্কার করতে হলে স্যান্ডপেপারের ওপর ঘষলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে।  বাচ্চার চুলে চুইংগাম লেগে গেলে কটন উল প্যাড, নারকেল তেলে ডুবিয়ে ঘষুন।  উঠে যাবে।&lt;br /&gt;০০ গেমস ও পাজল রাখার জন্য পুরোনো পস্নাস্টিকের কন্টেনার ব্যবহার করুন।&lt;br /&gt;০০  বাচ্চার ওয়ারড্রোবে প্রচুর হ্যাঙ্গারের ব্যবস্থা করুন, যাতে করে খুব সহজেই  জামাকাপড় রাখতে পারে। ময়লা জামাকাপড় রাখার জন্য একটা আলাদা লন্ড্রি  বাস্কেট অবশ্যই কিডস রুমে রাখবেন।&lt;br /&gt;০০ বাচ্চাদের খেলনাগুলো সবসময় ঝেড়ে-মুছে পরিষ্কার করে রাখুন।&lt;br /&gt;০০  নিউবর্ন বেবির জন্য নাইলন বা সিনথেটিকের জিনিস ব্যবহার করবেন না। নাইলন বা  সিনথেটিক থেকে স্কিনে র্যাশ হতে পারে। বাচ্চাদের জন্য প্রস্তুত নরম উল  ব্যবহার করুন।&lt;br /&gt;০০ ঘরের এবং মেঝেতে নিউট্রাল কালার ব্যবহার করে  উজ্জ্বল রঙের অ্যাকসেসরিজ ব্যবহার করুন। বাচ্চার পছন্দ বদলানোর সাথে সাথে  তার ব্যবহূত বালিশ, বেডকভার, চেয়ার-টেবিলের রংও বদলে ফেলুন। পুরো ঘর আর রং  করতে হবে না।&lt;br /&gt;০০ দরকারি জিনিসগুলো হাতের কাছে রাখুন। খুব উঁচু নয়,  কিন্তু ড্রয়ার ক্যাবিনেট রাখুন বাচ্চার ঘরে। খেয়াল রাখবেন, কোনো আসবাবপত্রই  যেন ভারি বা ধারালো কোণযুক্ত না হয়।&lt;br /&gt;০০ বাচ্চার ঘরে একটা  বস্ন্যাকবোর্ড রাখুন। কিছু বলতে হলে সেখানে এঁকে দিন। নিজেদের বেডরুমের  সঙ্গে বাচ্চার ঘরে যাওয়ার লাগোয়া দরজা করে নিন। কোনো রকমের সমস্যা হলে  সহজেই যাতে আপনার সাহায্য নিতে পারে।&lt;br /&gt;০০ বাচ্চার বয়স উপযোগী খেলনা কিনে দিন। টক্সিনমুক্ত ভালোমানের পস্নাস্টিকের খেলনা ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।&lt;br /&gt;০০  বাচ্চার ঘরে গল্পের বই, পড়ার বই আলাদা র্যাকে সুন্দর করে সাজিয়ে দিন। এতে  পড়াশোনাতেও বাচ্চার উৎসাহ বাড়বে আবার নিজে ঘর গুছিয়ে রাখার চেষ্টাও করবে।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-2503756101081340450?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/2503756101081340450/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_5374.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/2503756101081340450'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/2503756101081340450'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_5374.html' title='বাচ্চাদের নানারকম জিনিস'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-7752151463502622962</id><published>2011-03-14T21:36:00.000-07:00</published><updated>2011-03-14T21:38:20.940-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Tips'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='korcha'/><title type='text'>নিজের জন্য সময় বাঁচান</title><content type='html'>ইমন  আর মলস্নার_দুই ফুটফুটে শিশুর মা মিতুল। লোকে তাকে 'হ্যাপি অ্যান্ড প্রাউড  মাদার' হিসেবেই দেখে। কিন্তু পুরো সংসারের হ্যাপি, লৌকিকতা এবং সর্বোপরি  দুটি দামাল শিশুর ঝক্কি-ঝামেলা সামাল দিতে দিতে মিতুলের নিজের সময়,  শখ-আহ্লাদ বলে প্রায় কিছুই আর অবশিষ্ট নেই।&lt;br /&gt;মিতুলের সঙ্গে সেই দিন  পুরোনো বান্ধবী রুমকির দেখা। রুমকি বলে ওঠে, আচ্ছা, কী চেহারা করছিস বল তো?  তোর ফিগার দেখে আমাদের হিংসা হতো, মনে আছে তোর? দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে মিতুল  বলে, আর ফিগার! নিজের কথা ভাববার সময় কই রে?&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কী করবেন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ হোমমেকারই হন আর ওয়ার্কিংওম্যান_নিজের কাজকে একটু স্ট্রিমলাইন করে নিন। তারমধ্যে একান্ত নিজের শখের জন্য আলাদা সময় ধার্য্য করুন।&lt;br /&gt;০০ পরিবারের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে হবে আপনাকেই।&lt;br /&gt;০০ নিজের প্রয়োজনকে নিজে শ্রদ্ধা করুন প্রথমে। তবেই দৃঢ়ভাবে সেটা প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন।&lt;br /&gt;০০ সবচেয়ে আগে নিজের মনকে পরিপূর্ণভাবে তৈরি করতে হবে।&lt;br /&gt;০০ পরিবারের সবার কাছে নিজেকে, নিজের ব্যক্তিত্বকে মধুর আর আকর্ষণীয় করে তুলুন। তা হলে আপনার কাজে সবারই সহায়তা পাবেন।&lt;br /&gt;০০ পরিবারের সবার সমর্থন পেলে কিছু কাজ ভাগ করে নিতে পারেন। তা হলে নিজের জন্য আরও বেশি কিছুটা সময় পাবেন।&lt;br /&gt;০০ সব সময় মনে রাখবেন, জীবন একটাই। তাকে দীর্ঘনিঃশ্বাস দিয়ে ভরিয়ে রাখা ভুল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কী করবেন না&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ স্বামী বা অন্য কারো বিরোধিতার ভয়ে আগে থেকেই গুটিয়ে থাকবেন না।&lt;br /&gt;০০ সব কাজ একা একা করতে যাবেন না। নিজেকে নিজেই কাজের চাপে ফেলে ভুলভাবে আত্মপ্রকাশের চেষ্টা করবেন না।&lt;br /&gt;০০ এর জন্য অন্য কাজ বা কর্তব্যকে হেলাফেলা করবেন না। আবার এটা নিয়ে ঝগড়া বা অশান্তিতে যাবেন না।&lt;br /&gt;০০ নিজের জন্য আলাদা করে কিছু করছেন বলে অপরাধে ভুগবেন না। জানবেন, নিজের মতো করে নির্মল আনন্দ খোঁজার অধিকার প্রত্যেকেরই আছে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-7752151463502622962?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/7752151463502622962/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_9486.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/7752151463502622962'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/7752151463502622962'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_9486.html' title='নিজের জন্য সময় বাঁচান'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-1852946795126219196</id><published>2011-03-14T21:33:00.000-07:00</published><updated>2011-03-14T21:35:14.966-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Fitness'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='lifestyle'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='korcha'/><title type='text'>কাজ করুন এবং নিজেও থাকুন চাঙ্গা</title><content type='html'>সোহানা  সকালে ঘুম থেকেই উঠেই তাড়াহুরো করে তৈরি হচ্ছেন অফিসের জন্য। কারণ, দীর্ঘ  রাস্তা এবং দীর্ঘ জ্যাম পাড়ি দিয়ে তাকে নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে ঢুকতে হবে।  তারপর অফিসে ঢুকেই কাজে ডুব মারা বা ফাইলে মুখ গোঁজা বা কম্পিউটারের  কিবোর্ড চাপতে চাপতে কখন যে সকাল গড়িয়ে দুপুর হয়ে হয়ে যায়, টেরই পাওয়া যায়  না। তখন কাঁধের মাংসপেশিগুলোতে ব্যথা শুরু হয়, হাত অবশ হয়ে আসে কিছুটা,  শরীরেও নামে ক্লান্তি। কিন্তু অফিস শেষ হতে তো ঢের বাকি। না চাইলেও বিরক্তি  আর শরীরের কষ্টে মুখটা তখন তেতো হয়ে আসে সোহানা। তাই তিনি এবং তার মতো  চাকরিজীবীদের নিয়ে আমরা এবার কথা বলব_পূর্ণ উদ্যমে আর শক্তিতে অফিস সময়টা  পাড় করতে চাইলে মেনে চলতে হবে কিছু নিয়ম-কানুন।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; যেমন_সারাদিন একটানা কাজ না  করে, ক্লান্তি বোধ করলে একটু বিরতি নিন। এ সময় শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ  জাগিয়ে তুলতে হবে নতুন করে। এভাবে একটানা চার ঘণ্টা কাজ করা যাবে, তারপর  আধা ঘণ্টা বিরতি দিয়ে আবার পূর্ণ উদ্যমে কাজ করতে পারবেন দুই থেকে তিন  ঘণ্টা। এবার কিছু অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে পুনরায় চাঙ্গা করার কিছু উপায় নিয়ে  আমাদের এবারের আয়োজন। লিখেছেন রিয়া খন্দকার&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাত&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাত  কর্মক্ষেত্রের কোনো না কোনো কাজে সারাক্ষণই ব্যস্ত থাকছে। একটু চাঙ্গা করে  নেওয়ার জন্য হাত দুটো ছড়িয়ে দিন দেহের দুই পাশে। কনুই আর কবজি ভাঁজ করুন  কয়েকবার। এবার হাত দুটি ফিরিয়ে নিয়ে যান আগের কাজে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পা&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বসে  যাদের কাজ করতে হয়, তাদের অনেকক্ষণ পায়ের কাজ থাকে না। ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা  পা দুটি নিস্তেজ থাকে। ফলে, পায়ের মাংসগুলো শক্ত হয়ে আসে, রক্ত চলাচল হয়  না ঠিকমতো। তাই পা দুটিকে কর্মক্ষম রাখতে সেলাই মেশিন যেভাবে চালায়, পায়ের  পাতা সঞ্চালন করুন সেভাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কোমর&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দুই হাত কোমরে রেখে আস্তে-ধীরে পেছনে বাঁকা হন। মনে রাখবেন, সামনে ঝুঁকবেন না কখনোই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঘর&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;টানা  কাজ করে গেলে ঘাড়ের মাংসপেশি, কশেরুকার অস্থিসন্ধির লিগামেন্ট অসাড় হয়ে  আসে। প্রতি ২০ মিনিট পরে ঘাড়ের মাংসপেশিগুলো স্ট্রোচিং করে আবার ফিরে যান  কাজে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিছু টিপস&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ ভঙ্গিগত ত্রুটি যতটা সম্ভব এড়িয়ে বসে কাজ করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ কোনো দিকে ঝুঁকে না বসে, বসতে হবে মেরুদণ্ড সোজা করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ যতটা সম্ভব টেবিলের কাছে বসতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ লেখালেখির কাজে কাঠের সমান চেয়ারই সবচেয়ে ভালো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ ল্যাপটপ টেবিলের মাঝে রেখে কাজ করুন (কম্পিউটার ল্যাপটপের ক্ষেত্রে)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ খুব ছোট অক্ষরে লিখবেন না। এতে ঘাড়ের ছোট ছোট মাংসপেশি শক্ত হয়ে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ দিনে অন্তত ৩০ মিনিট করে হাঁটুন। ২০ মিনিট পরপর উঠে দাঁড়ান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ সবসময় লিফট না ধরে সিঁড়ি ভেঙে উঠতে পারেন।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-1852946795126219196?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/1852946795126219196/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_7499.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/1852946795126219196'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/1852946795126219196'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_7499.html' title='কাজ করুন এবং নিজেও থাকুন চাঙ্গা'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-8576650614782724200</id><published>2011-03-14T21:28:00.000-07:00</published><updated>2011-03-14T21:32:54.477-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='korcha'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='relationship'/><title type='text'>প্রত্যাশার অমিল</title><content type='html'>আমার স্বামী ব্যস্ত প্রফেশনাল। প্রতিদিনই বাসায় ফিরতে দেরি হয়। আমিও চাকরি করি।তারপরও  বাসায় যাবতীয় যত কাজ রয়েছে আমাকেই করতে হয়। ভুল করেও খোঁজ নেয়না ও। ধরেই  নিয়েছে, সংসারের এই দায়িত্বগুলো আমারই। তার শুধু খরচ দেওয়াটাই কর্তব্য।  মাঝে মাঝে যখন একা থাকি তখন মনে হয়, ও কেন আমার কাছ থেকে এতটা আশা করে?  আমারও তো কিছু এক্সপেক্টেশন থাকতে পারে। কিন্তু আমি জানি, আমাদের  এক্সপেক্টেশনগুলো মিলবে না। দুটো সম্পূর্ণ আলাদা মানুষ একসাথে থাকতে থাকতে  পারস্পরিক চাহিদা তলিয়ে দেখতে ভুলে যান। একসঙ্গে থাকার অভ্যাস বোঝা হয়ে  দাঁড়ায়। দেখা দেয় প্রত্যাশার অমিল।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;নিজেরা যে কাজটা করতে পারি না, তার বোঝা  অন্যের ঘাড়ে চাপানোর মধ্যে স্বার্থপতার গন্ধ রয়েছে। দুভার্গ্যের বিষয় এই  যে, আমাদের সবচেয়ে কাছের মানুষটির উপরই আমাদের এই জুলুম চাপিয়ে দিই। এই  সমস্যাটা আমরা খুব সহজেই কাটিয়ে উঠতে পারি। তার জন্য প্রয়োজন একটু  সহমর্মিতা আর একটু যত্নের।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নতুনভাবে চিন্তা করুন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ স্বামী  বা স্ত্রী। দুজন দুজনার কাছে প্রত্যাশা যেন লাগামছাড়া না হয়, সেটার দিকে  নজর রাখুন সবসময়। যেকোনো কাজেই সবসময় ব্যালান্স করে চলুন; সেটা বাইরে হোক  আর বাসাতেই হোক। তাতে করে পরিশ্রম ভাগ হয়ে যাবে। আর এতে পরস্পরের সঙ্গতও  পাবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ সঙ্গীর প্রতি রাগ বা ক্ষোভ থাকুক না কেন, সেটা মনের ভিতর  চেপে রেখে কষ্ট পাবার মানে হয় না। কিভাবে সমস্যাটা মিটিয়ে ফেলা যায়, সে  ব্যাপারে আলোচনা করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ দিনের মধ্যে কিছুটা সময়, হোক না সেটা মোটে এক ঘণ্টা, শুধুমাত্র নিজের জন্য রাখুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০  সব কাজ একা করতে যাবেন না। আপনার সঙ্গী নিজের থেকে ইচ্ছা প্রকাশ না করলেও,  আপনি তাকে ডেকে নিন। দুজনে গল্প করতে করতে হালকা মিউজিক চালিয়ে দিন।  দেখবেন, খুব সহজেই কাজটা শেষ হয়ে গেছে। কোনো দ্বিধা বোধ না করে দুজন দুজনার  কাজের প্রশংসা করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ কাজের ফাঁকে ফ্রি টাইমে ফোন করে একটু গল্প করুন। মাঝে মাঝে মজার এসএমসএস পাঠান। এতে করে আপনার পুরোনো সম্পর্কে নতুন করে রং লাগবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মনে রাখুন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ ভালোবাসা প্রকাশের ব্যাপারে একটু পারসোনাল টাচ আনলে প্রিয় মানুষটির হূদয়ের অনেকটা কাছাকাছি পেঁৗছে যাবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ দায়িত্ব ভাগ করে নিন। অপছন্দের কাজও মাঝে মাঝে করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০  উদাসীনতা দাম্পত্যের বড় শত্রু। সঙ্গীর ভালোলাগা নিয়ে মাথা না ঘামানো  অন্যায় ছাড়া আর কিছু নয়। সঙ্গীর ভালোলাগা নিজের ভালোলাগার মতো গুরুত্ব দিন  সবসময়।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-8576650614782724200?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/8576650614782724200/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_1528.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/8576650614782724200'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/8576650614782724200'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_1528.html' title='প্রত্যাশার অমিল'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-6206924782682770426</id><published>2011-03-14T21:23:00.000-07:00</published><updated>2011-03-14T21:28:09.324-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='korcha'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='food'/><title type='text'>ফল খাওয়ার অভ্যেস করুন</title><content type='html'>শরীর সুস্থ ও সুন্দর রাখতে হলে, প্রতিদিন একটি করে ফল খান। ফলে রয়েছে একাধিক ন্যাচারাল এলিমেন্ট। ভিটামিন, মিনারেল, এনজাইম, পস্নান্ট ফাইটোকেমিক্যাল রয়েছে ফলের মধ্যে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ফল খাওয়ার উপকারিতা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডাইজেস্টিভ সিস্টেম ভালো রাখে :গোটা ফল খান, রেডিমেট ফ্রুট জুস বা সাপিস্নমেন্ট খাওয়ার বদলে। গোটা ফলে রয়েছে ফাইবার, যা খাবার হজম করতে খুবই সাহায্য করে এবং কনস্টিপেশনের সমস্যা থেকে রেহাই দেয়। গোটা ফলে রয়েছে বেশি উপকার। ফল সহজে হজম হয় আর বস্নাড ও ডাইজেস্টিভ ট্র্যাক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;উইনিং ফুড হিসেবে উপকারী :ফলে রয়েছে যথেষ্ট পরিমাণের পানি। আরও রয়েছে প্রোটিন ও ফ্যাট। তবে ফ্যাটের পরিমাণ খুবই কম। ব্রেস্টমিল্ক খাওয়া বন্ধ করার পরে বাচ্চাকে ফল খেতে দিতে পারলে খুবই ভালো, যেহেতু ফল অ্যান্টি-অ্যাসিডিক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে :সারাদিন ফল খাওয়া খুবই জরুরি কারণ, আজকের দিনে যেখানে পলিউশন খুব বেশি, সেখানে এনভারয়নমেন্টাল টক্সিন ডিটস্কিফাই করার জন্যও অতিরিক্ত পুষ্টির প্রয়োজন। আর ফল সেই প্রয়োজন মেটাতে সাহায্য করে। সপ্তাহে পুরো ১ দিন আমরা শুধু ফল খেয়ে থাকতে পারি। একে বলে ফুড ফাস্টিং। তবে, শরীরের বিশেষ করে কোনো অসুবিধে থাকলে ডাক্তারের পরার্শ নেবেন। সারাদিন ফল খেয়ে থাকলে আমাদের ডাইজেস্টিক সিস্টেমস কিছুটা রেস্ট পায়। ফল ফ্যাট বার্ন করতে সাহায্য করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এনার্জি সরবরাহ করে :ফলে উপস্থিত অর্গ্যানিক অ্যাসিড ও ন্যাচারাল হাই সুগার শরীর সুস্থ ও তাজা রাখে, সঙ্গে সঙ্গে এনার্জি দেয়। অথচ, এতে বস্নাড সুগার লেভেল বেড়ে যায় না। ভিটামিন, মিনারেল ও এনজাইমসমৃদ্ধ ফল রোগ প্রতিরোধে খুবই সাহায্য করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;অন্যান্য উপকারিতা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে ফল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ হাই বস্নাড প্রেসার ও কোলেস্টেরল লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে হার্টের সমস্যা প্রতিরোধ করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ টাইপ টু ডায়বেটিস হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে নিয়মিত ফল খেলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ বার্ধক্য প্রতিরোধ করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সময়ের ফল, সময়ে খান&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সিজনাল ফ্রুট খেতে পারলে সব থেকে ভালো। সিজনের ফল খেলে ভিটামিন, মিনারেল ও ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস থেকে বেশি পরিমাণে উপকার পাওয়া যায়। সিজনাল ফ্রুটে বেশি পরিমাণে পুষ্টি থাকে এবং খেতেও বেশি সুস্বাদু হয়। ওবেসিটি, ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, ক্যান্সার, হার্টের সমস্যার মতো ক্রনিক ডিজিজ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে সিজনাল ফ্রুট। এ ছাড়া ডাই ফ্রুটসও খেতে পারেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কী ধরনের ফল খাবেন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ ফ্রেশ ফল খাওয়ার চেষ্টা করুন সবসময়&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ আপেল, পেয়ারা, শসার মতো ফল ছিলে খাবেন না। এই খোসাতেই রয়েছে ফাইবার। যাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন রয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ ছোট বাচ্চাদেরকে ফল জুস করে খাওয়ান, যারা চিবিয়ে ফল খেতে পারে না, তাদের জন্যও জুস।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ডায়েটে কিভাবে ফল রাখবেন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ গোটা পাকা ফল খান। রান্না করে ফল খাবেন না। এতে করে ফলের মধ্যের কার্বোহাইড্রেট ও নিউট্রিয়েন্ট সল্ট নষ্ট হয়ে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ ব্রেকফাস্টে ড্রাই ফ্রুটস খান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ খাবারের সঙ্গে একসঙ্গে না খেয়ে আলাদাভাবে ফল খাওয়ার চেষ্টা করুন। যেমন_ব্রেকফাস্টে বা স্ন্যাকস হিসেবে ফল খেতে পারেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ কাজে বের হওয়ার আগে একটা ফল খান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ এক সময়ে যেকোনো এক ধরনের ফল খাওয়ার চেষ্টা করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ ওয়ার্কআউট করার তিরিশ মিনিট আগে বা পরে ফল খান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ টিভি দেখতে দেখতে হাবি-জাবি না খেয়ে তার বদলে টিভির সামনে এক বাটি ফল রাখুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কোন ফলের কী উপকারিতা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ লেবু, বস্নাড প্রেসার, কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। অ্যাসিডিটি দূর করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ আপেল গলস্টোনের সমস্যায় কাজ করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ আঙুর, চুল, ত্বক ও চোখের জন্য খুব ভালো। আর জন্ডিসের জন্য আঙুর দারুণ কাজ করে। আঙুরে রয়েছে অ্যান্টি-ক্যানসার জাতীয় উপাদান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ পটাশিয়াম-সমৃদ্ধ আমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ প্রস্টেটের সমস্যায় টমেটো উপকারী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ ফ্রেশ থাকতে গরমের সময় তরমুজ খুব উপকারী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ কলা দারুণ কাজ দেয়_ডিপ্রেশন, অ্যানিমিয়া, বস্নাড প্রেসার, ব্রেন, পাওয়ার, কনস্টিপেশনের মতো সমস্যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ ক্যানসার প্রতিরোধ করতে বেদানা ভালো কাজ করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ মুসম্বিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। ভিটামিন সি, ইমিউনিটি সিস্টেম ভালো রাখতে সাহায্য করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ খরমুজ এক ধরনের ট্রপিক্যাল ফল। এতে যথেষ্ট পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। খরমুজ বডি হিট কমাতে সাহায্য করে। এবং ইউরিক অ্যাসিড লেবেল নিয়ন্ত্রণে রাখে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ পেঁপেতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, মিনারেল, ভিটামিন ও ফাইবার। পেঁপে ত্বক উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-6206924782682770426?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/6206924782682770426/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_7324.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/6206924782682770426'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/6206924782682770426'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_7324.html' title='ফল খাওয়ার অভ্যেস করুন'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-2798658796435108371</id><published>2011-03-14T21:14:00.001-07:00</published><updated>2011-03-14T21:19:38.524-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='restaurent'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='fashion'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><title type='text'>﻿ ঢাকায় সাত রঙের চা</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/resize/maxDim/340x1000/img/uploads/media/2011-03-14-14-36-42-021902500-7rong-cha.jpg"&gt;&lt;img style="float: right; margin: 0pt 0pt 10px 10px; cursor: pointer; width: 239px; height: 159px;" src="http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/resize/maxDim/340x1000/img/uploads/media/2011-03-14-14-36-42-021902500-7rong-cha.jpg" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;শ্রীমঙ্গলে বেড়াতে গেলে সাত রঙের চা খায়নি, এমন মানুষ কমই আছে। অত দূর আর  যেতে হবে না। এবার ঢাকায় বসেই পেতে পারেন এর স্বাদ। ঢাকার মিরপুরে  শ্রীমঙ্গল চা বারে এই চা এনেছেন মোহাম্মদ আলামীন।&lt;br /&gt;‘আমার বাড়ি  শ্রীমঙ্গলে। শ্রীমঙ্গলে চায়ের বিভিন্ন ধরনের পাতা পাওয়া যায়। সেখানে সাত  স্তরের চায়ের প্রচলন আছে। আমাদের এলাকায় প্রায় সবাই এই চা নিয়ে ব্যবসা করে।  নিজের মধ্যেও কৌতূহল ছিল এই চা তৈরি নিয়ে। চায়ের বিভিন্ন ধরনের পাতা নিয়ে  ঘাঁটাঘাঁটি করতাম। একসময় শিখে ফেললাম সাত স্তরের চা তৈরির কৌশল।’ বললেন  তিনি&lt;span&gt;।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;কীভাবে বানানো যায় এই চা, জানতে চাইলে হেসে ফেলেন। ব্যবসার গোপন  তথ্য কি জানানো যায়! বলেন, ‘কৌশলটা শিখতে পারলে যে কেউ এই মজাদার চা নিয়ে  ব্যবসা করতে পারেন। তাই যাঁরা এই চায়ের ব্যবসা করেন, তাঁরা অত্যন্ত  গোপনীয়ভাবে চা তৈরি করেন। সতর্ক থাকেন সব সময় কেউ যেন না জানে। এমনকি আমার  ব্যবসায়িক দুজন অংশীদারও জানে না, কীভাবে এটি তৈরি করি। এই চা তৈরিতে চায়ের  কয়েক ধরনের পাতা ব্যবহার করা হয়।’&lt;br /&gt;ঢাকার মিরপুর কমার্স কলেজের উল্টো  দিকে এই দোকানের অবস্থান। ফেব্রুয়ারি মাস থেকে চালু হয়েছে এটি। ঘুরে দেখা  গেল, ক্রেতা ফরমাশ দিলে চা তৈরি করা হয়। তৈরির জায়গায় সবার প্রবেশ নিষেধ।&lt;br /&gt;সাত  রঙের চায়ের দাম প্রতি গ্লাস ৮০ টাকা। ছয় রঙের চা ৬৫ টাকা, পাঁচ রঙের চা ৫৫  টাকা, চার রঙের চা ৪৫ টাকা, তিন রঙের চা ৩৫ টাকা, দুই রঙের চা ২৫ টাকা। আর  এক স্তরের এক কাপ চা ১৫ টাকা। এই চা ছাড়াও এখানে পাবেন স্পেশাল চা ২০  টাকা, সবুজ চা ১৫ টাকা, আদা চা ১৫ টাকা, কালো চা ১৫ টাকা এবং সাদা চা ২০  টাকায়।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-2798658796435108371?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/2798658796435108371/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_14.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/2798658796435108371'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/2798658796435108371'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_14.html' title='﻿ ঢাকায় সাত রঙের চা'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-8922742301914852067</id><published>2011-03-07T20:51:00.000-08:00</published><updated>2011-03-07T20:53:27.127-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Tips'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='fashion'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='korcha'/><title type='text'>কাঁচা আম</title><content type='html'>অল্প কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হচ্ছে আমের সিজন। আমরা ব্যস্ত হয়ে পড়ব এই ফলটিকে বিভিন্নরূপে পাওয়ার জন্য। কাঁচা, পাকা আমের জুস, আচার আরও কত কি। কাঁচা আমের গুণাগুণ বিশেস্নষণ করতে গেলে অনেক কথাই বলতে হয়। জেনে নিন কাঁচা আমের উপকারিতা সম্পর্কে_&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ভিটামিন সমৃদ্ধ ও মিনারেলে ভরপুর&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ ক্যারোটিন ও ভিটামিনে সমৃদ্ধ কাঁচা আম চোখ ভালো রাখার জন্য দরকার। বিটা ক্যারোটিন থাকায় হার্ট ডিজিজ প্রতিরোধে সাহায্য করে।&lt;br /&gt;০০ ভিটামিন বি-১ ও ভিটামিন-২ ভালো পরিমাণে রয়েছে।&lt;br /&gt;০০ ক্যালসিয়াম ও আয়রন রয়েছে।&lt;br /&gt;০০ ফিজিক্যালি অ্যাক্টিভ হলে বা নিয়মিত এক্সারসাইজের অভ্যেস থাকলে কাঁচা আম খেতে পারেন। পটাশিয়ামের অভাব পূরণ করতে পারে।&lt;br /&gt;০০ পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম প্রচুর পরিমাণে থাকায় অ্যাসিডিটি মাসল ক্র্যাম্প, স্ট্রেস ও হার্টের সমস্যায় উপকারী।&lt;br /&gt;০০ কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকায় তা অ্যানিমিয়া সমস্যায় বেশ উপকারী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;রোগ প্রতিরোধ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় কনস্টিপেশন দূর করে। এ ছাড়া কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।&lt;br /&gt;০০ কলেরা, অ্যানিমিয়া ও টিউবারকিউলোসিস প্রতিরোধে সাহায্য করে।&lt;br /&gt;০০ ভিটামিন সি সমৃদ্ধ হওয়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে ও গরমের সময় সর্দিগর্মি থেকে রক্ষা করে।&lt;br /&gt;০০ আমের বীজ শুকনো করে পাউডার ফর্মে ডায়রিয়া সারানোর জন্য কাজে লাগে।&lt;br /&gt;০০ ডায়বেটিসের সমস্যার প্রকোপ কমাতে আম গাছের পাতা সাহায্য করে।&lt;br /&gt;০০ নেফ্রাইটিসের সমস্যায়, কিডনির সমস্যায় সাহায্য করে।&lt;br /&gt;০০ নিঃশ্বাসের সমস্যা, জ্বরের সমস্যা উপশম করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;অন্যান্য উপকারিতা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ যথেষ্ট পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট রয়েছে।&lt;br /&gt;০০ অ্যালকালাইন জাতীয় খাবার হওয়ায় অ্যাসিডিটি উপশমে ভালো কাজ করে।&lt;br /&gt;০০ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় অ্যান্টি-ভাইরাস ও অ্যান্টি-ক্যান্সার উপাদান রয়েছে।&lt;br /&gt;০০ ত্বক উজ্জ্বল রাখতে আমের পাল্প সাহায্য করে।&lt;br /&gt;০০ রোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। আমের পাতলা সস্নাইস ত্বকের ওপর কিছুক্ষণ রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন।&lt;br /&gt;০০ কাঁচা আম শুকিয়ে তৈরি করা আমচুর গুঁড়ো স্কার্ভি সারানোয় কার্যকর।&lt;br /&gt;০০ কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে। এমন কি পাকা আমের তুলনায় কাঁচা আমে ভিটামিন সি বেশি পরিমাণে থাকে&lt;span&gt;।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-8922742301914852067?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/8922742301914852067/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_228.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/8922742301914852067'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/8922742301914852067'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_228.html' title='কাঁচা আম'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-3032637671681416695</id><published>2011-03-07T20:47:00.001-08:00</published><updated>2011-03-07T20:50:24.177-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='korcha'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='food'/><title type='text'>মুরগির ৪ পদ</title><content type='html'>উৎসব  বা অতিথি আপ্যায়নে নানা স্বাদের খাবার তৈরি হয় আমাদের রসুই ঘরে। এর মধ্যে  মুরগির দিয়ে তৈরি বৈচিত্র্য সব খাবারের কথা শুনলেই জিভে জল আসে। মুরগির ৪  পদ নিয়ে এবারের রেসিপিগুলো দিয়েছেন রন্ধন বিশেষজ্ঞ আফরোজা জামান&lt;br /&gt;&lt;div class="b1"&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;চাইনিজ চিকেন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ :চিকেন  কিউব কাটা ১ কাপ, ক্যাপ্সিকাম কাটা ১/২ কাপ, পিয়াজ কলি ১/২ কাপ, লবণ  পরিমাণমতো, কাঁচামরিচ ৩-৪টা, টেস্টি সল্ট ১ চা চামচ, কর্নফ্লাওয়ার ১ টেবিল  চামচ, গরম পানি ১ কাপ, চাইনিজ মসলা ১ চা চামচ, কাজু বাদাম ১/২ কাপ, তেল ৬  টেবিল চামচ।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;প্রণালি :চুলায় ৬ টেবিল চামচ তেল দিন। তেল গরম হলে  পিয়াজ কাটা, ক্যাপ্সিকাম কাটা, কাঁচা মরিচ কাটা, চিকেন চুলায় দিন। টেস্টিং  সল্ট ও গরম পানি দিন। ঢেকে ১০ মিনিট রান্না করুন। এবার ঠান্ডা পানিতে  কর্নফ্লাওয়ার গুলে দিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;চিকেন টমেটো&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ :টমেটো  কিউব কাটা ১ কাপ, চিকেন কিউব কাটা ১ কাপ, আদা রসুন বাটা ১+১ চা চামচ, লবণ  পরিমাণমতো, তেল ৪ টেবিল চামচ, কারি পাউডার ১ চা চামচ, বাটা পিঁয়াজ ১/২ কাপ,  এলাচ ২-৩টা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রণালি :চুলায় পাত্র গরম হলে তেল দিন। তেল গরম হলে  এলাচ দিন। বাটা পিঁয়াজ, লবণ ও আদা-রসুন বাটা দিন। টমেটো কিউব কেটে দিন।  টমেটোসহ মসলা কষিয়ে মুরগি দিন। ঢেকে ২০ মিনিট রান্না করুন, রান্নার সময় ১  কাপ গরম পানি দিন। রান্না শেষে কারি পাউডার উপরে ছিটিয়ে দিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;চিলি চিকেন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ  :চিকেন ২ পিস, মরিচ বাটা ১ চা চামচ, পাপড়িকা ১/২ চা চামচ, কারি পাউডার ১/২  চামচ, জর্দ্দার রং সামান্য, সানফ্লাওয়ার তেল ২ টেবিল চামচ, সয়াসস ২ টেবিল  চামচ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রণালি :সব মসলা দিয়ে চিকেন মাখিয়ে ৬ ঘণ্টা রেখে তাওয়ায় বা ননস্টিক ফ্রাই প্যানে সেঁকে তেলে ভেজে নিয়ে পরিবেশন করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;চিকেন বাইটস&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ  :চিকেন ৮ পিস, তন্দুর মসলা ১ চা চামচ, লবণ ১ চা চামচ, তেল ১/২ কাপ, আদা  বাটা ১ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, ধনেপাতা কুচি ১  টেবিল চামচ, ডিম ১ টা। কর্নফ্লাওয়ার ১/২ কাপ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রণালি :চিকেন  তন্দুর মসলা, আদা-রসুন বাটা, লবণ, ধনেপাতা দিয়ে মেরিনেট করে রেখে দিন ১  ঘণ্টা। এবার ডিম কর্নফ্লাওয়ার পানি দিয়ে পেস্ট বানিয়ে পেস্টে চুবিয়ে ডুবো  তেলে ভেজে নিন।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-3032637671681416695?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/3032637671681416695/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_9666.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/3032637671681416695'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/3032637671681416695'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_9666.html' title='মুরগির ৪ পদ'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-3349410053981925057</id><published>2011-03-07T20:45:00.000-08:00</published><updated>2011-03-07T20:46:50.021-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='child'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='korcha'/><title type='text'>শিশুর কাজ শিশুই করুক</title><content type='html'>আজকের শিশু আগামী দিনের কর্ণধার। তবে, কর্ণধার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা চাট্টিখানি কথা নয়। এর জন্যে দরকার পূর্বপ্রস্তুতি। আর এই পূর্বপ্রস্ততিটা সম্পন্ন হতে পারে নিজের কাজ নিজে করার মধ্য দিয়ে। শিশুদের নিয়ে আমাদের সমাজে দু'ধরনের বিষয় প্রচলিত আছে। প্রথমত, শিশুকে কাজে হাতই দিতে দেওয়া হয় না। দ্বিতীয়ত, শিশুকে দিয়ে অনেক কঠিন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করানো হয়। যা শিশুশ্রমের আওতায় পড়ে। শিশুকে একদমই কাজ করতে না দেওয়া এবং ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করানো_দুটোই অনুচিত।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;প্রথম বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা যাক। আমাদের সমাজে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা প্রচণ্ড অলস। আবার কেউ কেউ আছেন, যারা হয়তো কাজ করতে চান কিন্তু কোনো কাজ সম্পর্কেই অভিজ্ঞতা নেই। তাই, কাজ করার ইচ্ছে থাকলেও কেউ তাকে বা তাদেরকে কাজে নিতে চায় না। ফলে বেকারত্ব বাড়তে থাকে। বাড়তে থাকে সামাজিক অপরাধ। যারা অলস কিংবা অদক্ষ তাদের এই অলসতা এবং অদক্ষতার বীজ রোপিত হয় মূলত শিশুকালে। সে সময় যদি তাদেরকে দিয়ে টুকটাক কাজ করানো হতো, কোন কোন কাজ হাতে-কলমে শেখানো হতো, তা হলে পরবতর্ীতে আর এমন সমস্যা হতো না। ভুল যা হয়ে গেছে তা যেহেতু আর শুধরানোর সুযোগ নেই, তাই সতর্ক থাকতে হবে আজকের শিশুরা যেন কোনোভাবেই অলস এবং অদক্ষ হয়ে বেড়ে না ওঠে। এর জন্যে দরকার তাদের দিয়ে ছোটখাটো কাজ করানো। এমন কাজ, যেগুলো তাদের শরীর এবং মনের উপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না। অনেক বাবা-মাই চান, তাদের সন্তান শুধু পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত থাকুক। কাজ-কর্ম যা আছে, সব কাজের লোকেরা করবে_এটা ঠিক নয়। কারণ, সারাদিন শুধু পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত থাকলে একটা শিশুর মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। তাই, পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে বাইরের জগত সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেওয়াও জরুরি। একটি পরিবারে অনেক ধরনের কাজই থাকে। যেগুলোর অধিকাংশই কাজের মানুষেরা করলেও মা-বাবাও বেশ কিছু কাজ করে থাকেন। শিশুরা যদি মাবাবার এই কাজগুলোকে মনোযোগ দিয়ে দেখে, তা হলে তারা অনেক কিছু শিখতে পারবে। যা পরবতর্ীতে তার অনেক উপকারে আসবে। মা-বাবাকে সাহায্য করাও সন্তানের দায়িত্ব। তাই, শিশু যদি মা-বাবার সঙ্গে কোনো কাজ করতে চায়, তা হলে তাকে তা করতে দেওয়া উচিত। এতে কাজটা তার শেখাও হবে, আবার পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে তার শরীরচর্চাটাও হয়ে যাবে। বাড়িতে যদি একাধিক শিশু থাকে, তা হলে দেখা যায়, তাদের মধ্যে কাজ নিয়ে প্রতিযোগিতা লেগে যায়। অর্থাৎ, কার আগে কে কোন কাজটি করবে। যদি পড়াশোনার ক্ষতি করে তারা এ কাজটি করে, তা হলে অবশ্যই ফেরাতে হবে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-3349410053981925057?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/3349410053981925057/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_07.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/3349410053981925057'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/3349410053981925057'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post_07.html' title='শিশুর কাজ শিশুই করুক'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-8935236582857127790</id><published>2011-03-07T20:42:00.001-08:00</published><updated>2011-03-07T20:44:22.568-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='korcha'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='home'/><title type='text'>ঘর গোছানোর সমস্যা ও সমাধান</title><content type='html'>মানুষ  ঘরে ফেরে শান্তির খোঁজে। আর সেই ঘর যদি হয় গোছানো ও পরিপাটি, তা হলে তো  কথাই নেই। ঘরের হাজারো ঝামেলা সামলে ঘর গোছানোর সময় বের করা খুব কষ্টকর।  সংসারে সবার প্রতি খেয়াল রাখা, বাচ্চার স্কুল ও হাজব্যান্ডের অফিস যাওয়া  থেকে শুরু করে সব দায়িত্ব বর্তায় যার উপর, তিনি হচ্ছেন হাউজওয়াইফ। আর যদি  ওয়ার্কিং ওম্যান হন, তা হলে ঝামেলা দ্বিগুণ। এসব কিছুর মাঝেই আপনার ঘর  গোছানোর সমস্যার সমাধান করতে হয়। জেনে নিন কিছু তথ্য_&lt;br /&gt;&lt;div class="b1"&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;০০ আপনি যদি  হাউজওয়াইফ হন, তা হলে সবাই অফিস বা স্কুল-কলেজে বেরিয়ে যাওয়ার পর পুরো  বাড়ির কোথায় কোথায় গোছানো প্রয়োজন, দেখে হিসাব করে নিন।&lt;br /&gt;০০ একেকদিন ঘরের একেক জায়গা বেছে নিন। সব একদিনে করতে যাবেন না।&lt;br /&gt;০০ ঘরের প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো হাতের কাছে গুছিয়ে রাখুন, যাতে বেশি খুঁজতে না হয়।&lt;br /&gt;০০ আপনার সন্তানের আলমারি নিজে না গুছিয়ে ছুটির দিনে ওদের দিয়েই গোছান। এতে গোছানোর অভ্যাস হবে। প্রয়োজনে আপনি সাহায্য করুন।&lt;br /&gt;০০ আপনি যদি ওয়ার্কিং ওম্যান হন, তা হলে কাজের গুরুত্ব সেট করুন। সে অনুযায়ী পরপর গোছান।&lt;br /&gt;০০ যার রুম গোছাচ্ছেন তার রুচিকে প্রাধান্য দিন।&lt;br /&gt;০০  আপনি ঘরে থাকছেন বলে সব আপনার একার সামলোতে হবে_এমন নয়, বাড়ির অন্য  সদস্যদের উপরও দায়িত্ব দিন। চাপ বেশি হলে তাদের সাথে প্রয়োজনে খোলামেলা কথা  বলে নিতে পারেন।&lt;br /&gt;০০ প্রতিদিন ঘর গোছানো সম্ভব না হলে যেকোনো ২-৩টি ছুটির দিন বেছে নিন।&lt;br /&gt;০০ কাজ ভাগ করে নিতে পারেন, একেকজন একেক রুম গোছাতে পারেন।&lt;br /&gt;০০ অফিসের কাজের মতো ঘর গুছিয়ে রাখা নিয়ে টেনশন করবেন না। ব্যাপারটা এনজয় করুন।&lt;br /&gt;০০ অপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলো আলমারির একেবারে পেছনে রাখুন। যাতে সহজে এগুলো নাড়াচাড়া করতে না হয়।&lt;br /&gt;০০ ঘর গোছানোর ব্যাপারে বাড়ির সবার মতামত চান, তা হলে ওরা ব্যাপারটা এনজয় করবে এবং নিজেদের ইনভলভ করতে পারবে।&lt;br /&gt;০০  মনে রাখবেন, কখনোই নিজের রুচি অন্যের উপর চাপিয়ে দেবেন না। তাদের রুচির  প্রাধান্য দিন। বাইরে যান বলে ঘর গোছানোর সময় পান না_এই অজুহাতটা কিন্তু  ঠিক নয়।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-8935236582857127790?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/8935236582857127790/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/8935236582857127790'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/8935236582857127790'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/03/blog-post.html' title='ঘর গোছানোর সমস্যা ও সমাধান'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-2635419881052881939</id><published>2011-02-15T19:42:00.000-08:00</published><updated>2011-02-15T19:44:55.911-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='style'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><title type='text'>﻿ কাজের সময় চুলের সাজ</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/resize/maxDim/340x1000/img/uploads/media/2011-02-14-19-26-06-078854500-9.gif"&gt;&lt;img style="float: right; margin: 0pt 0pt 10px 10px; cursor: pointer; width: 187px; height: 210px;" src="http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/resize/maxDim/340x1000/img/uploads/media/2011-02-14-19-26-06-078854500-9.gif" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;যে রাঁধতে জানে, সে নাকি চুলও ভালো বাঁধতে জানে। কিন্তু যাঁদের ঘর, অফিস  দুটিই সামলাতে হয়, তাঁরা তাঁদের বেয়াড়া চুলগুলোকে কীভাবে সামলান বলুন তো?&lt;br /&gt;সামিয়া  আফরিন, টপ অব মাইন্ড অ্যাডভারটাইজিং ফার্মের মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর।  পাশাপাশি করেন উপস্থাপনা। ঘর সামলিয়ে সকালে ঠিক সময়ে অফিসে পৌঁছাতে রোজই  কাঠখড় পোহাতে হয়। চুলের দিকে আলাদা করে নজর দেওয়ার সময় হয় না তাঁর। তাই  চুলটাকে সুন্দর একটা কাট দিয়ে নেন কয়েক দিন পরপর। ছোট চুলে লেয়ার কাটে  খোলাই রাখেন তিনি। খুব কম সময়ই চুল বাঁধেন।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;আপনাকেও যদি রোজ  কর্মক্ষেত্রে ছুটতে হয়, তবে খুব কম সময়ে চুল সাজানোর কিছু সহজ টিপস মাথায়  রেখে দিতে পারেন। হোটেল ওয়েস্টিন ঢাকার স্পা ম্যানেজার নাজমুন নাহার বলেন,  সকালে অফিসে যাওয়ার আগে চুলের জন্য কিন্তু খুব বেশি সময় দেওয়ার দরকার নেই।  চুলটাকে আপনার চেহারার আকার ও ধরন অনুযায়ী সুন্দর একটা কাট দিয়ে নিলে আপনার  ব্যস্ত সময়ের অনেকটাই বেঁচে যায়।&lt;br /&gt; প্রায় সবাইকে লেয়ার কাটে মানিয়ে  যায়। আপনার পছন্দ অনুযায়ী বড়-ছোট কাট দিতে পারেন। এই কাট রেখে চুলকে  ব্লোড্রাই করে নিচের দিকে হালকা কোঁকড়াভাব আনতে পারেন। ভলিউম কাটের সঙ্গেও  এভাবে খোলা রাখতে পারেন চুল। সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে বেশ ভালোই মানিয়ে যাবে  আপনাকে।&lt;br /&gt; যাঁদের চুলে ব্যাংগস কাট, তাঁরা সামনের দিকে কয়েকটি চুল ছড়িয়ে  দিন। পেছনের দিকের চুলটা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে করে নিন একটা আলতো খোঁপা। কিছুটা  চুল এর নিচে ছেড়ে রাখলেও ক্ষতি নেই।&lt;br /&gt; অফিসে ফতুয়া পরলে উঁচু করে পনিটেইল করে নিতে পারেন। তারপর পনিটেইল থেকে চুল নিয়ে দুটি বেণি করে কান বরাবর এনে ক্লিপে আটকে নিন।&lt;br /&gt;  করপোরেট লুক আনতে চুলে করতে পারেন নিচু করে পনিটেইল। একপাশে সিঁথি করে  পুরো চুলটাকে চ্যাপটা করে করে নিতে পারেন পনিটেইল, তার পেছনে সুন্দর একটা  ঝুঁটি।&lt;br /&gt;এ তো গেল সকালের চুলের সাজ। এবার বাইরে বের হওয়ার পালা। বাইরে  বের হওয়ার আগে চুলে রোদ প্রতিরোধক স্প্রে বা জেল ব্যবহার করার পরামর্শ দেন  কিউবেলার কর্ণধার ও রূপবিশেষজ্ঞ ফারজানা আরমান। ব্যাগে রেখে দিন একটি  চিরুনি। চিরুনি যেন একটু মোটা ও কোমল দাঁতের হয়। ধুলাবালি, রোদ আর ঘামে চুল  প্রতিদিনই নিষ্প্রাণ হয়ে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে রোজ শ্যাম্পু করলেও ক্ষতি  নেই। তবে বাজার থেকে শ্যাম্পু কেনার সময় রেগুলার শ্যাম্পুগুলো কিনে নেবেন  খেয়াল করে। যাঁদের চুল বেশি শুষ্ক, তাঁরা রাতে তেল গরম করে মাথায় লাগিয়ে  ম্যাসাজ করে নিন ১০ মিনিট। সকালে শ্যাম্পু করে নিন। ছুটির দিনে একটু সময়  বের করে নিন চুলের যত্নে। সপ্তাহে একদিন চুলে লাগিয়ে নিন একটা প্রোটিন  প্যাক।&lt;br /&gt; টক দই ও ডিম একসঙ্গে মিশিয়ে চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর ধুয়ে নিন।&lt;br /&gt; তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে টক দইয়ের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এটি খুশকি দূর করতেও কার্যকরী।&lt;br /&gt; যাঁদের চুল বেশি শুষ্ক, তাঁরা পাকা কলা পেস্ট করে চুলে লাগালে উপকার পাবেন।&lt;br /&gt; সম্ভব হলে প্রতি মাসে একবার পারলারে গিয়ে একটি হেয়ার স্পাও করিয়ে নিতে পারেন।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-2635419881052881939?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/2635419881052881939/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/02/blog-post_4788.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/2635419881052881939'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/2635419881052881939'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/02/blog-post_4788.html' title='﻿ কাজের সময় চুলের সাজ'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-6227915020390291864</id><published>2011-02-15T19:39:00.000-08:00</published><updated>2011-02-15T19:41:26.493-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='korcha'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='food'/><title type='text'>খাদ্যগুণ : শসা</title><content type='html'>শসা গরমের সময় শরীরের জন্য দারুণ উপকারী। শসার উপকারী দিক নিয়ে কয়েকটি তথ্য।&lt;br /&gt;&lt;div class="b1"&gt;&lt;br /&gt;০০  শসা শরীরের ফাইবার ও ওয়াটার ইনটেক বাড়াতে সাহায্য করে। গরমের দিনে শসার  রসের সঙ্গে সেলোরির জুস মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে বডি টেম্পারেচার নর্মাল  রাখতে সাহায্য করে।&lt;br /&gt;০০ শসা হাই বস্নাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য  করে। শসাতে ভিটামিন সি, সিলিকা, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায়। শসায়  রয়েছে স্টেরল নামের এক ধরনের উপাদান, যা কোলেস্টরেল নিয়ন্ত্রণে রাখতে খুবই  সাহায্য করে।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;০০ কিডনি, ইউরিনারি বস্নাডার, লিভার ও প্যানক্রিয়াসের  সমস্যায় ডায়েটে শসা খুবই উপকারী। শসা বা শসার রস ডায়াবেটিক রোগীদের জন্যও  উপকারী।&lt;br /&gt;০০ শসার রস আর্থ্রাইটিস, এগজিমা, হার্ট, ফুসফুসের সমস্যায়  ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ডায়েটে রাখতে পারেন। গাজরের রসের সাথে শসার রস  মিশিয়ে খেতে পারেন। ইউরিক অ্যাসিড থেকে ব্যথার সমস্যা হলে অনেক কাজে দেবে।&lt;br /&gt;০০  শসা খুবই ভালো কাজ করে ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য। শসার সস্নাইস ত্বক  পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। আর শসার জুস ত্বকের ক্লান্তি কাটাতে খুবই  উপকারী। মিনারেল সমৃদ্ধ শসা নখ ভালো রাখতে, দাঁত ও মাড়ির সমস্যায় সাহায্য  করে। এটা খুবই উপকারী চুলের জন্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কুইক সার্ভিং টিপস্&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ শসা, কাঁচামরিচ, পেঁয়াজ, লবণ, গোলমরিচ, টমেটো মিক্সিতে পেস্ট করে নিন। তৈরি হয়ে গেল শসার সু্যপ।&lt;br /&gt;০০ টুনা ফিশে বা চিকেন স্যালাডেও শসার টুকরা দিতে পারেন। খেতে খুব ভালো লাগবে।&lt;br /&gt;০০ ভেজিটেবল স্যালাডের সঙ্গে শসা কুচিয়ে দিতে পারেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কুকিং টিপস্&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ শসা কেটে, তার উপর অল্প লবণ ছড়িয়ে দিন। তারপর ১ ঘণ্টা পরে খান, শসা সহজেই হজম হবে।&lt;br /&gt;০০ শসাতে কখনোই বেশি ভিনিগার দেবেন না।&lt;br /&gt;০০ অ্যাসিডিটির সমস্যার জন্য, দই, চিজ, গাজর ও পুদিনা পাতার সঙ্গে শসা ভর্তা সার্ভ করুন। এটা খুবই উপকারী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;স্টোরেজ টিপস&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ কড়া রোদে শসা ফেলে রাখবেন না।&lt;br /&gt;০০ ফ্রিজে শসা রাখার সময় অবশ্যই প্যাকেটে মুড়ে রাখবেন, তা না হলে শসা নরম হয়ে যাবে।&lt;br /&gt;০০ শসা কাটার সময় গোড়ার দিকের কিছুটা অংশ ফেলে দিয়ে কাটবেন। খাবার সময় শসা আর তেতো লাগবে না।&lt;br /&gt;০০ শসার আচার তৈরি করে স্টোর না করাই ভালো। কারণ, এতে শসার ভিটামিন প্রায় কিছুই থাকে না।&lt;br /&gt;০০ শসার খোসা পাতলা হলে বুঝবেন কম বীজ রয়েছে। গাঢ় সবুজ রঙের শসা স্টোর করুন।&lt;br /&gt;০০ শসার টুকরো এয়ারটাইট কন্টেনারে রাখুন। তবে, বেশিদিন রাখবেন না, ১-২ দিনের মধ্যেই খেয়ে ফেলুন।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-6227915020390291864?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/6227915020390291864/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/02/blog-post_3080.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/6227915020390291864'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/6227915020390291864'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/02/blog-post_3080.html' title='খাদ্যগুণ : শসা'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-9163400544715316759</id><published>2011-02-15T19:34:00.000-08:00</published><updated>2011-02-15T19:38:29.315-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='noksha'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='food'/><title type='text'>চার সালাদ</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/resize/maxDim/340x1000/img/uploads/media/2011-02-14-19-24-47-063721900-6.1.gif"&gt;&lt;img style="float: right; margin: 0pt 0pt 10px 10px; cursor: pointer; width: 238px; height: 158px;" src="http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/resize/maxDim/340x1000/img/uploads/media/2011-02-14-19-24-47-063721900-6.1.gif" alt="" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;পঞ্জিকার পাতায় বিদায় নিয়েছে শীত। তবে বাজারে এখনো কিছুদিন পাওয়া যাবে  শীতের মজার সব সবজি। দেখে নিন নাসরিন আলমের দেওয়া সালাদের প্রণালি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ঠান্ডা ঠান্ডা টমেটো কাপ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ: টমেটো ৬টি (বড় লাল), শসা ছোট কিউব ১ কাপ, গাজর ছোট কিউব ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি সিকি কাপ, ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল-চামচ।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;সালাদ ড্রেসিং&lt;br /&gt;পানি ঝরানো টকদই ১ কাপ, লবণ ও চিনি স্বাদমতো, গোলমরিচ স্বাদমতো, পনির মিহি কুচি করা ২ টেবিল-চামচ।&lt;br /&gt;প্রণালি:  সব একসঙ্গে মিলিয়ে নিতে হবে। টমেটো স্কুপ করে ভেতরের অংশ বের করে নিতে  হবে। টমেটোর ভেতরে অল্প লবণ মাখিয়ে রাখতে হবে। বড় বোলে শসা, গাজর, পেঁয়াজ  কুচি, ধনেপাতা ও টমেটোর ভেতরের অংশ নিয়ে সঙ্গে ড্রেসিং মিলিয়ে টমেটোর ভেতরে  ভরে ফ্রিজে ঠান্ডা করে সাজিয়ে পরিবেশন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;আলু কাবলিচানার সালাদ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ:  আলু সেদ্ধ লম্বা টুকরো ১ কাপ, গাজর সেদ্ধ লম্বা টুকরো আধা কাপ, বরবটি  সেদ্ধ লম্বা টুকরো আধা কাপ, টমেটো লম্বা টুকরো আধা কাপ, কাবলিচানা সেদ্ধ  করা ১ কাপ, লবণ স্বাদমতো।&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সালাদ ড্রেসিং&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;পানি ঝরানো টকদই ২ কাপ,  তেঁতুলের চাটনি আধা কাপ, ধনেপাতা কুচি আধা কাপ, কাঁচামরিচ কুচি (বিচি ফেলে  দেওয়া) ২ টেবিল-চামচ, লবণ স্বাদমতো, প্রণালি: বড় বোলে আলু, গাজর, বরবটি,  টমেটো, ছোলার সঙ্গে ড্রেসিং মিলিয়ে পরিবশেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;চটপট সবজি সালাদ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ:  গাজর কিউব আধা কাপ (ভাপ দিয়ে নেওয়া), টমেটো কিউব ১ কাপ (ভাপ দিয়ে নেওয়া),  ব্রকলি ছোট ছোট টুকরো ১ কাপ (ভাপ দিয়ে নেওয়া), ফুলকপি ছোট টুকরো ১ কাপ,  মটরশুটি আধা কাপ, তিল ১ টেবিল-চামচ (শুকনো তাওয়ায় ভাজা)।&lt;br /&gt;সালাদ ড্রেসিং&lt;br /&gt;পানি  ঝরানো টকদই বা মেয়োনেজ ২ কাপ, লবণ স্বাদমতো, জিরা ভাজা গুঁড়া স্বাদমতো,  শুকনো মরিচ গুঁড়া (ভাজা) স্বাদমতো, পুদিনা পাতা কুচি ২ টেবিল-চামচ, ধনেপাতা  কুচি ২ টেবিল-চামচ, ক্যাপসিকাম কুচি আধা কাপ।&lt;br /&gt;প্রণালি: সব মিলিয়ে ড্রেসিং তৈরি করতে হবে। বড় বোলে ভাপ দিয়ে নেওয়া সবজি, টমেটো, তিল ও ড্রেসিং মিলিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মজাদার ফল ভাতের সালাদ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উপকরণ: আপেলের খোসা ছোট কিউব ১ কাপ, আলুর ছোট কিউব আধা কাপ,&lt;br /&gt;সুইটকর্ন  (টিনের) আধা কাপ, ক্যাপসিকাম (সবুজ) ছোট কিউব আধা কাপ, টমেটো ছোট কিউব আধা  কাপ, পেঁয়াজ কিউব ছোট ২ টেবিল-চামচ (ইচ্ছা), পুদিনাপাতা কুচি ২  টেবিল-চামচ, লাল মরিচ কুচি ২ টেবিল-চামচ, চিকন চালের ভাত ১ কাপ, পানি ঝরানো  টকদই ২ কাপ, লেবুর রস ২ টেবিল-চামচ, লবণ, চিনি, গোলমরিচ স্বাদমতো।&lt;br /&gt;প্রণালি:  ওপরের সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে বা ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন। লেটুস  পাতা ও সেদ্ধ ডিম দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন। কমলা দিলেও খেতে ভালো লাগবে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-9163400544715316759?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/9163400544715316759/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/02/blog-post_5799.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/9163400544715316759'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/9163400544715316759'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/02/blog-post_5799.html' title='চার সালাদ'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-1312559631213285444</id><published>2011-02-15T19:28:00.000-08:00</published><updated>2011-02-15T19:31:52.370-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Tips'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='korcha'/><title type='text'>বুঝেশুনে গ্যাস চালান</title><content type='html'>মিসেস  লুনা জামিলের রান্না শেষ কিন্তু গ্যাসের চুলা কিন্তু ঠিকই জ্বলছে। কেন  জ্বলছে জানেন? কারণ, তাকে বারবার চুলা জ্বালাতে হয় এবং ম্যাচের কাঠি খুব  দ্রুত শেষ হয়ে যায় বলে বিরক্ত হন। আমাদের প্রায় ঘরেই এমন একজন লুনা জামিল  আছেন, যিনি কয়েক পয়সার ম্যাচের কাঠি বাঁচাতে গিয়ে আমাদের অমূল্য সম্পদ  গ্যাস প্রতিনিয়তই অপচয় করে আসছেন। রাজধানীতে শুরু হয়েছে গ্যাস সঙ্কট এবং এর  অন্যতম কারণ হচ্ছে, আমাদের এই লুনা জামিলের মতো অবহেলা এবং অসচেতনতা। &lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;মূলত, আমাদের দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ সীমিত, অফুরন্ত নয়। এখনই গ্যাসের  অপচয় রোধ না করলে ভবিষ্যতে চাহিদা মেটাতে উচ্চমূল্যে বিদেশ থেকে গ্যাস  আমদানি করতে হবে। গ্যাস ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া আমাদের সকলেরই নৈতিক  দায়িত্ব। তাই, অল্প গ্যাস ব্যবহার করে কিভাবে সারবেন নিত্যদিনের কাজ, সে  বিষয়গুলো আমাদের আজকের আলোচনা_&lt;br /&gt;&lt;div class="b1"&gt;&lt;br /&gt;০০ ভাত ও ডাল রান্না করার আগে অন্তত আধা ঘণ্টা চাল ও ডাল ভিজিয়ে রাখুন, এতে তা তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০  গ্যাস সংকটের এই সময়টাতে মাড় না ফেলে ভাত রান্না করুন। পানি বেশি দিয়ে ভাত  রান্না করতে গেলে অল্প অাঁচের কারণে পানি ফুটতে অনেক সময় নেয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০  মাংস রান্না করতে গেলে আধাঘণ্টা আগে দই বা লেবুর রস দিয়ে মাংস ম্যারিনেট  করে রাখুন। এতে মাংস তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হবে এবং কিছুটা হলেও গ্যাসের অপচয়  কমবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ ঠান্ডা তরকারির বাটি গরম ভাতের পাতিলের ঢাকনার উপর বসিয়ে দিন, আলাদা চুলা জ্বালিয়ে তরকারি গরম করা লাগবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ সবজি বেশি বড় করে না কেটে কড়াইয়ে ঢাকনা দিয়ে অল্প অাঁচে রান্না করুন, সবজির গুণাগুণ অক্ষুণ্ন থাকবে এবং রান্না হবে তাড়াতাড়ি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ তামার বাসন খুব দ্রুত গরম হয়ে যায়, সম্ভব হলে তামার বাসনে রান্না করুন, এতে প্রচুর গ্যাস সাশ্রয় হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০  বাড়িতে প্রেসার কুকার বা রাইস কুকার থাকলে তাতে রান্না করুন গ্যাস এবং সময়  দুটিই বাঁচবে। নারকেল বা মাখন গলাতে চাইলে গ্যাস বন্ধ করে চুলা গরম থাকা  অবস্থায় এর ওপর বসিয়ে দিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ রান্না প্রায় শেষ হয়ে এলে চুলা বন্ধ করে দিন, চুলার তাপেই বাকি রান্নাটুকু শেষ হয়ে যাবে।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-1312559631213285444?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/1312559631213285444/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/02/blog-post_9087.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/1312559631213285444'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/1312559631213285444'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/02/blog-post_9087.html' title='বুঝেশুনে গ্যাস চালান'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-3481819604545394667</id><published>2011-02-15T19:27:00.000-08:00</published><updated>2011-02-15T19:28:42.871-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Tips'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='fashion'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='korcha'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='food'/><title type='text'>এই সময়ে বেশি করে পানি পান করুন</title><content type='html'>&lt;div class="b_h2"&gt;শরীরকে  সুস্থ, সুন্দর ও সতেজ রাখতে বেশি বেশি করে পানি খান। শুধু তেষ্টা পেলেই  পানি খাওয়া নয়, ঠিকমতো পানি খেতে হবে। গরমকালে নিয়ম মেনে পানি খাওয়া হলেও  শীতকালে অধিকাংশ সময়ই আমরা পানি খাওয়ার কথা ভুলে যাই। এটা একেবারেই ঠিক না।  এর ফলে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় আমাদেরকে। নিয়মিত পানি খেয়ে সুস্থ  থাকার কিছু পরামর্শ।&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;শীতকাল এলেই  আমাদের আর পানি খেতে ভালো লাগে না। তেষ্টা না পেলে আমাদের মনেই থাকে না  পানি খাওয়ার কথা। এটা করা একেবারেই ঠিক না। কম পানি খাওয়ার জন্য আমাদের  দেহে তৈরি হতে পারে নানা ধরনের সমস্যা। যেমন_হাতে-পায়ে ব্যথা, বদহজম,  মাথাব্যথাসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যা। তাই, গরম কালের মতো শীতকালেও নিয়ম মেনে  পানি খান। সুস্থ, সুন্দর ও সতেজ থাকতে পানির কোনো বিকল্প নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কেন পানি খাবেন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ কিডনিতে স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা কমাতে&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ হাই বস্নাড প্রেসার থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ মাথা ব্যথা সারাতে&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ ত্বক ভালো রাখতে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পানি কম খেলে কী হতে পারে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ পানির অভাবে ডিপ্রেশন দেখা যেতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ শরীরে পানির অভাবে মাইগ্রেনের সমস্যা একটা বড় কারণ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ কোনো শক্ত খাবারের সঙ্গে বেশ খানিকটা পানি খাওয়া উচিত। পানি হজমের জন্য খুবই দরকারি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ আমাদের মস্তিষ্কে তৈরি হওয়া অ্যানার্জির মাত্রা বেশকিছুটা হ্রাস পায়, শরীরের পানিশূন্যতা দেখা দিলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ কোষ্ঠকাঠিন্যের এক বড় কারণ কম পানি খাওয়া।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ পানি আমাদের ফুসফুসকে আর্দ্র করে নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের আনাগোনা সহজ করে তোলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ পানির অভাবে বর্জ্য পদার্থ জমে জমে কিডনি দুটিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ বুকজ্বালা থেকে অনেকটা রেহাই পাওয়া যায়, পানি খাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ পরিমাণমতো পানি খেলে ও এক্সারসাইজ করলে রিউমাটয়েড আথর্্রাইটিসের ব্যথাও কমে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ডিহাইড্রেশন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ ডিহাইড্রেশনের প্রথম ও প্রধান কারণ হচ্ছে, কম পানি খাওয়া।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে পড়া মাইল্ড ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ অত্যধিক পানির তেষ্টা পাওয়াও ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ ডিহাইড্রেশনের আরো একটি লক্ষণ হচ্ছে, এটি শরীরকে দুর্বল করে ফেলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;গর্ভাবস্থায় বেশি পানি খান&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গর্ভাবস্থায়  প্রথম ৩ মাস যে বমি বমি ভাব দেখা যায়, তা আসলে মা ও ভ্রুণের পানি খাওয়ার  প্রয়োজনীয়তার সংকেত। গর্ভের শিশুর যে পানির দরকার তার কোষবৃদ্ধির জন্য তা  মায়ের শরীর থেকেই আসে। গর্ভাবস্থায় পানির আরো অনেক উপকারিতা আছে।  গর্ভাবস্থায় পানির সাহায্য নিয়েই খাদ্য এবং পুষ্টি রক্তের মধ্য দিয়ে  ভ্রুণের শরীরে পেঁৗছায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ পানি বেশি করে খেয়ে গর্ভাবস্থায় যেসব সাধারণ অসুখ যেমন_বস্নাডার ইনফেকশন, কনস্টিপেশন খুব সহজেই প্রতিরোধ করা যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ পানিশূন্যতার জন্য ডেলিভারির সময় কন্ট্র্যাকশন বেশি হতে পারে এবং লেবার পেইনও তাড়াতাড়ি শুরু হয়ে যেতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ সারা দিন ধরেই ইউটেরাসে অ্যামনিয়টিক ফ্লুইড বদল হয়। সেজন্য গর্ভাবস্থায় বেশি পানি খাওয়া জরুরি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ শরীরে যথেষ্ট পরিমাণের পানি থাকা প্রয়োজন বুকের দুধ তৈরি হওয়ার জন্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কতটা পানি খাবেন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কতটা  পানি খাবেন তার কোনো নির্দিষ্ট মাপ নেই। দৈনিক কার্যাবলির উপর নির্ভর করে  কতটা পানি আপনার জন্য দরকার। সাধারণ অবস্থায় পুরুষদের জন্য প্রতিদিন ৩  লিটার বা ১২ গস্নাস পানি খাওয়া দরকার। আর মেয়েদের জন্য প্রতিদিন ২ লিটার বা  ৮ গস্নাস পানি খাওয়া দরকার। প্রতি ১৫ থেকে ২০ মিনিট এক্সারসাইজের পর ১  গস্নাস পানি খাওয়া উচিত। ডিহাইড্রেশনের সম্ভাবনা বেশি থাকে প্রেগনেন্সির  সময়। তাই, দিনে অন্তত ১০ গস্নাস পানি খাওয়া উচিত। যেসব মায়েরা বাচ্চাদের  ব্রেস্টফিড করাচ্ছেন তারা দিনে ১৩ গস্নাসের মতো পানি খাবেন। পরিষ্কার পানিই  সবচেয়ে সুরক্ষিত পানীয়।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-3481819604545394667?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/3481819604545394667/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/02/blog-post_15.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/3481819604545394667'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/3481819604545394667'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/02/blog-post_15.html' title='এই সময়ে বেশি করে পানি পান করুন'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-2177307929588900446</id><published>2011-02-06T03:14:00.000-08:00</published><updated>2011-02-06T03:15:10.425-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Tips'/><title type='text'>ব্যথানাশক হিসাবে তিল</title><content type='html'>তিল  খুব ভাল ব্যথানাশক। এতে সাত ধরনের ব্যথানাশক যৌগ রয়েছে। দাঁতের ব্যথায়  উপশম পেতে ও আপনি তিলকে বেছে নিতে পারেন। কিভাবে ব্যবহার করবেন? এক ভাগ  তিলের সাথে তিন ভাগ পানি নিয়ে সিদ্ধ করতে থাকুন। মিশ্রণটি শুকিয়ে অধের্ক  হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন। এবার ঠান্ডা করুন এবং সরাসরি দাঁতে মাখুন। ব্যাথা  সেরে যাবে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-2177307929588900446?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/2177307929588900446/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/02/blog-post_5645.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/2177307929588900446'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/2177307929588900446'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/02/blog-post_5645.html' title='ব্যথানাশক হিসাবে তিল'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-7631106711448064593</id><published>2011-02-06T03:12:00.000-08:00</published><updated>2011-02-06T03:13:48.374-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='relationship'/><title type='text'>বন্ধুত্ব না হোক শত্রুতা এড়িয়ে চলুন</title><content type='html'>ক্রিকেট  বিশ্বে ভারত-পাকিস্তান এবং ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার খেলার কোনো তুলনা নেই।  কারণ একটাই, তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। আমরা আমাদের চারপাশে অনেক  প্রতিদ্বন্দ্বী দেখে থাকি। সেই ছোটবেলার স্কুল থেকে তার শুরু এবং মৃতু্য  পর্যন্ত কারো না কারো সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই বাঁচি। আর তাই  স্বাভাবিকভাবেই আপনার কর্মক্ষেত্রেও থাকতে পারে আপনার অনেক প্রতিদ্বন্দ্বী,  যারা আপনার সহকর্মী। বিষয়টিকে নেতিবাচক না ভেবে কাজের অংশ হিসেবে নিন এবং  দক্ষতার সাথে পেশাদারি মনোভাব নিয়ে বিশেস্নষণ করে মোকাবিলার চেষ্টা করুন।&lt;br /&gt;&lt;div class="b1"&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;ছেলে  হাতে রেজাল্টশিট নিয়ে আনন্দে নাচতে নাচতে বাসায় ঢুকল। বাবা জিজ্ঞেস  করছেন_হ্যারে খোকা, পাশ করলি বুঝি? ছেলে হাসতে হাসতে বলল_হঁ্যা বাবা, আমি  ক্লাসে ২য় হয়েছি। বাবা জানতে চাইলেন, কতজন পরীক্ষার্থী ছিলরে? ছেলে জবাব  দিল_কেন বাবা, দুইজন। কৌতুকটা খুবই পরিচিত। এখানে গল্পটা বলার উদ্দেশ্য  প্রতিদ্বন্দ্বিতার গুরুত্ব বোঝানোর জন্য। সত্যি কথা বলতে কি,  প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়া কোনো বিজয়ের প্রকৃত আনন্দ নেই। আপনি একজন কর্মজীবী  মানুষ। আপনার কর্মক্ষেত্রে আরো অনেক কর্মজীবী আছেন যারা আপনার সহকর্মী।  হাতের পাঁচটি আঙুল যেমন সমান নয়, ঠিক তেমনি আপনার সহকর্মীরা আপনাকে না-ও  পছন্দ করতে পারে। এর অনেক কারণ থাকতে পারে। হয়তো আপনি তাদের চেয়ে একটু বেশি  স্মার্ট, কাজ করেন বেশি, আপনার বস আপনাকে পছন্দ করেন বেশি কিংবা এর  উল্টোটাও হতে পারে। এখানে মূলত কাজ করে ইগো বা হিংসা। আবার কিছু লোক আছে  ইগোটা যাদের বংশগত একটা অভ্যাস। এ ক্ষেত্রে আপনার ঘাবড়ে যাবার বা টেনশনের  কিছু নেই। কথায় বলে না রাতের অাঁধার যত ঘন হয়, জোছনার আলো ততটাই উপভোগ্য  হয়। যেখানে অাঁধার আছে সেখানে আলো থাকবেই। সুতরাং নো টেনশন। আপনার সহকর্মী  আপনাকে যা-ই ভাবুক, আপনি আপনার সুন্দর ব্যবহার আর ভালো গুণগুলোর মাধ্যমে  আপনার প্রতি তার ধারণা বা মনোভাব পরিবর্তনের চেষ্টা করুন। খেয়াল রাখুন,  আপনার সহকমর্ীরা যদি আপনার বন্ধু না-ও হয়, তারা যেন আপনার শত্রু না হয়!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দৃষ্টিভঙ্গিতে পেশাদারিত্ব আনুন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনার  সহকর্মীর মন আছে, সেই মন দিয়ে তার যা কিছু খুশি তা-ই ভাবতে পারেন। আপনি  আপনার সুন্দর মন দিয়ে বিষয়টিকে সহজভাবে নিন। আপনার সহকর্মীর  প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিজের ব্যক্তিগত না ভেবে একে অফিসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ  রাখুন। মনে করুন এটি কাজেরই একটা অংশ। তা ছাড়া সহকর্মীকে প্রতিদ্বন্দ্বী  ভেবে মনে ক্ষোভ নিয়ে একটা কিছু করতে গেলে দেখবেন আপনারই ক্ষতি। অফিসে আপনার  ইমেজ ও পারফরমেন্সেই ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তাই আপনার উচিত বিষয়টি সহজভাবে  নিয়ে আপনার নিজস্ব স্টাইল এবং গতিকে আপন মনে কাজ চালিয়ে যাওয়া।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিছু কিছু সহকর্মীকে এড়িয়ে চলুন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আগে  বলেছি, কিছু কিছু মানুষ থাকে যারা বংশগত বা পারিবারিক পরিবেশের অবদানে  মনের মধ্যে ইগো বা হিংসা লালন করে। এদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, এরা সবসময়  প্রায় সবার বেলায়ই নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করে। অন্যের সমালোচনা করে। এদের  সাথে দয়া করে খুব বেশি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়বেন না। কারণ, সুযোগ পেলেই আপনাকে  এরা মানসিকভাবে আঘাত করবে। আপনার এই কথা মানতে হবে। যিনি আপনার কাছে অন্যের  সমালোচনা করেন, তিনি নিশ্চয়ই অন্যের কাছে আপনার সামালোচনাও করতে পারেন,  কেননা এটা তার অভ্যাস। আর তাই একটু কষ্ট হলেও এদের এড়িয়ে চলাটাই আপনার  জন্যে উত্তম। তবে, সাবধান, কোনো নেতিবাচক বিষয় নিয়ে সহকর্মীদের সাথে বিতর্ক  বা আলোচনায় জড়াবেন না। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সম্পর্ক করুন পেশাদারিত্বে&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যেহেতু  মানুষ সমাজবদ্ধ জীব, তাই আশপাশের মানুষ ও পরিবেশের সাথে সে সম্পর্কে আবদ্ধ  হতে চায়। তার পরও আপনাকে মনে রাখতে হবে, অফিস আপনার কাজের জায়গা। আফিসে  সহকর্মীরা অনেকেই আপনার বন্ধু হতে পারে, তবে এই বন্ধুত্বে যেন কখনোই  ব্যক্তিগত সম্পর্কের আদান-প্রদানের মাত্রা বেশি না হয়। যতটুকু প্রয়োজন  ততটুকু ঘনিষ্ঠ থাকুন, এর বেশি নয় এর কমও নয়। আপনার সহকর্মী বন্ধুটিও যেন  বুঝতে না পারে, আপনি তাকে কিভাবে গ্রহণ করছেন_সে ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।  অর্থাৎ আপনাকে আপনার সহকর্মী বন্ধুর সাথে পেশাদারি মানসিকতা নিয়ে নিরাপদ  দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নিজেকে বিশেস্নষণ করুন এবং সতর্ক থাকুন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সহকর্মীদের  মধ্যে যারা আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী, তাদের মধ্যে এমন কেউ থাকতে পারে, যাদের  আপনার ভালো না-ও লাগতে পারে। আপনার সেই ভালো না লাগার কারণটা কী, খুঁজে বের  করার চেষ্টা করুন। ঐ ভালো না লাগা সহকর্মীর কোন কথা, আচরণ, ধরন, আপনার মনে  নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে, তা মনোযোগ সহকারে উপলব্ধি করার চেষ্টা করুন। যদি  আপনার কাছে কারণটি যুক্তিপূর্ণ মনে হয়, তবে সতর্কতার সাথেই ঐ সহকর্মীকে  এড়ানোর চেষ্টা করুন। যেহেতু আপনি তাকে পছন্দ কম করেন সেহেতু স্বাভাবিকভাবে  সেও আপনাকে পছন্দ করবে না। এবং আপনার ক্ষতি করার সুযোগের অপেক্ষায় থাকবে।  সুতরাং একটু সতর্ক থাকুন।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-7631106711448064593?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/7631106711448064593/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/02/blog-post_06.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/7631106711448064593'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/7631106711448064593'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/02/blog-post_06.html' title='বন্ধুত্ব না হোক শত্রুতা এড়িয়ে চলুন'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-7023898497442786022</id><published>2011-02-01T19:21:00.000-08:00</published><updated>2011-02-01T19:24:25.493-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Tips'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='lifestyle'/><title type='text'>কাজের উপযোগী অফিস</title><content type='html'>বর্তমানে  মানুষের কাজের পরিধি অনেক বেড়েছে। কর্মমুখর এই জীবনে দিনের একটা বড় সময়  ব্যয় করতে হয় কর্মক্ষেত্রে। তাই কর্মক্ষেত্রে কাজের পরিবেশটি বেশ  গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কর্মক্ষেত্রের সামগ্রিক পরিবেশকে না ধরে শুধু  কাজের স্থানটির জন্য কিছু সুবিধাজনক উপায় বা কৌশল বাতলে দিতে এই নিবন্ধে  রইলো কিছু প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা।&lt;br /&gt;&lt;div class="b1"&gt;কাজের জন্য কিছু  নির্দিষ্টভাবে ব্যবহূত আসবাবপত্র, এর অবস্থান, আপনার অবস্থান ইত্যাদি থাকে।  যার প্রত্যক্ষ প্রভাব কাজের ক্ষেত্রে পড়ে। সঠিকভাবে ব্যবহার না করলে এর  দীর্ঘমেয়াদী ফল হতে পারে চোখ, ঘাড়, পিঠ, আঙ্গুল, কোমর ও পায়ের সমস্যা। অথচ  একটু সচেতন থেকে যদি এসব সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করেন তবে আপনার কাজের  জন্য বহন করতে হবে না দৈহিক কোন সমস্যা।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সঠিকভাবে বসার নিয়ম&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অফিসিয়াল জবে কাজ করতে হয় বসে। একটা দীর্ঘ সময় বসে থাকার ফলে সৃষ্টি হয় কিছু সমস্যার। এর থেকে পরিত্রাণের জন্য যা করতে পারেন তা হলো:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ যে চেয়ারে বসে কাজ করবেন, তার উচ্চতা পরিবর্তনের ব্যবস্থা থাকতে হবে।&lt;br /&gt;০০  বসার জন্য রিভলভিং চেয়ার ব্যবহার করা উচিত। এতে আশেপাশে ঘুরে কাজ করা যায়।  ফলে আপনার মেরুদণ্ড বাঁকা করে পাশে ঘুরে কাজ করতে হয় না। আবার এই চেয়ারে  রিল্যাক্স করেও বসা যায়।&lt;br /&gt;০০ বসার সময় লক্ষ্য রাখবেন যেন আপনার হাঁটু আর হিপ সমান পজিশনে থাকে।&lt;br /&gt;০০ ব্যাক পেইন থেকে রক্ষা পেতে পিঠ সোজা করে বসবেন।&lt;br /&gt;০০ চেয়ারে ব্যাক সাপোর্ট পেতে তোয়ালে রোল করে অথবা কুশন ব্যবহার করতে পারেন ।&lt;br /&gt;০০ যতক্ষণ পর্যন্ত আরামদায়ক অনুভূতি না পাচ্ছেন, ততক্ষণ পর্যন্ত খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;পা রাখার সঠিক উপায়&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শরীরের  একটা গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হল পা। দীর্ঘদিন যদি অসুবিধা নিয়ে কাজ করেন তবে  নানা রকম শারীরিক সমস্যা হতে পারে। পা সুস্থ রাখতে যা করবেন তা হলো:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ চেয়ারে বসার পর চেষ্টা করুন পায়ের পাতা সমানভাবে মাটিতে রাখতে।&lt;br /&gt;০০ পায়ের জন্য ফুট-রেস্ট ব্যবহার করা উচিত। এতে আপনার মাসল ও জয়েন্ট অতিরিক্ত চাপ থেকে রক্ষা পাবে।&lt;br /&gt;০০ পা ভাঁজ করে বা এক পায়ের উপর চাপ দিয়ে বসবেন না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কম্পিউটার মনিটরের অবস্থান&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বর্তমান  প্রযুক্তির যুগে তাল মিলিয়ে চলতে আর দ্রুত কাজ করতে অফিসে কাজের জন্য  কম্পিউটার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারে কাজের জন্য যা  করবেন তা হলো:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ কম্পিটারের অবস্থান থাকবে চোখ থেকে ১২ থেকে ৩০ ইঞ্চি দূরে।&lt;br /&gt;০০ কমপক্ষে এক হাত দূরে মনিটর রেখে কাজ করা উচিত।&lt;br /&gt;০০ মনিটর আই লেভেলে রেখে কাজ করা উচিত। প্রয়োজনে বাড়তি স্ট্যান্ড অথবা মনিটরের নিচে কয়েকটি বই রেখে সমতা আনতে পারেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মনিটরের উজ্জ্বলতা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সরাসরি অনেকক্ষণ মনিটরে চোখ রেখে কাজ করার ফলে চোখের সমস্যা হতে পারে। তাই যা করতে হবে তা হলো:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ যতটা সম্ভব কম উজ্জ্বল মনিটর ব্যবহার করা উচিত।&lt;br /&gt;০০ সরাসরি সূর্য বা লাইটের আলো মনিটরে পড়ে না এমন জায়গায় রাখতে হবে।&lt;br /&gt;০০ সম্ভব হলে জানালার ডানদিকে মনিটর রাখুন। এতে চোখে আলোর চাপ কম পড়বে।&lt;br /&gt;০০ মনিটরের উজ্জ্বলতা এবং কন্ট্রাস্ট নিয়ন্ত্রণ করতে বাড়তি আই শেল্টার ব্যবহার করতে পারেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;আরও যা করণীয়&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কাজের  জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিজের সুবিধা অনুযায়ী গুছিয়ে রাখুন। পর্যাপ্ত  আলোর ব্যবস্থা রাখুন। সম্ভব হলে কিছু ইনডোর পস্ন্যান্ট রাখুন। ইনডোর  পস্ন্যান্টের সবুজ রঙ মনকে সজীব করে, যা কাজের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কর্মক্ষেত্রকে  কাজের উপযোগী করে তৈরি করলে কর্মদক্ষতাকে সঠিক ও পূর্ণভাবে কাজে লাগানো  যায়। অসুবিধাপূর্ণ পরিবেশে কাজে দীর্ঘসময় মনোনিবেশ করে রাখা যায় না। তাই  কাজের স্থানটিকে আপনার কাজের উপযোগী করে সাজিয়ে ফেলুন। আপনি যদি বস হন  তাহলে আপনি আপনার অধীনস্থ কর্মচারীদের সাথে এমন আচরণ করুন যাতে মনে হয় আপনি  আপনার কাস্টমারের সঙ্গে ব্যবহার করছেন। আপনি যদি কর্মচারী হন তাহলে যে  আপনার চেক সই করে তার সাথে অনুরূপ কাস্টমার সুলভ আচরণ করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;প্রয়োজনীয় কিছু পরামর্শ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কী  ভাবছেন ? নতুন কর্মযজ্ঞের পরিবেশ ? আধুনিক কর্পোরেট কালচারে সহকমর্ীদের  সাথে আপনার ব্যবহার দেখে মনে হবে তারা আপনারা কাস্টমার। অর্থাৎ সবার সঙ্গে  যুক্তি সঙ্গত আচরণ করুন। আপনার সহকমর্ীর সাথে আপনার কাস্টমার-ফোকাসড  অ্যাসেসমেন্টের উপর এখানে আটটি ধারণা দেয়া হলো যা আপনার ক্যারিয়ার এবং  ব্যবসায় সহায়তা করবে:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ আপনার কর্মচারীরা হচ্ছে প্রতিবিম্ব। যারা  আপনার জন্য কাজ করে তারা আত্মাহীন নয়। তাদের নানা আচরণেই নিজের চাকরি  সম্পর্কে তাদের অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ ঘটে। আপনি যদি আপনার ইমপস্নয়ির সাথে  ভদ্রতা ও সম্মানজনক আচরণ করেন যা আপনি আপনার কাস্টমারের সঙ্গে করেন, তাহলে  পরবতর্ীতে তাদের আচরণেও এটা প্রকাশ পাবে। 'হাউ টু থিংক লাইক দ্য ওয়ার্ল্ডস  গ্রেটেস্ট নিউ মিডিয়া মগলস' -এর লেখক মার্সিয়া লেটন টার্নার বলেন, আপনার  ইমপস্নয়ি আপনার বিজনেসের প্রতিবিম্ব। আপনি চান যে আপনার ইমপস্নয়ি আপনার  জন্য কাজ করে গর্বিত বোধ করুক। তারা যদি এখানে ভালো থাকে তাহলে এই বোধ  অন্যদের অর্থাৎ আপনার কাস্টমারদের মধ্যেও জাগবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ বিশ্বস্ত  কাস্টমার হিসেবে তাদের মূল্যায়ন করুন। তাহলে তারা আপনার সাথে থাকবে।  ক্লায়েন্টের মতো আপনি আপনার ইমপস্নয়িদের অংশগ্রহণ এবং সামর্থের কথা কখনও  ভুলে যাবেন না। উৎসাহ দেয়া ভালো তবে বাস্তব পুরস্কার আরো বেশি ভালো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০  কম্পেনসেশন/ক্ষতিপূরণ দেয়ার প্যাকেজ নিশ্চিত করুন, বোনাস প্রোগ্রাম চালু  করুন এবং এমন একটা পরিবেশ কোম্পানিতে বজায় রাখুন যাতে কমর্ীরা আপনার  ব্যবসাকে আপনার সাফল্যের সঙ্গে স্বকীয়ভাবে গড়ে তোলে এবং সাথে সাথে তাদের  নিজেদেরকেও এভাবে গড়ে তোলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ কথা-বার্তা বা আলাপ-আলোচনা সহজ নয়।  বেশিদিন আগের কথা নয়, যুক্তরাষ্ট্রের একজন ন্যাশনাল ফুটবল লীগ কোচের স্ত্রী  জানতে পারলেন যে তার স্বামীকে বেত মারা হয়েছে। সমস্যাটা ছিল এই যে, তিনি  এই খবরটা রেডিও প্রোগ্রামের মাধ্যমে জেনেছিলেন। এরকম কমিউনিকেশন মিসহ্যাপ  ছোট ব্যবসার জন্য ক্ষতির কারণ হয়। এজন্য এরকম যাতে না ঘটে তার ব্যবস্থা  নিতে হবে। আপনি যেমন আপনার কাস্টমারকে কোনো কিছু সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন,  সেরকম আপনার কর্মচারী/ ইমপস্নয়ীর সাথে নিয়মিত কথা বলুন। অনুরোধের ফিডব্যাক  দিতে হবে এবং তাদের নতুন প্রোডাক্টস, সার্ভিস অথবা প্রসিডিউর-এর সাথে  আপডেট করার সুযোগ দিতে হবে। 'তাদের জন্য কোনো কিছু করার আগে তাদের সম্পর্কে  জানতে হবে'। টার্নার বলেন, 'তাদের জন্য এটা বোঝা উচিত যে অন্য কেউ একটা  বিষয় সম্পর্কে জানার আগে তারা সেটা সম্পর্কে বলবে'।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ স্পষ্টবাদী  হতে হবে। আপনার এমন কাস্টমার থাকতে পারে যার ডিপেস্নাম্যাসি/কুটনীতি,  বাউন্সড চেক কমনসেন্স কিংবা সাধারন জ্ঞান আপনাকে বাধ্য করে তার সাথে  ব্যবসায় ভদ্রভাবে কোনো কিছু বলতে। একজন ইমপস্নয়ি যে আপনার আশানুরূপ কাজ  করছে না তাকেও আপনি এই দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখতে পারেন। নিম্নমানের কোনো  কর্মচারীকে বিদায় করতে সংকোচ করবেন না। এটা যতটা সম্ভব ভদ্রোচিতভাবে করতে  হবে। টার্নার বলেন, তাদেরকে নতুন কাজ খুঁজতে সাহায্য করুন, রেফারেন্সের  অফার দিন এবং ভালো কিছু করতে সাহায্য করুন। একজন অসন্তুষ্ট ফরমার ইমপস্নয়ি  ভালো বিজ্ঞাপনদাতা&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০০ আপনি যদি ইমপস্নয়ি হন তাহলে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা  করুন। একজন ইমপস্নয়ি হিসেবে কাজ আপনার উপর যা চাপিয়ে দেয়া হয় সেটা সম্পর্কে  সম্যক ধারণা থাকা উচিত।&lt;br /&gt;০০ ব্যবসায় অভিজ্ঞতা সীমাহীন অবাস্তব আশাকে ছাড়িয়ে যেতে বাধ্য করে। এটা একজন ইমপস্নয়ির ক্ষেত্রেও সত্য।&lt;br /&gt;০০ না বলতে ভয় পাবেন না।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-7023898497442786022?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/7023898497442786022/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/02/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/7023898497442786022'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/7023898497442786022'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/02/blog-post.html' title='কাজের উপযোগী অফিস'/><author><name>Israt</name><uri>http://www.blogger.com/profile/00754602994246218356</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6613481825451074445.post-1592459665964132577</id><published>2011-01-24T21:45:00.000-08:00</published><updated>2011-01-24T21:48:11.924-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='biye'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='korcha'/><title type='text'>গায়ে হলুদ</title><content type='html'>বাংলাদেশসহ  ভারতীয় বিয়ের আগে যেসব আনুষ্ঠানিকতা রয়েছে, তার অন্যতম প্রধান একটি হলো  গায়ে হলুদ। বাংলাদেশে আবহমান কাল থেকে পালিত হয়ে আসছে এই রীতি। তবে,  বর্তমানে যেমন জাঁকজমকপূর্ণভাবে গায়ে হলুদ পালিত হয়, প্রাচীনকালে সেভাবে  পালিত না হলেও বিয়ের আগের অন্যতম একটা প্রধান অনুষ্ঠান হিসেবে গায়ে হলুদের  ঐতিহ্য সহস্র বছরের পুরোনো। প্রায় ৪ হাজার বছর আগে থেকে মশলার পাশাপাশি  প্রসাধনী হিসেবে হলুদের ব্যবহার হয়ে আসছে। হলুদের গুণ হচ্ছে এটি সানস্ক্রিন  হিসেবে কাজ করে এবং ত্বকের পিএইচ নিয়ন্ত্রণ করে। কাঁচা হলুদ  অ্যান্টিসেপটিক হিসেবেও কাজ করে।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt; ত্বক পরিষ্কার ও উজ্জ্বল করতে সাহায্য  করে। জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হয় বিয়ের মাধ্যমে। জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ  ঘটনাটা স্মরণীয় করে রাখতে সবাই চায়। নারীর জীবনে এটি একটি প্রত্যাশিত  স্বপ্ন। তাই, বিয়ের সব আয়োজনই হওয়া চাই মনের মতো। আর বিয়ের অনুষ্ঠানের  সূচনাই হচ্ছে মেহেদি আর গায়ে হলুদের মধ্যদিয়ে।&lt;br /&gt;&lt;div class="b1"&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;হলুদের পোশাক&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;'গায়ে  হলুদ' নামটির সঙ্গে মিল রেখে আবহমান কাল থেকে বিয়ের কনেরা হলুদ রঙের শাড়ি  ব্যবহার করে আসছে গায়ে হলুদে। এক সময় গায়ে হলুদের জন্য নির্ধারিত ছিল  কেবলমাত্র হলুদ শাড়িই। বর্তমান সময়ে এ রকম ধারণার একটু পরিবর্তন হচ্ছে। এখন  কেবল হলুদ নয়, বরং একরঙা লাল, কাঁচা মেহেদির রং, সবুজও চলতে পারে। আমার  মনে হয়, সাদাও বেশ ভালো লাগবে। ফেব্রিক হতে পারে মসলিন, সিল্ক, কটন,  জামদানি। শাড়িতে খুব জমকালো কাজ না থাকলেই ভালো। এই অনুষ্ঠানে বরপক্ষের ও  কনেপক্ষের আত্মীয়রাও একই ধরনের বা রঙের কাপড় পরলেই ভালো লাগে। উভয়পক্ষকে  সহজেই আলাদা করা যায় এবং দেখতেও ভালো লাগে, অতীতে এই প্রচলনটাই ছিল। এ  আয়োজনের মাধ্যমেই বিয়ের অনুষ্ঠানের শুরু, তাই যতটা সম্ভব সুন্দর ও  রুচিসম্মতভাবে সাজা যায় ততই ভালো। এ অনুষ্ঠানে শাড়ি সাধারণত একপঁ্যাচেই  পরতে দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রেই শাড়ি পরার পরে মাথায় ঘোমটা দেওয়ার জন্য  অসুবিধা হয়ে যায়, সে ক্ষেত্রে মাথার আলাদা ওড়না রাখা যেতে পারে, হলুদের  অনুষ্ঠানেও মাথায় কাপড় রাখতেই হবে নইলে অসম্পূর্ণ লাগে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;হলুদের গহনা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হলুদের  শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে গহনা তৈরির চিন্তাটাও মাথায় রাখতে হবে। হলুদের সাজের  পূর্ণতা আনতে গহনা অবশ্যই জরুরি। সময়টা যেহেতু শীতকাল। তাই এখন ফুলের  মৌসুম। কাঁচা ফুলের গহনাই বেশি মানানসই এ ছাড়া শুকনো ফুলের সঙ্গে পুঁতি,  জরির কাজ, স্টোন দিয়ে তৈরি কৃত্রিম গহনাও কিনতে পাওয়া যায়। যা আপনার শাড়ির  রঙের সঙ্গে ম্যাচ করে অর্ডার দিয়ে বানিয়েও নিতে পারেন। যেমন গহনাই পরা হোক  না কেন, ফুলের আকার ছোট হলেই ভালো। সাজের একটু ভিন্নতা আনতে চাইলে রুপা বা  পুঁতির গহনাও পরতে পারেন। হাতে থাকতে পারে ফুলের গহনা, বাজুতে ফুল এবং  হাতভর্তি কাঁচের চুড়ি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সাজ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গায়ে হলুদের মেকআপ হালকা হলে  ভালো, কারণ, বিয়ের জন্য গর্জিয়াস মেকআপ করতে হবে। তা ছাড়া হলুদের অনুষ্ঠানে  একটা ঘরোয়া ভাব সবসময় বজায় থাকে। গায়ে হলুদে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হলুদ রঙের  শাড়ি পরানো হয়। তাই মেকাপে গোল্ডেন, ব্রাউন, ব্রোঞ্জ শেড ব্যবহার করলেই  ভালো লাগে। বেস-মেকআপ হালকা হলেই ভালো দেখায়, চোখের সাজে নিজের চোখটাকে  হাইলাইট করে তুলুন। গোল্ডেন, ব্রোঞ্জ, ব্রাউন আইশ্যাডো ব্যবহার করুন। সঙ্গে  গাঢ় করে আইলাইনার, মাশকারা ও আইলাশের ব্যবহার চোখ দুটোকে করে দেয় অনেক  বেশি প্রমিন্যান্ট। গালে ব্রাউন বস্নাশন শেড আর ঠোঁটে ন্যাচারাল লিপস্টিক।  গস্নস না লাগানোই ভালো। এমন লিপস্টিক সিলেক্ট করুন যা বেশিক্ষণ পর্যন্ত  থাকে এবং হলুদে অনেক মিষ্টি খাওয়ার পরেও তা অক্ষত থাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চেহারায়  বাড়তি একটি সোনালি আভা আনার জন্য ব্যবহার করুন গোল্ডেন ব্রাউন শিমার। চুলে  করতে পারেন খোঁপা, খোঁপায় পরতে পারেন ফুল। এ ছাড়া খোঁপার পরিবর্তে লম্বা  বিনুনি করে ফুলের মালা জড়িয়ে দিতে পারেন বেণীতে বা অন্য কোনোভাবে বেণীটিকে  ডেকোরেট করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মেহেদি&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিতে বিয়ের  অনুষ্ঠানে মেহেদি একটি বিশেষ স্থানে আছে। উৎসব, আনন্দ ও মেহেদি যেন একই  সুতোয় গাঁথা। হিন্দু, মুসলমান এমনকি বিভিন্ন ধর্মের সংস্কৃতিতে মেহেদির  প্রভাব লক্ষণীয়। এই হাত-রঞ্জিকার প্রধান কাজটিই হচ্ছে জীবনকে রাঙানো। হাতে  পায়ে নকশা করতে টিউব মেহেদি আজকাল বেশি জনপ্রিয়। সহজলভ্য বলে এর চাহিদাও  বেশি। বাটা মেহেদি দেওয়ার ক্ষেত্রে গতানুগতিক রীতিই প্রচলিত। হাতের তালু ও  আঙুলের মাথা রাঙানো হয়। এতে হাতের ও নখের ত্বক রঙিন হওয়ার পাশাপাশি উজ্জ্বল  হয় এবং ভালো থাকে। অগণিত আধুনিক সাজের মধ্যেও মেহেদি আছে। এবং থাকবে।  কেননা, কনের বিয়ের স্বপ্ন আর ভালোবাসা যে প্রকাশ পায় এর মধ্যে দিয়েই।  অনেকেরই ধারণা কনের হাতের মেহেদির রং যত গাঢ় হবে, তাদের ভালোবাসার ভিতও ততই  মজবুত হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিয়ের কনের ক্ষেত্রে হাতের কনুই পর্যন্ত জমকালো মেহেদি  প্রথাটাই বর্তমানে প্রচলিত আছে। অনেকেই আবার দুপায়ের হাঁটুর নিচ পর্যন্তও  মেহেদি ডিজাইন পছন্দ করেন। বর্তমানে মেহেদির ডিজাইনের ক্ষেত্রে জনপ্রিয়  অ্যারাবিয়ান ডিজাইন।এ ক্ষেত্রে কালো মেহেদি এবং সাধারণ মেহেদি দুটোই  ব্যবহার করা হয়। এ ক্ষেত্রে বর্ডারের রংটায় কালো মেহেদির ব্যবহার হয়। এবং  ভেতরের সূক্ষ্ম ডিজাইনটি হয় সাধারণ মেহেদির দ্বারা। এ ছাড়া হলুদের  অনুষ্ঠানে যদি মেহেদি পরতে চান, তা হলে ডিজাইনটিকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে  ব্যবহার করতে পারেন ফেব্রিক্স, স্টোন ও চুমকি_মেহেদির ডিজাইনের মধ্যে।  হলুদের দিন মেহেদি এবং হাতের উল্টোদিকে আলপনা করতে চাইলে টুকটুকে লাল গোল  ডিজাইন এবং তার সঙ্গে করতে পারেন হলুদ ও সবুজের ব্যবহার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হলুদে কনের  বন্ধু, বোন বা আত্মীয়রা মেহেদি পরতে চাইলে, ডিজাইনটি ব্যতিক্রম হলেই ভালো  লাগবে। সেক্ষেত্রে হাতের তালুভর্তি ডিজাইন বা এক লাইন ডিজাইন করতে পারেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মেহেদিতে অ্যালর্জির সমস্যা থাকলে সতর্কতা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কালো  মেহেদিতে অনেকেরই অ্যালার্জির কারণে র্যাশ বেরোয়। বিয়ের সময়ে এ কারণে কনের  হাতে এটি ব্যবহার না করাই ভালো। তবে ব্যবহার যদি করতেই হয়, তা হলে আগে  একবার ট্রাই করে দেখতে পারেন কালো মেহেদিতে আপনার স্কিনে অ্যালার্জি  বেরুচ্ছে কি না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অনেক সময় স্কিনে কাঁচা হলুদ পেস্ট লাগালেও র্যাশ  বেরোয় ও ত্বক চুলকায়। অনেকে আবার কাঁচা হলুদের গন্ধও সহ্য করতে পারেন না।  সে ক্ষেত্রে কাঁচা হলুদের সঙ্গে বাড়তি কিছু উপকরণ মিশিয়ে নিলেই এ সমস্যা  থেকে রেহাই পাওয়া যায়। গাজর, চালের গুঁড়া, মসুরের ডাল বাটা, বাদাম বাটা  প্রভৃতি যেকোনো উপকরণ বাটা হলুদের সঙ্গে মিলিয়ে নিলে র্যাশ থেকেও রেহাই  পাওয়া যাবে এবং এটি ত্বকের জন্যও ভালো হবে।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6613481825451074445-1592459665964132577?l=lifestylearts.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://lifestylearts.blogspot.com/feeds/1592459665964132577/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://lifestylearts.blogspot.com/2011/01/blog-post_9832.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/1592459665964132577'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6613481825451074445/posts/default/1592459665964132577'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://lifestyleart
